খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বাংলাদেশ-রাশিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৪, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-রাশিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র রাশিয়া। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো ভূমিকার
পাশাপাশি দু’দেশের সামরিক সহযোগিতাও উষ্ণ ও নিবিড়। সেই সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে নিয়মিত বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (০৩ এপ্রিল) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে দু’দেশের মধ্যকার তৃতীয় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা। সভায় সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

এই সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। রাশিয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন রাশিয়ান ফেডারেল সার্ভিস ফর মিলিটারি টেকনিকাল কো-অপারেশনের চীফ অফ ফার্স্ট ডিপার্টমেন্ট মি. ভরন্টসভ আলেকজেন্ডার ভেনিয়ামিনোভিক।

জানা যায়, সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রসহ বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সহযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। দু’টি দেশই সামরিক ও সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদার করতে বরাবরই নিজেদের আন্তরিকতার কথা জানিয়েছে। ঐতিহাসিক কারণে এবং বাস্তবতার নিরিখে বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের সৌহার্দপূর্ণ ও দৃঢ় সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদী উভয় দেশই। নিজেদের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫২ বছরে সামরিক সহযোগিতা বিশেষ গতি পেয়েছে। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাশিয়া সফরকালে দেশটি থেকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের (প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা) সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের চুক্তি করা হয়। সে সময় বিমান ও ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র-যুদ্ধ বিমান কেনে বাংলাদেশ। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করেছে বাংলাদেশ।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে সামরিক উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণে সহযোগিতা প্রদানের জন্য রাশিয়া নিয়মিত সহায়তা করছে। এই সহায়তাকে আরও ত্বরান্বিত করতে ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশে ওই বছরের ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর প্রথম ও ২০১৯ সালে রাশিয়ায় ২০ থেকে ২২ আগস্ট দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দু’দেশের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম সংক্রান্ত সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তৃত সুযোগ সৃষ্টি করাই এই ওয়ার্কিং গ্রুপের লক্ষ্য বলে জানায় আইএসপিআর।

আইএসপিআর আরও জানায়, এবারের সভাটিও প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ, সামরিক সফর ও পরিদর্শন, কর্মশালা ইত্যাদি ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যকার সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। সভায় বাংলাদেশের পক্ষে তিন বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ও রাশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। ১৯ সদস্যের একটি দল এই সভায় রাশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ঢাকায় কোথায় কখন ঈদের জামাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় কোথায় কখন ঈদের জামাত

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে একাধিক ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহ মাঠে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে।

আবহাওয়া প্রতিকূল হলে জাতীয় ঈদগাহের পরিবর্তে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এবার মোট পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট ও ৮টা ৩০ মিনিটে।

এছাড়া সলিমুল্লাহ মুসলিম হল মসজিদে সকাল ৭টায়, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল লনে সকাল ৮টায় এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের পূর্ব পাশের মাঠে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে।

অন্যদিকে রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) পবিত্র ঈদুল আজহার তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে এবং তৃতীয় জামাত সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে।

এছাড়া গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদে সকাল ৮টায় এবং অ্যারোপ্লেন জামে মসজিদে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে ঢাকা মহানগরীর শতাধিক ঈদগাহ ও দেড় হাজারের বেশি মসজিদে ঈদের জামাতের আয়োজন রাখা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে মাঠে ঢাকার ডিসি-এসপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে মাঠে ঢাকার ডিসি-এসপি

ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যানজট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে হঠাৎ সাভারের বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শন করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ ফরিদা খানম।

বুধবার (২৭ মে) বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যানবাহন চলাচল ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্টদের যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেন।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি টাকসুর মাঠ গরুর হাট পরিদর্শন করেন। সেখানে কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা, ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন। এরপর রেডিও কলোনি পশুর হাটও পরিদর্শন করেন। দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে তিনি সাভারে পৌঁছান।

এ সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে কেরানীগঞ্জের মিলেনিয়াম সিটিতে সুলতানী হাটও পরিদর্শন করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে জেলা প্রশাসন মাঠে কাজ করছে। কোনো পরিবহন থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গরুর হাট ও মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

ঢাকার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোথাও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

ফ্রান্সে গেলেন ড. ইউনূস, পেলেন ভিআইপি প্রোটোকল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
ফ্রান্সে গেলেন ড. ইউনূস, পেলেন ভিআইপি প্রোটোকল

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সকালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সোয়া ৭টায় টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ছাড়েন। পথে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ট্রানজিট নিয়ে তার প্যারিসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিমানবন্দরে তিনি ভিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঢাকা পোস্টকে জানান, সকালে ড. ইউনূস টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

বিমানবন্দর সূত্র তার প্যারিসে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। তবে তার এ সফরের উদ্দেশ্য বা নির্ধারিত কর্মসূচি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি