খুঁজুন
                               
, ,
           

আজ পহেলা বৈশাখ, জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক 

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
আজ পহেলা বৈশাখ, জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক 

কালের আলো রিপোর্ট:

‘জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক’। মাভৈ রবে জেগে উঠুক সকল ভীত প্রাণ, নতুন ভোরে আলোকিত হোক নতুন বছর ১৪৩২। নতুন বছরকে নতুন আশা-উদ্দীপনার মধ্যে আবাহন জানাবে বাংলার মানুষ। পঞ্জিকার পালাবদলে আজ সোমবার (১৪ এপ্রিল)  পহেলা বৈশাখের দিন। মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে যা ছিল খাজনা উপলক্ষ, তা এখন প্রাণের উৎসব। আবহমানকাল বাংলার গ্রামীণ জনপদে উদযাপিত হওয়া নববর্ষের আয়োজন এখন ছুঁয়েছে নগর জীবনে এবং নতুন মাত্রায়। সর্বত্র উদযাপিত হচ্ছে বাংলার উৎসব, উচ্চারিত হচ্ছে বাঙালিয়ানার জয়গান। এবারের নববর্ষের মূল প্রতিপাদ্য- ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’।

প্রতিবছর বাঙালির জীবনে বৈশাখ একটি অনন্য বার্তা নিয়ে আসে। বিগত জীবনের দীনতা, হীনতা ও জীর্ণতা ঝেড়ে ফেলে নতুন করে উদ্যমী হওয়ার আহ্বান জানায় বৈশাখ। দুঃখ-কষ্ট, বেদনাকে মুছে ফেলে নতুন করে বাঁচার নির্দেশনা দেয়। বৃক্ষের পাতা ঝড়ে পড়ার পরে সেখানে নতুন পাতার আগমন যেমন বৃক্ষকে সাজিয়ে তোলে, তেমনই বৈশাখ নতুন করে প্রাণ সঞ্চার করে মননে।

মঙ্গল শুভযাত্রার নামকরণ করা হয়েছে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। এই শোভাযাত্রায় প্রধান মোটিফ বা অবকাঠামো হিসেবে থাকছে ‘ফ্যাসিবাদী প্রতিকৃতি’। তাছাড়া, জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে তৈরি করা হচ্ছে মীর মুগ্ধের আলোচিত ‘পানি লাগবে’-এর ১৫ ফুট উচ্চতার একটি পানির বোতল। এর ভেতরে থাকবে একাধিক খালি বোতল, যা শহীদদের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া, বড় আকৃতির ইলিশ মাছ, কাঠের বাঘ, শান্তির পায়রা, ঘোড়া, পাখি, পালকি, ইসরায়েলি বর্বরতার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে তরমুজের ফালি, সুলতানি ও মুঘল আমলের মুখোশ, রঙিন চরকি, তালপাতার সেপাই, পটচিত্র ইত্যাদি থাকবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

আয়োজকরা জানান, তরমুজ ফিলিস্তিনিদের কাছে ‘প্রতিরোধ ও অধ্যবসায়ের প্রতীক’। মূলত এটি তাদের পতাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর কারণ হলো, ফলটির বাইরের অংশের রঙ সবুজ। আর ভেতরের অংশগুলোর রঙ লাল, সাদা ও কালো। এই রঙগুলো ফিলিস্তিনের পতাকার রঙের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই এবারের শোভাযাত্রায় অন্যান্য মোটিফের পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তাদের প্রতীক হিসেবে তরমুজের মোটিফ রাখা হচ্ছে।

নববর্ষের দিন সবাই বের হবে সেই আলোচিত আনন্দ শোভাযাত্রা, যেখানে তুলে ধরা হবে বাংলার লোকজ ঐতিহ্য এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী বার্তা। নববর্ষের দিন অর্থাৎ আজ ১৪ এপ্রিল রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শাহবাগ গোলচত্বর ঘুরে টিএসসিতে রাজু ভাস্কর্য ডানে রেখে শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে আবার চারুকলায় এসে শোভাযাত্রা শেষ হবে। সেখানে সমতল, পাহাড়ি থেকে শুরু করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, ব্যান্ড, বাউল, মূলধারার শিল্পীগোষ্ঠী, নারী ফুটবলার, ঘোড়ার গাড়ি, রিকশার র‌্যালি থাকবে। সেইসঙ্গে সম্মুখভাগে পুলিশ বাহিনীর আটটি সুসজ্জিত ঘোড়ার সারি থাকবে।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস আলাদা বাণীতে দেশবাসীসহ বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। নববর্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বাংলা বর্ষের প্রচলন

মূলত ১৫৫৬ সালে কার্যকর হওয়া বাংলা সন প্রথম দিকে পরিচিত ছিল ফসলি সন নামে, পরে তা পরিচিত হয় বঙ্গাব্দ নামে। রাজস্ব আদায়ের সুবিধার জন্য সম্রাট আকবরের যুগে বৈশাখ থেকে প্রবর্তন হয়েছিল বাংলা সালের। বর্ষ শুরুর সেই দিনটিই এখন বাঙালির প্রাণের উৎসব। বাদশাহ আকবরের নবরত্ন সভার আমির ফতেহ উল্লাহ সিরাজি বাদশাহি খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য ফসলি সালের শুরু করেছিলেন হিজরি চান্দ্রবর্ষকে বাংলা সালের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করেছিলেন ও পয়লা বৈশাখ থেকে বাংলা নববর্ষ গণনা শুরু করেছিলেন। আর বৈশাখ নামটি নেওয়া হয়েছিল নক্ষত্র ‘বিশাখা’র নাম থেকে। বিশাখা থেকে নাম হলো বৈশাখ। পয়লা বৈশাখের দিনে উৎসবের শুরুটাও সেই আকবর আমলেই। এ দিনে তিনি মিলিত হতেন প্রজাদের সঙ্গে। সবার শুভ কামনা করে চারদিকে বিতরণ করা হতো মিষ্টি। এরপর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আমলে বর্ষবরণ উৎসব চলে আসে জমিদারবাড়ির আঙিনায়। খাজনা আদায়ের মতো একটি রসহীন বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত হয় গান বাজনা, মেলা আর হালখাতার অনুষ্ঠান। আজ আর খাজনা আদায় নেই। তবে ‘হালখাতা’ রয়েছে। দেশের ব্যবসায়ী মহলে ‘হালখাতা’ অনুষ্ঠান মানে নতুন অর্থবছরের হিসাব খোলা। নতুন বছরের প্রথম দিনটিতে নতুন একটি ‘লাল কভারের’ খাতায় হিসাব খুলে নতুন উদ্যমে শুরু করা হয় ব্যবসা। সেখানে অতীতের ভুল ভ্রান্তিগুলো পর্যালোচনা করা হয়। হালখাতা থেকে নেওয়া হয় নতুন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি।

কালের আলো/এমএএইচএন

‘আমি হেরেছি, তুমি জিতেছো’—গাজী নজরুলের বাসায় পাওয়া চিঠিতে যা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
‘আমি হেরেছি, তুমি জিতেছো’—গাজী নজরুলের বাসায় পাওয়া চিঠিতে যা আছে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া হাতে লেখা কয়েকটি চিঠিতে সম্পর্কের টানাপড়েন, ভালোবাসা, বিশ্বাসভঙ্গ ও মানসিক কষ্টের নানা কথা উঠে এসেছে। চিঠিগুলো জাতীয় সংসদের অফিশিয়াল প্যাড, সাদা কাগজ এবং লাল-কালো কালিতে লেখা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। লেখাগুলোতে মরিয়ম খাতুনের নিজের অবস্থান, আক্ষেপ ও আত্মসম্মান রক্ষার কথাও রয়েছে।

উদ্ধার হওয়া চিঠিগুলোর কয়েকটিতে সম্পর্কের নানা আবেগঘন মুহূর্তের বর্ণনা রয়েছে। ভালোবাসার পাশাপাশি সেখানে প্রতারণার অভিযোগ, সম্পর্কের জটিলতা ও বিশ্বাসভঙ্গের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। কোথাও নিজেকে দাবার গুটি হিসেবে উল্লেখ করে কষ্টের কথা বলা হয়েছে, আবার কোথাও সম্পর্ক থেকে সরে দাঁড়ানোর দৃঢ়তার কথাও উঠে এসেছে।

জাতীয় সংসদের অফিশিয়াল প্যাডে কালো কালিতে লেখা একটি পাতায় বলা হয়েছে, ‘আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে, কিন্তু জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষ দলের সেনাপতি।’

অন্য একটি পাতায় সম্পর্কের টানাপড়েন তুলে ধরে লেখা হয়েছে, ‘সে ছিল অন্য নারীর স্বামী। কাগজে-কলমে অধিকার ছিল তার বউয়ের। আর আমি ছিলাম বোকা…!!! অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ…!!!’

আরেকটি লেখায় বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারিত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘সে বলেছিল, আজ থেকে আমরা বন্ধু…চলো একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানত—আমিই ছিলাম তোমার গেমসের দাবার এক গুটি।’

জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা আরেকটি পাতায় ক্ষোভ ও পরিণতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘আমি হেরেছি…তুমি জিতেছো…কারণ, আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো।’

লাল কালিতে লেখা একটি সংক্ষিপ্ত বার্তায় নিজের আত্মসম্মানের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লেখা, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলে বারবার তোমার কাছে নত হই… তা না হলে যতটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই…!’

ধর্মীয় আমলের তালিকাও

চিঠিগুলোর সঙ্গে ‘১২-০৭-২০২৬’ তারিখ লেখা একটি পাতাও পাওয়া গেছে। ওই পাতায় ঘুমানোর আগে করণীয় কয়েকটি ধর্মীয় আমলের তালিকা রয়েছে। এতে কালেমা, দরুদ শরিফ, ঘুমের দোয়া, আয়াতুল কুরসি, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম, আস্তাগফিরুল্লাহসহ বিভিন্ন আমলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া এসব হাতে লেখা পাতায় সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিশ্বাসভঙ্গ, আক্ষেপ ও আত্মসম্মান রক্ষার নানা অনুভূতির প্রকাশ রয়েছে। একই সঙ্গে একটি লেখায় ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

পদ্মার চরাঞ্চল

পদ্মায় মাছ ধরেন, তবু জেলে কার্ড নেই—বঞ্চিত হাজারো জেলে

মাদারীপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
পদ্মায় মাছ ধরেন, তবু জেলে কার্ড নেই—বঞ্চিত হাজারো জেলে

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদে দীর্ঘদিন ধরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা অনেক প্রকৃত জেলে ‘জেলে কার্ড’ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, পেশায় জেলে না হয়েও অনেকে তালিকাভুক্ত হয়ে সরকারি সুবিধা নিচ্ছেন বলে দাবি স্থানীয় জেলেদের।

উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলখ্যাত চরজানাজাত, কাঁঠালবাড়ী ও বন্দরখোলা ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী এলাকার বহু মানুষ মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল। তাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর মাছ ধরলেও অনেকের জেলে কার্ড হয়নি। ফলে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারি সহায়তা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্থানীয় জেলেদের দাবি, জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তৈরি করা তালিকায় প্রকৃত জেলেদের অনেকের নাম বাদ পড়েছে। বিপরীতে পেশায় জেলে নন—এমন ব্যক্তিদের নামও তালিকায় রয়েছে। ফলে সরকারি সহায়তার ক্ষেত্রে প্রকৃত জেলেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, শিবচরে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৪২ জন। এর মধ্যে শিবচর পৌরসভায় ২৯৯ জনসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ৬ হাজারের বেশি জেলে নিবন্ধিত রয়েছেন। তবে মাছ ধরার নিষিদ্ধ মৌসুমে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন প্রায় আড়াই হাজার জেলে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, ইলিশের প্রজনন মৌসুম ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে হয়। এ সময় সরকার থেকে চালসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়। কিন্তু জেলে কার্ড না থাকায় প্রকৃত অনেক জেলে সেই সুবিধা পান না।

চরজানাজাত ইউনিয়নের জেলে রাকিব বলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। বাবার কোনো জেলে কার্ড ছিল না। এখন তিনিও মাছ ধরলেও কার্ড পাননি। অথচ জেলে নন—এমন অনেকের নাম তালিকায় রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

আরেক জেলে রহিম মাদবর বলেন, তালিকা তৈরির সময় জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি জমা দিয়েছেন। একাধিকবার কাগজপত্র দিলেও তার কার্ড হয়নি। তার মতো আরও অনেক প্রকৃত জেলে তালিকার বাইরে রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

চরজানাজাত ইউনিয়নের সমাজসেবক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন বেপারী বলেন, যারা বছরের পর বছর পদ্মায় মাছ শিকার করে পরিবার চালান, সরকারি সহায়তার প্রকৃত দাবিদার তারাই। জেলে কার্ডের তালিকা পুনঃযাচাই করে অযোগ্যদের বাদ এবং বঞ্চিত প্রকৃত জেলেদের দ্রুত তালিকাভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

শিবচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার বলেন, উপজেলায় জেলে তালিকায় ছয় হাজারের বেশি নাম রয়েছে। তবে সহায়তা পাচ্ছেন প্রায় আড়াই হাজার জেলে। তালিকাটি অনেক পুরোনো হওয়ায় বর্তমানে হালনাগাদের কাজ চলছে। যাচাই-বাছাই করে যোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত এবং অযোগ্যদের বাদ দেওয়া হবে।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচএম ইবনে মিজান বলেন, প্রকৃত জেলেরা বঞ্চিত এবং জেলে নন এমন ব্যক্তিরা কার্ডের সুবিধা পাচ্ছেন—এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

দক্ষিণ দনিয়ায় ১০ ককটেল উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
দক্ষিণ দনিয়ায় ১০ ককটেল উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন দক্ষিণ দনিয়া এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ককটেলগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী।

পুলিশ জানায়, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে দক্ষিণ দনিয়া কাঁচাবাজার এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচে গলির মাথায় একটি পুরোনো প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়। সন্দেহ হওয়ায় ব্যাগটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।

পরে বিষয়টি ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে জানানো হলে ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এরপর রাত ১০টা ২৫ মিনিটে যাত্রাবাড়ী থানাধীন গোলাপবাগ মাঠে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।

এ ঘটনায় ককটেলগুলো সেখানে কারা রেখে গেছে, তা শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় তৎপরতা চলছে।

কালের আলো/এমএসআইপি