খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

চেয়ারম্যানের কঠোর পদক্ষেপে আস্থা বাড়ছে দুদকে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
চেয়ারম্যানের কঠোর পদক্ষেপে আস্থা বাড়ছে দুদকে

কালের আলো রিপোর্ট:

নিজেদের ভেতর থেকে দুর্নীতিমুক্ত হতে চান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার কমিশন যদি দুর্নীতিমুক্ত অফিস না হয়, তাহলে অন্য অফিসকে দুর্নীতির ব্যাপারে বলার নৈতিক অধিকারই থাকে না। তাই প্রথম কাজ হচ্ছে নিজেদের ভেতর থেকে দুর্নীতিমুক্ত হওয়া।’

কথার সঙ্গে মিল রেখে কাজ করার মানসিকতা রয়েছে দুদক চেয়ারম্যানের। তাঁর গৃহীত পদক্ষেপে দুদকের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়ছে। দুদকের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ইউনিটের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, অন্তত অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা–কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, দায়িত্বে গাফিলতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়সহ নানা ‘গুরুতর’ অভিযোগ রয়েছে। তার ভিত্তিতে কারণ দর্শানোর নোটিস, বিভাগীয় ব্যবস্থা, বদলি ও সাময়িক বরখাস্তের মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর–তিন মাসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ছয় কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন; বদলি করা হয়েছে ৫১ কর্মকর্তা ও ১৮ কর্মচারীসহ ৬৯ জনকে। এছাড়া পতিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবারের সদস্য এবং ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ‘পাচার করা’ অর্থ ফেরাতে যে ১১টি যৌথ তদন্ত দল (জেআইটি) কাজ করছে, বদলির তালিকায় সেসব দলের কর্মকর্তাও আছেন। বদলি করা হয়েছে দলের প্রধানকেও।

দুদকের কেউ কেউ বলছেন, অনিয়ম করলে কর্মীরাও যে ছাড় পাবেন না, কমিশন মূলত সে বার্তা দিতে চাইছে। দুদকের সুনাম বাড়াতে এসব পদক্ষেপ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

আবার কেউ আশঙ্কা করছেন, একের পর এক বদলির কারণে তদন্ত কাজের বিশেষ করে যৌথ তদন্ত কাজের গতি ধীর হয়ে যেতে পারে। সাময়িক বরখাস্ত ও বদলির কারণে এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ তৈরি হওয়ার কথাও বলছেন তারা। তবে শঙ্কার চেয়ে ভারী হচ্ছে প্রশংসার পাল্লাই।

জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর দুদকের সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. রাজিব হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আদেশে বলা হয়, ‘গোয়েন্দা অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থেকে ব্যক্তিস্বার্থে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।’ এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর সাময়িক বরখাস্ত করা হয় দুদকের পরিচালক খান মো. মীজানুল ইসলামকে। তার বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপের কারণ হিসেবে আদেশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘অনৈতিক সুবিধা’ নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর কমিশনের নির্দেশে গোপন অনুসন্ধান চালানো হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, মীজানুল ১৭ অগাস্ট ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। তিন দিন চিকিৎসা শেষে তিনি ছাড়পত্র নেন। কিন্তু চিকিৎসা বাবদ দুই লাখ চার হাজার ১৩২ টাকা নিজে পরিশোধ না করে অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মাহাবুবুল আনামের দেওয়া ‘গ্যারান্টির’ ভিত্তিতে ছাড়পত্র গ্রহণ করেন তিনি। এর আগে গত ১৭ জুলাই ‘সময়মতো’ অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয় দুদকের উপপরিচালক কমলেশ মন্ডলকে।

দুদক বলছে, অভিযোগের বিষয়ে ২০২২ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি প্রতিবেদন দাখিল করেননি এবং সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি। এ কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। দেরিতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কারণে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের ভয় কাজ করছে বলে তুলে ধরেন একাধিক কর্মকর্তা। বর্তমান সরকারের এক বছরে দুদকে কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরে তারা বলছেন, অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমে নথিপত্র সংগ্রহ, সংশ্লিষ্টদের তলবসহ নানা ধাপ সম্পন্ন করতে যথেষ্ট সময় লাগে। একজন কর্মকর্তার ওপর একসঙ্গে একাধিক অভিযোগের দায়িত্ব পড়ছে। পাশাপাশি পুরনো মামলার তদন্ত চালানো এবং আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার কাজও সামলাতে হচ্ছে।

দুদকের এমন পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করা কর্মকর্তারা বলছেন, এতে করে কমিশনে একটি সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ তৈরি হয়েছে। ‘ফাইলভিত্তিক’ তদবিরও কমে গেছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দুদকের প্রতি আস্থা তৈরি হবে। আবার কেউ বলছেন, সরকার পরিবর্তনের পর দুদকেও রদবদলের সূত্র ধরে কিছু কর্মকর্তা প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ‘অনৈতিক সুবিধা’ গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে। তাদের জন্য এমন পদক্ষেপ একটি বার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য তাদের।

কালের আলো/এএইচ/এসআইপি

মেসির হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উড়ন্ত সূচনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ
মেসির হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উড়ন্ত সূচনা

কাতার বিশ্বকাপে দলকে শিরোপা জেতানো লিওনেল মেসি ২০২৬ বিশ্বকাপেও জ্বলে ওঠলেন আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচেই। আলজেরিয়ার বিপক্ষে এ ম্যাচে হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন তিনি। প্রথমার্ধে এক গোল করা এই কিংবদন্তি দ্বিতীয়ার্ধে করেছেন আরও ২টি। তিন গোল করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক বনে যাওয়া মেসি গড়েছেন আরও বেশ কয়েকটি রেকর্ড। মেসির অসাধারণ সব রেকর্ডের ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের এবারের আসরে উড়ন্ত সূচনা করেছেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ১৬টি গোল করে এতদিন শীর্ষে ছিলেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা। তবে আজ আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের মালিক এখন যৌথভাবে মেসি ও ক্লোসা। এই রেকর্ড গড়ার পথে মেসি ছাড়িয়ে গেছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওকেও।

আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির জন্য স্বপ্নের মতো শুরু হতে পারত ম্যাচটি। খেলার মাত্র পাঁচ মিনিটেই বল জালে পাঠান মেসি। গ্যালারিতে উল্লাস শুরু হয়ে যায়। তবে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সেই উল্লাস স্থায়ী হয়নি। কেননা সহকারী রেফারির পতাকা উঠলে সেই উদ্‌যাপন থেমে যায়। অফসাইডের জন্য মেসির সেই গোল বাতিল হয়।

তবে অফসাইডের ফাঁদে গোল বাতিল হয়ে ম্যাচের শুরুটা স্বপ্নের মত না হলেও শেষটা নিজের রঙেই রাঙিয়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার গোল বাতিলের পর জালের দেখা পেয়েছিল আলজেরিয়াও। তবে তাদের সেই গোলটিও অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এদিকে শুরুতেই দু গোল বাতিল হওয়ার পর প্রথমে লিড পায় আর্জেন্টিনাই।

মিডফিল্ড থেকে রদ্রিগো দি পল বল বাড়িয়ে দেন মেসির কাছে। বল পেয়ে তিনি পরিচিত ভঙ্গিতে এগিয়ে যান এবং প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেন জোরালো শট। আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান দুই হাত লাগাতে পারলেও সেই দুর্দান্ত শট ঠেকাতে পারেননি। বল জালে জড়িয়ে গেলে এগিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

নিজের ২০০তম ম্যাচ খেলতে নেমেই মেসি স্বভাবসুলভ পায়ের জাদু দেখালেন। এদিকে মেসির গোলে লিড নেওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আর্জেন্টিনা। বিরতির আগ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার চেষ্টা করলেও আর গোলের দেখা পায়নি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। ম্যাচের ৪২ মিনিটে থিয়াগো আলমাদার নেওয়া শট ক্রসবারের উপর দিয়ে যায়।

এদিকে গোল হজম করে আলজেরিয়াও ম্যাচে ফিরতে মরিয়ে হয়ে লড়েছে। তবে তাদের কোনো প্রচেষ্টাই সফল হয়নি। ইতিরিক্ত সময়ের শেষদিকে আলজেরিয়ার প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন মার্তিনেজ। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা বিরতিতে যায় ১-০ গোলের লিড নিয়ে।

বিরতির পর আর্জেন্টিনা খেলা শুরু করে একাদশে এক পরিবর্তন নিয়ে। গঞ্জালো মান্তিয়েলের জায়গায় মাঠে নামেন নাহুয়েল মলিনা। ম্যাচের ৫১ মিনিটে গোল করার প্রচেষ্টা নিয়েছিলেন মেসি। তবে ডি বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নেওয়া শটটি ক্রসবারের উপর দিয়ে যায়। এরপর ৫৫ মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দিলেন আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান। তবে গোলের জন্য আর্জেন্টিনার অপেক্ষা বেশি হয়নি।

৫৫ মিনিটে দলে আরও দুই পরিবর্তন আনেন স্কালোনি। লাওতারো মার্তিনেজের বদলে মাঠে নামেন হুলিয়ান আলভারেজ। একই সময়ে থিয়াগো আলমাদার বদলে মাঠে নামেন নিকোলাস গঞ্জালেস। আর ৬০ মিনিটের মাথায় গোলের দেখা পান মেসি। এবার গোলপোস্টের খুব কাছ থেকে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন আলজেরিয়ার গোলরক্ষক। ফিরতি শটে গোল করে বল জালে জড়ান মেসি।

এটি বিশ্বকাপে মেসির ১৫তম গোল। এই গোলে মেসি ছুঁয়ে ফেললেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওকে (১৫)। এরপর তাঁর সামনে ছিলেন শুধুই ক্লোসা। পরবর্তীতে ম্যাচের ৭৬ মিনিটেই নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন মেসি। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকেই ক্লোসাকেও ছুঁয়ে ফেলেন জীবন্ত এই কিংবদন্তি। হ্যাটট্রিকের পরপর ৮০ মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেসি। মাঠ ছাড়ার সময় মেসিকে দেয়া হলো ‘স্ট্যান্ডিং অভেশন।’

মেসিময় এই ম্যাচের বাকি সময়টা প্রতিরোধ গড়েই কাটাতে হয়েছে আলজেরিয়াকে। আলবিসেলেস্তেরা এরপর আরও কয়েকবার আক্রমণে গেলেও তা সফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় মেসির হ্যাটট্রিকে ৩-০ গোলের জয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা করে আর্জেন্টিনা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার সমর্থন ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকে থাকত না। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে মতপার্থক্য বাড়তে থাকার মধ্যেই তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

জি–৭ সম্মেলনের ফাঁকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির উপস্থিতিতে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না। আমি না থাকলেও ইসরায়েল টিকে থাকত না। কারণ আমি যা করেছি, তা করার সাহস বা ইচ্ছা অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি জড়িত না হলে ইসরায়েল অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত।’

সম্প্রতি লেবাননে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তার মতে, বৈরুতে ইসরাইলের সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

ট্রাম্প জানান, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনো ভালো। তবে লেবানন ইস্যুতে তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে আরও সংযমী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘বিবির (নেতানিয়াহু) সঙ্গে আমার সম্পর্ক চমৎকার। কিন্তু এখন লেবাননের বিষয়ে তাকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’

লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘একসময় লেবানন ছিল একটি মহান দেশ। সেখানে অসংখ্য অধ্যাপক, চিকিৎসক ও আইনজীবী ছিলেন। অনেক মেধাবী মানুষ লেবাননে বাস করতেন। কিন্তু এখন দেশটির অবস্থা খুবই খারাপ।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তির আগে বৈরুতে ইসরায়েলের হামলায় ট্রাম্প অসন্তুষ্ট হয়েছেন। অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হামলার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বিস্মিত হন। কারণ এর আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একে অপরকে আক্রমণ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘এটি খুবই খারাপ ছিল। আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। আমাদের চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র এক ঘণ্টা আগে এটি ঘটেছে।’

নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘বিবিকে কেন এই জঘন্য হামলাটি করতে হলো? আমি খুবই ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম এবং তাকে তা জানিয়েছি।’

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির অন্যতম শর্ত হবে লেবাননের যেসব এলাকা চলমান সংঘাতের সময় ইসরায়েল দখল করেছে, সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার।

আরাঘচির ভাষ্য, ‘যুদ্ধ চলাকালে দখল করা অঞ্চলগুলো থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরে না যাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা যাবে না।’

তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য চুক্তিতে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কোনো শর্ত নেই। এদিকে নেতানিয়াহুও বলেছেন, প্রয়োজন হলে ইসরাইল দীর্ঘ সময় লেবাননে অবস্থান করবে।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি