খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

‘আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রেখেছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
‘আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রেখেছে’

সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সেঁজুতি সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

জানা গেছে, ২০ জুন বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরিবারের একাধিক সদস্যের দাবি, রোববার রাতে তাদের কাছে একটি ফোনকল আসে, যেখানে সেঁজুতিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সোমবার সকালে স্থানীয়রা উপজেলা পরিষদ পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

নিহত সেঁজুতির বাবা ফালু চন্দ্র মালু বলেন, “আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রেখেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে সেঁজুতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

একযোগে পদত্যাগ করলেন ৭ ডেপুটি ও ১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
একযোগে পদত্যাগ করলেন ৭ ডেপুটি ও ১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। তারা অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে নিজ নিজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইমরুল কায়েস রানা। তিনি বলেন, ‘আমরা একযোগে ১৭ জন পদত্যাগ করেছি।’

তবে একসঙ্গে এতসংখ্যক আইন কর্মকর্তার পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এর আগে, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেজাউল করিম পদত্যাগ করেন। এছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমানও পদত্যাগ করেছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সালমান শাহর লাশ তোলার আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন

বিনোদন ডেস্ক, কালের আলো:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
সালমান শাহর লাশ তোলার আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন

মৃত্যুর ৩০ বছর পর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহর মরদেহ (লাশ) কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) মামলার বাদী আলমগীর কুমকুম ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে এ আবেদন করেন।

আবেদনটি মামলায় নথিভূক্ত রাখা হয়েছে। এর আগে গত ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ লাশ উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে এ আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ বছর পর সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দেন একই আদালত। দীর্ঘ তিন দশক পর লাশ তোলার এ আদেশ নিয়ে নানারকম আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এমতাবস্থায় এদিন সালমান শাহর মামা ও হত্যা মামলার বাদী আলমগীর কুমকুম আদালতের আদেশ বাতিল চেয়ে এই আবেদন করেন।

এ সংক্রান্ত মামলায় বাদীর অভিযোগ, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাদীর বোন নিলুফা জামান চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরী ও বোন জামাতা মৃত কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী তার ছোট ছেলে সালমান শাহ’র সঙ্গে দেখা করতে তার নিউ ইস্কাটন রোডস্থ বাসায় যান।

তখন তার স্ত্রী সামীরা হক এবং কর্মচারী আবুল জানান যে, সালমান শাহ ঘুমিয়ে আছেন। এসময় তারা তাদের গ্রিন রোডের বাসায় চলে যান। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার বাসা থেকে টেলিফোন করে জানানো হয়, সালমান শাহর যেন কী হয়েছে, তাড়াতাড়ি আসেন। খবর পেয়ে তারা দ্রুত নিউ ইস্কাটন রোডস্থ ইস্কাটন প্লাজা ১১/বি ঠিকানার বাসায় গিয়ে দেখেন যে, সালমান শাহ তার শয়নকক্ষে খাটের উপরে মরার মতো পড়ে আছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তারা সালমান শাহকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন। অতঃপর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সিলেটে হযরত শাহজালালের (র.) মাজার প্রাঙ্গণ কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এ সংক্রান্তে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। একাধিক সংস্থা ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে প্রতিবেদন দেয়। সবশেষ গত ২০ বছর অক্টোবর পিবিআই এর প্রতিবেদন গ্রহণ করে দেয়া আদেশ বাতিল করেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক। বাদী পক্ষের এ বিষয়ে করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত।

এরপর গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় আনা অভিযোগ হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন, সালমান শাহ’র স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭)। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো অনেককে আসামি করা হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে ১ হাজার ১৩৫ শিশুর শরীরে।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ৬৮৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৩ জন এবং হামের উপসর্গে ৫৯৩ জন মারা গেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২৬ জন শিশু। হামের উপসর্গ রয়েছে ১,০০৯ জনের মধ্যে। এই সময়ের মধ্যে ৯৭৩ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪ হাজার ৭৬৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৯৭।

মোট রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৭১৬ জন শিশু, যাদের মধ্যে ৭৪ হাজার ৯৭১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন