খুঁজুন
                               
, ,
           

ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসে রক্তাক্ত প্রকৃতির লীলাভূমি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসে রক্তাক্ত প্রকৃতির লীলাভূমি

কালের আলো রিপোর্ট:

একে-৪৭, একে-৫৬, একে-২২, এম-১৬, মার্ক-২ রাইফেল, এম-৪ কার্বাইন, ৪০ এমএম গ্রেনেড লঞ্চার, চায়না রাইফেল, নাইন এমএম পিস্তল, এসএলআর, এসএমজি, এলজি-কী নেই ওদের হাতে। আছে ভারী মারণাস্ত্র বিমানবিধ্বংসী রিমোট কন্ট্রোল বোমা, গ্রেনেড, হেভি মেশিনগান, জি-৩ রাইফেল, স্নাইপার রাইফেল ও রকেট লঞ্চারও। তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে স্বাধীন জুম্মল্যান্ড প্রতিষ্ঠার কথিত আন্দোলনের আড়ালে আদতে নিরীহ বাঙালিদের জিম্মি করে চাঁদাবাজির মাধ্যমে আয়েশি জীবন ওদের। দিনের পর দিন সবুজ পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি আর মহড়া। প্রকৃতির লীলাভূমি পার্বত্য অঞ্চলকে এভাবেই রক্তাক্ত জনপদে রূপ দেয়ার অগ্রভাগে রয়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। অপকর্মের ডালপালা বিস্তৃত করেছে এই পাহাড়ি দুর্বৃত্তরা।

সম্প্রতি পাহাড়ি এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ইউপিডিএফ এর সন্ত্রাসীরা স্বয়ংক্রিয় ভারী অস্ত্রের প্রদর্শন করে। পাহাড়ের উঁচু স্থান থেকে সংঘর্ষরত জনতার উপর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের মাধ্যমে ১০০ থেকে ১৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন। এর মাধ্যমে পুনরায় নিজেদের ভয়ঙ্কর হয়ে উঠার কথা জানান দিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বরাবরই সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফের পাশাপাশি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস সংস্কার), ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) ও জনসংহতি সমিতি (সন্তু লারমা বা মূল)। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে তাঁরা। এসব সন্ত্রাসীদের হাতে সাধারণ মানুষ ছাড়াও সেনা ও পুলিশ সদস্যরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর ৪২ জন সদস্য। ১০০ ছাড়িয়েছে আহতের সংখ্যা।

শান্তির জন্য পাহাড়ের সাধারণ মানুষ দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর ওপরই আস্থা রেখেছে। ফলে সেনাবাহিনীকে নিয়ে নানা কায়দা-কানুনে বিদ্বেষ ও অপপ্রচার চালাচ্ছে সশস্ত্র এই সন্ত্রাসী সংগঠন। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে জীবনবাজি রেখে, রক্ত দিয়ে দীর্ঘ সময় যাবত কাজ করে দেশপ্রেমী এই বাহিনীটির রয়েছে ‘নন্দিত’ ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। তাদের উপস্থিতি ও সক্রিয় তৎপরতার কারণেই সশস্ত্র সংগঠনগুলো ফ্রিস্টাইলে অপহরণ, চাঁদাবাজি, লুটতরাজের মতো অপরাধ করতে পারছে না। তাই এই চক্রটি সাধারণ পাহাড়িদের সঙ্গে মিশে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

  • অপকর্মের ডালপালা বিস্তৃত করেছে পাহাড়ি দুর্বৃত্তরা
  • বারবার রক্তাক্ত হচ্ছে পাহাড়
  • জিম্মি হয়ে পড়েছে প্রায় ১৮ লক্ষ পাহাড়বাসী
  • নতুন মোড়কে ‘শান্তির দূত’ সেনাবাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস

শুধু তাই নয় দেশের জনগণের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করে পাহাড় থেকে প্রত্যাহারের দাবি তুলছে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসনির্ভর গোষ্ঠীটি। এই বিষয়টিকে সুগভীর ষড়যন্ত্রের বহি:প্রকাশ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের পরেও ইউপিডিএফ সমর্থিত ‘জুম্ম ছাত্র-জনতা’র এমন দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান। নিজের ইউটিউব আলোচনায় তিনি বলেছেন, ‘আমি জন্মেছি, বড় হয়েছি রাঙামাটি জেলায়। খুব ছোটবেলায় যখন শান্তিবাহিনীর প্রকোপ ছিল, তখন এই অপহরণের ঘটনার কথা শুনতাম দীর্ঘদিন। এগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল, আবার চালু হয়েছে। সুতরাং এই ভলেটাইল প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনী এখান থেকে প্রত্যাহার করার কোনো প্রশ্নই আসে না, এটাই ফুল স্টপ। এরপর আর কোনো আলোচনা নেই।’

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যটকরা ছুটে এসব জেলায় আসেন পাহাড়, ঝিরি-ঝরনা আর সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির টানে। নয়নাভিরাম বিস্তৃত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন পর্যটকরা। কিন্তু চাঁদাবাজি, খুনোখুনি, অস্ত্রবাজি ও আধিপত্যে পাহাড়কে বারবার অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করেছে প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। ২০০১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটির নানিয়ারচরে ডেনমার্কের উন্নয়ন সংস্থা ড্যানিডার তিন কর্মকর্তাকে অপহরণ থেকে শুরু করে সর্বশেষ চলতি বছরে বৈসাবি উৎসবে খাগড়াছড়িতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে অপহরণ সবই প্রসীত খীসার ইউপিডিএফ গ্রুপের অপকর্মের উদাহরণ। এর পাশাপাশি পাহাড়ে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের লক্ষ্যে অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে পাহাড়কে অশান্ত করে তুলেছে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক), জনসংহতি সমিতি (সন্তু লারমা বা মূল) ও জেএসএস (সংস্কার)। সন্ত্রাসী এসব সংগঠনের কারণে বারবার রক্তাক্ত হচ্ছে পাহাড়। জিম্মি হয়ে পড়েছে প্রায় ১৮ লক্ষ পাহাড়বাসী। বিশেষ করে বছরের পর বছর এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কারণে অদৃশ্য শৃঙ্খলে বাঁধা ভয়, রক্ত আর নির্যাতনের ভেতর দিয়ে দিন অতিবাহিত করছেন নিরীহ সাধারণ বাঙালিরা।

গত বছরের এপ্রিলে ইউপিডিএফ (প্রসিত) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে অপহরণের পর তাদের উদ্ধারের পাশাপাশি ইউপিডিএফ’র গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে পিস্তলের গুলি, কয়েকটি ওয়াকিটকি, জিম্মি ধরে রাখার লোহার চেন, প্রোপাগান্ডা সামগ্রী, সন্ত্রাসীদের চাঁদা আদায়ের রশিদসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। এরপর গত ২৯ জুলাই রাঙামাটির বাঘাইহাটের দুর্গম পাহাড়ে ইউপিডিএফ-এর আস্তানায় সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে একে ৪৭ রাইফেলসহ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করে। নিয়মিতই এমন অভিযান অব্যাহত থাকায় এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মাথাব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে ‘শান্তির দূত’ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

  • সেনাবাহিনী এখান থেকে প্রত্যাহার করার কোনো প্রশ্নই আসে না, এটাই ফুল স্টপ
    ডা. জাহেদ উর রহমান
    রাজনৈতিক বিশ্লেষক

বিশ্লেষকরা মনে করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি কোনো দখলদারিত্ব নয়। এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ। এই অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা নিয়োজিত থাকলেও বাস্তবতা হলো- সশস্ত্র সংগঠনগুলোর আধুনিক ও ভারী অস্ত্রের মুখে তাঁরা অনেকটাই অসহায়। পাহাড়ে মুষ্ঠিমেয় উপজাতীয়দের গড়ে তোলা ইউপিডিএফ’র মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো যেভাবে আধিপত্য বিস্তার করে, তাতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে এককভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখানে রয়েছে সহায়ক ও কার্যকর শক্তি হিসেবে। তারা শুধু পাহাড়ে নয়, দেশের অন্যান্য স্পর্শকাতর এলাকাতেও দায়িত্ব পালন করে। দেশের প্রতিটি দুর্যোগে-সঙ্কটে সবার আগে এগিয়ে আসে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিকে বারবার নতুন নতুন মোড়কে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালানো হয়। উদ্দেশ্য একটাই- রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করে সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠনগুলোর একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। এজন্য কোন ঘটনা ঘটার পরপরই পরিকল্পিতভাবে তোলা হয় সেই পুরনো আওয়াজ- ‘পাহাড় থেকে সেনা হটাও’।

সূত্র জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারতের ইন্ধনে সুপরিকল্পিত এই ছক বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো। এই পরিকল্পনার মধ্যে অন্যতম হলো কল্পিত ‘জুম্মল্যান্ড’ প্রতিষ্ঠা। এটি একটি কাল্পনিক ভূখণ্ড, যেখানে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, মুরং, বম, লুসাই, খিয়াং, রাখাইন, খুমি প্রভৃতি উপজাতিকে একত্র করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি তোলা হয়। বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করার অপচেষ্টায় এই অযৌক্তিক ও কাণ্ডজ্ঞানহীন দাবিকে জোরালো করে তোলা হচ্ছে। এমনকি ভারতের কলকাতায় আয়োজিত এক সম্মেলনে ‘জুম্মল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী’ পরিচয় দিয়ে অংশগ্রহণের ঘটনাও ঘটেছে। বাংলাদেশ সরকার এই দাবিকে সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরাতন রমনা থানা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, একটি মহল খাগড়াছড়িতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। ভারত বা ফ্যাসিস্টদের ইন্ধনে এ ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

কালের আলো/এমএসএএকে/এমকে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিক অনুমোদনে ‘না’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিক অনুমোদনে ‘না’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিগত সরকারের সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না। এ কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যেসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন রয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে বন্ধ করে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এখানে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সময়ের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। এ সময় গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া গজারিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসলামুজ্জোহা চৌধুরী তপন, উপজেলা বিএনপির সদস্য মোতাহের হোসেন জাহাঙ্গীর, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম তারেকসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

রাজশাহী তায়কোয়ানডোর ফেডারেশন কাপের ট্রফি ডিসির হাতে

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
রাজশাহী তায়কোয়ানডোর ফেডারেশন কাপের ট্রফি ডিসির হাতে

রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের পঞ্চম ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় জুনিয়র মহিলা বিভাগে অর্জিত রানার্সআপ ট্রফি রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সংক্ষিপ্ত আয়োজনের মাধ্যমে ট্রফিটি হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক, রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষক দল রাজশাহী মহানগর শাখার আহ্বায়ক শরিফুজ্জামান শামীম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাইফুদ্দীন এবং রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান প্রশিক্ষক মো. মোজাফফর হোসেন বুলু।

এ ছাড়া ট্রফি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের অন্যান্য প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

ট্রফি গ্রহণের পর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জুনিয়র মহিলা বিভাগের এই সাফল্যের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি দলের খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরও সাফল্য কামনা করেন।

রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের এই অর্জনকে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এমএসআইপি 

বুলিংকে ভয় পাচ্ছেন না স্পর্শিয়া, দিলেন কড়া বার্তা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
বুলিংকে ভয় পাচ্ছেন না স্পর্শিয়া, দিলেন কড়া বার্তা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিনিয়ত ট্রল ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া নিয়ে এবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। তবে এই নেতিবাচকতা তাকে দমাতে পারছে না, বরং ট্রলকারীদের সরাসরি এক প্রকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি বিস্ফোরক স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন স্পর্শিয়া। সেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, “একদিন তো মুখ খুলবই, সেদিন এটাও বলবো এতদিন মুখ বন্ধ কেন ছিল। ততদিন পর্যন্ত, আমাকে যতটা পারো বুলিং করতে থাকো। আমি শুধু আগের মতোই আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবো।”

তার এই রহস্যময় ও কড়া পোস্ট বিনোদন পাড়ায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হঠাৎ করে তিনি কেন এমন কড়া বার্তা দিলেন, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো ঘটনার কথা প্রকাশ না করলেও, স্পর্শিয়ার এই সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা

মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা স্পর্শিয়া টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি ‘কাঠবিড়ালী’, ‘আবার বসন্ত’ এবং ‘নবাব এলএলবি’র মতো প্রশংসিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করে বড় পর্দায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজের স্পষ্টবাদী স্বভাবের জন্য পরিচিত এই অভিনেত্রী এবারও ট্রলকারীদের বুঝিয়ে দিলেন—নেতিবাচকতা তাকে দুর্বল নয়, বরং আরও শক্তিশালী করে তুলবে।