খুঁজুন
                               
, ,
           

কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুরা পাচ্ছে নতুন ঠিকানা, কাজের গতি বাড়াতে পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুরা পাচ্ছে নতুন ঠিকানা, কাজের গতি বাড়াতে পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

নিরাপদ কোন আশ্রয় নেই। বাঁশের বেড়া ও পলিথিনের ছাউনিযুক্ত ছোট্ট ঝুপড়িঘরেই বসবাস। এমন জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনের বিরল এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর দয়া ও আন্তরিকতায় মাথা গোঁজার ঠাঁইহীন এসব মানুষকে স্থায়ী নতুন ঠিকানা দিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে তৈরি করা হচ্ছে ৫ তলা বিশিষ্ট ১১৯ টি ভবন।

‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ নামে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে বাঁকখালী নদীর তীরে আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এজন্য ব্যয় হবে এক হাজার ৩৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করতে প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখতে শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

মূলত প্রকল্পের কাজে গতি বাড়াতেই ঢাকা থেকে নিজ বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে এই আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করতে আসেন তিনি। রামু সেনানিবাস ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসান এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান।

পরে সেনাপ্রধান এই প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মরত শ্রমিক এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে নিজেদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জেনারেল শফিউদ্দিন প্রকল্প কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্ন করতেও সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।

এরপর তিনি অপেক্ষমান স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন। সেনাপ্রধান বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে কোনো কাজ আমরা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে করে থাকি। এখানে ভবন নির্মাণের পাশাপাশি অন্যান্য সুবিধাদি তৈরির কাজও সেনাবাহিনী সুচারুভাবে করে যাচ্ছে। এ কাজের জন্য যে পরিমাণ বাজেট দেওয়া হচ্ছে, এরমধ্যে একটি ভালো, গুণগতমান সম্পন্ন কাজ উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।

এখানে শুঁটকি মহাল ও পর্যটন জোন গড়ে তোলার কথাও জানান জেনারেল শফিউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এগুলোর মাধ্যমে স্থানীয় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’

প্রকল্প এলাকায় ভবন ছাড়াও বসবাসকারী জলবায়ু উদ্বাস্তু মানুষের জন্য থাকবে জীবিকায়নের সুব্যবস্থাও। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মন্দির, সাইক্লোন শেল্টারসহ পর্যটন শিল্প বিকাশেও প্রকল্প এলাকায় আলাদা জোন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান সেনাপ্রধান।

জানা যায়, সরকারি খাসজমিতে বসবাসকারী ৪ হাজার ৪০৯ পরিবারের অন্তত ২০ হাজার জলবায়ু উদ্বাস্তুকে পুনর্বাসনের জন্য খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। প্রকল্পের জন্য খুরুশকুলে অধিগ্রহণ করা হয় ২৫৩ দশমিক ৩৫০ একর জমি।

শুরুতে এই প্রকল্পে ১৩৭টি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। ২০২০ সালের ২৩ জুলাই গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রথম ধাপে তৈরি ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় অন্তত ৬০০ জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারের হাতে ফ্ল্যাটবাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার এই প্রকল্পটিতে জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করতে ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর একনেক সভায় আরও ১১৯ টি ৫ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপরই জোরেশোরে কাজ শুরু করে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দ্রুত গতিতে কাজ করে চলেছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

কালের আলো/এমএএএমকে

সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মেয়াদের কার্যক্রম শুরু করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি হলো তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ এর মাধ্যমে জাতির সামনে যে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের সাথে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আপন, ঢাকা’র উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা।

মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী।  বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপন, ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

কালের আলো/এম/এএইচ

কাবাডিতে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা, জাইমা রহমানের উচ্ছ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
কাবাডিতে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা, জাইমা রহমানের উচ্ছ্বাস

ঘরের মাঠে নেপাল জাতীয় নারী কাবাডি দলের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজটা দারুণভাবেই শুরু করল বাংলাদেশ। শুক্রবার(১৭ জুলাই) ঢাকার জাতীয় কাবাডি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ম্যাচে নেপালকে ৩৪-২৪ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়ে ১-০ তে লিড নিল স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের এই জয়ের ম্যাচে বাড়তি আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান।

ম্যাচের শুরু থেকেই নেপালিদের ওপর আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। কৌশলী আক্রমণ ও রক্ষণভাগে অটুট থেকে প্রথমার্ধেই ১৪-১০ পয়েন্টের লিড নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দেন স্বাগতিক মেয়েরা। দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল ম্যাচে ফেরার জোর চেষ্টা চালালেও আর পেরে উঠেনি। শেষ পর্যন্ত ১০ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে খেলা শেষ করে বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক শ্রাবণী মল্লিক।

ম্যাচটি বাড়তি মাত্রা পেয়েছিল প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমানের উপস্থিতিতে। ম্যাচের শুরুতে দুই দলের খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেন তিনি। এরপর ভিআইপি বক্সের গাম্ভীর্য ছাপিয়ে এক পর্যায়ে তিনি নিচে নেমে এসে সাধারণ দর্শকের মতোই দাঁড়িয়ে পুরো খেলা উপভোগ করেন।

ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছেন তিনি। খেলা শেষে তিনি নিজেই বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের কাছে ডাকেন। তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং দলের সাফল্যের অংশীদার হয়ে হাস্যোজ্জ্বল মুখে সেলফি তুলতে দেখা যায় তাকে। জাইমা রহমানের এমন আন্তরিকতা খেলোয়াড়দের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

এর আগে সিরিজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, কাবাডি আমাদের জাতীয় খেলা এবং সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাফল্য আমাদের ক্রীড়া ঐতিহ্যের গর্ব। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার এই সিরিজ দুই দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন আরও দৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ক্রীড়া) আমেনা বেগম, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মাঠের জয় এবং গ্যালারির বাড়তি উৎসাহ সব মিলিয়ে কাবাডি স্টেডিয়ামে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। বাংলাদেশের মেয়েরা তাদের এই জয়যাত্রা পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও ধরে রাখতে পারবে বলেই প্রত্যাশা দর্শকদের।

কালের আলো/এসএকে