খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলের ফাইনাল কাল

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলের ফাইনাল কাল

জেএফএ অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় যুব নারী ডেভলপমেন্ট ফুটবল প্রতিযোগিতার রাজশাহী ভেন্যুর ফাইনাল আগামীকাল। স্বাগতিক রাজশাহী ও গতবারের চ্যাম্পিয়ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দল আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল চারটায় ফাইনালে  রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে  একে অপরের মুখোমুখি হবে।

গতবছরও এ দু’টি দলই ফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল। ফাইনালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে রাজশাহীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। দল দু’টি এবারও ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তবে কি আবারও গতবছরের পুনরাবৃত্তি ঘটবে নাকি রাজশাহী গতবারের হারের প্রতিশোধ নিয়ে এবার চ্যাম্পিয়ন হবে? এ প্রশ্নের উত্তর মিলবে আগামীকাল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন শুধুই মেসির

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন শুধুই মেসির

আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে বসে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। দু’জনেরই বিশ্বকাপে গোল ১৬টি করে। আর একটি গোল করতে পারলেই এককভাবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন তিনি।

ম্যাচের ৯ম মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিলেন। কিন্তু পোস্টের ডান পাশে মেরে দিয়ে সেই রেকর্ড গড়া থেকে বঞ্চিত হলেন তিনি। এরপর আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিলেন। নিশ্চিত গোল মিস হলো। অস্ট্রিয়ার ডিফেন্স এবং গোলরক্ষক তাকে গোল করতে দিলেন না।

অবশেষে ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করলেন তিনি। আলমাদার কাছ থেকে বল পেয়ে মেদিনা সেটা এগিয়ে দেন মেসির কাছে। সঙ্গে সঙ্গেই বাঁ-পায়ের বুলেট গতির শট। অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক জায়গা থেকে নড়ারই সুযোগ পেলেন না। গোল হয়ে গেলো। বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে লিওনেল মেসির গোল এখন ১৭টি। এককভাবে তিনিই এখন উঠে গেলেন শীর্ষে।

আর্জেন্টিনাও এগিয়ে গেলো ১-০ গোলে। এ বিশ্বকাপে মেসির গোল হলো ৪টি।

কালের আলো/এম/এএইচ

দেশের সার্বিক রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করতে দিকনির্দেশনা বিএনএসিডব্লিউসি চেয়ারম্যানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
দেশের সার্বিক রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করতে দিকনির্দেশনা বিএনএসিডব্লিউসি চেয়ারম্যানের

শিল্পখাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে রাসায়নিক কেমিক্যালের অবাধ ব্যবহার বাড়ছে। সহজলভ্যতা থাকায় তৈরি হচ্ছে নানা কারখানা। অনেকক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় ঘটছে মারাত্মক সব দুর্ঘটনাও। ধ্বংস হচ্ছে বিপুল সম্পদ। ঘটছে বহু মানুষের প্রাণহানিও। এমন বাস্তবতায় দেশের সার্বিক রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহতকরণ ও রাসায়নিক দুর্ঘটনা মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমদানীকারক, ব্যবহারকারী, কাস্টমস ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ কার্যকরী ভূমিকা পালন করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) চেয়ারম্যান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান।

সোমবার (২২ জুন) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি) এর ২৬তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তৃতায় সুচিন্তিত ও সময়োপযোগী এসব নির্দেশনা প্রদান করেন বিএনএসিডব্লিউসি চেয়ারম্যান।

চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। পদাধিকারবলেই বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) চেয়ারম্যানও তিনি। নিজ দায়িত্বে আসীন হওয়ার পর এদিন প্রথমবারের মতো তিনি বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) সাধারণ সভাতে সভাপতিত্ব করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং বাহিনীসমূহ থেকে বিএনএসিডব্লিউসি’র সদস্যসহ ৪৩ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সভায় আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ও রাসায়নিক অস্ত্র (নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০০৬, বাংলাদেশ এর বিধিবিধান কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্য সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ও তফসিল বহির্ভূত স্বতন্ত্র জৈব রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিএনএসিডব্লিউসির সঙ্গে অনলাইনে নিবন্ধনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে দেশে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্য অবৈধ আমদানি ও অনলাইন ক্রয়-বিক্রয় প্রতিরোধ, তালিকাভুক্তির বিষয়ে অজ্ঞতা/সচেতনতার অভাব রোধে করণীয়, তালিকাভুক্তির ফি পুনঃনির্ধারণ, সক্ষম ল্যাবরেটরি এর সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ, বিএনএসিডব্লিউসি সফটওয়্যার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকরী ভূমিকার ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার; নিরাপদ, টেকসই ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতে গুরুত্ব

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার; নিরাপদ, টেকসই ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতে গুরুত্ব

বিস্তীর্ণ সমুদ্র অঞ্চলের সম্পদের সুরক্ষা এবং সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্রমধারা আরও গতিশীল রাখতেও হাইড্রোগ্রাফিক কর্মকাণ্ডের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। একই সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে সমুদ্র সচেতনতা বাড়াতে ও সুনীল অর্থনীতির বিকাশকে বেগবান করতে সমুদ্রভিত্তিক কার্যক্রমসমূহের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস’। বিশ্বব্যাপী হাইড্রোগ্রাফি পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার লক্ষ্যে ‘সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারও বাংলাদেশে পালিত হয়েছে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস’। সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ-বানৌজা ঢাকা’র মাল্টিপারপাস হলে দিবসটিকে ঘিরে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমুদ্রে দেশি-বিদেশি জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচল, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, ব্লু ইকোনোমির বিকাশ এবং সমুদ্রভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য-উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মত দেওয়া হয় সেমিনার। এ সময় বক্তারা সমুদ্র সম্পর্কিত তথ্যের যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর আদান-প্রদানের মাধ্যমে সমুদ্রসম্পদের নিরাপদ, টেকসই ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সমুদ্র ও নৌপথের সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করার বার্তা দেন। তিনি বলেন, উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি অর্জনের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’ বিশেষ অতিথি নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, সমুদ্রভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য-উপাত্তের গুরুত্বের বিষয়টি তুলে ধরেন। সেমিনারে সমুদ্র বিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার সদস্য, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাগণ, হাইড্রোগ্রাফি ও ওশানোগ্রাফি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গবেষণা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে সমুদ্র সংক্রান্ত তথ্যের আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনায় হাইড্রোগ্রাফির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ফুটিয়ে তোলা হয় সুনিপুণভাবে।

সমুদ্রে দেশি-বিদেশি জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচল, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, ব্লু ইকোনোমির বিকাশ এবং সমুদ্রভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য-উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা সামুদ্রিক গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় উন্নয়ন, মেরিন ডাটা ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য-উপাত্ত সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, মৎস্য ও খনিজ সম্পদ আহরণ, উপকূলীয় ভূমি ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রসীমা নির্ধারণ এবং সামুদ্রিক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ অন্যান্য উপকূলীয় রাষ্ট্রসমূহ সমুদ্র অঞ্চলকে আরও নিরাপদ, টেকসই ও উৎপাদনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

সরকার নীতিগতভাবে অফশোর এলাকায় কূপ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিচ্ছে
সেমিনারে প্রধান অতিথি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আক্ষেপ করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সমুদ্রসীমা সঠিকভাবে বুঝে পাওয়া গেলেও বিগত সরকারের উদাসীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সমুদ্রের খনিজ সম্পদ আহরণ সম্ভব হয়নি।’ এ সময় দেশের সমুদ্রসীমায় কূপ অনুসন্ধান ও উত্তোলনের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার নীতিগতভাবে অফশোর এলাকায় কূপ অনুসন্ধান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তীতে উত্তোলনের উদ্যোগ নিচ্ছে।’ সড়ক, নৌ ও রেল মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে থাকা এই মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আন্তজার্তিক আদালতে আমরা বিস্তীর্ণ সমুদ্র পেলাম, অঞ্চল পেলাম। সীমানা নিয়ে আমাদের প্রতিযোগী রাষ্ট্র যারা ছিল তারাও মেনে নিল। ভারত, বার্মা সেখানে অনুসন্ধান করেছে, প্রাকৃতিক সম্পদ পেয়েছে এবং তা উত্তোলনও করেছে। কিন্তু আমাদের সরকারের (বিগত সরকার) সিদ্ধান্তের কারণে সেখানে সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, সেই সুফল আমরা পাইনি।’

সমুদ্রের ডেটা শেয়ারিংকে অগ্রাধিকার দিতে হবে
আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘হাইড্রোগ্রাফি সংক্রান্ত উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং তথ্য-উপাত্তের প্রায়োগিক ব্যবহারের মাধ্যমে সমুদ্র সম্পদের নিরাপদ, টেকসই ও কার্যকরী ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নৌবাহিনী প্রধান বলেন, ‘ডিজিটাল প্লাটফর্ম, সুরক্ষিত কাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগীতার মাধ্যমে সমুদ্রের ডেটা শেয়ারিংকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই লক্ষ্যে আমরা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সমুদ্র বিজ্ঞান কেন্দ্রকে শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা যায়।’ তিনি বলেন, ‘যুক্তরাজ্য থেকে অত্যাধুনিক সমুদ্র জরিপ ও গবেষণা জাহাজ ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে সংযোজনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা দেশের হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ, সমুদ্র গবেষণা ও সামুদ্রিক তথ্য সংগ্রহ সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশ ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার (আইএইচও) এর ৭০তম দেশ হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ১৯৮৩ সাল থেকে দেশের সমুদ্র অঞ্চল ও সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন নদীপথে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নটিক্যাল চার্ট প্রকাশের দায়িত্ব পালন করে আসছে। কাগজে মুদ্রণের পাশাপাশি এসব চার্ট বর্তমানে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতেও প্রকাশিত হচ্ছে, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচলে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৭ মেয়াদে নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশন (এনআইওএইচসি)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। গত মে ২০২৬ মাসে কমিশনটির ২৫তম সম্মেলন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কালের আলো/এমএএএমকে