খুঁজুন
                               
, ,
           

সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সাফল্যের মহাকাশ ছোঁয়া বীরকন্যাদের স্মরণীয় দিন, হৃদয়ের উষ্ণতায় আনন্দ নন্দিত অভিবাদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:০১ অপরাহ্ণ
সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সাফল্যের মহাকাশ ছোঁয়া বীরকন্যাদের স্মরণীয় দিন, হৃদয়ের উষ্ণতায় আনন্দ নন্দিত অভিবাদন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

মাসখানেক আগেই নেপালে বিজয় কেতন উড়িয়েছে বীরকন্যারা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে তাঁরা। ঐতিহাসিক, অবিস্মরণীয় বিজয় বলে চলেছে ফুটবলে নারীদের শক্তি ও সম্ভাবনার কথা। ফুটবল আকাশে এতোদিন যে শ্রেষ্ঠত্ব ছিল আকাশের চাঁদ- সাবিনা, রুপনা, ঋতুপর্ণা আর মনিকা চাকমারা সেই মহাকাশই ছুঁয়ে দিচ্ছেন বারবার। বিশ্ব পরিমণ্ডলে উড়িয়েছেন লাল-সবুজের পতাকা। বাধার প্রাচীর দুমড়েমুচড়ে এগিয়ে চলা, অসম্ভবকে সম্ভবে রূপান্তরিত করা হিমাদ্রির শিখরে ওঠে বাংলার ফুটবলের পুনর্জাগরণের গল্প বলা নারী ফুটবলারদের এবার হৃদয়ের উষ্ণতায় অভিবাদন জানিয়েছে দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)।

সমুদ্র নগরী কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের ইনানী এলাকায় সেনাবাহিনী পরিচালিত বে-ওয়াচ হোটেল গ্রাউন্ডে শনিবার (০৭ ডিসেম্বর) রাতে আয়োজিত এই সংবর্ধনায় দেশের জন্য গৌরবময় অধ্যায় তৈরি করা বাংলার বাঘিনীদের অনন্য এক মর্যাদায় করা হয়েছে মহিয়ান। হিমালয়ের কোলে বাংলাদেশের ফুটবলের আশার ফুল ফুটানো সাবিনা-মারিয়া মান্দারা সংবর্ধনার পাশাপাশি এদিন পেয়েছেন এক কোটি টাকা অর্থ পুরস্কার। সাফ সাম্রাজ্য নিজেদের করে নেওয়া নারী ফুটবলারদের প্রত্যেকেই পুরস্কার পেয়েছেন ৪ লাখ করে। পাশাপাশি টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতিতে ঋতুপর্ণা চাকমা এবং সেরা গোলকিপার রূপনা চাকমাকে অতিরিক্ত এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা করে পুরস্কৃত করা হয়েছে। দলের কোচ ও কর্মকর্তাদের দেওয়া হয় অর্ধলাখ টাকা করে পুরস্কার। এছাড়া তাদেরকে ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) এমন ভালোবাসায় আপ্লুত সাফজয়ী কন্যারা। দেশের জন্য বিদেশের মাটি থেকে টানা দু’বার ট্রফি এনে দেওয়া, সাফল্যের নতুন পাণ্ডুলিপিতে প্রত্যাশার রেণু উড়ানোর শনিবারের (০৭ ডিসেম্বর) মাহেন্দ্রক্ষণে স্বশরীরে এক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান ও বিওএ সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান ও সাঁতার ফেডারেশনের সভাপতি এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান ও হকি ফেডারেশনের সভাপতি এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জেতা বাংলাদেশের বীরকন্যাদের দক্ষতা প্রদর্শনের নির্মাল্যে আর অভাবনীয় সফল কৃতিত্বের ধারবাহিক নৈপুণ্যে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। বাংলার নরম মৃত্তিকার শক্ত খেলোয়াড়দের অনন্য সফলতায় অনবদ্য স্বপ্নের হাতছানিতে তিনি মনে করেন ‘নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁরা দেশের গর্বের ধন। একাধিকবার সাফ জয়ের মাধ্যমে নারী ফুটবল দল এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে। উৎসবের আমেজে সংবর্ধনার এমন আয়োজন নারী ফুটবলারদের প্রেরণা যোগাবে।’

২০২২ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে হারিয়েই প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। এবারও সেই দশরথ স্টেডিয়ামেই মনিকা ও ঋতুপর্ণার দুই গোলে নেপালের মেয়েদের হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার রানির মুকুট বঙ্গললনাদের মাথায়। বাংলাদেশ ধরে রাখলো দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের শিরোপা। হিমালয় কন্যা নেপালের পাদদেশে কঠিন ভূমিতে সদর্প বিচরণে বাংলার বাঘিনীদের দুঃসাহসিক অভিযানে অনন্য জয়মাল্যে গর্বিত বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত ১৬ নভেম্বর এক কোটি টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে সাফজয়ীদের সংবর্ধনা দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

সশস্ত্র বাহিনী ও বিওএ’র যৌথ আয়োজন মাতিয়ে দিয়েছে বাঘিনীদেরও
পার্বত্য অঞ্চলের নারী ফুটবলারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করতে ও বীরকন্যাদের নতুন এক মর্যাদায় অভিষিক্ত করতে কক্সবাজারের ইনানী বিচে আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের। এর আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিওএ’র যৌথ উদ্যোগে তাদের সংবর্ধিত করা হলেও এবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বিওএ’র যৌথ আয়োজনে পর্বতের চূড়ায় উঠা সাবিনা, মারিয়া আর ঋতুপর্ণা চাকমাদের শিরোপা উপহারে হৃদয়ের মর্মমূল থেকে গভীর ভালোবাসায় সিক্ত করা হয়েছে। জমকালো এমন আয়োজন মাতিয়ে দিয়েছে ওদেরও। ২০২৪ সালের এই সাফল্য নি:সন্দেহে খেলার মাঠে বাংলার নারী যোদ্ধাদের এগিয়ে চলার যাত্রাপথের মাইলফলক হিসেবেই বিবেচিত হবে।

আগামীতেও নারী ফুটবলাররা দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রেখে বড় অর্জনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে
আগামীতেও নারী ফুটবলাররা দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রেখে বড় অর্জনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে শুধুমাত্র দক্ষিণ এশিয়ায় নয় সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে নারী ফুটবলাররা। সেই সঙ্গে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে নারী ফুটবল দলের এই সাফল্য সার্বিকভাবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রেরণার সঞ্চার করবে।’

দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও প্রচেষ্টা চালাচ্ছে উল্লেখ করে সেনাপ্রধান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতেও নারী ফুটবল দল গঠন করা হয়েছে। এরইমধ্যে সেনাবাহিনীর নারী ফুটবল দল বেশ সফলতাও অর্জন করেছে। তাঁরা ২০২৩ সালে লীগ খেলায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। আমরা নারীদেরকে আরও স্পন্সর করবো ও তাদের দেখভাল করলে তাঁরা প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের বিভিন্ন সম্মান এনে দিতে পারবেন। নারী ফুটবল দলের কোচরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। আমি তাদেরকেও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

এ সময় সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘সাফজয়ী নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনার আনন্দঘন এই আয়োজন অনুপ্রেরণা যোগাবে। শুধু সাফ নয়, এএফসি কাপ জেতারও স্বপ্ন দেখছে নারী ফুটবলাররা।’ অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শেষে দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। সংবর্ধনা ঘিরে নারী ফুটবলারদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও অংশ গ্রহণ করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে, বর্তমান সরকার সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অর্থনীতিকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাস করেন এবং এই প্রকল্পের উদ্বোধন তারই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের চেষ্টা চললেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

এমনকি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতও উল্লেখ করেছেন, প্রায় দুই বছর আগে থেকেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও সেই সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও কার্যকর ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম, এমএম. ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানি প্রমুখ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

পৃথিবী জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে: তথ্যমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
পৃথিবী জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে: তথ্যমন্ত্রী 

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সারা পৃথিবী এখন এক গভীর জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এই সংকট ভবিষ্যতে মানবজাতিকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে উপকূলীয় অঞ্চলগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাবে। বাংলাদেশও সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশ হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

তাই জলবায়ু পরিবর্তনের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি দেশব্যাপী সবুজায়ন ও বৃক্ষায়ণকে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে বরিশাল সদর উপজেলার স্বনির্ভর খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণ যেমন একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো লাগানো গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করা। এ কারণে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে গাছের পরিচর্যার একটি কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে জাতি এর সুফল ভোগ করবে।

তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, লাগানো গাছগুলোকে শিশুর মতো লালন-পালন করতে হবে। প্রশাসন একা সবসময় এটি করতে পারবে না। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে। কেবল যান্ত্রিকভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করলে এ কাজ সফল হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং বিআইডিসির কর্মকর্তারা গাছগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বৃক্ষায়ণ এখন আমাদের জীবনযাপনের এক অনিবার্য অংশ হয়ে উঠেছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষক এবং স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না করলে কোনোভাবেই নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের প্রধান শর্তই হলো স্থিতিশীল পরিবেশ ও নিরাপত্তা। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি খাটাতে চান নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে। যদি জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্যতম শঙ্কাও থাকে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ তো দূরের কথা, দেশীয় উদ্যোক্তারাও বিনিয়োগে এগোবেন না।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, সিইআইজেডসহ দেশের সবকটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। কোনো ধরনের অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না।

উন্নয়নকাজের এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান ওয়াং বেংকিয়ান, চীনা সড়ক এবং সেতু কর্পোরেশনের (সিআরবিসি) ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চাংগুই, চীনা রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইয়াও ইয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামসহ চট্টগ্রামের স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আনোয়ারার এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি পুরোপুরি চালু হলে দেশে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে। সেই সঙ্গে স্থানীয় স্তরে লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তবে এই বিপুল সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ