খুঁজুন
                               
, ,
           

সুগন্ধার তীরে বর্জ্যের পাহাড়, বাড়ছে পরিবেশদূষণ

ঝালকাঠি সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
সুগন্ধার তীরে বর্জ্যের পাহাড়, বাড়ছে পরিবেশদূষণ

ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনার কারণে সুগন্ধা নদীর তীরের বিভিন্ন স্থান পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে। নদীর পাড়ে নিয়মিত গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল ও খাবারের উচ্ছিষ্ট ফেলার ফলে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। একই সঙ্গে বর্জ্য নদীর পানিতে মিশে পরিবেশ ও পানিদূষণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঝালকাঠি শহরের মেঘনা ডিপো-সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর পাড় এবং নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়িসহ নদীতীরবর্তী কয়েকটি স্থানে বর্জ্যের স্তূপ দেখা গেছে। এসব বর্জ্য দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়। এতে স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু সংগৃহীত বর্জ্যের একটি অংশ নির্ধারিত স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে নদীর পাড়ে জমছে নানা ধরনের আবর্জনা। বৃষ্টি ও জোয়ারের সময় এসব বর্জ্য পানির সঙ্গে মিশে নদীতে চলে যাচ্ছে।

এতে নদীর পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন, পৌরসভার বর্জ্য কলবাড়ি এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন। ঝালকাঠি পৌর শহরের বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকতও নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলার কারণে দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, নদীর পাশে ময়লা ফেলার কারণে সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে বর্জ্য পানির সঙ্গে নদীতে চলে যায়। এভাবে ময়লা ফেলা দ্রুত বন্ধ করা দরকার। সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হয়, তা যথাযথভাবে সংগ্রহ ও অপসারণের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দুই পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্জ্য থেকে নির্গত দূষিত তরল মাটির নিচে গিয়ে ভূগর্ভস্থ পানিকে দূষিত করতে পারে। অন্যদিকে জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে এসব বর্জ্য আশপাশের কৃষিজমি, নদী ও খালেও ছড়িয়ে পড়ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলার কারণে বাতাসও দূষিত হচ্ছে। ইসমাঈল মুসাফিরের মতে, পৌরসভার রাজস্ব বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকরভাবে ব্যয় করা প্রয়োজন। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে ও নদীর তীরে বর্জ্য ফেলা বন্ধে নজরদারি এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নির্মাণ করা গেলে বর্জ্য যথাযথভাবে প্রক্রিয়াজাত, ধ্বংস কিংবা পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হবে। দীর্ঘমেয়াদে নদীর তীর পরিষ্কার রাখা এবং পরিবেশদূষণ কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও জমি অধিগ্রহণের কাজ এখনো শেষ হয়নি। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরবর্তী কার্যক্রমে অগ্রগতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও এ ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিকল্পিতভাবে বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও প্রক্রিয়াজাত করার ব্যবস্থা না থাকলে নদীর তীরে বর্জ্য ফেলার সমস্যা পুরোপুরি সমাধান করা কঠিন হতে পারে।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, আগে পৌরসভার জন্য ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন, পৌরসভার প্রশাসকদের আগেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। বর্জ্য ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এরপরও নদীর তীরে বর্জ্য ফেলা হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। সংশ্লিষ্টদের আশ্বাসের পরও সুগন্ধা নদীর তীরের বর্জ্য সমস্যার স্থায়ী সমাধান কত দ্রুত হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। নদীর তীর থেকে বর্জ্য অপসারণ, নিয়মিত নজরদারি এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নির্মাণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব বলে মনে করছেন পরিবেশসচেতন ব্যক্তিরা।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

তনুশ্রীকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ সহশিল্পীর

বিনোদন ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
তনুশ্রীকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ সহশিল্পীর

বলিউড অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্তের বিরুদ্ধে শুটিং সেটে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ তুলেছেন অভিনেত্রী হেতল যাদব। ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার সিনেমা ‘অ্যাপার্টমেন্ট’-এ একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তাঁরা। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সেই কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলে তনুশ্রীর আচরণ সম্পর্কে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হেতল।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হেতল দাবি করেন, সিনেমাটির শুটিংয়ের সময় তনুশ্রীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য সুখকর ছিল না। পরিচালকের নির্দেশ অনুসারে দৃশ্য ধারণের ক্ষেত্রে তনুশ্রীর অনীহা ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরিচালকের নির্দেশ নিয়ে আপত্তির অভিযোগ
হেতল যাদবের ভাষ্য অনুযায়ী, শুটিংয়ের সময় কোনো দৃশ্য নির্দিষ্টভাবে অভিনয় করতে বলা হলে তনুশ্রী বিরক্তি প্রকাশ করতেন। এ ধরনের আচরণকে পেশাদার কাজের পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করেননি তিনি।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হেতল বলেন, ‘তনুশ্রীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। সত্যি বলতে গেলে, ওর আচরণ আমার কাছে খুবই অপেশাদার বলে মনে হয়েছিল।’ তবে তনুশ্রী দত্তের পক্ষ থেকে এ অভিযোগের কোনো প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

রোমান্টিক গানের শুটিংয়েও সমস্যা?
সিনেমাটির একটি রোমান্টিক গানের শুটিং নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন হেতল। তাঁর দাবি, শুটিং চলাকালে শারীরিক স্পর্শের কিছু নির্দিষ্ট ধরন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন তনুশ্রী। এ নিয়ে বারবার পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় প্রযোজক ও পরিচালকেরাও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।

হেতল জানান, ‘অ্যাপার্টমেন্ট’ সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি তিনটি গানের জন্যও কাজ করেছিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, একটি সিনেমার শুটিংয়ে প্রত্যেক শিল্পীর পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর সঙ্গে পুরো নির্মাণ দলের কাজ জড়িত।

শুটিংয়ে সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরলেন হেতল
হেতলের মতে, কোনো দৃশ্য পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারণ করতে হলে অভিনেতাদের পরিচালকের নির্দেশনা অনুসরণ করা প্রয়োজন। এতে শুধু অভিনয়শিল্পীদের কাজ নয়, ক্যামেরা ও অন্যান্য কারিগরি বিভাগের কাজও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাপার্টমেন্ট’ সিনেমার কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে হেতলের এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে বিষয়টি আপাতত তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই সামনে এসেছে। তনুশ্রী দত্তের বক্তব্য পাওয়া গেলে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

কালের আলো/এএএন/জেএন

মেহজাবীনের সঙ্গে তুলনাকে যেভাবে দেখেন তটিনী

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
মেহজাবীনের সঙ্গে তুলনাকে যেভাবে দেখেন তটিনী

ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। অভিনয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করার পথে প্রায়ই তাঁকে শুনতে হয়, তিনি নাকি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর মতো। এমন তুলনা একদিকে যেমন ভালো লাগে, অন্যদিকে নিজের পরিচয় ও স্বতন্ত্রতা নিয়েও সচেতন তটিনী। তাঁর স্পষ্ট কথা, শিল্পাঙ্গনে কেউ কারও জায়গা নিতে পারেন না।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মেহজাবীনের সঙ্গে নিজের তুলনা প্রসঙ্গে কথা বলেন তটিনী। তিনি জানান, এমন মন্তব্যে অস্বস্তি বোধ করেন না। বরং গুণী একজন অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনাকে নিজের জন্য প্রাপ্তি হিসেবেই দেখেন। তবে মেহজাবীনের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করার কথা ভাবেন না তিনি।

তুলনা ভালো লাগলেও নিজের পরিচয়েই এগোতে চান
মেহজাবীনের সঙ্গে তুলনার বিষয়ে তটিনী বলেন, ‘অনেকেই বলেন—তুমি মেহজাবীনের মতো, মেহজাবীনের জায়গায় যাচ্ছ। আসলে কেউ কারও জায়গায় যেতে পারে না। আমি কারও সঙ্গে নিজেকে তুলনা করব না, কারও জায়গায় ভাবাটাও ঠিক না। শিল্প অঙ্গনে এই তুলনা হয় না।’

মেহজাবীনকে বড় ও গুণী শিল্পী উল্লেখ করে তটিনী আরও বলেন, ‘তবে, তুলনা করলে ভালো লাগে। তার মতো গুণী অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনাও তো বড় পাওয়া।’

তটিনীর বক্তব্যে উঠে এসেছে, অন্য একজন শিল্পীর সঙ্গে তুলনা তাঁর কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয় নয়। বরং অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের কাজ থেকে শেখার সুযোগ হিসেবেই দেখেন তিনি।

নতুন প্রজন্মের জন্য মেহজাবীন উদাহরণ
তটিনীর মতে, মেহজাবীনের দীর্ঘ অভিনয়জীবন, কাজের প্রতি সততা ও পরিশ্রম নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। শুধু অভিনয় নয়, ক্যারিয়ারে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকেও অনেক কিছু শেখার রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তটিনী বলেন, ‘আমাদের জেনারেশন বা পরের জেনারেশনের জন্য মেহজাবীন আপু একটা উদাহরণ। তার ক্যারিয়ারে এগিয়ে চলা, কাজের প্রতি সততা, তার পরিশ্রম, তার অনেক অভিজ্ঞতা, তার কাছ থেকে আমাদের সবার শেখা উচিত।’

শুধু অভিনয় নয়, ব্যক্তিত্ব থেকেও শেখার আছে
অভিনয়জগতে প্রবেশের পর থেকেই মেহজাবীনকে অনুসরণ করার পরামর্শ পেয়েছেন তটিনী। তবে সেই অনুসরণ কেবল অভিনয় কিংবা ক্যারিয়ারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। মেহজাবীনের ব্যক্তিত্ব ও আচরণও ছিল সেই পরামর্শের অংশ।

তটিনী বলেন, ‘আমি যখন অভিনয়ে আসি, তখনই অনেকে আমাকে একটা কথাই বলেছিলেন, যদি কারও মতো হতে চাও, তাহলে মেহজাবীনকে ফলো করো। আর শুধু ক্যারিয়ার নয়, সে মানুষ হিসেবে কেমন, তার আচার-আচরণ সবই ফলো করার কথা বলতেন। কারণ, সিনিয়রদের কাছ থেকেই আমাদের অনুপ্রেরণা নেওয়া উচিত।’

সব মিলিয়ে মেহজাবীনের সঙ্গে তুলনাকে ইতিবাচকভাবে নিলেও নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলার দিকেই মনোযোগী তটিনী। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অন্যের সাফল্যকে প্রতিযোগিতা হিসেবে না দেখে সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়াই হতে পারে একজন শিল্পীর এগিয়ে যাওয়ার পথ।

কালের আলো/এমকেএম/জেএন

গোলাপি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন জয়া আহসান

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ
গোলাপি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন জয়া আহসান

অভিনয়ে যেমন সাবলীল, ফ্যাশনেও তেমনি স্বতন্ত্র জয়া আহসান। কখনো ঐতিহ্যবাহী শাড়িতে, কখনো আধুনিক পশ্চিমা পোশাকে—নিজের রুচি ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতিতে ভক্তদের নজর কাড়েন এই অভিনেত্রী। এবার শ্যাম্পেন পিংক রঙের স্যাটিন ম্যাক্সি গাউনে ধরা দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি। আর সেই ছবির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ‘প্রেমে পড়া বারণ’ ক্যাপশনটি বাড়িয়েছে ভক্তদের কৌতূহল।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন জয়া আহসান। গোলাপি ও বেইজের মিশেলে তৈরি স্যাটিন গাউনে তাঁর সাজে ছিল আধুনিকতার ছাপ। ছবিগুলো প্রকাশের পরই অভিনেত্রীর রূপ ও ফ্যাশন নিয়ে মন্তব্য করতে শুরু করেন ভক্তরা।

গোলাপি সাজে জয়ার নজরকাড়া উপস্থিতি
ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলো প্রকাশ করে জয়া ক্যাপশনে লেখেন, ‘সেক্সি অ্যাজ পিংক’। অন্যদিকে, ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার করে লেখেন, ‘প্রেমে পড়া বারণ’। আরেকটি ক্যাপশনে তাঁর মন্তব্য, ‘গোলাপির ছোঁয়া, ঝামেলার শেষ নেই।’

জয়ার এই ব্যতিক্রমী ক্যাপশন ও ফ্যাশনেবল উপস্থিতি অনুসারীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই তাঁর সৌন্দর্য ও সাজের প্রশংসা করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘আপনি দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে যাচ্ছেন।’

দুই বাংলার পর্দায় জয়ার ব্যস্ততা
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রেও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন জয়া আহসান। দুই বাংলার সিনেমায় বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গে তাঁকে সবশেষ দেখা গেছে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমায়। এটি ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার পরবর্তী অধ্যায়। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত ছবিটিতে জয়ার সঙ্গে অভিনয় করেছেন কৌশিক সেন, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায় ও অম্বরীশ ভট্টাচার্যসহ আরও অনেকে।

এবার নতুন ভূমিকায়
অভিনয়ের পাশাপাশি এবার রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী’র বিচারকের আসনেও দেখা যাবে জয়া আহসানকে। এর আগে বিভিন্ন রিয়েলিটি শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করলেও রান্নাবিষয়ক এই অনুষ্ঠানে এবারই প্রথম বিচারক হিসেবে অংশ নিতে যাচ্ছেন তিনি।

একদিকে পর্দার কাজ, অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ফ্যাশন ও ব্যক্তিত্বের প্রকাশ—সব মিলিয়ে নানা কারণে আলোচনায় থাকছেন জয়া আহসান। এবার গোলাপি গাউনের সঙ্গে ‘প্রেমে পড়া বারণ’ ক্যাপশনটি যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

কালের আলো/এএইচ/জেএন