দেশের সার্বিক রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করতে দিকনির্দেশনা বিএনএসিডব্লিউসি চেয়ারম্যানের
শিল্পখাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে রাসায়নিক কেমিক্যালের অবাধ ব্যবহার বাড়ছে। সহজলভ্যতা থাকায় তৈরি হচ্ছে নানা কারখানা। অনেকক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় ঘটছে মারাত্মক সব দুর্ঘটনাও। ধ্বংস হচ্ছে বিপুল সম্পদ। ঘটছে বহু মানুষের প্রাণহানিও। এমন বাস্তবতায় দেশের সার্বিক রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহতকরণ ও রাসায়নিক দুর্ঘটনা মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমদানীকারক, ব্যবহারকারী, কাস্টমস ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ কার্যকরী ভূমিকা পালন করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) চেয়ারম্যান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান।
সোমবার (২২ জুন) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি) এর ২৬তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তৃতায় সুচিন্তিত ও সময়োপযোগী এসব নির্দেশনা প্রদান করেন বিএনএসিডব্লিউসি চেয়ারম্যান।
চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। পদাধিকারবলেই বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) চেয়ারম্যানও তিনি। নিজ দায়িত্বে আসীন হওয়ার পর এদিন প্রথমবারের মতো তিনি বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) সাধারণ সভাতে সভাপতিত্ব করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং বাহিনীসমূহ থেকে বিএনএসিডব্লিউসি’র সদস্যসহ ৪৩ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সভায় আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ও রাসায়নিক অস্ত্র (নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০০৬, বাংলাদেশ এর বিধিবিধান কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্য সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ও তফসিল বহির্ভূত স্বতন্ত্র জৈব রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিএনএসিডব্লিউসির সঙ্গে অনলাইনে নিবন্ধনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে দেশে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্য অবৈধ আমদানি ও অনলাইন ক্রয়-বিক্রয় প্রতিরোধ, তালিকাভুক্তির বিষয়ে অজ্ঞতা/সচেতনতার অভাব রোধে করণীয়, তালিকাভুক্তির ফি পুনঃনির্ধারণ, সক্ষম ল্যাবরেটরি এর সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ, বিএনএসিডব্লিউসি সফটওয়্যার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকরী ভূমিকার ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
কালের আলো/এমএএএমকে



আপনার মতামত লিখুন
Array