খুঁজুন
                               
, ,
           

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করেছে ৪৪টি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, আরও বেগবান করার বার্তা সিজিএস’র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করেছে ৪৪টি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, আরও বেগবান করার বার্তা সিজিএস’র

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

দেশের স্বনামধন্য ও সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথমেই উচ্চারিত হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ এর নাম। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ। শৃঙ্খলা আর নিয়মানুবর্তিতায় নিজেদের নিয়ে গেছে সাফল্যের মূল সোপানে। গৌরব ও গর্ব নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এসব শিক্ষাঙ্গন থেকে মেধার গরিমায় বিজয় বৈজয়ন্তী উড়িয়ে চলেছেন অদম্য মেধাবীরা। নিয়ম নিষ্ঠা আর অধ্যবসায়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিনিয়ত আলোকিত মেধাবী উপহার দিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত দেশের ৪৪টি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ। শুধু তাই নয়, গত বছর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের ১৩০ শিক্ষার্থী সশস্ত্র বাহিনীতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগদানের বিরল গৌরব অর্জন করেছে।

দীপ্তিময় এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনুকরণীয় এক মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) এবং ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের সভাপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। বুধবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে ৪৪টি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ এর কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে শিক্ষা বিস্তারে সেনাবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহের অবদানকে আরও গতিশীল ও বেগবান করার আহ্বান জানান তিনি।

জ্ঞানের অসীম দিগন্ত পাড়ি দেওয়ার লালিত স্বপ্নে বিভোর এসব প্রতিষ্ঠানসমূহের অধ্যক্ষদের নিজেদের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। এদিন ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজসমূহের কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো তিনি ৫৮তম সমন্বয় সভায় যোগদান করেন।

  • শৃঙ্খলা আর নিয়মানুবর্তিতায় সাফল্যের মূল সোপানে
  • প্রতিনিয়ত উপহার দিচ্ছে আলোকিত মেধাবী
  • শিক্ষা বিস্তারে সেনাবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহের অবদানকে আরও গতিশীল করার আহ্বান

সিজিএস লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের সুষ্ঠু শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিতর্ক, সাহিত্য- সাংস্কৃতিক আয়োজনসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারণীসহ সার্বিক বিষয়সমূহ আলোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কলেজ) নির্বাচিত হওয়ায় আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজকে সম্মাননা ট্রফি ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়াও শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান (কলেজ) নির্বাচিত হওয়ায় সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ কর্নেল মো.মনিরুজ্জামান খানকে সম্মাননা ট্রফি ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

সমন্বয় সভায় প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন সেনাবাহিনী শিক্ষা পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখ মো. মহিউদ্দিন। এ সময় সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) শেখ জাহিদুল ইসলাম, আদমজি ক্যান্টনমেন্ট কলেজের প্রিন্সিপাল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ বি এম নওরোজ আহসানসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মামলার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ সিদ্ধান্ত দেন। মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। শুনানিতে প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। পাশাপাশি আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশও চাওয়া হয়।

মামলার সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন—ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ও আসামিপক্ষের বক্তব্যসহ মামলার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা শেষে এখন ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষা। রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ না হওয়ায় যেকোনো দিন তা প্রকাশ হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্মসনদ, শিক্ষাগত সনদসহ বিভিন্ন সরকারি নথি সত্যায়নে বিদ্যমান জটিলতা ও ভোগান্তি নিরসনে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস, হাইকমিশন ও কনস্যুলেটগুলোতে নথি সত্যায়নের ক্ষেত্রে ‘ডাবল লেজিসলেশন’ বা বারবার সত্যায়নের প্রক্রিয়া কেন বেআইনি হবে না, একইসঙ্গে ‘হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন’(উদ্দেশ্য নথি সত্যায়নের জটিলতা দূর করতে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি) অনুযায়ী কেন একটি অভিন্ন নীতিমালা জারি করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নূরে আলম জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত জাহান।

রুলের জবাব দিতে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পররাষ্ট্র সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ‘সাধারণত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনে জন্মসনদ, বিবাহ সনদ বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মতো নথিগুলো আইন অনুযায়ী নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করার পরও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো পুনরায় অথেন্টিকেশন বা সত্যায়ন করতে বাধ্য করে। এর ফলে একই নথি নিয়ে মানুষকে একাধিক দফতর ও মিশনে ঘুরতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘অনেক দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসস্থান থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে। সেখানে যাতায়াত, আবাসন ব্যয় এবং কর্মস্থল থেকে ছুটি নেওয়ার ফলে প্রবাসীরা চরম আর্থিক ও মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অনেক সময় এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময়সীমা পার হয়ে যায় এবং চাকরিতে যোগদান বিলম্বিত হয়।’

আদালতে জানানো হয়, আইন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে আগেই প্রজ্ঞাপন বা সার্কুলার জারি করা হলেও দূতাবাসগুলো তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছে না। একেক দূতাবাসে একেক নিয়ম চালু থাকায় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে।

শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে- বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোকে অভিন্ন নির্দেশনা না দিয়ে পাবলিক ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে পুনরায় লেজিসলেশন বা সত্যায়ন করার চলমান নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী একটি অভিন্ন নীতিমালা কেন জারি করা হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন প্রতিটি মিশনকে একই নিয়মের আওতায় আনতে নির্দেশনা দেবে না এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বরের এসআরওগুলোর ইমপ্লিমেন্টেশন বা বাস্তবায়ন কেন নিশ্চিত করা হবে না।

একইসঙ্গে দূতাবাসগুলোর ওয়েবসাইট, ম্যানুয়াল এবং পাবলিক নোটিশগুলো হালনাগাদ করে সঠিক তথ্য প্রচারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী, কোনো নথি একবার অ্যাপোস্টিল করা হলে তা ওই কনভেনশনভুক্ত দেশগুলোতে পুনরায় সত্যায়ন ছাড়াই গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার পদক্ষেপ নিলেও মাঠ পর্যায়ে বিশেষ করে বিদেশের মিশনগুলোতে এর সুফল মিলছে না- এমন অভিযোগে রিটটি করা হয়েছিল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিককে নতুন মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিককে নতুন মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ

জুলাই আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার কথা জানিয়ে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৪ আগস্ট সশরীরে তাদের হাজির করতে ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ ইস্যু করেছেন আদালত।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ।

তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত টকশো বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে উস্কানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ আরও জানান, এ ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তে এরই মধ্যে তদন্ত সংস্থা এই তিন সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং সুষ্ঠু বিচারের প্রয়োজনে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা আবশ্যক। এজন্য আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন জানিয়েছিলাম।

শুনানি শেষে আদালত প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং কারাবন্দি এই তিন সাংবাদিককে আগামী ২৪ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন।

গত জুলাই আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন টেলিভিশন টকশো ও গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠে এই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে।

ওই সময়ে ঘটা হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ঘটনায় করা একাধিক মামলায় তাদের নাম আসায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়েরের ধারাবাহিকতায় এবার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ