খুঁজুন
                               
, ,
           

দাবি পূরণের আশ্বাসে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
দাবি পূরণের আশ্বাসে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট প্রত্যাহার

আগামী এক মাসের মধ্যে যুক্তিসঙ্গত দাবিগুলো সমাধানের আশ্বাসে দেশব্যাপী ডাকা অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতের পর ন্যাম ভবনের অভ‍্যর্থনা কক্ষে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বৈঠক শেষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট প্রত্যাহারের এই যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস এমপি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ফুয়াদসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বাণিজ্যিক রেজিস্ট্রেশন প্রদান, অ্যাম্বুলেন্স সংক্রান্ত বাণিজ্যিক নীতিমালার বাস্তবায়ন, সরকারি হাসপাতালে পার্কিং সুবিধা, হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী লাশবাহী ফ্রিজার ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্সকে টোলমুক্ত রাখা এবং ২৪ ঘণ্টা জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ মালিকদের একগুচ্ছ যৌক্তিক দাবির বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে এসব দাবি নিষ্পত্তির বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেছে।

এ ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে একমত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জনদুর্ভোগ এড়াতে এবং অচল অবস্থা নিরসনে তাৎক্ষণিকভাবে সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক আয়োজন করা হয়। এক মাসের মধ্যে এসব দাবি আলোচনার মাধ্যমে সুরাহা করা হবে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ফুয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

গোলাম মোস্তফা ফুয়াদ বলেন, দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে এবং জনদুর্ভোগ এড়াতে সরকারের আশ্বাসের ওপর আস্থা রেখে আমরা আগামীকালকের (বুধবার) ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিলাম।

তিনি সারা দেশের সাড়ে সাত হাজার অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও শ্রমিকদের অবিলম্বে গাড়ি চালু রাখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ঘোষণার পরপরই যেন কোনো রোগী বা মৃতদেহের স্বজনরা কষ্ট না পান, সেদিকে খেয়াল রেখে সকল অ্যাম্বুলেন্স চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথমবারের মতো হচ্ছে নৌযান শুমারি

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথমবারের মতো হচ্ছে নৌযান শুমারি

সারা দেশের মতো ময়মনসিংহ বিভাগেও প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নৌযান শুমারি-২০২৬। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ বিষয়ক অংশীজন অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়, ময়মনসিংহ।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজাদ জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

সেমিনারে বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. ফিরোজ ইবনে ইউসুফ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে শুমারির সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জানান, নৌযান শুমারি-২০২৬-এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের সমুদ্রগামী ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানের সংখ্যা, ধরন এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যভাণ্ডার (ডেটাবেজ) তৈরি করা। এই তথ্যভাণ্ডার নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নৌ-দুর্ঘটনা হ্রাস এবং নৌ-শ্রমিকদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) তাঁর বক্তব্যে বলেন, নৌযান শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এই ডেটাবেজের মাধ্যমে সরকার নৌখাতে আরও কার্যকরভাবে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম হবে। এ কার্যক্রমে পুলিশ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার বলেন, নৌযান শুমারি-২০২৬ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই শুমারি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

নৌযান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমিতির নেতৃবৃন্দ শুমারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক শুমারির প্রচারণায় সার্বিক সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে আওয়ামী লীগ বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কোনো আলোচনা হয়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বা অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও কোনো আলোচনা হয়নি।

এরপর সাংবাদিকরা জানতে চান, আগের সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে।

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার বলতে যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বোঝান, তাহলে সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রয়েছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে তার এবং প্রধান উপদেষ্টার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের বৈঠক হয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অত্যন্ত চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। সেই সম্পর্ককে আরও কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। গত সপ্তাহে ম্যানিলায় মিস্টার গরের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছিল।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গেও আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। আমাদের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত ইতিবাচক অভিমুখে রয়েছে এবং এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আগামী দিনে আমরা সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চাই।

তিনি জানান, বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অভিবাসনসহ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঢাকা সফরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর। আগামী শুক্রবার তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন। সফরের শেষ দিন শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

এছাড়া সফরকালে তিনি সরকারের আরও কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জনসেবার রেকর্ড থাকলেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
জনসেবার রেকর্ড থাকলেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

আগামী নির্বাচনে যিনি নিজ এলাকায় জনসেবামূলক কাজ করবেন এবং সেই কাজের প্রমাণ দেখাতে পারবেন, তাকেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডিএনসিসির অঞ্চল-১ এর আওতাধীন উত্তরা এলাকায় স্থানীয় সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘শুধু পদ-পদবি থাকলেই কাউন্সিলর হওয়া যায় না। জনগণের কাছে যেতে হবে, তাদের জন্য কাজ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে যিনি এলাকায় জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন এবং তার প্রমাণ দেখাতে পারবেন, তাকেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু পদ-পদবির ভিত্তিতে কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন না। জনগণের আস্থা অর্জন করে তাদের পাশে থেকে কাজ করাই হবে মনোনয়নের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।’

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘জনগণের সরকার হিসেবে বর্তমান সরকার মানুষের সেবায় কাজ করছে। তাই জনগণের সেবা করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। বিভিন্ন এলাকায় এখনও নানা সমস্যা রয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সেসব সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। ঢাকার কিছু এলাকায় পানির সংকট তীব্র ছিল। ওয়াসার সহযোগিতায় কয়েকটি স্থানে পানির পাম্প স্থাপন করে এ সংকট অনেকটাই দূর করা সম্ভব হয়েছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘বর্তমানে মশার উপদ্রব আগের তুলনায় কমেছে। খাল পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ফলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে। জনগণের সহযোগিতায় খাল পুনরুদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে ডেঙ্গুমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।’

হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুনর্বাসনের জন্য নির্ধারিত স্থানে না গিয়ে অনেক হকার আবার ফুটপাতে বসছেন। এতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। হকার ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।’

এ সময় তিনি এলাকার রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ, সড়কবাতির উন্নয়ন এবং অন্যান্য নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স কমানোর দাবির বিষয়ে প্রশাসক বলেন, কর নির্ধারণ যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বাসিন্দাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ