খুঁজুন
                               
, ,
           

মারিব ঘিরে সংঘর্ষ, হুথিদের ৮০ যোদ্ধা নিহতের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
মারিব ঘিরে সংঘর্ষ, হুথিদের ৮০ যোদ্ধা নিহতের দাবি

ইয়েমেনের কৌশলগত ও জ্বালানিসমৃদ্ধ মারিব শহর ঘিরে সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। প্রায় ২৪ ঘণ্টার লড়াইয়ে ৮০ জনের বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত এবং তাদের ৯টি সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর সামরিক গণমাধ্যম বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া আল-হাতেমি সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শনিবার রাত থেকে রোববার রাত পর্যন্ত মারিবের দক্ষিণের হেরেব, মালা ও উম রাইশ এলাকায় সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুথিদের তীব্র লড়াই হয়। সরকারি বাহিনী বিমান ও ড্রোনের সহায়তায় হুথিদের হামলা প্রতিহত করে। এতে ৮০ জনের বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত হন এবং তাদের ৯টি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনী আরও জানায়, মারিব প্রদেশের বিভিন্ন সম্মুখসারিতে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় যোদ্ধাদের সমাবেশস্থল, সামরিক রসদ ও সুরক্ষিত অবস্থানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। হামলার মুখে মারিব শহরের বাইরের কয়েকটি অবস্থান থেকে হুথি যোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বলেও দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

এদিকে শনিবার সানা, আমরান, হোদেইদা ও হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য এলাকায় অন্তত ৫০ যোদ্ধার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন বলে আরব নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে হুথিদের হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ইয়াহিয়া আল-হাতেমির দাবি, হুথিরা প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ যোদ্ধা হারাচ্ছে এবং মনোবল ভেঙে পড়া ঠেকাতে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা গোপন করছে।

মারিব ইয়েমেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অঞ্চল। সেখানে তেল ও গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাত ও হুথিদের নিয়ন্ত্রণ থেকে পালিয়ে আসা বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত মানুষও এ অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছেন।

সংঘর্ষের পর মারিব শহরের পশ্চিমে অবস্থিত নোমান পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে দেশের পশ্চিমাঞ্চল ও বাব আল-মান্দাব প্রণালী ঘিরেও সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘাত বাড়ছে।

সূত্র: আরব নিউজ

কালের আলো/এমএসআইপি 

সামুদ্রিক নিরাপত্তা থেকে প্রশিক্ষণ, তুরস্কের সঙ্গে নৌ সহযোগিতার সম্ভাবনা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
সামুদ্রিক নিরাপত্তা থেকে প্রশিক্ষণ, তুরস্কের সঙ্গে নৌ সহযোগিতার সম্ভাবনা

বাংলাদেশের নৌ কূটনীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে তুরস্ক। বাংলাদেশ ও তুরস্কের নৌবাহিনীর মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. রামিস সেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

  • নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
  • পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পেশাগত সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা
  • নৌ কূটনীতিতে ঢাকার ধারাবাহিক যোগাযোগ

দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি নৌবাহিনী পর্যায়ে পেশাগত সহযোগিতা এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয় বৈঠকে গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করার সম্ভাবনাও আলোচনায় আসে।

সামুদ্রিক সহযোগিতার পরিসর আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা
নৌবাহিনীর পেশাগত সহযোগিতা কেবল সামরিক যোগাযোগের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং সমুদ্রকেন্দ্রিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ও। ফলে তুরস্কের সঙ্গে নৌ পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানো বাংলাদেশের সামুদ্রিক সহযোগিতার পরিসর আরও বিস্তৃত করার একটি সম্ভাব্য পথ তৈরি করছে।

পেশাগত যোগাযোগের মাধ্যমে আরও গভীর করার সুযোগ
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কূটনৈতিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ হয়েছে। তবে সর্বশেষ তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের এই বৈঠকে ‘ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা’ বিশেষভাবে সামনে আসায় এটি ধারাবাহিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে দেখা যায়।
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নৌবাহিনী পর্যায়ের পেশাগত যোগাযোগের মাধ্যমে আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা ভবিষ্যতে সম্পর্ককে আরও কাঠামোবদ্ধ করার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

জুলাই-আগস্টে আরও তিন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতের আগে জুলাই ও আগস্টে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। ২৮ জুলাই দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন নৌ সদর দপ্তরে নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে সামুদ্রিক সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। এর পরদিন ২৯ জুলাই রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান নৌবাহিনীর কমোডর ফ্লোটিলা কমোডর সাইমন হাওয়ার্ডের সঙ্গে বৈঠকে পেশাগত সহযোগিতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ের বিষয় উঠে আসে। আর ৪ আগস্ট ইউএস প্যাসিফিক ফ্লিটের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন টি. ওয়েব কোহলার বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে পেশাগত ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত সহযোগিতা এবং দুই নৌবাহিনীর সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

নৌবাহিনীর পেশাগত যোগাযোগের সক্রিয় চিত্র
চলতি বছরের ২৩ জুলাই ভাইস এডমিরাল পদে উন্নীত হয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। পরে ২৩ আগস্ট তিনি এডমিরাল পদে পদোন্নতি পান। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও নৌ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর ধারাবাহিক সাক্ষাৎ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নৌবাহিনীর পেশাগত যোগাযোগের একটি সক্রিয় চিত্র সামনে এনেছে। দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার তুরস্কের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক সেই ধারাবাহিকতাকেই আরও বিস্তৃত করেছে।

সামনে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সর্বশেষ বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—বিদ্যমান সম্পর্কের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখা। এর ফলে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কোন নতুন ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়, সেদিকে নজর থাকবে।

বিশেষ করে তুরস্কের সঙ্গে এই বৈঠক বাংলাদেশের সামুদ্রিক কূটনীতিতে আরেকটি যোগাযোগের ঘটনা হলেও এর আলোচ্য বিষয়গুলো ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনার দিকটি সামনে এনেছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশের নৌ প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকগুলো মিলিয়ে দেখলে স্পষ্ট হয়—বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আন্তর্জাতিক পেশাগত যোগাযোগের পরিসর ক্রমেই আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতিতে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনলেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতিতে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনলেন তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের পথে তুরস্কের ইস্তাম্বুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে বিমানবন্দরের একটি রেস্টুরেন্টে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনেছেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতিকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রীকে রেস্টুরেন্টে খাবার কেনার জন্য লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। খাবার কেনার পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই খাবার নিয়ে টেবিলে বসেন।

পরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা নিউইয়র্কের উদ্দেশে ইস্তাম্বুল ত্যাগ করেন।

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করছে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করছে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছে তিনটি জাতীয় সংবাদমাধ্যম—সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো। হোয়াইট হাউসে তাদের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বাতিলের সিদ্ধান্তকে মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর লঙ্ঘন দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে তারা।

শুক্রবার ট্রাম্প সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো কে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন। পরদিন ওই তিন প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতে গেলে তাদের প্রেস পাস নিষ্ক্রিয় থাকার কথা জানানো হয় এবং প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।

সোমবার তিন সংবাদমাধ্যম এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তারা ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল আদালতে মামলা করছে। একই সঙ্গে হোয়াইট হাউসে তাদের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার দ্রুত পুনর্বহালের জন্য জরুরি আদালতীয় আদেশ চাওয়া হচ্ছে।

মামলায় সংবাদমাধ্যমগুলো যুক্তি দিচ্ছে, সরকারের সমালোচনামূলক বা অপছন্দের সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের সরকারি স্থাপনায় সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হলে তা প্রথম সংশোধনীতে থাকা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তারা আরও বলেছে, কোনো আগাম নোটিশ বা প্রক্রিয়া ছাড়াই সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র বাতিল করা হয়েছে।

ট্রাম্প অবশ্য নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমগুলোর কিছু প্রতিবেদনকে ‘ফেক নিউজ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, তারা চাইলে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারে, তবে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তাঁর নেই।

নিষেধাজ্ঞার ফলে শুধু সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারই নয়, সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো-এর হোয়াইট হাউস চত্বরে টেলিভিশন সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগও সীমিত হয়েছে। CNN-কে সংবাদমাধ্যমগুলোর যৌথ প্রেস পুলের দায়িত্ব থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদন এসেছে।

এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আগেও আইনি বিরোধ হয়েছে। ২০১৮ সালে সিএনএন-এর সাংবাদিক জিম অ্যাকোস্টার প্রেস পাস বাতিলের ঘটনায় আদালতে মামলা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আদালতের আদেশে তাঁর প্রবেশাধিকার পুনর্বহাল করা হয়। বর্তমান মামলাতেও আগের এসব আইনি নজির গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মামলা চললেও তারা ট্রাম্প প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ অব্যাহত রাখবে। এখন আদালত হোয়াইট হাউসের এই প্রবেশাধিকার বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা এবং প্রথম সংশোধনীর সঙ্গে এর সামঞ্জস্য নিয়ে কী সিদ্ধান্ত দেয়, সেটিই নজরে থাকবে।

সূত্রঃ রয়টার্স 

কালের আলো/এসএ