খুঁজুন
                               
, ,
           

‘বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না’, তানজিন তিশা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
‘বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না’, তানজিন তিশা

অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও আলোচনায় থাকা অভিনেত্রী তানজিন তিশা এবার দেশে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে।

তিশা বলেন, সাধারণ মানুষ নানা পরিস্থিতিতে এমন সমস্যার মুখোমুখি হন, যা তাদের প্রাপ্য নয়। অনেক ক্ষেত্রে অন্যায়ের শিকার হলেও ন্যায়বিচার পাওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘সত্যি বলতে বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না। দেশে অনেক জায়গায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে। আমরা নিজেরাই অনেক ঝামেলায় পড়ি, যেগুলো আমরা ডিজার্ভ করি না। অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়গুলো অন্যায় মনে হয়, ন্যায়বিচারও পাই না।’

বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিশা। তাঁর মতে, যেকোনো পরিস্থিতিতে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

সোনার গয়না পরে চলাফেরার প্রসঙ্গেও নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান অভিনেত্রী। নিরাপত্তাহীনতার কারণে গয়না পরে বাইরে বের হওয়া নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, গয়না ব্যাগে রেখে ঘোরার পরিবর্তে তা পরেই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারা উচিত।

এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তানজিন তিশা অভিনীত সিনেমা ‘সোলজার’। এতে শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি।

কালের আলো/এসএ

শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে ৩৬ কোটি টাকা দিলেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে ৩৬ কোটি টাকা দিলেন মেসি

ফুটবল মাঠের বাইরে মানবিক উদ্যোগেও পাশে দাঁড়ালেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। শিশুদের জন্য ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে তাঁর দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘মেসি ফাউন্ডেশন’ ২৬ লাখ ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, অনুদান দিয়েছে।

স্পেনের বার্সেলোনায় নির্মাণ করা হবে হাসপাতালটি। শহরটির সঙ্গে মেসির দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। ২০২১ সালে বার্সেলোনা ছাড়লেও শহরটির প্রতি তাঁর টান এখনো অটুট। এবার শিশু ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসায় বড় ধরনের সহায়তা দিয়ে সেই সম্পর্কের আরেকটি দৃষ্টান্ত তৈরি করলেন তিনি।

ফরাসি ওয়েবসাইট ‘ফুট মার্কাতো’র প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পে মেসির ফাউন্ডেশন এই অর্থ সহায়তা দিয়েছে। ফুটবলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘গোল’-এর তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালটিতে বছরে প্রায় ৪০০ শিশু ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।

প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুরা যেন একই জায়গায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তা পেতে পারে। হাসপাতালটি শিশুদের চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের পরিবারের জন্যও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খেলাধুলায় সহায়তার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত মেসি। তাঁর ‘মেসি ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে এর আগেও শিশুদের লিউকেমিয়া গবেষণায় সহায়তা, আর্জেন্টিনার রোজারিওর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান এবং মোজাম্বিকে শিশুদের অপুষ্টি মোকাবিলায় সহায়তা করা হয়েছে।

ফুটবল মাঠে অসংখ্যবার সতীর্থদের গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন মেসি। এবার মাঠের বাইরেও তাঁর এই উদ্যোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কালের আলো/এসএ

প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে মঞ্চনাটক ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান ও শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে নাট্যদল ঢাকা পদাতিক।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহীম মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যালয় তপোবনের সহযোগিতায় আয়োজন করা হচ্ছে এই বিশেষ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে তপোবনের শিল্পীরা জাগরণমূলক দলীয় সংগীত পরিবেশন করবেন। মিলনায়তনের প্রবেশপথে প্রদর্শিত হবে ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আঁকা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ, জালালাবাদ পাহাড় ও ধলঘাট খণ্ডযুদ্ধের ছবি। পাশাপাশি এসব যুদ্ধে শহীদ বিপ্লবীদের প্রতিকৃতি এবং ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিভিন্ন প্রদর্শনীর প্রামাণ্যচিত্রও দেখানো হবে।

অতিথিদের বক্তব্যের পর শুরু হবে নাটকটির বিশেষ মঞ্চায়ন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ঢাকা পদাতিকের ৩৮তম প্রযোজনা ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’। মঙ্গলবার নাটকটির ৪৭তম মঞ্চায়ন হবে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাটকটি নির্মিত।

নাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তাঁর মৃত্যুর পর নবনির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী। তিনি নাটকটিতে মাস্টারদা সূর্যসেনের চরিত্রেও অভিনয় করছেন।

নাদের চৌধুরী বলেন, ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।’

প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছেন সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অম্বিকা চক্রবর্তী ও নির্মল সেন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদের চৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসানসহ আরও অনেকে।

নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন আবুল বাশার সোহেল। মঞ্চ ব্যবস্থাপনায় আছেন শ্যামল হাসান।

২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক মঞ্চায়ন হয়েছে নাটকটির। ভারতের দিল্লিতেও নাটকটির দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম হবে পেপারলেস

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম হবে পেপারলেস

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম আগামী তিন মাসের মধ্যে পেপারলেস করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পেপারলেস করা হবে। এ জন্য ডি-নথির ব্যবহার আরও বাড়ানোর পাশাপাশি পুরনো নথিগুলো আর্কাইভে নেওয়া হবে। ডি-নথির মাস্টার ট্রেনারদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন।

কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএ