খুঁজুন
                               
, ,
           

যেভাবে ফাঁস হয় পরীমনি–সাকলায়েনের ভিডিও

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
যেভাবে ফাঁস হয় পরীমনি–সাকলায়েনের ভিডিও

সম্প্রতি চিত্রনায়িকা পরীমনি ও পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনের ভিডিও ফাঁসের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। আলোচিত এ ঘটনার জেরে বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাধ্যতামূলক অবসরের জন্য প্রস্তুত প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে। এখন সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। পরে রাষ্ট্রপতির আদেশে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে পরীমনি ও সাকলায়েনের সম্পর্ক এবং ভিডিওটি কীভাবে ফাঁস হয়েছিল তা নিয়ে।

জানা যায়, একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রথম ভিডিওটি আপলোড করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

ভিডিওটি কীভাবে ছড়িয়েছে, তা নিয়ে সে সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যেও প্রশ্ন দেখা দেয়।

যে ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিডিওটি প্রথম প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানে ক্যাপশনে লেখা ছিল—‘পরীমনি ও পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের গোপন ভিডিও’।

তৎকালীন বিভিন্ন সূত্র দাবি করে, ঈদের পর কোনো এক সময় পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের বাসায় ভিডিওটি ধারণ করা হয়। সে সময় সেখানে পরীমনি, তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি এবং গাড়িচালক উপস্থিত ছিলেন। ধারণা করা হয়, জিমিই ভিডিওটি ধারণ করেন। তবে এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সেসময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ভিডিওটি পুলিশের হাতে আসার কথা নয়। যিনি এটি ফাঁস করেছেন, তিনি উভয় পক্ষের পরিচিত কেউ হতে পারেন।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পেলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পেলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান 

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খানকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়েছে সরকার।

বুধবার (৮ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। প্রজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশ হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খানকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা প্রদান করেছে। এই পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতাদি ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন তিনি।

এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মানবাধিকার, সুশাসন ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে অত্যন্ত সুপরিচিত আইরিন খান। তার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে দক্ষতা বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কালের আলো/এসএকে

ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সিকিউরিটি গার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সিকিউরিটি গার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার

রাজধানীর ব্যস্ত সড়কের পাশে একটি ব্যাংকের এটিএম বুথ। প্রতিদিনের মতো সেখানেই দায়িত্ব পালন করেন এক সাধারণ সিকিউরিটি গার্ড আব্দুস সালাম। কিন্তু দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তার আরেকটি নীরব অভ্যাস ছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় হাতে ধানের শীষ নিয়ে সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। সেই দৃশ্য নীরবে লক্ষ্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীও। অবশেষে সেই আব্দুস সালামকে বিশেষ উপহার পাঠিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন রাজধানীর রমনা এলাকায় গিয়ে সেই সিকিউরিটি গার্ডের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার হাতে কিছু উপহারও তুলে দেন। এ সময় আব্দুস সালামের শারীরিক অবস্থা ও তার পরিবারের খোঁজখবর নেন তিনি।

আব্দুস সালামের বাড়ি পাবনার নগরবাড়ি ঘাট এলাকায়। অর্থাভাবে গত আট মাস ধরে রাজধানীর পুরাতন রমনা থানার সামনের একটি ব্যাংকের বুথে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক ছিলেন। স্ট্রোক করার পর তিনি আর গাড়ি চালাতে পারেন না। তারপর থেকেই গাড়ির স্টিয়ারিং ছেড়ে এই সিকিউরিটি গার্ডের কাজ নেন তিনি। অসুস্থ শরীর নিয়েই বিরতিহীনভাবে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা কাজ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় প্রতিদিন আব্দুস সালাম রমনা পুরাতন থানার কাছে বুথের সামনে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। তার এই নীরব শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার প্রকাশ একসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরও দৃষ্টিগোচর হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী তার অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারির আতিকুর রহমান রুমনকে ওই ব্যক্তির খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য উপহার নিয়ে পাঠান।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আব্দুস সালাম। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি কখনো কল্পনাও করিনি, এটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হবে আর প্রধানমন্ত্রী আমার জন্য উপহার পাঠাবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর বাবাকে ভালোবাসি, মাকে ভালোবাসি, প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। তিনি যখন এই পথ দিয়ে যান, আমি সব দিনই প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দেই, তিনিও আমাকে গাড়ির ভেতর থেকে হেসে সালামের উত্তর দেন। হাত নেড়ে শুভেচ্ছাও জানান। আজ আমার জীবনের সেরা দিন। সবচেয়ে আনন্দের দিন। প্রধানমন্ত্রী আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষকে উপহার পাঠিয়েছেন, এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে।’

একজন সাধারণ মানুষের নীরব ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক সাড়া স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। তারা বলছেন, দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন সাধারণ মানুষের আন্তরিক অনুভূতির এমন মূল্যায়ন নিঃসন্দেহে একটি ব্যতিক্রমী মানবিক দৃষ্টান্ত।

কালের আলো/এসএকে

নতুন ভিসানীতি চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
নতুন ভিসানীতি চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি

Oplus_131072

দেশের নতুন ভিসানীতির খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করতে আট সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটি খসড়া চূড়ান্ত করার পর তা আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

‘ভিসা পলিসি-২০২৬’ এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করতে কমিটি গঠন করে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিটির সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।

৮ সদস্যের এ কমিটি ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করবে। এছাড়া, প্রয়োজন হলে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে। প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিটির পরিমার্জনের পর ভিসা পলিসির খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করবে।

এর আগে গত ২ জুলাই ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভা বৈঠক উপস্থাপন করা হয়। ওই বৈঠকে খসড়াটি পরিমার্জনের জন্য কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

কালের আলো/এসএকে