খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

বাংলাদেশ-রাশিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৪, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-রাশিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র রাশিয়া। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো ভূমিকার
পাশাপাশি দু’দেশের সামরিক সহযোগিতাও উষ্ণ ও নিবিড়। সেই সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে নিয়মিত বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (০৩ এপ্রিল) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে দু’দেশের মধ্যকার তৃতীয় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা। সভায় সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

এই সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। রাশিয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন রাশিয়ান ফেডারেল সার্ভিস ফর মিলিটারি টেকনিকাল কো-অপারেশনের চীফ অফ ফার্স্ট ডিপার্টমেন্ট মি. ভরন্টসভ আলেকজেন্ডার ভেনিয়ামিনোভিক।

জানা যায়, সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রসহ বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সহযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। দু’টি দেশই সামরিক ও সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদার করতে বরাবরই নিজেদের আন্তরিকতার কথা জানিয়েছে। ঐতিহাসিক কারণে এবং বাস্তবতার নিরিখে বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের সৌহার্দপূর্ণ ও দৃঢ় সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদী উভয় দেশই। নিজেদের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫২ বছরে সামরিক সহযোগিতা বিশেষ গতি পেয়েছে। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাশিয়া সফরকালে দেশটি থেকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের (প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা) সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের চুক্তি করা হয়। সে সময় বিমান ও ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র-যুদ্ধ বিমান কেনে বাংলাদেশ। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করেছে বাংলাদেশ।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে সামরিক উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণে সহযোগিতা প্রদানের জন্য রাশিয়া নিয়মিত সহায়তা করছে। এই সহায়তাকে আরও ত্বরান্বিত করতে ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশে ওই বছরের ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর প্রথম ও ২০১৯ সালে রাশিয়ায় ২০ থেকে ২২ আগস্ট দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দু’দেশের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম সংক্রান্ত সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তৃত সুযোগ সৃষ্টি করাই এই ওয়ার্কিং গ্রুপের লক্ষ্য বলে জানায় আইএসপিআর।

আইএসপিআর আরও জানায়, এবারের সভাটিও প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ, সামরিক সফর ও পরিদর্শন, কর্মশালা ইত্যাদি ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যকার সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। সভায় বাংলাদেশের পক্ষে তিন বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ও রাশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। ১৯ সদস্যের একটি দল এই সভায় রাশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইউএইচএফপিও সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
ইউএইচএফপিও সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবারই প্রথম বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবাকে জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করা, সার্বিক কার্যক্রম অবহিত হওয়াসহ সরকারের নির্দেশনা তাদের কাছে দেওয়ার জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন।

এ সময় শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/এসএকে

৪১৯ যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
৪১৯ যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইটের যাত্রীরা। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩০০১ ফ্লাইটটি সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ ফ্লাইটে হজযাত্রী ছিলেন ৪১৯ জন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম।

হজযাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের হাতে রিফ্রেশমেন্ট কিট তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী মৌসুমি হজ অফিসার মো. রুহুল আমিন, জেদ্দা হজ টার্মিনালের হেড অব অপারেশন ইয়াহিয়া রাদি ও হাজিদের অভ্যর্থনায় নিয়োজিত সৌদি প্রতিষ্ঠান নুসুক মারহাবার ম্যানেজার রায়েদ বাকশাউন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর যে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশের সরকার, তা পর্যালোচনা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানিয়েছেন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, চলমান বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে (শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর) অনুরোধটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আমরা এই ইস্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারদের সঙ্গে এ ব্যাপারে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাবো।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শিক্ষার্থী-জনতার তীব্র আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে যান। বর্তমানে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্রয়ে নয়াদিল্লিতে একটি বাড়িতে থাকছেন তিনি।

অভ্যুত্থানের পর ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একাধিকবার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে সে সময়ও বলা হয়েছিল— অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনকারী দল বিএনপি সম্প্রতি সেই নিষেধাজ্ঞাকে আইনে পরিণত করেছে। শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে নতুন এই আইনের ব্যাপারেও জয়সওয়ালের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন সাংবাদিকরা।

জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

কয়েক দিন আগে নয়াদিল্লিতে বৈঠক হয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের। সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়সওয়াল বলেছেন, আমি এখানে বলব যে অতীতে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছিলেন, এবারও তা-ই পুনর্ব্যক্ত করেছেন; আর তা হলো— বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে ভারত গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকতে চায়।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ