খুঁজুন
                               
, ,
           

ছুরি হাতে জয়া আহসান, ‘এরপর কী হবে’ জানতে বারণ অভিনেত্রীর

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
ছুরি হাতে জয়া আহসান, ‘এরপর কী হবে’ জানতে বারণ অভিনেত্রীর

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের নতুন এক লুক ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। শেফের সাজপোশাকে হাতে বড়সড় কিচেন নাইফ, মুখে রহস্যময় অভিব্যক্তি—এভাবেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজির হয়েছেন অভিনেত্রী।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন জয়া। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, ‘ডোন্ট আস্ক হোয়াট হ্যাপেনস নেক্সট’—অর্থাৎ, ‘এরপর কী হবে, তা জানতে চেয়ো না।’

ছুরি হাতে নানা ভঙ্গিতে

প্রকাশিত ছবিতে কখনো ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে, আবার কখনো ছুরিটি মুখের কাছে ধরে পোজ দিতে দেখা যায় জয়া আহসানকে। তবে পরের ছবিগুলোতেই তৈরি হয় আরও কৌতূহল। একই সাজে হাতে ছুরি নিয়ে বড়সড় একটি নাশপাতিতে কামড় বসাতে দেখা গেছে তাকে।

এ কারণে ছবিগুলো নিছক ফটোশুট, নাকি কোনো নতুন চরিত্র বা কাজের আভাস—তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।

নজরকাড়া সাজে জয়া

নতুন লুকে জয়ার উপস্থিতিতেও ছিল আলাদা আকর্ষণ। কপার হাইলাইট করা চুল সফট কার্লসে ছেড়ে রেখেছিলেন তিনি। হালকা মেকআপ, ছোট স্টাড, আংটি ও ক্লিন-গার্ল ম্যানিকিউরে বেশ পরিপাটি দেখাচ্ছিল তাকে।

তবে এই লুকের সঙ্গে নতুন কোনো সিনেমা, সিরিজ বা চরিত্রের সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানাননি অভিনেত্রী। তার রহস্যময় ক্যাপশনই আপাতত ভক্তদের কৌতূহল আরও বাড়িয়েছে।

সর্বশেষ ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

এদিকে সবশেষ পশ্চিমবঙ্গের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সুরিন্দর ফিল্মসের সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’-তে দেখা গেছে জয়া আহসানকে। কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত সিনেমাটি গত ১০ জুলাই মুক্তি পায়।

২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া একই নামের সিনেমার সিক্যুয়েল এটি। আগের কিস্তির মতো নতুন সিনেমাতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, জয়া আহসান, কৌশিক সেন ও অম্বরীশ ভট্টাচার্য। সিনেমাটিতে মেঘনা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া।

কালের আলো/এসএ

সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক বন্ধের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক বন্ধের উদ্যোগ

দেশের সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ওই সীমানার মধ্যে থাকা বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্র্যাকটিসের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান—হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার—স্থাপনের অনুমতি দেওয়া যাবে না।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে থাকা বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ, সিভিল সার্জন অফিস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে বিপুলসংখ্যক বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের দালালের মাধ্যমে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের কর্মঘণ্টার পর আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে প্র্যাকটিস করার বিষয়টিও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালকেন্দ্রিক এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-আজারবাইজানের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-আজারবাইজানের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই

কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল বা সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও আজারবাইজান।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং আজারবাইজানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভ স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় দুই দেশের কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল বা সরকারি পাসপোর্টধারীরা নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ভিসা অব্যাহতি সুবিধা পাবেন।

উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বর্তমানে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

‘আইপিএলের পাঁচ ম্যাচ ফিক্সিং করে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
‘আইপিএলের পাঁচ ম্যাচ ফিক্সিং করে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

ক্রিকেটে ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। তবে সাবেক এক রঞ্জি ক্রিকেটারের সাম্প্রতিক স্বীকারোক্তিতে ভারতীয় ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নতুন কিছু দাবি সামনে এসেছে। আইপিএলের মতো বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাচার করে অর্থ উপার্জনের কথা জানিয়েছেন রচিত ভাটিয়া নামের ওই সাবেক ক্রিকেটার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘তেহেলকা’-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

‘পাঁচ ম্যাচ থেকে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বরে উত্তর দিল্লির ঢাকা ক্রিকেট একাডেমিতে সাংবাদিকদের সামনে নিজের ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ার কথা স্বীকার করেন রচিত। তার দাবি, লন্ডনে থাকা বুকিদের কাছে চেন্নাই সুপার কিংসের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাঠিয়ে ২০২৫ সালের আইপিএলে পাঁচটি ম্যাচ ফিক্সিং করেছিলেন তিনি।

‘তেহেলকা’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রচিত বলেন, ‘আমি স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে লন্ডনের বুকিদের চেন্নাই সুপার কিংসের ভেতরের গোপন তথ্য পাচার করে ২০২৫ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে পাঁচটি ম্যাচ ফিক্সিং করেছি। আমি প্রতি ম্যাচে ৬০ লাখ রুপি করে আয় করেছি, ওই পাঁচটি ম্যাচের জন্য মোট ৩ কোটি পেয়েছি।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে বুকিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি।

ঘরোয়া ক্রিকেটেও স্পট-ফিক্সিংয়ের দাবি

শুধু আইপিএল নয়, ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটেও ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন রচিত। তার দাবি, ২০১৮-১৯ মৌসুমের সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতেও স্পট-ফিক্সিং করেছিলেন তিনি।

সাবেক এই ক্রিকেটারের ভাষ্য অনুযায়ী, বুকিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে দুটি ওয়াইড বল করেছিলেন তিনি। প্রতিটি বলের জন্য পেয়েছিলেন ৮ লাখ রুপি, অর্থাৎ মোট ১৬ লাখ রুপি।

দল পেতে ঘুষ দেওয়ার দাবিও

দল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের দাবি করেছেন রচিত। তার ভাষ্য, ২০১৮-১৯ মৌসুমে নাগাল্যান্ডের রঞ্জি ট্রফি দলে নিজের জায়গা নিশ্চিত করতে তিনি ১৫ লাখ রুপি ঘুষ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৮-১৯ মৌসুমে নাগাল্যান্ড রঞ্জি ট্রফি দলে আমার নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমি ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলাম এবং রঞ্জি অভিষেক করেছিলাম।’

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে ঘুষের অভিযোগ

বর্তমানে জাতীয় নির্বাচক ও কোচ হিসেবে কাজ করার দাবি করেছেন ২৯ বছর বয়সী রচিত। স্কুল ক্রিকেট ও বয়সভিত্তিক দল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

তার দাবি, দিল্লির একটি স্কুল ক্রিকেট দল গঠন এবং অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের নির্বাচনের সঙ্গে তিনি যুক্ত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি শিশুকে দলে নেওয়ার জন্য ৭ থেকে ৮ লাখ রুপি পর্যন্ত অর্থ নেওয়া হয়।

২০২৬ আইপিএল নিয়েও প্রস্তাবের দাবি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের আইপিএল এবং দিল্লি প্রিমিয়ার লিগেও নিজের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন রচিত।

তবে প্রতিবেদনে উঠে আসা এসব তথ্য মূলত রচিত ভাটিয়ার বক্তব্য ও ‘তেহেলকা’র অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

কালের আলো/এসএ