খুঁজুন
                               
, ,
           

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবি আমলে নেওয়ার মতো নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবি আমলে নেওয়ার মতো নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আন্দোলন ও বিক্ষোভের বিষয়ে সরকার আমলে নেওয়ার মতো কোনো বিষয় দেখেনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিকভাবে সবার কথা বলার ও প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা রয়েছে।

তবে সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে সরকারের আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য নেই।

রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শারীরিক কারণ দেখিয়ে সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্রে বিষয়টি বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে এবং সাংবিধানিক বিধান অনুসারে তা জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়।

স্পিকার তা গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে তিনি অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালে সংবিধান অনুযায়ী বিশেষ সুবিধা (প্রিভিলেজ) ও দায়মুক্তি (ইমিউনিটি) ভোগ করেন।

দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায় না। তবে দায়িত্বের বাইরের কোনো বিষয়ে কেউ অভিযোগ বা বক্তব্য দিলে তা আইন অনুযায়ী বিবেচিত হবে।

সাবেক রাষ্ট্রপতির একটি কথিত অডিও রেকর্ড প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তারা শুধু পত্রিকায় দেখেছেন। এ বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্যপ্রমাণ নেই। তিনি বলেন, কোনো পত্রিকা যদি এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করে, তাহলে তাদের কাছে কী তথ্যপ্রমাণ আছে, সেটি তাদেরই জিজ্ঞেস করতে হবে। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই।

সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে যদি কোনো বিষয় থেকে থাকে, তা সে সময়কার আইন ও বিধি অনুযায়ী বিবেচিত হবে। এছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি আইন অনুযায়ী যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী, সেগুলো তিনি পাবেন।

তিনি জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য আইন অনুযায়ী ছয় মাস পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা রয়েছে। এ সময় তিনি এসএসএফ, পিজিআরসহ নির্ধারিত নিরাপত্তা পাবেন। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

সরকার এক সপ্তাহের বেশি টিকবে না, এক বিরোধী নেতার এমন বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এক সপ্তাহ পরে কী হয়, সেটার জন্য অপেক্ষা করি। সব বিষয়ে মন্তব্য করার মতো যোগ্য আমি নই।

রাজধানীর মতিঝিলে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট বিদেশি কর্তৃপক্ষের চাওয়া তথ্য সরকার দ্রুত পাঠাচ্ছে। প্রথম দফায় ৩০ দিনের মধ্যে যেসব নথি চাওয়া হয়েছিল, সেগুলো তিন দিনের মধ্যেই পাঠানো হয়। পরে সংশ্লিষ্ট আদালত আরও কিছু তথ্য চেয়েছে। সেগুলোর জবাবও এক-দুদিনের মধ্যে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

জুলাই-আগস্টের ঘটনায় স্নাইপার রাইফেল ও ৭ দশমিক ৬২ ক্যালিবারের গুলি ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

১৮ মাসের মধ্যে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে উৎপাদন দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী: বিডা চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
১৮ মাসের মধ্যে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে উৎপাদন দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী: বিডা চেয়ারম্যান

আগামী ১৮ মাসের মধ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্মাণাধীন চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) প্রথম কারখানায় উৎপাদন দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই লক্ষ্য পূরণে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রথম কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

সোমবার (২৭ জুলাই) আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আশিক চৌধুরী বলেন, গত মাসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীন সফরের সময় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন নিয়ে আলোচনা হয়। কাজের অগ্রগতি দেখে মনে হচ্ছে এক মাসে এক বছরের সমান কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, চীনা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে প্রকল্পটি চালু করতে কত সময় লাগবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। তখন ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান থেকে প্রথমে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। পরে প্রধানমন্ত্রী চ্যালেঞ্জ দেন, ১৮ মাসের মধ্যেই তিনি এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রথম কারখানার উৎপাদন দেখতে চান। সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানও ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা উৎপাদনে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বেজা চেয়ারম্যান বলেন, চীনা বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের অতিথি। তারা এখানে বিনিয়োগের পাশাপাশি নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থও দেখবেন। তবে এর মাধ্যমে দেশের হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আনোয়ারাসহ চট্টগ্রামের জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চীনা বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই জোন যত দ্রুত চালু হবে, তত দ্রুত এই এলাকার চেহারা বদলে যাবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত শিল্পাঞ্চলটি চালু করা এবং চট্টগ্রামের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

আশিক চৌধুরীর মতে, কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে সমাধান করতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) কর্মকর্তা, বেজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে, বর্তমান সরকার সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অর্থনীতিকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাস করেন এবং এই প্রকল্পের উদ্বোধন তারই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের চেষ্টা চললেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

এমনকি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতও উল্লেখ করেছেন, প্রায় দুই বছর আগে থেকেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও সেই সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও কার্যকর ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম, এমএম. ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানি প্রমুখ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

পৃথিবী জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে: তথ্যমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
পৃথিবী জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে: তথ্যমন্ত্রী 

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সারা পৃথিবী এখন এক গভীর জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এই সংকট ভবিষ্যতে মানবজাতিকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে উপকূলীয় অঞ্চলগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাবে। বাংলাদেশও সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশ হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

তাই জলবায়ু পরিবর্তনের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি দেশব্যাপী সবুজায়ন ও বৃক্ষায়ণকে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে বরিশাল সদর উপজেলার স্বনির্ভর খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণ যেমন একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো লাগানো গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করা। এ কারণে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে গাছের পরিচর্যার একটি কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে জাতি এর সুফল ভোগ করবে।

তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, লাগানো গাছগুলোকে শিশুর মতো লালন-পালন করতে হবে। প্রশাসন একা সবসময় এটি করতে পারবে না। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে। কেবল যান্ত্রিকভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করলে এ কাজ সফল হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং বিআইডিসির কর্মকর্তারা গাছগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বৃক্ষায়ণ এখন আমাদের জীবনযাপনের এক অনিবার্য অংশ হয়ে উঠেছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষক এবং স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি