খুঁজুন
                               
, ,
           

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ৪৩ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ৪৩ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে চলমান ‘অপারেশন শাবান’-এ ‘ভারত-সমর্থিত’ আরও ১৭ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এর ফলে এ অভিযানে মোট নিহত সশস্ত্র ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, মাঙ্গি বাঁধ পুলিশ স্টেশনে হামলার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কর্পস এবং বেলুচিস্তান পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে।

এর আগে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ‘ভারত-সমর্থিত’ সশস্ত্র ব্যক্তিরা ওই পুলিশ চৌকিতে হামলা চালায়।

প্রাথমিক সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যরা প্রতিরোধ গড়ে তুলে ১৫ জন হামলাকারীকে হত্যা করেন। তবে এ সময় ৯ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন।

তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে জিম্মি করে। জিম্মিদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাহিনী সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালায়।

চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, ৬ জুলাই থেকে জিয়ারাত জেলার পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলছিল। অবরোধ আরও কঠোর হলে হামলাকারীরা ১৮ জন জিম্মি পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে। মাঙ্গি চেকপোস্টে হামলায় মোট ২৭ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন এবং ওই অভিযানে ২৬ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়।

এদিকে নিরাপত্তা সূত্র জানায়, খুজদারের একটি পুলিশ স্টেশনে হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। এর জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও ফ্রন্টিয়ার কর্পস অভিযান চালিয়ে আরও ৮ জন সশস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা করেছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, গত ৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন শাবান’ এবং অন্যান্য গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৯১ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়েছে।

এ ছাড়া হেলিকপ্টার অভিযানেও আরও ৫ থেকে ৬ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র: জিও নিউজ

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পাঁচ জেলায় ভূমিধসের শঙ্কা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ জেলায় ভূমিধসের শঙ্কা

অতি ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ভূমিধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া এক পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, ভারতের মধ্য উত্তর প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপ এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় প্রবল মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ১১ থেকে ১২ জুলাই দেশের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

এসময় কক্সবাজার, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গাণিতিক মডেলের বিশ্লেষণ অনুযায়ী অতি বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনকে আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা, জরুরি বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা এবং দ্রুত জনগণের মধ্যে সতর্কবার্তা প্রচারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ঢাল ও বসতি থেকে দ্রুত নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পূর্বাভাসে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সময় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ, টর্চলাইট, মোমবাতি, ম্যাচ, অন্তত তিন দিনের কাপড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মোবাইল ফোন চার্জ দিয়ে রাখা ও পাওয়ার ব্যাংক প্রস্তুত রাখতেও বলা হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় পরিবার, প্রতিবেশী, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি নদী ও ঝিরির কাছাকাছি অবস্থান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

একইসঙ্গে ঘরের আশপাশের নালা ও পানি নিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার রাখা এবং গবাদিপশু ও পোষা প্রাণীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিত আবহাওয়া ও দুর্যোগের পূর্বাভাস পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বন্ধের অঙ্গীকার চায় যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বন্ধের অঙ্গীকার চায় যুক্তরাষ্ট্র

উত্তেজনার মধ্যেই আবারও আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে আলোচনার আগে তেহরানের কাছে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার ঘোষণা এবং বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালানো বন্ধের প্রকাশ্য প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ওয়াশিংটন।

শনিবার ওমানে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে এ বিষয়টিকে অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে তুলে ধরা হবে।

মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, ইরান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালানোর ঘটনাটি ছিল ‘ভুল’। তেহরানের দাবি, এ ঘটনার জন্য তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা একটি গোষ্ঠী দায়ী।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হলেও উভয় পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।

গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায়। ওই চুক্তির অংশ হিসেবে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল ইরান।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, ইরান দাবি করেছে, একদল ‘বিচ্যুত’ কট্টরপন্থি আলোচনাকে ভণ্ডুল করার উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়েছিল।

এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা আলোচনায় ফিরে এসে বলেছে, আমরা ভুল করেছি। এটি আমাদের ভুল ছিল। চলুন, আলোচনা চালিয়ে যাই।’

শুক্রবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরানের নেতৃত্বের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে। এতে ইরানকে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকার ঘোষণা দিতে এবং বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালানো বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিতে বলা হয়েছে। রয়টার্সের উদ্ধৃতিতে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা হয় আমাদের সেই বিবৃতি দেবে, না হলে তাদের জন্য ফল ভালো হবে না।’

আজ ওমানে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমানো এবং নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে শুক্রবার কাতারের একটি প্রতিনিধি দল ইরান সফর করেছে।

শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান আমাদের কাছে আবারও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছে। আমরা তাতে সম্মত হয়েছি। তবে আমরা তাদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছি, যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে।’

শুক্রবার নতুন কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি। তবে সপ্তাহের শুরুতে উপসাগরীয় অঞ্চলে যে সংঘর্ষ শুরু হয়, তা জুনে অন্তর্বর্তী চুক্তি হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওমানের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের সুপারিশ করা নৌপথ ব্যবহার করার সময় তিনটি জাহাজ হামলার শিকার হয়। অন্যদিকে ইরান বারবার দাবি করে আসছে, তাদের জলসীমা দিয়ে নির্ধারিত বিকল্প পথই একমাত্র নিরাপদ রুট।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারকে সম্মত হয়। এর লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা এবং ‘সব ফ্রন্টে’ সংঘাতের অবসান ঘটানো।

সমঝোতা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ প্রশাসন ও সামুদ্রিক সেবার কাঠামো নিয়ে ইরান, ওমান এবং উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের মধ্যে আলোচনা হবে।

সংঘাত চলাকালে ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের সার্বভৌম কর্তৃত্বের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরে। এ সময় তারা ‘পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি সংস্থা গঠনের ঘোষণা দেয়। সংস্থাটি নিরাপদ নৌ চলাচলের জন্য ‘সেফ প্যাসেজ পারমিট’ ইস্যু করবে বলে জানানো হয়।

ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সমঝোতার আওতায় ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা ইরান ও ওমানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে। এ ব্যবস্থায় প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে সম্ভাব্য সেবা ফি আদায়ের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি
কালের আলো/এসআর/এএএন

ইরানকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান যদি তাকে গুপ্তহত্যার চেষ্টা করে, তাহলে দেশটির ওপর ‘হাজার হাজার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে। শনিবার (১১ জুলাই) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হুমকি দেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের দিকে তাক করে ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর পরপরই আরও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে। ইরান সরকার যদি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেওয়া তাদের হুমকি অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে অর্থাৎ আমাকে গুপ্তহত্যা করে বা গুপ্তহত্যার চেষ্টা করে তাহলে এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে!’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই মার্কিন সামরিক বাহিনীকে এক বছরের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সেই সময়সীমা আরও বাড়ানো যেতে পারে। ইরানের সব এলাকাকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস করতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম।’

এদিকে ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, তেহরান কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। ওয়াশিংটন কোনো সমঝোতা থেকে সরে দাঁড়ালে আত্মরক্ষার জন্য ইরান সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

গালিবাফ বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশকে রক্ষা করার প্রস্তুতি কখনোই বন্ধ করিনি। আমেরিকানরা যেকোনো মুহূর্তে সমঝোতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলে আমরা পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের অবসান ঘটানো বিশ্বের দেশগুলোর জন্য একটি অগ্রাধিকার। কিন্তু সবার জানা উচিত, ইরানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই সংঘাতের কখনো অবসান হবে না।’

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি