খুঁজুন
                               
, ,
           

দক্ষতা ও সক্ষমতা যাচাইয়ে শীতকালীন প্রশিক্ষণে সেনাবাহিনী, আভিযানিক সক্ষমতা বাড়াতে চান সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২২, ৯:০১ অপরাহ্ণ
দক্ষতা ও সক্ষমতা যাচাইয়ে শীতকালীন প্রশিক্ষণে সেনাবাহিনী, আভিযানিক সক্ষমতা বাড়াতে চান সেনাপ্রধান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিশ্বমানের সেনাবাহিনীতে রূপান্তরের কর্মযজ্ঞ চলছে প্রতিনিয়ত। লক্ষ্যপূরণে বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। নিজেদের দক্ষতা ও সক্ষমতা যাচাইয়ে তাঁর নেতৃত্বাধীন এই বাহিনীটি পরিপূর্ণভাবে মনোনিবেশ করেছে শীতকালীন প্রশিক্ষণে। ইতোমধ্যেই নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সেনা সদর ও সকল ফরমেশন পূর্ণাঙ্গরূপে মোতায়েন রয়েছে।

বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বারৈয়ারহাটে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও ৭ স্বতন্ত্র এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারির শীতকালীন প্রশিক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সৈনিকদের দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন। তিনি জোর দিয়েছেন ‘কঠিন প্রশিক্ষণ সহজ যুদ্ধ’ নীতিতে।

নিজের জবানীতেই সেনাপ্রধান তুলে ধরেছেন শীতকালীন এই প্রশিক্ষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শান্তিকালীন সময়ে যে বিষয়টা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে সেটা হলো আমাদের প্রশিক্ষণ। আর আমরা যত রকম প্রশিক্ষণ করি তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ হলো এই শীতকালীন প্রশিক্ষণ।’

সেনাপ্রধান যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি স্বরূপ বিভিন্ন রণকৌশলগত প্রশিক্ষণ কার্যাবলী পর্যবেক্ষণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে উপস্থিত সেনা কর্মকর্তা, জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনাসদস্যদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

জানা যায়, গত সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) থেকে বারৈয়ারহাটে শুরু হয়েছে সেনাবাহিনীর এই শীতকালীন প্রশিক্ষণ। যুদ্ধকালীন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এখানে প্রদর্শন করা হয় বিভিন্ন কৌশল। পাশাপাশি পরীক্ষা করা হচ্ছে সেনাবাহিনীতে নতুন সংযোজিত অত্যাধুনিক বিভিন্ন সমরাস্ত্র। বাস্তবধর্মী সামরিক সরঞ্জামাদির ব্যবহার এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য। এসব সরঞ্জামাদি দিয়ে অনায়েসেই ধ্বংস করা যাবে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান।

ভাগ্যবিড়ম্বিত ৫ শতাধিক শীতার্ত মানুষকে শীতবস্ত্র
বঙ্গবন্ধুর দর্শন বাস্তবায়নের মাধ্যমে ‘জনগণের সেনাবাহিনী’ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শীতকালীন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের যুগোপযোগী করার পাশাপাশি নানাভাবেই দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াচ্ছে। এদিন সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ নিজ বাহিনীর দেশসেবা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বারৈয়ারহাট এলাকায় মানবিকতার উপহার তুলে দেন ভাগ্যবিড়ম্বিত শীতার্ত মানুষের হাতে। আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান ৫০০টি দরিদ্র ও শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

জাতির আস্থার প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেনাপ্রধান। সেনাবাহিনীর এমন সহায়তা পেয়ে খুশি স্থানীয় জনসাধারণও।

এ সময় ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীমসহ সেনাসদর এবং চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা, জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এর সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট ) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আইএসপিআর এক বার্তা বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবগত করার জন্য

​সাক্ষাৎকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং কানাডার হাইকমিশনার পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন এবং বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ ও চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ এই আলোচনায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কানাডার সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।

​আলোচনায় সামরিক প্রযুক্তি আদান-প্রদান, কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, যৌথ প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন। এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয়ে আশা প্রকাশ করেন দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার ও সুসংহত হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মামলার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ সিদ্ধান্ত দেন। মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। শুনানিতে প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। পাশাপাশি আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশও চাওয়া হয়।

মামলার সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন—ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ও আসামিপক্ষের বক্তব্যসহ মামলার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা শেষে এখন ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষা। রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ না হওয়ায় যেকোনো দিন তা প্রকাশ হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্মসনদ, শিক্ষাগত সনদসহ বিভিন্ন সরকারি নথি সত্যায়নে বিদ্যমান জটিলতা ও ভোগান্তি নিরসনে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস, হাইকমিশন ও কনস্যুলেটগুলোতে নথি সত্যায়নের ক্ষেত্রে ‘ডাবল লেজিসলেশন’ বা বারবার সত্যায়নের প্রক্রিয়া কেন বেআইনি হবে না, একইসঙ্গে ‘হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন’(উদ্দেশ্য নথি সত্যায়নের জটিলতা দূর করতে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি) অনুযায়ী কেন একটি অভিন্ন নীতিমালা জারি করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নূরে আলম জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত জাহান।

রুলের জবাব দিতে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পররাষ্ট্র সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ‘সাধারণত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনে জন্মসনদ, বিবাহ সনদ বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মতো নথিগুলো আইন অনুযায়ী নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করার পরও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো পুনরায় অথেন্টিকেশন বা সত্যায়ন করতে বাধ্য করে। এর ফলে একই নথি নিয়ে মানুষকে একাধিক দফতর ও মিশনে ঘুরতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘অনেক দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসস্থান থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে। সেখানে যাতায়াত, আবাসন ব্যয় এবং কর্মস্থল থেকে ছুটি নেওয়ার ফলে প্রবাসীরা চরম আর্থিক ও মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অনেক সময় এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময়সীমা পার হয়ে যায় এবং চাকরিতে যোগদান বিলম্বিত হয়।’

আদালতে জানানো হয়, আইন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে আগেই প্রজ্ঞাপন বা সার্কুলার জারি করা হলেও দূতাবাসগুলো তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছে না। একেক দূতাবাসে একেক নিয়ম চালু থাকায় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে।

শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে- বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোকে অভিন্ন নির্দেশনা না দিয়ে পাবলিক ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে পুনরায় লেজিসলেশন বা সত্যায়ন করার চলমান নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী একটি অভিন্ন নীতিমালা কেন জারি করা হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন প্রতিটি মিশনকে একই নিয়মের আওতায় আনতে নির্দেশনা দেবে না এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বরের এসআরওগুলোর ইমপ্লিমেন্টেশন বা বাস্তবায়ন কেন নিশ্চিত করা হবে না।

একইসঙ্গে দূতাবাসগুলোর ওয়েবসাইট, ম্যানুয়াল এবং পাবলিক নোটিশগুলো হালনাগাদ করে সঠিক তথ্য প্রচারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী, কোনো নথি একবার অ্যাপোস্টিল করা হলে তা ওই কনভেনশনভুক্ত দেশগুলোতে পুনরায় সত্যায়ন ছাড়াই গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার পদক্ষেপ নিলেও মাঠ পর্যায়ে বিশেষ করে বিদেশের মিশনগুলোতে এর সুফল মিলছে না- এমন অভিযোগে রিটটি করা হয়েছিল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ