খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুরা পাচ্ছে নতুন ঠিকানা, কাজের গতি বাড়াতে পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুরা পাচ্ছে নতুন ঠিকানা, কাজের গতি বাড়াতে পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

নিরাপদ কোন আশ্রয় নেই। বাঁশের বেড়া ও পলিথিনের ছাউনিযুক্ত ছোট্ট ঝুপড়িঘরেই বসবাস। এমন জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনের বিরল এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর দয়া ও আন্তরিকতায় মাথা গোঁজার ঠাঁইহীন এসব মানুষকে স্থায়ী নতুন ঠিকানা দিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে তৈরি করা হচ্ছে ৫ তলা বিশিষ্ট ১১৯ টি ভবন।

‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ নামে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে বাঁকখালী নদীর তীরে আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এজন্য ব্যয় হবে এক হাজার ৩৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করতে প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখতে শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

মূলত প্রকল্পের কাজে গতি বাড়াতেই ঢাকা থেকে নিজ বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে এই আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করতে আসেন তিনি। রামু সেনানিবাস ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসান এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান।

পরে সেনাপ্রধান এই প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মরত শ্রমিক এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে নিজেদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জেনারেল শফিউদ্দিন প্রকল্প কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্ন করতেও সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।

এরপর তিনি অপেক্ষমান স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন। সেনাপ্রধান বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে কোনো কাজ আমরা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে করে থাকি। এখানে ভবন নির্মাণের পাশাপাশি অন্যান্য সুবিধাদি তৈরির কাজও সেনাবাহিনী সুচারুভাবে করে যাচ্ছে। এ কাজের জন্য যে পরিমাণ বাজেট দেওয়া হচ্ছে, এরমধ্যে একটি ভালো, গুণগতমান সম্পন্ন কাজ উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।

এখানে শুঁটকি মহাল ও পর্যটন জোন গড়ে তোলার কথাও জানান জেনারেল শফিউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এগুলোর মাধ্যমে স্থানীয় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’

প্রকল্প এলাকায় ভবন ছাড়াও বসবাসকারী জলবায়ু উদ্বাস্তু মানুষের জন্য থাকবে জীবিকায়নের সুব্যবস্থাও। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মন্দির, সাইক্লোন শেল্টারসহ পর্যটন শিল্প বিকাশেও প্রকল্প এলাকায় আলাদা জোন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান সেনাপ্রধান।

জানা যায়, সরকারি খাসজমিতে বসবাসকারী ৪ হাজার ৪০৯ পরিবারের অন্তত ২০ হাজার জলবায়ু উদ্বাস্তুকে পুনর্বাসনের জন্য খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। প্রকল্পের জন্য খুরুশকুলে অধিগ্রহণ করা হয় ২৫৩ দশমিক ৩৫০ একর জমি।

শুরুতে এই প্রকল্পে ১৩৭টি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। ২০২০ সালের ২৩ জুলাই গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রথম ধাপে তৈরি ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় অন্তত ৬০০ জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারের হাতে ফ্ল্যাটবাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার এই প্রকল্পটিতে জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করতে ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর একনেক সভায় আরও ১১৯ টি ৫ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপরই জোরেশোরে কাজ শুরু করে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দ্রুত গতিতে কাজ করে চলেছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে