খুঁজুন
                               
, ,
           

নতুন ঠিকানা পাচ্ছে জলবায়ু উদ্বাস্তুরা, মানসম্মত নির্মাণকাজে গুরুত্বারোপ সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মে, ২০২২, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
নতুন ঠিকানা পাচ্ছে জলবায়ু উদ্বাস্তুরা, মানসম্মত নির্মাণকাজে গুরুত্বারোপ সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

নিরাপদ কোন আশ্রয় নেই। বাঁশের বেড়া ও পলিথিনের ছাউনিযুক্ত ছোট্ট ঝুপড়িঘরেই বসবাস। এমন জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনের বিরল এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর দয়া ও আন্তরিকতায় মাথা গোঁজার ঠাঁইহীন এসব মানুষকে স্থায়ী নতুন ঠিকানা দিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে তৈরি করা হচ্ছে ৫ তলা বিশিষ্ট ১১৯ টি ভবন।

‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ নামে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে বাঁকখালী নদীর তীরে আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এজন্য ব্যয় হবে এক হাজার ৩৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করতে প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখতে শনিবার (০৭ মে) ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

পরিদর্শনকালে তিনি সরেজমিনে প্রকল্পটির নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন জেনারেল শফিউদ্দিন।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্প। জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মূল কার্যক্রমের মধ্যে পাইল ফাউন্ডেশন দিয়ে ১১৯টি ৫ তলা ভবন নির্মাণ অন্যতম।

এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় ধর্মীয় উপাসনালয়, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, খেলার মাঠ এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ বিবিধ সুবিধাদি নির্মাণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। আগামী জুন ২০২৩ এর মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যায়।

জানা যায়, সরকারি খাসজমিতে বসবাসকারী ৪ হাজার ৪০৯ পরিবারের অন্তত ২০ হাজার জলবায়ু উদ্বাস্তুকে পুনর্বাসনের জন্য খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। প্রকল্পের জন্য খুরুশকুলে অধিগ্রহণ করা হয় ২৫৩ দশমিক ৩৫০ একর জমি।

শুরুতে এই প্রকল্পে ১৩৭টি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। ২০২০ সালের ২৩ জুলাই গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রথম ধাপে তৈরি ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় অন্তত ৬০০ জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারের হাতে ফ্ল্যাটবাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার এই প্রকল্পটিতে জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করতে ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর একনেক সভায় আরও ১১৯ টি ৫ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপরই জোরেশোরে কাজ শুরু করে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দ্রুত গতিতে কাজ করে চলেছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

সেনাপ্রধান ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প’ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, কোয়ার্টার মাষ্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ সাইফুল আলম, মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (এজি) মেজর জেনারেল মো. মোশফেকুর রহমান, ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোঃ ফখরুল আহসানসহ সেনাসদরের উর্ধ্বতন বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, পরে জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ইনানী এবং মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন হিমছড়িতে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ঘুরে দেখেন। তিনি কাজের বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময়ে সেনাবাহিনী প্রধান দেশের ভৌত অবকাঠামোগত নির্মাণে নিয়োজিত সকল স্তরের সেনা সদস্যদের কার্যকরী ভূমিকা রাখায় ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: এমরান সালেহ প্রিন্স

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: এমরান সালেহ প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘পাঠাগার আন্দোলনকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে হবে। সমাজের সকল বয়সের মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে, চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে। একটি জ্ঞানভিত্তিক, মননশীল ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।’

শনিবার (২৯ আগস্ট) হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের সভাপতি মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আলিমুল ইসলাম, পাঠাগারের কর্মকর্তা হোসনে আরা নীলু, প্রভাষক খালেদুজ্জামান আউলিয়া, হেলালুজ্জামান,সাহাবুদ্দিন রতন  ও মোহাইমিনুল ইসলাম রবিন।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আজকের এই পুরস্কার শুধু একটি সনদ বা সম্মাননা নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মেধা, পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার স্বীকৃতি। একটি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনই সাফল্যের শেষ নয়; বরং এটি আরও বড় স্বপ্ন দেখার এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।

তিনি বলেন, একটি পাঠাগার শুধু বই রাখার স্থান নয়; এটি জ্ঞানচর্চা, চিন্তা ও মনন বিকাশের কেন্দ্র। বই মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি করে, যুক্তিবোধ তৈরি করে, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে শেখায় এবং একজন মানুষকে মানবিক ও বিবেকবান হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে শিশু-কিশোর ও তরুণদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে নতুন প্রজন্মকে বের করে এনে বই, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সৃজনশীল জ্ঞানচর্চার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—প্রতিটি এলাকায় পাঠাগার, প্রতিটি ঘরে বই এবং প্রতিটি মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস।” শুধু শিশু-কিশোর নয়, তরুণ, মধ্যবয়স্ক ও প্রবীণ—সব বয়সের মানুষকে পাঠাগারমুখী করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে সহজে বই পড়ার সুযোগ পায়, সে উদ্যোগও নিতে হবে।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আরও বলেন, একটি জাতির প্রকৃত অগ্রগতি শুধু অবকাঠামো নির্মাণে নয়; জ্ঞান, বিবেক, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরির মধ্যেই নিহিত। তাই একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে পাঠাগার ও বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ, ক্রেস্ট ও উপহার তুলে দেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে: মীর শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে: মীর শাহে আলম

নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (২৯ আগস্ট) মোকামতলা উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় নবগঠিত নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মীর শাহে আলম দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ই-রিকশা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে সরকারের স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। জনগণের প্রয়োজন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বিবেচনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সুপরিকল্পিত ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। চলমান অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং দেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো মাদক ঢুকাচ্ছে: এ্যানি

লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো মাদক ঢুকাচ্ছে: এ্যানি

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করার জন্য আমরা (সরকার) শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমাদের দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য আশপাশের দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে দিচ্ছে। তারা আমাদের ভাবমূর্তি, অর্জন ও মেধাকে ধ্বংস করে দিতে চক্রান্তে লিপ্ত। এজন্য তরুণ সমাজকে সতর্ক এবং সজাগ থাকতে হবে। শিক্ষাকে যদি অগ্রাধিকার দিতে পারি তাহলে সমাজের অবক্ষয় থেকে মুক্ত থাকতে পারব।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের সদর ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় এসএসসিসহ সমমান পরীক্ষায় জিপি-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর সোসাইটির ব্যানারে শহরের টাউন হল মিলনায়তনে এই আয়োজন করা হয়।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, অভাব অনটনে আমরা এই বাংলাদেশ পরিচালনা করছি। একটা ধ্বংস্তুপের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের পর আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতের দিকে যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করছেন। একটি নকলমুক্ত পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম যেন চলে, সেটা আমাদের চ্যালেঞ্জের অংশ।

লক্ষ্মীপুর সোসাইটির সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপির সভাপতিত্বে এই আয়োজনে বিশেষ অতথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হানিফ মুরাদ, জেলা প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইউছুফ প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ