খুঁজুন
                               
, ,
           

দেশের ক্রান্তিলগ্নে বিএনসিসি ক্যাডেটদের অগ্রণী ভূমিকা পালনে গুরুত্বারোপ সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
দেশের ক্রান্তিলগ্নে বিএনসিসি ক্যাডেটদের অগ্রণী ভূমিকা পালনে গুরুত্বারোপ সেনাপ্রধানের

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি দেশের নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা রক্ষা ও দেশের যেকোন ক্রান্তিলগ্নে বিএনসিসি ক্যাডেটদের অগ্রণী ভূমিকা পালনে গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক ও জাতীয় পর্যায়ে বিএনসিসি ক্যাডেটদের অগ্রণী ভূমিকার ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সাভারের বাইপাইলস্থ বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) অধিদপ্তরের ট্রেনিং একাডেমিতে বার্ষিক কেন্দ্রীয় ক্যাম্পিং-২০২৫ এর সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সংস্থার সকল সদস্যকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পে সমগ্র দেশের ৫১টি স্কুল, ২০৬টি কলেজ এবং ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় হতে সেনা, নৌ ও বিমান শাখার সর্বমোট ৭০৭ জন বিএনসিসি ক্যাডেট অংশগ্রহণ করেন। এবারের কেন্দ্রীয় ক্যাম্পে সুন্দরবন রেজিমেন্ট চ্যাম্পিয়ন এবং মহাস্থান রেজিমেন্ট রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এই ক্যাম্পিং আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিএনসিসিতে কর্মরত সশস্ত্র বাহিনীর অফিসার, বিএনসিসি অফিসার, প্রফেসর আন্ডার অফিসার, টিচার আন্ডার অফিসার ও বিএনসিসি ক্যাডেটদের মাঝে তাঁর স্বাগত ভাষণ ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বিএনসিসি ক্যাডেটসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এবং গত জুলাই-আগস্ট এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সকল ছাত্র জনতার আত্মত্যাগকে।

এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও সাভারের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মঈন খান, বিএনসিসি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সঈদ আল মসউদসহ সশস্ত্র বাহিনীর উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিএনসিসির অফিসার ও ক্যাডেটরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

চাঁদে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’, জানুন কোথা থেকে দেখা যাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ
চাঁদে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’, জানুন কোথা থেকে দেখা যাবে

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাত থেকে আগামীকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের মধ্যে আকাশে দেখা যাবে বিরল এক মহাজাগতিক দৃশ্য। এ সময় সংঘটিত হবে গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এতে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যাবে।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ১০টা ১২ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এর মূল দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে।

এ ছাড়া ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু এলাকা থেকেও চাঁদ ওঠা বা ডোবার সময় গ্রহণের আংশিক দৃশ্য দেখা যেতে পারে।

চাঁদের বেশিরভাগ অংশ পৃথিবীর গাঢ় ছায়ায় ঢেকে গেলেও এটি পুরোপুরি অদৃশ্য হবে না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে সূর্যের আলো চাঁদের ওপর পৌঁছানোর কারণে চাঁদ তামাটে বা লালচে রঙ ধারণ করতে পারে। এ ধরনের দৃশ্যকে সাধারণভাবে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।

পুরো চন্দ্রগ্রহণের প্রক্রিয়া পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে। তবে চাঁদের লালচে হয়ে ওঠার দৃশ্য তুলনামূলকভাবে অল্প সময় স্থায়ী হবে।

চন্দ্রগ্রহণ দেখতে সূর্যগ্রহণের মতো বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক চশমার প্রয়োজন নেই। আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই নিরাপদে এ মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কালের আলো/এমএসআইপি 

চীনের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ গবেষণায় গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ
চীনের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ গবেষণায় গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় এবং যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) চীনের গুয়াংজুর সাউথ চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা বিনিময় সম্মেলনে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি কার্যক্রম দুই দেশের শিক্ষা সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে পারে। এ জন্য বাংলাদেশ ও চীনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই একাডেমিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল শিক্ষা চাহিদার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশীদারত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি চীনা ভাষা শিক্ষার প্রসারে চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বাংলাদেশে চীনা ভাষা কেন্দ্র স্থাপনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সম্মেলনে বাংলাদেশের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। চীনের পক্ষ থেকেও গুয়াংডং প্রদেশের শিক্ষা বিভাগ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সংস্কৃতি সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুয়াংডং প্রদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৬১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেছেন। এছাড়া ২০২৫ সালে গুয়াংডং সরকারের বৃত্তি পেয়েছেন ২০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী।

শিক্ষাক্ষেত্রে দুই দেশের এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য চীনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ বাড়বে বলে সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নেপালের ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১২ পূর্বাহ্ণ
নেপালের ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্যোগকবলিত নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

শোকবার্তায় তারেক রহমান বলেন, নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের জনগণ গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। বাংলাদেশ পরিস্থিতির সর্বশেষ খবর নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি জানান, দুর্যোগের ঘটনায় শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের অনেকেই মারা গিয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে পর্যটকরাও রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ নেপাল সরকার এবং দেশটির বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি দুর্যোগে নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার ও আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত হওয়ার আশা প্রকাশ করেন।

একই সঙ্গে নেপালের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও শোকবার্তায় জানানো হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি