খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

আগামী দুবছর সময় কঠিন যাবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
আগামী দুবছর সময় কঠিন যাবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি নানামুখী চাপে থাকায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতিরও তেমন ‘উন্নতি না মেলায়’ আগামী দুবছর সময় ‘কঠিন’ যাবে বলে সতর্ক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দুইবছর সময় ‘কঠিন যাবে’ আমি ‘আগেভাগে বলছি’। দুইটা বছর কষ্ট করতে হবে সবাই মিলে।

সোমবার (২২ জুন) ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) অডিটোরিয়াম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি)-এর সহযোগিতায় ‘দ্য ফিসকাল কম্পাস ২০২৬: বিয়ন্ড দ্য নাম্বার্স, শেপিং বাংলাদেশস ফিউচার, প্রপোজড ন্যাশনাল বাজেট ২০২৬-২০২৭’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বাজেট প্রণয়ন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিলো। আমাদের হাতে সময় ছিল মাত্র দেড় মাস, অথচ জনগণের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি।  ভারসাম্য রক্ষা করা কখনোই সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন দেশ অর্থনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মানুষ অর্থবহ পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে, তখন এই ভারসাম্য রক্ষা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, এই বাজেটের অন্যতম কেন্দ্রীয় ধারণা হলো অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ। নাগরিকরা কেবল নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে থাকবে না; তাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখার এবং সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, এবার আমরা বৃহত্তর অংশগ্রহণ, অন্তর্ভুক্তি এবং সুযোগ সৃষ্টির ভিত্তিতে একটি নতুন অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। এই দৃষ্টিভঙ্গির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সৃজনশীল অর্থনীতি। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক প্রতিভাবান মানুষ ও জনগোষ্ঠী রয়েছে, যাদের কাজ এখনো যথাযথ স্বীকৃতি ও সহায়তা পায়নি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বরিশালে শীতল পাটি তৈরির দক্ষ কারিগররা রয়েছেন, কিন্তু এই শিল্প এখনো তার পূর্ণ সম্ভাবনা অনুযায়ী বিকশিত হয়নি। আমরা দক্ষতা উন্নয়ন, বাজারে প্রবেশাধিকার এবং পণ্যের যথাযথ বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে এ ধরনের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করতে চাই।

আমির খসরু বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো স্থানীয় পণ্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়া। ই-বে এবং অ্যামাজনের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাংলাদেশের কারুশিল্পকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরা সম্ভব। একইভাবে, আমাদের সংগীতশিল্পী, বাউল শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং ঐতিহ্যভিত্তিক শিল্পগুলোরও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অসংখ্য ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ও সাংস্কৃতিক সম্পদ রয়েছে, যেগুলো বিশ্বদরবারে তুলে ধরা এবং অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তর করা সম্ভব। আমরা এমন একটি বাজেট প্রণয়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, যা তরুণ প্রজন্মকে সহায়তা করবে এবং তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করবে।

তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক বাধা কমাতে চাই, নাগরিকদের জন্য আরও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চাই এবং মানুষের অর্থনৈতিক জীবনে অংশগ্রহণ সহজ করতে চাই। একটি দেশ হিসেবে আমরা বহু বাধা ও সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা পাওয়ার অধিকার রাখে, শুধু রাজনৈতিক অর্থে নয়, বরং দৈনন্দিন অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনেও। কাজটি কঠিন, কিন্তু আমরা এটি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভঙ্গুর অবস্থা থেকে স্থিতিস্থাপক অবস্থায় পৌঁছাতে দুই বছর সময় লাগবে। তৃতীয় বছর হবে একটি ভালো সময়। আর চতুর্থ ও পঞ্চম বছর হবে সমৃদ্ধির বছর।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেস-এর ডিন প্রফেসর ড. এম. এ. বাকী খলিলী, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি ও ইভিন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস-এর চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ আবু আহমেদ, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যানকে এম মোজিবুল হক, ইউএপি-এর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া, অর্থনীতিবিদ ও বিআইজিডির প্রফেসরিয়াল ফেলো ড. সেলিম জাহান, অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকার মামুন রশীদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম, ট্রান্সকম লিমিটেডের গ্রুপ সিইও সিমিন রহমান, র‌্যাপিড-এর চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর নির্বাহী পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ পারভেজ করিম আব্বাসী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম, ব্যাংক এশিয়ার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের পরিচালক মেহতাব ওসমানী এবং ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া প্রমুখ।

কালের আলো/এসএকে

মেসি এখন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
মেসি এখন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা

ডালাসে ম্যাচের শুরুতেই আধিপত্য বিস্তার করে এগিয়ে গেল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির এক নান্দনিক ও চোখধাঁধানো গোলে অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগ ভেঙে ১–০ ব্যবধানে লিড নিলো আলবিসেলেস্তেরা।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডদের চেনা ছন্দ ও নিখুঁত পাসের সমন্বয়ে গড়া এই গোলটি স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজারো সমর্থককে উল্লাসে ভাসিয়ে দেয়।

এই গোলের মাধ্যমে মেসি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন। বিশ্বকাপে মেসির এখন ২৮ ম্যাচে গোলসংখ্যা ১৭টি। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ডটি এখন মেসির দখলে।

দলের এই দারুণ মুহূর্তটি গ্যালারিতে বসে সরাসরি উপভোগ করছেন আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা নায়ক মারিও কেম্পেস।

তবে ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি মিস করেন মেসি। ৭ম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি শটটি গোলবারের ডানদিকে দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়।

সন্ধানী বার্তা/এসআর/এএএন

মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেই চূড়ান্ত ফর্মে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সে দুর্দান্ত ফর্মে থেকেই আজ গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এ ম্যাচের শুরুতেই গোল করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক হওয়ার দারুণ এক সুযোগও এসেছিল তাঁর সামনে। তবে মেসি যেন প্রমাণ করলেন, ফুটবল জাদুকর হলেও তিনিও মানুষ। ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। তবে স্পটকিক কাজে লাগাতে না পারলেও ৩৮ মিনিটের মাথায় জালের দেখা পান তিনি, করেন ঐতিহাসিক গোল, মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে হয়ে যান বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক।

এরপর ম্যাচের একেবারে শেষ মূহুর্তে ইনজুরি টাইমে আরও এক গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলএমটেন। তাঁর জোড়া গোলেই অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই অস্ট্রিয়ার ডি বক্সে ফাউলের শিকার হন লাউতারো মার্তিনেজ। শুরুতে রেফারি বাঁশি না বাজালেও মার্তিনেজকে চোটে কাতরাতে দেখে খেলা থামান রেফারি।

এরপর ভিএআর চেকের সিদ্ধান্ত হয়। ভিএআরে চেক করে দেখার পর পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। আর স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন লিওনেল মেসি। তবে দলকে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

স্পটকিক হালকা চালে শট নিলেও তা লক্ষ্যে পাঠাতে পারেননি। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির নেওয়া শট চলে যায় গোলপোস্টের ডান দিকে বেশ বাইরে দিয়েই। পেনাল্টি মিস করে লজ্জার এক রেকর্ডেও নাম লিখিয়েছেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। ফিফার এ টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ডে এখন সবার উপরে আর্জেন্টাইন জাদুকরের নাম।

বিশ্বকাপে এতদিন ঘানার আসামোয়া জিয়ানের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ দুটি পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি। আজ অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে অনাকাঙ্খিত রেকর্ডটি রেকর্ডটি একার দখলে নিলেন। বিশ্বকাপে এখন সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ড মেসির। ২০১৮ বিশ্বকাপে আইসল্যান্ড, ২০২২ বিশ্বকাপে পোল্যান্ড এবং এবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করলেন। প্রথম দুবার গোলকিপার তাঁর শট ঠেকান। এবার মেরেছেন পোস্টের বাইরে।

এদিকে মেসির পেনাল্টি মিসের পর গোলের দেখা পেতে মরিয়া হয়ে লড়াই শুরু করে আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়াও জমাট রক্ষণে আলবিসেলেস্তেদের পরাস্ত করতে থাকে। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি অস্ট্রিয়ানরাও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল, তবে সেসব কাজে লাগাতে পারেনি দলটি।

এদিকে গোলের লক্ষ্যে মরিয়া আর্জেন্টিনা ১৯ মিনিটে গোলের দারুণ এক সুযোগ পায়। ম্যাচের ১৯ মিনিটে দারুণ এক পাসে মেসিকে বল এগিয়ে দিয়েছিলেন মার্তিনেজ। প্রতিপক্ষের বক্সের ভেতরে শট নেওয়ার সুযোগও ছিল আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির। তবে শেষ পর্যন্ত নিতে না পারায় গোলের সুযোগ বঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা। এরপর ম্যাচের ৩১ মিনিটেও মেসি ও এঞ্জো ফার্নান্দেজের রসায়নে আর্জেন্টিনার গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আর আর তা হয়নি।

এদিকে একের পর এক সুযোগ হারানোর পর অবশেষে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। বাঁ দিকের উইং থেকে দারুণ এক পাসে বল ডি বক্সে এগিয়ে দেন থিয়াগো আলমাদা। মাঝে ফাকুন্দো মেদিনার শট নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি না নিয়ে ডামি ক্রসে বল মেসির পায়ে দেন। আর দারুণ এক শট জালের ঠিকানা খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। সেই সঙ্গে ক্লোসাকে তপকে হয়ে যান বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি, ১৭টি গোলের মালিক। মেসির এই গোলেই এক গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

বিরতির পর ম্যাচের ৫৭ মিনিটে শুরুর একাদশে পরিবর্তন আনেন লিওনেল স্কালোনি। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোকে উঠিয়ে মাঠে নামান নিকোলাস ওতামেন্দিকে। এরপর ৬৪ মিনিটে দলে আরও দুই পরিবর্তন আনেন আর্জেন্টাইন মাস্টারমাইন্ড। লাওতারো মার্তিনেজ ও থিয়াগো আলমাদার বদলে মাঠে নামান হুলিয়ান আলভারেজ ও নিকো গঞ্জালেজকে। অস্ট্রিয়াও শুরুর একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনে।

এদিকে দুই দলই একাদশে পরিবর্তন আনলেও দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন ব্রেকের আগে তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কেউ। পানি পান বিরতির পর ৭৪ মিনিটে ম্যাচে প্রথম কর্ণার পায় আর্জেন্টিনা। মেসির বাড়িয়ে দেয়া বলে গোলের সুযোগ এসেছিল নিকো গঞ্জালেজের সামনে। তবে তিনি তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ৮১ মিনিটে গোলের সুযোগ এসেছিল অস্ট্রিয়ার। তবে মেদিনা কর্ণারের বিনিময়ে তা প্রতিরোধ করেন। ৮২ মিনিটে ডি পল এবং মেদিনার বদলে লিয়ান্দ্রো পারাদেস ও নিকোলাস তালিয়াফিকোকে মাঠে নামান স্কালোনি।

দুই দলই একাধিক পরিবর্তন আনলেও ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ যেন কিছুটা ঝিমিয়েই পড়েছিল। আর ঝিমিয়ে পড়া সেই ম্যাচ শেষের একেবারে আগমূহুর্তে ফের প্রাণ ফিরিয়ে আনেন মেসি। ইনজুরি টাইমের একেবারে শেষে দলের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।

যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে তখন অস্ট্রিয়া বক্সের ভেতরে ছোটখাটো একটা ঝড়ই বয়ে গেল তখন। সেই ঝড়ে শেষ পর্যন্ত মেসির মুখেই ফুটল শেষ হাসি। প্রথমে আলভারেজের শট অস্ট্রিয়া ডিফেন্ডারের গায়ে লাগল। ফিরতি বলটা পেলেন মেসি। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তাঁর শট ঠেকান আরেক ডিফেন্ডার। আবারও ফিরতি বলে মেসির শট এবং গোল করেন এলএমটেন। তাঁর এই গোলেই দ্বিগুণ হয় ব্যবধান। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা মাঠ ছাড়ে ২-০ গোলের দারুণ এক জয় নিয়ে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন শুধুই মেসির

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন শুধুই মেসির

আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে বসে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। দু’জনেরই বিশ্বকাপে গোল ১৬টি করে। আর একটি গোল করতে পারলেই এককভাবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন তিনি।

ম্যাচের ৯ম মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিলেন। কিন্তু পোস্টের ডান পাশে মেরে দিয়ে সেই রেকর্ড গড়া থেকে বঞ্চিত হলেন তিনি। এরপর আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিলেন। নিশ্চিত গোল মিস হলো। অস্ট্রিয়ার ডিফেন্স এবং গোলরক্ষক তাকে গোল করতে দিলেন না।

অবশেষে ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করলেন তিনি। আলমাদার কাছ থেকে বল পেয়ে মেদিনা সেটা এগিয়ে দেন মেসির কাছে। সঙ্গে সঙ্গেই বাঁ-পায়ের বুলেট গতির শট। অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক জায়গা থেকে নড়ারই সুযোগ পেলেন না। গোল হয়ে গেলো। বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে লিওনেল মেসির গোল এখন ১৭টি। এককভাবে তিনিই এখন উঠে গেলেন শীর্ষে।

আর্জেন্টিনাও এগিয়ে গেলো ১-০ গোলে। এ বিশ্বকাপে মেসির গোল হলো ৪টি।

কালের আলো/এম/এএইচ