খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

আলোচনায় মাইনাস টু ফর্মুলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
আলোচনায় মাইনাস টু ফর্মুলা

মো.শামসুল আলম খান, কালের আলো:

দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শান্তিতে নোবেল জয়ী প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের পুরোদমে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে সংস্কার ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশের পরিবর্তিত সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ‘সংশয়’ ও ‘সন্দেহ’ তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। বিশেষ করে বিএনপির ও যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলো নেতাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে বর্তমান সরকার সব বিষয় স্পষ্ট না করায় সন্দেহের ডালপালা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিস্তৃত হচ্ছে। বিশেষ করে দিন দশেক আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘আবারও ওয়ান ইলেভেনের মতো মাইনাস টু ফর্মুলা বিএনপি দেখতে চায় না’ এমন মন্তব্যকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক মহলে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ নিয়ে তুঙ্গে ওঠে আলোচনা-সমালোচনা।

  • মাইনাস টু ফর্মুলাটি ২০০৭ সালের এক-এগারোর সরকার সামনে এনেছিল
  • বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের পর নতুন করে কানাঘুষা
  • মাইনাস টু হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব

তবে এ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছে অন্তর্বর্তী সরকার। তাঁরা স্পষ্ট করেছে নিজেদের অবস্থান। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার সাফ সাফ জানিয়ে দেন মাইনাস টু হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার মাইনাস টু কী জিনিস এটা জানে না। মাইনাস টু নিয়ে সরকারের কোনও পর্যায়ে কোনও ধরনের আলোচনা হয়নি। ভবিষ্যতেও হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’

জানা যায়, দেশের রাজনীতিতে মাইনাস টু ফর্মুলাটি ২০০৭ সালের এক-এগারোর সরকার সামনে এনেছিল। ওই সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে বাদ দেওয়ার পক্ষে দল দুটির কিছু নেতা সক্রিয় হয়েছিলেন। ওই নেতারা সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিত পান দেশের রাজনীতিতে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে বিষয়টি নিয়ে আবারও কানাঘুষা শুরু হয়। এ বিষয়ে সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তার দল বিরাজনীতিকরণে বিশ্বাস করে না এবং আবার ‘মাইনাস টু’ দেখতে চান না।

সূত্র মতে, অন্তর্বর্তী সরকারকে সব রকমের সহযোগিতা ও যৌক্তিক সময় দেওয়ার কথা বলেছে বিএনপি। তবে এটি সর্বোচ্চ এক বছর হতে পারে। তাও নির্ভর করবে সরকারের কার্যক্রমের ওপর। তাদের মতে, দেশে বিভিন্ন পর্যায়ে সংস্কার প্রয়োজন। রাষ্ট্রের কাঠামোতে গুণগত পরিবর্তন না এলে পরবর্তী সরকারকে চাপে থাকতে হবে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সংস্কারের পক্ষে মত তাদের। তবে এক বছর পর নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গাফিলতি দেখলে সোচ্চার হবে বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলো। চাপ তৈরি করতে বক্তব্য-বিবৃতি এমনকি নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে কর্মসূচিও দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে বিএনপি ও সমমনাদের।

বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক বলেছেন, মূলত এই সংশয় ও সন্দেহের কারণ দুটি। একটি হচ্ছে এক-এগারোর সময়ের মতো এই সরকার ক্ষমতায় থেকে যেতে পারে এবং নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে এই সরকার কাজ করলেও সেটি জাতির সামনে পুরোপুরি খোলাসা করেনি। সন্দেহ বা সংশয় জোরালো হয়েছে, সরকার ও সংশ্লিষ্টদের কিছু বক্তব্য এবং এক-এগারোর সময়কার কেউ কেউ বর্তমান সরকারে দায়িত্ব পাওয়ায়।

বলা হচ্ছে, নাগরিক কমিটির ব্যানারে অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালিত হচ্ছে। এদের কেউ কেউ এক-এগারোর সময় মাইনাস টু ফর্মুলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকারের মেয়াদ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না থাকা, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জন্য ৬ মাস বা কয়েক বছরও লাগতে পারে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কারও কারও এমন বক্তব্য সংশ্লিষ্টদের কাছে ক্ষমতা প্রলম্বিত হওয়ার লক্ষণ মনে হচ্ছে।

১৯ অক্টোবর আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরকারের সংলাপ
রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে অন্তর্বর্তী সরকার। গত ৫ অক্টোবর বিএনপি, জামায়াতসহ বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে সংলাপ হয়েছিল। দুর্গাপূজার কারণে গত শনিবার সংলাপ হয়নি বলে সূত্রে জানা গেছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ১৯ অক্টোবর (শনিবার) আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরকার সংলাপে অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব। শনিবার আমন্ত্রিত রাজনৈতিক দলগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, গণফোরাম, এলডিপি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, লেবার পার্টি, বিজেপির সঙ্গে সংলাপ হবে। এ ছাড়া আরও দু-একটি রাজনৈতিক দলকে হয়তো এ দফায় কিংবা পরবর্তী সময়ে আমন্ত্রণ জানানো হবে। সেটা প্রক্রিয়াধীন আছে।

সংলাপে জাতীয় পার্টিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনাÑএমন প্রশ্নের জবাবে আজাদ মজুমদার বলেন, এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। অনেক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এরইমধ্যে আলোচনা হয়েছে। অন্য আর কার (দল) সঙ্গে আলোচনা হবে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। উপদেষ্টা পরিষদ এটা নিয়ে কাজ করছে। পরবর্তী সময়ে আর কারও সঙ্গে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত হলে সময়মতো জানিয়ে দেওয়া হবে।

দ্রব্যমূল্য সহনীয় করতে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব। এর মধ্যে ডিমের শুল্ক ৩৩ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ কমিয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভোজ্যতেলের আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ কমিয়ে আনা এবং উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের সিন্ডিকেট ভাঙা যাচ্ছে না কেন—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সিন্ডিকেট ভাঙা ও তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কারা মূল্য কারসাজি করছে, মনোপলি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে, এ বিষয়ে সরকারকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে সেই বিষয়ে সরকার অবশ্যই পদক্ষেপ নেবে। সরকারের পদক্ষেপে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে মনে করেন উপপ্রেস সচিব।

পরিবহন খাতের চাঁদাবাজির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আজাদ মজুমদার বলেন, পরিবহন ভাড়া কমানোর বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবে। আর পরিবহনের ভাড়ার সঙ্গে চাঁদাবাজিকে কাউন্ট করে এটি নির্ধারণ করা হয় না। চাঁদাবাজি অপরাধ। এটা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টরা নিশ্চয়ই ভেবে দেখবেন। কারা চাঁদা চায়, কেন চাঁদা চায়—এ বিষয়ে তারা কাজ করবেন। কিন্তু ভাড়ার সঙ্গে চাঁদার বিষয়টি সম্পৃক্ত নয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সহকারী প্রেস সচিব, সুচিস্মিতা তিথি ও নাঈম আলী।

কালের আলো/এমএসএকে/এমএএএম

৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

ইউরোপে যখন অভিবাসননীতি নিয়ে কড়াকড়ি চলছে তখন ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নিলো স্পেন। প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে দেশটি। অর্থনীতি, জনসংখ্যা আর বাস্তবতার যুক্তি তুলে ধরে এই উদ্যোগকে ন্যায়ের পদক্ষেপ বলছে স্পেন সরকার।

এদিকে স্পেনের এমন সিদ্ধান্তের পর বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে উদযাপনের দৃশ্য দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, এ ঘোষণার পর উল্লাসে ফেটে পড়েছেন তারা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে স্পেন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের অন্তত পাঁচ মাস স্পেনে বসবাসের প্রমাণ এবং পরিচ্ছন্ন অপরাধমুক্ত রেকর্ড দেখাতে হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনুমোদন পেলে তারা কাজের সুযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসবেন।

সরকার বলছে, এই অভিবাসীরাই স্পেনের অর্থনীতি ও জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন। জনসংখ্যার বার্ধক্য মোকাবিলা এবং শ্রমঘাটতি পূরণে তাদের বৈধতা দেওয়া জরুরি। অতীতে স্পেনের নাগরিকদের বিদেশে কাজের জন্য পাড়ি জমানোর ইতিহাসও এই সিদ্ধান্তের নৈতিক ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

তবে দেশটির বিরোধী দল পিপলস পার্টি এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলছে, সরকারের এমন উদ্যোগ অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করবে এবং নতুন করে আরও মানুষের আগমন বাড়াতে পারে।

যদিও ক্যাথলিক চার্চসহ কিছু মহল এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে। ইউরোপজুড়ে কড়াকড়ির প্রবণতার বিপরীতে স্পেনের এই পদক্ষেপ নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মানবতাবিরোধী অপরাধে নানক-তাপসের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধে নানক-তাপসের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি। কারাগার থেকে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।

পলাতক আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন।

গত ৮ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার শুনানির কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশন থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়নি বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এ কারণে আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। এদিন প্রথমে শুনানি করবে প্রসিকিউশন।

চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

এ মামলায় আনা তিনটি অভিযোগে প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।

কালের আলো/এসএকে

আস্থার সংকট ‘এক রাতে’ দূর হবে না : ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আস্থার সংকট ‘এক রাতে’ দূর হবে না : ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ব্যাপক মাত্রায় আস্থার সংকট রয়েছে এবং তা ‘এক রাতে’ দূর হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তবে ইরান যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আসতে চায়— এ ব্যাপারটিকে ‘খুব ইতিবাচক’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’ নামের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ভ্যান্স বলেন, “ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অবশ্যই ব্যাপক মাত্রার আস্থার সংকট রয়েছে। এক রাতে এই সংকটের সমাধান হবে না। তবে তারা যে আমাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসতে চাইছে— এটা ইতিবাচক এবং এ ইস্যুতে আমরা এখন যে অবস্থানে আছি, তাতে আমি খুবই খুশি।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

এই যুদ্ধবিরতেকে স্থায়ী যুদ্ধাবসানের দিকে নিয়ে যেতে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিরা। সেখানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২২ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো চুক্তিস্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে ইসলামাবাদ বৈঠক।

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বলেছেন, শিগগিরই ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠকে বসবেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা।

সূত্র : রয়টার্স

কালের আলো/এসএকে