খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

বিওএ’কে নতুন উচ্চতায় নিতে সেনাপ্রধানের মিশন শুরু, সাফজয়ীরা পাচ্ছেন এক কোটি টাকা পুরস্কার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
বিওএ’কে নতুন উচ্চতায় নিতে সেনাপ্রধানের মিশন শুরু, সাফজয়ীরা পাচ্ছেন এক কোটি টাকা পুরস্কার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) ১৭তম সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর অ্যাসোসিয়েশনটিকে নতুন উচ্চতায় নিতে মিশন শুরু করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। দায়িত্ব গ্রহণের ২৩ দিনের মাথায় শনিবার (১৬ নভেম্বর) তিনি বিওএ ভবনের বোর্ড রুমে নিজের সভাপতিত্বে কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা করেছেন। সভায় নিজের স্বপ্ন, পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। নিজেদের টিম স্পিরিটকে কাজিয়ে লাগিয়ে বিওএ’কে ঢেলে সাজিয়ে দেশের জন্য তিনি নিশ্চিত করতে চান অনন্য সম্মান। এছাড়া এই সভায় সদ্য সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নারী দলকে এক কোটি টাকা পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। মাল্টি ডিসিপ্লিনের বাংলাদেশ গেমস প্রতিযোগিতা আগামী বছর আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম সভাতেই অলিম্পিক ভিলেজ ছাড়াও ফেডারেশন ও অনুশীলনের অবকাঠামোর বিষয়ে জোর দিয়েছেন বিওএ এর নতুন সভাপতি।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে (বিওএ) নিয়ে নতুন স্বপ্ন বুনেছেন নতুন এই সভাপতি। সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় সাফল্য নিশ্চিতে বিভিন্ন ছক কষেছেন, প্রদান করেছেন সুচিন্তিত দিকনির্দেশনা। নিজ নেতৃত্বাধীন অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণাঢ্য পথযাত্রায় তিনি সংযোজন করতে চান নতুন প্রাণাবেগের। নতুন সভাপতিকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সংগঠনটির কর্মকর্তারাও। তারা বলছেন, পরিকল্পিত উদ্যোগে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর দক্ষ ও গতিশীল নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে বিওএ।

এর আগে গত শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনার মো. আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। এর আগেই বিওএর সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজাকে চিঠি দিয়ে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন। এর পরপরই সভাপতির শূন্য পদে নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনে খসড়া ভোটার ছিলেন ৭১ জন কাউন্সিলর। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বিভিন্ন ফেডারেশন থেকে এঁদের বেশ কয়েকজনকে অব্যাহতি দেওয়ায় তাঁদের বাদ দিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা দাঁড়ায় ৫২ জনের।

  • দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়
  • বাংলাদেশ গেমস প্রতিযোগিতা আগামী বছর আয়োজনের সিদ্ধান্ত
  • প্রয়োজনে নিজেদের অর্থায়নে অলিম্পিক ভিলেজ
  • ফেডারেশন ও অনুশীলনের অবকাঠামোর বিষয়ে জোর

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়
জানা যায়, বিওএ এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিওএ ভবনে আসেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। এদিন তিনি নতুন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। বিওএকে নিয়ে নিজের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা জানান জেনারেল ওয়াকার। আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর এই প্রথম সভায় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সভায় বিওএ’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলতি বছরের গত সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত বিওএ এর কার্যনিবাহী কমিটির ০১/২০২৪ সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন এবং সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

সূত্র জানায়, যুগোপযোগী চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে (বিওএ) এগিয়ে নিতে দৃঢ় প্রত্যয়ী সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সমন্বিতভাবে নিজেদের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে চান। আগের চেয়ে ভালো কিছু উপহার দিতে চান। বাস্তবিক স্বপ্ন, পরিকল্পনা ও লক্ষ্যই মোটা দাগে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্ব পরিমন্ডলে লাল-সবুজের পতাকা গর্বের সঙ্গে উড়ানোর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে চান অলিম্পিক এসোসিয়েশনের চির স্বপ্নবাজ এই সভাপতি।

সাফজয়ীরা পাচ্ছেন এক কোটি টাকা পুরস্কার
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বিওএ ভবনে প্রথম সভায় গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। এই সভায় সদ্য সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নারী দলকে এক কোটি টাকা পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভা শেষে বিওএ’র সহ-সভাপতি ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমেদ মামুন বলেন, ‘সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী দলকে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যৌথভাবে সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। এক কোটি টাকা দেওয়া হবে নারী দলকে। যার জন্য কক্সবাজারে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন হবে। কক্সবাজারে এই আয়োজনের দায়িত্ব নিয়েছেন আমাদের মাননীয় সভাপতি।’

এর আগেও ২০২২ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নারী দলটি সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আর্থিক পুরস্কার প্রদান করেছিল। সেনাবাহিনীর প্রধান বরাবরই বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এবার বিওএ এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে নারী চ্যাম্পিয়ন দলকে সংবর্ধনা দেবে। সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সাবিনা খাতুনরা ক’দিন আগে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে এক কোটি টাকা পুরস্কার পেয়েছেন। এরপর সাউথ ইস্ট ব্যাংক থেকে পেয়েছেন আরেকটি সংবর্ধনা। বাফুফে দেড় কোটি ও বিসিবি ২০ লাখ টাকা বোনাস ঘোষণা করেছে তাদের জন্য।

আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ গেমস
বাংলাদেশের অলিম্পিক হিসেবে খ্যাত বাংলাদেশ গেমস। মাল্টি ডিসিপ্লিনের এই প্রতিযোগিতা আগামী বছর আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন। বিওএ সভা শেষে সহ-সভাপতি ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমেদ মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিওএ আগামী বছর বাংলাদেশ গেমস আয়োজন করবে। সামনেই আমাদের একটি নির্বাহী কমিটির সভা হবে। সেই সভায় গেমস সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত আলোচনা হবে।’ প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে শুরু হওয়া বাংলাদেশ গেমস ২০০২ সালের পর দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। ২০১৩ সাল থেকে পুনরায় আবার এই গেমস শুরু হয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে যুবদের জন্য আলাদা গেমসও আয়োজন করছে বিওএ। দুই বছর অন্তর অন্তর যুব ও বাংলাদেশ গেমস আয়োজন করে আসছে। সেই অনুযায়ী ২০২৫ সালে বাংলাদেশ গেমস ও ২০২৬ যুব গেমস আয়োজনের আলোচনা হয়েছে শনিবারের (১৬ নভেম্বর) এই সভায়।

প্রয়োজনে নিজেদের অর্থায়নে অলিম্পিক ভিলেজ
বিওএ এর নতুন সভাপতির প্রথম সভায় অলিম্পিক ভিলেজ নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমেদ জানান, ‘আমাদের নবনির্বাচিত সভাপতি সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান খেলাধুলার প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক। বাংলাদেশের খেলাধুলার মানোন্নয়নের জন্য অলিম্পিক ভিলেজ প্রয়োজন। বিওএ এই সংক্রান্ত একটি কমিটি করবে। ভিলেজের জন্য সরকারের সহায়তা চাইব না পেলে নিজেদের অর্থায়নে ভিলেজ করব।’

অলিম্পিক ভিলেজ ছাড়াও বিওএ নতুন সভাপতি ফেডারেশন ও অনুশীলনের অবকাঠামোর বিষয়ে জোর দিয়েছেন। এই বিষয়ে বিওএ সহ-সভাপতি বলেন, ‘আমাদের সভাপতি স্টেডিয়াম এলাকায় খেলাধুলা করেছেন। উনার সম্পুর্ন ধারণা রয়েছে। খেলোয়াড়দের সুন্দর পরিবেশ ও অনুশীলনের জায়গা দেয়া প্রয়োজন। ফেডারেশনগুলোর সমস্যা নিয়ে অলিম্পিক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও মন্ত্রণালয় বৈঠক করবে খেলার মানোন্নয়নের জন্য।’

কালের আলো/এমএএএমকে

১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

এক হাতে বাজারের ব্যাগ, আরেক হাতে হিসাব। প্রতিদিনের এই ছোট্ট লড়াইয়ে যেন হার মানছেন সাধারণ মানুষ। সবজির বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়ে অস্বস্তির এক চিত্র। ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। প্রয়োজন থাকলেও সাধ্যের সীমা টেনে ধরছে হাত। অনেকেই এখন কেজির বদলে কিনছেন আড়াইশ গ্রাম। এভাবেই সামলাচ্ছেন সংসার।

জ্বালানি সংকটে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে সবজির দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালী, রামপুরাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ৮০ টাকার নিচে রয়েছে মাত্র দু-একটি সবজি। গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা একদিন আগেও ছিল ১০০ টাকা। পটলের কেজি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

করলা ১০০-১২০, বরবটি ৮০-৯০, ঢেঁড়শ ৭০-৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, টমেটো ৫০, পেঁপে ৪০-৫০ ও লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম দু’তিন দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমে কেনা যেত। তবে সবচেয়ে দামি সবজি এখন কাঁকরোল। প্রতি কেজি কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের ১৬০-১৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে কেজিপ্রতি আলুর দাম এখনও ২৫-৩০ টাকা।

মহাখালী সবজির বাজারে কথা হয় বখতিয়ার শিকদারের সঙ্গে। তিনি একটি বেসরকারি অফিসে পিয়ন হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন সবজি কেনার ইচ্ছা থাকলেও দাম বাড়ায় আধা কেজি বেগুন ও আলু কিনেই বাসায় ফিরতে হচ্ছে তাকে। তার দাবি, সরকার যদি কিছু নিয়ন্ত্রণ করত, তাহলে নিম্নআয়ের মানুষের উপকার হতো।

তিনি বলেন, মাছ-মাংসের পরিবর্তে আগে সবজি খেয়ে চাহিদা মেটাতাম। এখন সেটাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ৮০-১০০ টাকার নিচে কোনো সবজিই পাওয়া যায় না। স্বাদ জাগলেও আয়ের সঙ্গে কুলাতে না পেরে কোনোভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হয়। আজ শুধু বেগুন আর আলু কিনেছি। ঘরে থাকা ডিম দিয়ে এসব রান্না হবে।

বখতিয়ার আরও বলেন, ঈদের পরও বেগুনের কেজি ৪০-৬০ টাকা ছিল। এখন দ্বিগুণেরও বেশি। আগে এক কেজি কিনলেও এখন আধা কেজি বা আড়াইশ গ্রাম করে কিনতে হয়। পটল, করলার দামও বেশি। খেতে হয় বলেই সবজি কিনছি, না হলে অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হতো।

অনেকটাই বখতিয়ারের সুরে কথা বলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হোসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করেন তিনি। দাম বেশি হওয়ায় করলা আধা কেজি, ঢেঁড়শ আড়াইশ গ্রাম, শিম আধা কেজি ও পটল আড়াইশ গ্রাম কিনেছেন। এসব সবজির দাম কম থাকলে এক কেজি করেই কিনতেন বলে জানান তিনি। তার মতে, আগে একজন মানুষ ২০০ গ্রাম খেলে এখন ১০০ গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মাহফুজার রহমান সিয়াম বলেন, দাম বাড়ার কারণ আমরাও স্পষ্ট করে বলতে পারি না। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। যে টাকা নিয়ে আমরা মালামাল কিনতে যাই, তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সরবরাহ কম বা সংকটের কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে পাশাপাশি নতুন সবজির সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে পাইকাররা বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন। ফলে খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রেশম শুধু রাজশাহীর সম্পদ নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের সম্পদ। রেশম আমাদের ঐতিহ্য। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রেশম বোর্ড স্থাপন করেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী সিল্কের উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজশাহী সিল্ক কীভাবে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। গবেষণার মাধ্যমে তুঁতের ফলন বৃদ্ধি, তুঁত গাছের উন্নয়ন, রেশম সুতার উন্নয়ন তথা রাজশাহী সিল্কের সার্বিক ঐতিহ্য বৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

এ জন্য স্টেকহোল্ডারদের মূল্যবান পরামর্শ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, রেশম সুতার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কারখানাগুলোতে বন্ধ পড়ে থাকা লুমগুলো চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি।

পরে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ‘সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভাটি বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। তিনি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

কালের আলো/এসএকে

সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

নীলফামারী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

দুই দিনের সফরে নিজ জেলা লালমনিরহাটে যাওয়ার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তাকে আনতে ইতোমধ্যেই ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার।

তিনি বলেন, দুই দিনের সফরে লালমনিরহাট সফরে আজকে (শনিবার) সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে এসে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামেন আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি রেস্টরুমে গিয়ে বসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে অস্বস্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন মন্ত্রী। পরে তাকে দ্রুত সৈয়দপুর সেনানিবাসের সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গফুর সরকার আরও বলেন, পরে নেতাকর্মীদের পরামর্শে মন্ত্রীকে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের বিমানে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় বিমানে যেতে পারেননি। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে সৈয়দপুর পৌঁছালে সেটিতে মন্ত্রীকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

কালের আলো /এসএকে