খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

নতুন ঠিকানা পাচ্ছে জলবায়ু উদ্বাস্তুরা, মানসম্মত নির্মাণকাজে গুরুত্বারোপ সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মে, ২০২২, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
নতুন ঠিকানা পাচ্ছে জলবায়ু উদ্বাস্তুরা, মানসম্মত নির্মাণকাজে গুরুত্বারোপ সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

নিরাপদ কোন আশ্রয় নেই। বাঁশের বেড়া ও পলিথিনের ছাউনিযুক্ত ছোট্ট ঝুপড়িঘরেই বসবাস। এমন জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনের বিরল এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর দয়া ও আন্তরিকতায় মাথা গোঁজার ঠাঁইহীন এসব মানুষকে স্থায়ী নতুন ঠিকানা দিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে তৈরি করা হচ্ছে ৫ তলা বিশিষ্ট ১১৯ টি ভবন।

‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ নামে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে বাঁকখালী নদীর তীরে আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এজন্য ব্যয় হবে এক হাজার ৩৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করতে প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখতে শনিবার (০৭ মে) ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

পরিদর্শনকালে তিনি সরেজমিনে প্রকল্পটির নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন জেনারেল শফিউদ্দিন।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্প। জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মূল কার্যক্রমের মধ্যে পাইল ফাউন্ডেশন দিয়ে ১১৯টি ৫ তলা ভবন নির্মাণ অন্যতম।

এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় ধর্মীয় উপাসনালয়, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, খেলার মাঠ এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ বিবিধ সুবিধাদি নির্মাণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। আগামী জুন ২০২৩ এর মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যায়।

জানা যায়, সরকারি খাসজমিতে বসবাসকারী ৪ হাজার ৪০৯ পরিবারের অন্তত ২০ হাজার জলবায়ু উদ্বাস্তুকে পুনর্বাসনের জন্য খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। প্রকল্পের জন্য খুরুশকুলে অধিগ্রহণ করা হয় ২৫৩ দশমিক ৩৫০ একর জমি।

শুরুতে এই প্রকল্পে ১৩৭টি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। ২০২০ সালের ২৩ জুলাই গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রথম ধাপে তৈরি ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় অন্তত ৬০০ জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারের হাতে ফ্ল্যাটবাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার এই প্রকল্পটিতে জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করতে ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর একনেক সভায় আরও ১১৯ টি ৫ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপরই জোরেশোরে কাজ শুরু করে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দ্রুত গতিতে কাজ করে চলেছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

সেনাপ্রধান ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, কোয়ার্টার মাষ্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ সাইফুল আলম, মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (এজি) মেজর জেনারেল মো. মোশফেকুর রহমান, ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোঃ ফখরুল আহসানসহ সেনাসদরের উর্ধ্বতন বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, পরে জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ইনানী এবং মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন হিমছড়িতে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ঘুরে দেখেন। তিনি কাজের বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময়ে সেনাবাহিনী প্রধান দেশের ভৌত অবকাঠামোগত নির্মাণে নিয়োজিত সকল স্তরের সেনা সদস্যদের কার্যকরী ভূমিকা রাখায় ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ঢাকার একটি পরীক্ষাকেন্দ্র বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার একটি পরীক্ষাকেন্দ্র বাতিল

আসন্ন ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাকেন্দ্র ‘ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ’ বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে গত ১৫ মার্চ কেন্দ্রটি বাতিলের জন্য লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপেক্ষিতেই বোর্ড কর্তৃপক্ষ আসন্ন পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা থেকে ইমপিরিয়াল কলেজের নাম বাদ দিয়েছে। এর ফলে এই কলেজের নির্ধারিত পরীক্ষার্থীদের বিকল্প কেন্দ্রে আসন বিন্যাস করা হবে।

ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ কেন্দ্রটি বাতিল হলেও পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ঢাকা বোর্ড নতুন পাঁচটি পরীক্ষাকেন্দ্রের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় শিক্ষা কার্যক্রমের সুবিধার্থে আরও চারটি কেন্দ্র পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।

নতুন অনুমোদন পাওয়া কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগরের মাতুয়াইল হাজী আবদুল লতিফ ভূইয়া কলেজ অন্যতম। এ ছাড়া তালিকায় রয়েছে টাঙ্গাইলের চাপড়ী বহুমুখী গণ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের থানেশ্বর স্কুল এন্ড কলেজ, শরীয়তপুরের শহীদ সিরাজ সিকদার ডিগ্রী কলেজ এবং মাদারীপুরের সাহেবরামপুর কবি নজরুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ।

শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত কষ্ট লাঘব করতে নরসিংদীর নারায়নপুর রাবেয়া কলেজ, কিশোরগঞ্জের সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পৌর মহিলা কলেজ, মাদারীপুরের চরমুগরিয়া মহাবিদ্যালয় এবং রাজবাড়ীর ডা. আবুল হোসেন কলেজ কেন্দ্র চারটি পুনরায় সচল করেছে।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,  আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার স্বার্থেই এই প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ কেন্দ্র বাতিলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের নতুন আসন বিন্যাস সম্পর্কে দ্রুতই সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অবহিত করা হবে। পরীক্ষার্থীদের যেকোনো বিভ্রান্তি এড়াতে বোর্ডের নিয়মিত নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বোর্ড কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে নতুন কেন্দ্রগুলোর প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

কালের আলো/এসএকে

‘সিল্কের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কাজ করা হবে’

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
‘সিল্কের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কাজ করা হবে’

রাজশাহী সিল্ক শুধু রাজশাহীর নয়, এটি সারা বাংলাদেশের সম্পদ এবং আমাদের ঐতিহ্য। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে আধুনিকায়ন এবং এর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে সরকার মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রেশম শিল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং একে আরও উন্নত করার রূপরেখা তৈরি করতে রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সরেজমিন পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী রেশম শিল্পের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজশাহী রেশম বোর্ড স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও এই বোর্ডের উন্নয়নে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই শিল্পকে আধুনিকীকরণ এবং গবেষণার মাধ্যমে আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে রেশমের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও উৎপাদন তলানিতে। এ প্রসঙ্গে শরীফুল আলম জানান, দেশে বর্তমানে ৪০০ থেকে ৪৫০ মেট্রিক টন রেশমের চাহিদা রয়েছে; তবে এর প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। স্থানীয় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার কারণেই মূলত এই পরনির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে।

এই সংকট কাটাতে পলু চাষ, তুঁত গাছের উন্নয়ন এবং রেশম সুতার মান বৃদ্ধিতে গবেষণার ওপর সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

রেশম শিল্পের প্রাণ হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী কারিগর বা ‘বোসনি’দের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এই দক্ষ কারিগরদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন বোসনি রয়েছেন। বয়সের কারণে তাদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। বোসনিদের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরি করা না গেলে এই শিল্পের ঐতিহ্য চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে এবং সিল্কের প্রসার ঘটাতে নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। চীন ও জাপানের মতো বড় দেশগুলোতে দেশীয় সিল্ক পণ্যের বাজার তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে খুব শিগগিরই সমন্বিত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে পরিদর্শনে আসা প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে, পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বোর্ডের সার্বিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশাসহ রেশম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কালের আলো/ইএম

জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে রাজধানীর জিয়া সরণি খালকে যুক্ত করতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর জিয়া সরণি খাল, কোনাপাড়া খাল ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিয়া সরণি নাম হওয়ায় মানুষের কল্যাণে এই খাল নিয়ে কিছুই করেনি অবৈধ সরকার। আপাতত সিটি করপোরেশনের অর্থে খালটিতে অবৈধ স্থাপনাসহ সব কাজ চলছে।

সব খাল দখলমুক্ত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মীর শাহে আলম বলেন, গণমানুষের ভোটে নির্বাচিত হয় বিএনপি সরকার। যেহেতু বিনাভোটে নির্বাচিত হইনি সেক্ষেত্রে সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কাজ করা হবে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার। গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।

কালের আলো/এসএকে