খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কে হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
কে হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী

সোমবার (২২ জুন) দেশটির সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা তুলে হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে অ্যান্ডি বার্নহাম সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং, সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী এঞ্জেলা রায়নারসহ বেশ কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন।

অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

লেবার পার্টির এমপিদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি অ্যান্ডি বার্নহ্যামের। জনমত জরিপ বলছে, লেবার পার্টির এমপির মধ্যে সাধারণ ভোটারদের কাছেও তিনি সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ। প্রায় এক দশক ধরে বার্নহাম গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার ঝুলিতে দীর্ঘকালের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এজন্য তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ হিসেবেও পরিচিত। সবশেষ গত শুক্রবার তিনি পার্লামেন্টের একটি আসনে জয় পান। এর মাধ্যমে তিনি লেবার পার্টি নিজের অবস্থান আরও পাকাপোক্ত

প্রধানমন্ত্রী পদে লড়াইয়ের জন্য তার অন্তত ৮১ এমপির সমর্থন প্রয়োজন হবে। শুক্রবারে জয়ের মাধ্যমে কিনি পার্লামেন্টে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছেন। ২০০১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি লি আসনের এমপি ছিলেন। ওই সময়ে কিনি স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

বার্নহ্যাম এর আগে আরও দুবার দলীয় প্রধান হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছিলেন। এরমধ্যে ২০১০ সালে এড মিলিব্যান্ডের কাছে এবং ২০১৫ সালে জেরেমি করবিনের কাছে পরাজিত হন তিনি।

ওয়েস স্ট্রিটিং

২০২৪ সালে লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসার পর ওয়েস স্ট্রিটিং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গত মে মাসে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এ দায়িত্ব পালনের আগে তিনি তিন বছর বিরোধী দলে থাকাকালীন ছায়া স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

স্ট্রিটিং ২০১৫ সালে তিনি প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি ন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ স্টুডেন্টসের প্রেসিডেন্ট এবং লন্ডনের কাউন্সিলর ছিলেন। বর্তমান তাকে দলের বাকপটু ও বিচক্ষণ নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এনএইচএসের ওয়েটিং লিস্ট বা চিকিৎসার অপেক্ষায় থাকা রোগীদের দীর্ঘ তালিকা কমিয়ে আনাকে তার অন্যতম সাফল্য।

দলের মধ্যপন্থি ও ডানপন্থি এমপিদের মধ্যে তার ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। তবে দলের ভেতর তার ‘ডানপন্থি’ ভাবমূর্তির কারণে সাধারণ সদস্যদের কাছে জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়তে পারে।

অ্যাঞ্জেলা রায়নার

অ্যাঞ্জেলা রায়নার যুক্তরাজ্যের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ রাজনীতিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী রাজনীতিবীদ। তিনি অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। এমনকি কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই ১৬ বছর বয়সে স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন। রাজনীতিতে তার এ উত্থান অবিশ্বাস্য ঘটনা।

একজন কেয়ার ওয়ার্কার হিসেবে কাজ করার সময় ‘ইউনিসন’ ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন। এটি তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। তিনি ২০১৫ সালে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের অ্যাশটন-আন্ডার-লাইন আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন।

এ সময় তিনি জেরেমি করবিনের ছায়া মন্ত্রিসভায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। ওই সময়ে তিনি ছায়া সরকারের আবাসন মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি গৃহনির্মাণ বৃদ্ধি ও ভাড়াটেদের অধিকার আমূল সংস্কারের ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন।

২০২৫ সালে রায়নার নাটকীয়ভাবে পদত্যাগ করেন। এ সময়ে কার বিরুদ্ধে একটি বাড়ি কেনার সময় যথাযথ ট্যাক্স পরিশোধ না করার অভিযোগ ওঠে। এরপরই তিনি পদত্যাগ করেন।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী

যুক্তরাজ্যের এসব হেভিওয়েট নেতা ছাড়াও আরও কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছেন। এরমধ্যে সাবেক জ্বালানি মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডও রয়েছেন। যদিও তিনি এ সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি বিবিসিকে বলেন, আমার জন্য সেই অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের নামও আলোচনায় আছে। তবে অভিবাসন নীতি নিয়ে তার কিছু সিদ্ধান্ত বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ফলে সাধারণ সদস্যদের সমর্থন পাওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। এছাড়া প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং সাবেক রয়্যাল মেরিন কর্মকর্তা আল কার্নসকেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

মেসি এখন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
মেসি এখন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা

ডালাসে ম্যাচের শুরুতেই আধিপত্য বিস্তার করে এগিয়ে গেল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির এক নান্দনিক ও চোখধাঁধানো গোলে অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগ ভেঙে ১–০ ব্যবধানে লিড নিলো আলবিসেলেস্তেরা।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডদের চেনা ছন্দ ও নিখুঁত পাসের সমন্বয়ে গড়া এই গোলটি স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজারো সমর্থককে উল্লাসে ভাসিয়ে দেয়।

এই গোলের মাধ্যমে মেসি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন। বিশ্বকাপে মেসির এখন ২৮ ম্যাচে গোলসংখ্যা ১৭টি। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ডটি এখন মেসির দখলে।

দলের এই দারুণ মুহূর্তটি গ্যালারিতে বসে সরাসরি উপভোগ করছেন আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা নায়ক মারিও কেম্পেস।

তবে ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি মিস করেন মেসি। ৭ম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি শটটি গোলবারের ডানদিকে দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়।

সন্ধানী বার্তা/এসআর/এএএন

মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেই চূড়ান্ত ফর্মে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সে দুর্দান্ত ফর্মে থেকেই আজ গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এ ম্যাচের শুরুতেই গোল করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক হওয়ার দারুণ এক সুযোগও এসেছিল তাঁর সামনে। তবে মেসি যেন প্রমাণ করলেন, ফুটবল জাদুকর হলেও তিনিও মানুষ। ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। তবে স্পটকিক কাজে লাগাতে না পারলেও ৩৮ মিনিটের মাথায় জালের দেখা পান তিনি, করেন ঐতিহাসিক গোল, মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে হয়ে যান বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক।

এরপর ম্যাচের একেবারে শেষ মূহুর্তে ইনজুরি টাইমে আরও এক গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলএমটেন। তাঁর জোড়া গোলেই অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই অস্ট্রিয়ার ডি বক্সে ফাউলের শিকার হন লাউতারো মার্তিনেজ। শুরুতে রেফারি বাঁশি না বাজালেও মার্তিনেজকে চোটে কাতরাতে দেখে খেলা থামান রেফারি।

এরপর ভিএআর চেকের সিদ্ধান্ত হয়। ভিএআরে চেক করে দেখার পর পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। আর স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন লিওনেল মেসি। তবে দলকে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

স্পটকিক হালকা চালে শট নিলেও তা লক্ষ্যে পাঠাতে পারেননি। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির নেওয়া শট চলে যায় গোলপোস্টের ডান দিকে বেশ বাইরে দিয়েই। পেনাল্টি মিস করে লজ্জার এক রেকর্ডেও নাম লিখিয়েছেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। ফিফার এ টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ডে এখন সবার উপরে আর্জেন্টাইন জাদুকরের নাম।

বিশ্বকাপে এতদিন ঘানার আসামোয়া জিয়ানের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ দুটি পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি। আজ অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে অনাকাঙ্খিত রেকর্ডটি রেকর্ডটি একার দখলে নিলেন। বিশ্বকাপে এখন সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ড মেসির। ২০১৮ বিশ্বকাপে আইসল্যান্ড, ২০২২ বিশ্বকাপে পোল্যান্ড এবং এবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করলেন। প্রথম দুবার গোলকিপার তাঁর শট ঠেকান। এবার মেরেছেন পোস্টের বাইরে।

এদিকে মেসির পেনাল্টি মিসের পর গোলের দেখা পেতে মরিয়া হয়ে লড়াই শুরু করে আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়াও জমাট রক্ষণে আলবিসেলেস্তেদের পরাস্ত করতে থাকে। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি অস্ট্রিয়ানরাও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল, তবে সেসব কাজে লাগাতে পারেনি দলটি।

এদিকে গোলের লক্ষ্যে মরিয়া আর্জেন্টিনা ১৯ মিনিটে গোলের দারুণ এক সুযোগ পায়। ম্যাচের ১৯ মিনিটে দারুণ এক পাসে মেসিকে বল এগিয়ে দিয়েছিলেন মার্তিনেজ। প্রতিপক্ষের বক্সের ভেতরে শট নেওয়ার সুযোগও ছিল আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির। তবে শেষ পর্যন্ত নিতে না পারায় গোলের সুযোগ বঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা। এরপর ম্যাচের ৩১ মিনিটেও মেসি ও এঞ্জো ফার্নান্দেজের রসায়নে আর্জেন্টিনার গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আর আর তা হয়নি।

এদিকে একের পর এক সুযোগ হারানোর পর অবশেষে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। বাঁ দিকের উইং থেকে দারুণ এক পাসে বল ডি বক্সে এগিয়ে দেন থিয়াগো আলমাদা। মাঝে ফাকুন্দো মেদিনার শট নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি না নিয়ে ডামি ক্রসে বল মেসির পায়ে দেন। আর দারুণ এক শট জালের ঠিকানা খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। সেই সঙ্গে ক্লোসাকে তপকে হয়ে যান বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি, ১৭টি গোলের মালিক। মেসির এই গোলেই এক গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

বিরতির পর ম্যাচের ৫৭ মিনিটে শুরুর একাদশে পরিবর্তন আনেন লিওনেল স্কালোনি। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোকে উঠিয়ে মাঠে নামান নিকোলাস ওতামেন্দিকে। এরপর ৬৪ মিনিটে দলে আরও দুই পরিবর্তন আনেন আর্জেন্টাইন মাস্টারমাইন্ড। লাওতারো মার্তিনেজ ও থিয়াগো আলমাদার বদলে মাঠে নামান হুলিয়ান আলভারেজ ও নিকো গঞ্জালেজকে। অস্ট্রিয়াও শুরুর একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনে।

এদিকে দুই দলই একাদশে পরিবর্তন আনলেও দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন ব্রেকের আগে তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কেউ। পানি পান বিরতির পর ৭৪ মিনিটে ম্যাচে প্রথম কর্ণার পায় আর্জেন্টিনা। মেসির বাড়িয়ে দেয়া বলে গোলের সুযোগ এসেছিল নিকো গঞ্জালেজের সামনে। তবে তিনি তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ৮১ মিনিটে গোলের সুযোগ এসেছিল অস্ট্রিয়ার। তবে মেদিনা কর্ণারের বিনিময়ে তা প্রতিরোধ করেন। ৮২ মিনিটে ডি পল এবং মেদিনার বদলে লিয়ান্দ্রো পারাদেস ও নিকোলাস তালিয়াফিকোকে মাঠে নামান স্কালোনি।

দুই দলই একাধিক পরিবর্তন আনলেও ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ যেন কিছুটা ঝিমিয়েই পড়েছিল। আর ঝিমিয়ে পড়া সেই ম্যাচ শেষের একেবারে আগমূহুর্তে ফের প্রাণ ফিরিয়ে আনেন মেসি। ইনজুরি টাইমের একেবারে শেষে দলের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।

যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে তখন অস্ট্রিয়া বক্সের ভেতরে ছোটখাটো একটা ঝড়ই বয়ে গেল তখন। সেই ঝড়ে শেষ পর্যন্ত মেসির মুখেই ফুটল শেষ হাসি। প্রথমে আলভারেজের শট অস্ট্রিয়া ডিফেন্ডারের গায়ে লাগল। ফিরতি বলটা পেলেন মেসি। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তাঁর শট ঠেকান আরেক ডিফেন্ডার। আবারও ফিরতি বলে মেসির শট এবং গোল করেন এলএমটেন। তাঁর এই গোলেই দ্বিগুণ হয় ব্যবধান। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা মাঠ ছাড়ে ২-০ গোলের দারুণ এক জয় নিয়ে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন শুধুই মেসির

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন শুধুই মেসির

আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে বসে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। দু’জনেরই বিশ্বকাপে গোল ১৬টি করে। আর একটি গোল করতে পারলেই এককভাবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন তিনি।

ম্যাচের ৯ম মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিলেন। কিন্তু পোস্টের ডান পাশে মেরে দিয়ে সেই রেকর্ড গড়া থেকে বঞ্চিত হলেন তিনি। এরপর আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিলেন। নিশ্চিত গোল মিস হলো। অস্ট্রিয়ার ডিফেন্স এবং গোলরক্ষক তাকে গোল করতে দিলেন না।

অবশেষে ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করলেন তিনি। আলমাদার কাছ থেকে বল পেয়ে মেদিনা সেটা এগিয়ে দেন মেসির কাছে। সঙ্গে সঙ্গেই বাঁ-পায়ের বুলেট গতির শট। অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক জায়গা থেকে নড়ারই সুযোগ পেলেন না। গোল হয়ে গেলো। বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে লিওনেল মেসির গোল এখন ১৭টি। এককভাবে তিনিই এখন উঠে গেলেন শীর্ষে।

আর্জেন্টিনাও এগিয়ে গেলো ১-০ গোলে। এ বিশ্বকাপে মেসির গোল হলো ৪টি।

কালের আলো/এম/এএইচ