খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে প্রায় এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে বহু ভবন ধ্বংসস্তূপে রূপ নিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে ধীরগতির অভিযোগ করছেন দেশটির সাধারণ মানুষ। খবর সিএনএনের।

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের ভাই হোর্হে রদ্রিগেজ দেশটির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার তিনি জানান, সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জন হয়েছে।

এর আগে দেলসি রদ্রিগেজ ভূমিকম্পে প্রায় তিন হাজার মানুষ আহত হওয়ার তথ্য দেন। গত শুক্রবার (২৬ জুন) ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়ারা রাজ্য পরিদর্শনকালে তিনি জানান, বিদেশি উদ্ধারকারী দলগুলো সেখানে পৌঁছাতে শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) আশঙ্কা, এই ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে আনুমানিক কত মানুষ নিহত হতে পারেন, সে তথ্য দেওয়া না হলেও নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা একটি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৬০০ জনের নাম যুক্ত করা হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পে ২৫০টি ভবন ধ্বংস বা বিধ্বস্ত হওয়ার নিশ্চিত খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আটটি হাসপাতাল, রেডক্রস ভবন ও ফরাসি দূতাবাস ভবন রয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

এর মাত্র ৪০ সেকেন্ড পর রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে আরও শক্তিশালী ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। এই ভূমিকম্পকে দেশটির গত ১২৫ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী বলে আখ্যা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

এক বছরের মধ্যে বদলে যাবে ধানমন্ডি-হাতিরঝিল লেক: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
এক বছরের মধ্যে বদলে যাবে ধানমন্ডি-হাতিরঝিল লেক: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

রাজধানীর ধানমন্ডি ও হাতিরঝিল লেককে আরও পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন ও জনবান্ধব করে তুলতে সরকার সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ধানমন্ডি লেকে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে হাতিরঝিলেও চলমান সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

শনিবার (২৭ জুন) হাতিরঝিল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর লেকগুলো অব্যবস্থাপনার মধ্যে ছিল। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। এখন সমন্বিতভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ধানমন্ডি লেক সুন্দর একটি লেকে পরিণত হবে। অন্যদিকে প্রায় এক মাস ধরে হাতিরঝিল লেকে উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। আমরা নিয়মিত এ কার্যক্রম পরিদর্শন ও তদারকি করছি।

হাতিরঝিলের পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় ও নিরাপদ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, সেখানে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লেকের দুই পাশে মাটি ফেলে সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর যাতে কোনো হকার সেখানে বসতে না পারে, সেজন্য আনসার সদস্য মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তিনি আরও বলেন, রেস্টুরেন্ট, বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন কোয়ার্টারে ৫০ শতাংশের বেশি স্থানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, নগরবাসীকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে প্রতি শনিবার উপজেলা পর্যায়ের সব স্কুল ও কলেজে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটি জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির অংশ।

মীর শাহে আলম বলেন, সরকার দেশের মানুষকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দিতে কাজ করছে। আমরা বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না। তবে অবশ্যই একটি বাসযোগ্য দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজশাহীর বিসিক লিংক রোড দখল করে চলছে কাঠের ব্যবসা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
রাজশাহীর বিসিক লিংক রোড দখল করে চলছে কাঠের ব্যবসা

রাজশাহী নগরীর বিসিক লিংক রোড দখল করে অবাধে চলছে কাঠের ব্যবসা। দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে কাঠের ব্যবসা চলতে থাকায় একদিকে যেমন পথচারীদের দুর্ভোগ বেড়েছে অন্যদিকে তেমনি নষ্ট হচ্ছে রাস্তার সৌন্দর্যও। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে কোন মাথাব্যথা নেই।

নগরীর বিজিবি সেক্টর হেড কোয়ার্টার গেট থেকে বিসিক ভবন পর্যন্ত বিসিক লিংক রোডের অবস্থান। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এই রোডের অনেকটা অংশ জুড়েই ফেলে রাখা হয়েছে কাঠের গুড়ি। কাঠের গুড়ি যেমন ফেলে রাখা হয়েছে ফুটপাত জুড়ে তেমনি রাখা হয়েছে রাস্তার উপরেও।

বিসিক লিংক রোডটি একসময় এক লেনের অত্যন্ত সরু একটি রাস্তা ছিল। রাস্তাটি সেই সময় ভেঙেচুরে একাকার হয়ে গিয়েছিল। যানবাহন চলাচলে মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হতো। বর্তমানে রাস্তাটি তিন লেনের করা হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি লেন দিয়ে ভারি যানবাহনসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে।

অন্য লেনটি করা হয়েছে হালকা যানবাহনসহ পথচারী চলাচলের জন্য। আর এই লেনের একটা বড় অংশ জুড়ে কাঠের গুড়ি ফেলে রেখে করা হচ্ছে কাঠের ব্যবসা। জানা গেছে, আব্দুর রাজ্জাক নামের ওই কাঠ ব্যবসায়ীর সেখানে একটি স’মিল আছে।

আর এই স’মিলের ব্যবসা চালানোর জন্যই মূলত কাঠের গুড়িগুলো আনা। অনেকে এখান থেকে কাঠ ক্রয়ও করে থাকেন। কাঠের গুড়ির আঘাতে ফুটপাতে বসানো টাইলসগুলো ভেঙে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন তিন লেনের এই রাস্তাটির দু’টি লেন মাঝে মধ্যে ঝাড়ু দেয়া হলেও তৃতীয় লেনটি কখনোই ঝাড়ু দেয়া হয় না। ফলে সেটি ময়লা আবর্জনায় একাকার হয়ে গেছে। এছাড়া এখানে দু’টি মোটর গ্যারেজ থাকায় রাস্তার উপরেই যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

রাস্তা ও ফুটপাতের উপর এখন দোকানপাটও বসতে শুরু করেছে। এছাড়া লেনের পাশে যেখানে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে বাঁশ পুঁতে দড়ি টানিয়ে জামা কাপড় মেলার ব্যাবস্থাও করা হয়েছে যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু লাগছে। কাঠগুলো ফুটপাত ও রাস্তার উপরে এমনভাবে ফেলে রাখা হয়েছে যে জনসাধারণের চলাচলে মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তার সৌন্দর্যও নষ্ট হচ্ছে।

কয়েকজন পথচারী জানিয়েছেন, যানবাহন ও মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য রাস্তাটি প্রশস্ত করা হলেও এসব কারণে তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। রাস্তা প্রশস্ত করার সুবিধা জনসাধারণ পুরোপুরি ভোগ করতে পারছে না। এখানে কোন উচ্ছেদ অভিযানও চালানো হয়না বলে তাদের অভিযোগ।

এ ব্যাপারে স’মিল মালিক আব্দুর রাজ্জাকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘তার মিলে কাঠ রাখার পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা না থাকায় তিনি কাঠগুলো ফুটপাত ও রাস্তার উপরে রেখেছেন’।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি

 

ইতালিতে এক বাংলাদেশি পরিবারের ৩ সদস্য খুন, গুরুতর আহত বড় ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
ইতালিতে এক বাংলাদেশি পরিবারের ৩ সদস্য খুন, গুরুতর আহত বড় ছেলে

ইতালির রাজধানী রোমে দুষ্কৃতিকারীর ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন এক বাংলাদেশি পরিবারের ৩ সদস্য এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৯ টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলের পিনেতা সাচেত্তি সংলগ্ন ভিয়া মন্তিগ্লো এলাকায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ঘটেছে এ ভয়াবহ ঘটনা।

নিহতদের মধ্যে পরিবারের কর্তা কামাল হোসেনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার বসুরহাটে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সপরিবারে ইতালিতে বসবাস করে আসছিলেন।

নিহত বাকি ২ জন হলেন কামাল হোসেনের স্ত্রী এবং ৫ বছর বয়সী মেয়ে। দুষ্কৃতিকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন কামাল হোসেনের বড় ছেলে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় গণমাধ্যমসূত্রে জানা গেছে, সেদিন রাতে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি অস্ত্র হাতে ওই ফ্ল্যাটে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীর অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন কামাল হোসেন, তার স্ত্রী এবং তাদের ৫ বছর বয়সি কন্যাসন্তান।

এসময় কামালের বড় ১৮ বছর বয়সী বড় ছেলে হামলাকারীকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় সে সাহায্যের জন্য ফ্ল্যাট থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও ইতালির বিশেষ পুলিশ বাহিনী কারাবিনিয়েরির সদস্যরা পৌঁছে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার বড় ছেলেকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে অভিযান শুরু করেছে রোম পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং হামলাকারীকে গ্রেপ্তারে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ইতালীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ছেলেটি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।

ইতালীয় পুলিশের বিশেষ তদন্ত ইউনিট এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, এটি পরিকল্পিত কোনো হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি নাকি ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতার জেরে ঘটেছে- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘাতককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় বাংলাদেশিরা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ঘাতককে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। রোম পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, “এটি মর্মান্তিক, লোমহর্ষক অপরাধ। অপরাধীকে গ্রেপ্তারে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছি।”

ইতালীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে নিহতদের পরিচয় ও মামলার বিস্তারিত তথ্য এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে অগ্রগতির বিষয়ে পরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি