খুঁজুন
                               
, ,
           

ভবিষ্যত নেতৃত্বের পরিকল্পনায় উজ্জ্বল তরুণ অফিসাররা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
ভবিষ্যত নেতৃত্বের পরিকল্পনায় উজ্জ্বল তরুণ অফিসাররা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ সেনাপ্রধানের

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর:

সাজ সাজ রব চারদিকে। সামরিক ছন্দে দৃষ্টিনন্দন প্যারেড। মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিস্থ বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (বিএমএ) প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুনের অবগাহনে অন্যরকম এক আবহ। দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলেছেন তরুণ অফিসাররা। দৃষ্টিনন্দন পোশাক থেকে শুরু করে দুর্দান্ত শারীরিক কসরত, কী ছিল না সেখানে? দৃষ্টি জুড়িয়ে যায় বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে চৌকস প্যারেড অবলোকনে। দীর্ঘ ৩ বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে ৮৭ বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ২১৩ জন অফিসার ক্যাডেট, ৫৯ বিএমএ স্পেশাল কোর্সের ১৪ জন অফিসার ক্যাডেট ও ৪ জন ট্রেইনি অফিসার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও প্যারেডের অভিবাদন গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

অবারিত আনন্দের স্রোতধারায়, ভাতৃত্বের সীসা ঢালা প্রাচীরের অবিচ্ছেদ্য এক বন্ধন। হৃদয় গহিনে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের দোলায় অদম্য পরিণত মেধাবী তরুণ অফিসারদের পথনির্দেশকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ৮৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি ও ৫৯তম বিএমএ স্পেশাল কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে নিজের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনের অভিজ্ঞতায়, পেশাদারিত্বের গভীর নির্যাসে ও দূরদৃষ্টিতায় নির্মোহ বস্তুনিষ্ঠ এবং দিকনির্দেশনামূলক এক দীর্ঘ বক্তব্যই উপস্থাপন করলেন তিনি।

সাহসিকতার সঙ্গে সকল পরিস্থিতি মোকাবিলার পাশাপাশি দেশপ্রেমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানালেন। নির্দেশ দিয়েছেন দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের জানমাল রক্ষায় নতুন ক্যাডেটদের সর্বদা নিজেকে উৎসর্গ করারও। বর্ণিল এই প্যারেডকে ঘিরে নিজের মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করলেন সেনাপ্রধান। তিনি প্যারেডে অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানান। নবীন নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে ফোর্সের প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিএমএ’র কমান্ড্যান্ট ও সংশ্লিষ্টদের জানান আন্তরিক ধন্যবাদ।

অন্তরমথিত ভালোবাসায় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর বক্তব্যে পরিপাটিভাবেই ওঠে এসেছে- একটি দক্ষ, আধুনিক এবং দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর গুরুত্ব, মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই জীবনের প্রথম এবং প্রধানতম ব্রত এবং নিজ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস-ঐতিহ্য। নবীনদের গড়তে এদেশের খেটে-খাওয়া মানুষের অবদানকে স্মরণে রেখে আগামীতে কাজ করার তাগিদও দিলেন। যেকোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিজেদের বিবেকের দ্বারস্থ হওয়ার বার্তা দিয়েছেন। উপদেশ দিলেন প্রতিনিয়ত নিজেদের সক্ষমতা এবং পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করতে সচেষ্ট থাকতে।

  • একটি দক্ষ, আধুনিক এবং দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর গুরুত্ব
  • মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই জীবনের প্রথম এবং প্রধানতম ব্রত
  • এদেশের খেটে-খাওয়া মানুষের অবদানকে স্মরণে রেখে আগামীতে কাজ করার তাগিদ
  • চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিজেদের বিবেকের দ্বারস্থ হওয়ার বার্তা
  • প্রতিনিয়ত নিজেদের সক্ষমতা এবং পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করতে সচেষ্ট থাকতে উপদেশ

এর আগে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছলে আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো.মাইনুর রহমান, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল খন্দকার মোহাম্মদ শাহিদুল এমরান তাকে অভ্যর্থনা জানান।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের মধ্যে ২০৭ জন পুরুষ ও ২৪ জন মহিলা অফিসার রয়েছেন। ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার আব্দুল্লাহ আল আরাফাত ৮৭ বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সেরা ক্যাডেট হিসেবে অসামান্য গৌরবমণ্ডিত ‘সোর্ড অব অনার’ এবং সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন। প্রশিক্ষণ শেষ করা ক্যাডেটরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের পর তাদের বাবা-মা নবীন অফিসারদের র‍্যাংক-ব্যাজ পরিয়ে দেন। অনুষ্ঠানে বন্ধু প্রতিম দেশ শ্রীলংকান মিলিটারি একাডেমির কমান্ড্যান্ট, দেশি-বিদেশি উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা এবং সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের অভিভাবকরা উপস্থিত থেকে এই বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শাহাদতবরণকারী বীর সেনানীদের আত্মত্যাগ প্রেরণার উৎস
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধা জানান মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শাহাদতবরণকারী বীর সেনানীদের। তিনি বলেন, ‘তাদের মহান আত্মত্যাগ সব সময় আমাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আমি তাদের রুহের মাগফিরাতও কামনা করি।’ মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখার জন্য একটি দক্ষ দক্ষ, আধুনিক এবং দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে এই চার তারকা জেনারেল বলেন, ‘এই সেনাবাহিনীর নেতৃত্বের দায়িত্ব মূলত অফিসারদের ওপরই বর্তায়। এই লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। কালক্রমে এই একাডেমি সুনামের সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করে এবং আজকে এটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মিলিটারি একাডেমিতে পরিণত হয়েছে। এই একাডেমি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের নেতৃত্বে শৃঙ্খলা, আনুগত্য, ন্যায়পরাণতা ও কর্তব্যের প্রতি উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ দেশের সীমানা পেরিয়ে বহির্বিশ্বে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।’

সামরিক চেতনার মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে যেকোন চ্যালেঞ্জ গ্রহণে সবসময় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ
এ সময় তরুণ ক্যাডেট অফিসারদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত আনেন্দের। কারণ, বিএমএতে দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে আজকে তোমরা সেনাবাহিনীতে কমিশন পেতে যাচ্ছো। এজন্য তোমাদের সকলকে জানাই আন্তরিক অভিবাদন। তোমাদের কাছে আমার প্রত্যাশা নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলী যেমন- সততা, সত্যবাদিতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রম দ্বারা সেনাবাহিনীর ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব তোমরা আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করবে। তোমাদেরকে যেকোন চ্যালেঞ্জ গ্রহণে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। সামরিক চেতনার মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ সমুন্নত রাখতে ও যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশপ্রেমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সাহসিকতার সঙ্গে সকল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। তোমরা প্রতিনিয়ত নিজেদের সক্ষমতা এবং পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করতে সচেষ্ট থাকবে।’

শৃঙ্খলা সেনাবাহিনীর প্রধান চালিকাশক্তি; সর্বদা নিজেদের শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি বজায় রাখার আহ্বান
প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী অফিসার ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, রীতি-নীতি, সুনিয়ন্ত্রিত জীবন পদ্ধতি ও রেজিমেন্টেড লাইফকে তোমরা মনেপ্রাণে গ্রহণ করে সর্বদা নিজেদের শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি বজায় রাখবে। মনে রাখবে তোমাদের ওপর অর্পিত হবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মূলমন্ত্র ‘সমরে আমরা শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে’ এটিতে উজ্জীবিত হয়ে মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই হবে তোমাদের জীবনের প্রথম এবং প্রধানতম ব্রত। সেনাবাহিনী এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে শৃঙ্খলা প্রধান চালিকাশক্তি। এখানে সকল বিষয় নির্ধারিত নিয়ম, প্রথা ও অনুশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। যেকোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিজেদের বিবেকের দ্বারস্থ হবে। তোমরা ভুলে যাবে না, তোমাদের গড়ে তুলতে এই দেশের খেটে-খাওয়া মানুষের অনেক অবদান রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মনে রাখবে, সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। যার মাধ্যমে একজন সেনা সদস্য কর্মক্ষেত্রে নিজেকে আদর্শবান, মর্যাদাবান ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। প্রশিক্ষণ শেষে তোমরা নতুন জীবনে পদার্পণ করছো। তোমাদের সেখানে দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বেশি। তোমরা অধীনস্তদের প্রতি সহানুভূতিশীল হবে এবং তাদের ভালো-মন্দের প্রতি খেয়াল রাখবে। সর্বদা অধীনস্তদের সুপ্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলবে এবং তাদের সামনে নিজেকে উদাহরণস্বরূপ উপস্থাপন করবে। তোমাদের প্রশিক্ষণের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। তাহলেই তোমরা কর্মক্ষেত্রে সফল হতে পারবে।’

কালের আলো/এমএএএমকে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন রেকর্ড গড়লেন পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন রেকর্ড গড়লেন পরীমনি

বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলে বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বেশি ফেসবুক অনুসারীর (ফলোয়ার) মালিক হয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুই তারকার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা পর্যালোচনায় দেখা যায়, পরীমনির অনুসারী সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসানের অনুসারী রয়েছেন ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। ফলে প্রায় ১০ লাখ অনুসারীর ব্যবধানে শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছেন পরীমনি।

এর আগে কয়েক দফা দুই তারকার অনুসারীর সংখ্যা কাছাকাছি অবস্থানে ছিল। একসময় সাকিব এগিয়ে থাকলেও সর্বশেষ পরিসংখ্যানে বড় ব্যবধানে তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন এই অভিনেত্রী।

অনুসারীর সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও দুই তারকার ফেসবুক কার্যক্রমে রয়েছে ভিন্নতা। সাকিব আল হাসানের অফিসিয়াল পেজ থেকে মাত্র ছয়টি অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি এবং ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও রুবেল হোসেন। এ ছাড়া সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন ও ফরচুন বরিশালের অফিসিয়াল পেজও তাঁর অনুসরণ তালিকায় রয়েছে।

অন্যদিকে, পরীমনির ফেসবুক পেজ থেকে সাতটি অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করা হলেও সেগুলোর তথ্য প্রাইভেসি সেটিংয়ের কারণে প্রকাশ্যে দেখা যায় না।

এক দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন ও বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে নিয়মিত আলোচনায় থেকেছেন পরীমনি। বর্তমানে তিনি নতুন কয়েকটি চলচ্চিত্র ও ওটিটি প্রকল্পের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান মাঠের ক্রিকেটের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় রয়েছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তার দিক থেকে এবার দেশের নতুন শীর্ষস্থান দখল করলেন পরীমনি।

কালের আলো/এসএ

সান্তোসে অনিশ্চিত নেইমারের ভবিষ্যৎ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
সান্তোসে অনিশ্চিত নেইমারের ভবিষ্যৎ

ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের সান্তোস অধ্যায় দীর্ঘ হচ্ছে না বলেই ইঙ্গিত মিলছে। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে সেটি নবায়নের সম্ভাবনা খুবই কম। ক্লাবের ভেতরে বাড়তে থাকা অসন্তোষই এর প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শৈশবের ক্লাবে ফেরার পর থেকেই সতীর্থ, কোচিং স্টাফ ও ক্লাব কর্মকর্তাদের মধ্যে নেইমারকে ঘিরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাঁর আচরণ ও মনোভাবের কারণে প্রতিদিনের কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে কয়েকজন খেলোয়াড় নেইমারের ‘আত্মকেন্দ্রিক’ আচরণে অসন্তুষ্ট বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নেইমারের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। গত মে মাসে অনুশীলনের সময় সতীর্থ রবিনহো জুনিয়রের সঙ্গে তাঁর তর্ক-বিতর্কের ঘটনা দলের সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করে।

কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের অভিযানের সময়ও সমালোচনার মুখে পড়েন নেইমার। ভেনেজুয়েলায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তাঁকে সাও পাওলোতে একটি পোকার টুর্নামেন্টে অংশ নিতে দেখা যায়। বিষয়টি সমর্থক ও গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর জবাব দেন তিনি। এরপর শাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে গোল করে তাস বিলির ভঙ্গিতে উদযাপন করে সেই বিতর্ক আরও উসকে দেন।

গ্লোবোর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পেশাদার ফুটবলের চাপ ও ক্লাবের দৈনন্দিন রুটিনে নেইমার ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। এমনকি তিনি অবসর নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে বাবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি এবং বাণিজ্যিক চুক্তির কারণে তিনি এখনো খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে শাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর ব্রাজিলের কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, ড্রেসিংরুমে তরুণ সতীর্থ গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসকে মৌখিকভাবে আক্রমণ করেছেন নেইমার। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। তাঁর দাবি, প্রকাশিত খবরগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।

কালের আলো/এসএ

 

মানচিত্রে নির্ভুলতা, উন্নয়নে গতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন শক্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
মানচিত্রে নির্ভুলতা, উন্নয়নে গতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন শক্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পরিদর্শনের সময় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ তাঁকে স্বাগত জানান।

পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতীয় মানচিত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ, আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপ, ভূস্থানিক তথ্য সংগ্রহ, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল এলিভেশন মডেল প্রস্তুত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

এসময় তিনি বলেন, নির্ভুল ও হালনাগাদ মানচিত্র উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভূস্থানিক তথ্যের সমন্বয় ও নিয়মিত হালনাগাদের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি প্রশিক্ষণে জরিপ ও ভূস্থানিক জ্ঞানের ব্যবহার বৃদ্ধি, দেশীয় ডিজিটাল ম্যাপিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সম্ভাবনা যাচাই এবং ভূকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকার হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল আগামী চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করে পরবর্তী পর্যায়ে সিলেট ও কুমিল্লায় কাজ শুরুর নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। নির্ভুল মানচিত্র ও আধুনিক ভূস্থানিক তথ্য সেই পরিকল্পনার পথ নির্দেশক।’

এসময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ