খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

জামায়াতকে নতুন চোখে দেখছে কূটনীতিকরা

জারিফ নিহাল, কালের আলো:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
জামায়াতকে নতুন চোখে দেখছে কূটনীতিকরা

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দৃশ্যপটে অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদী কায়দায় দলের শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ড, মামলা-হামলা, জেল-জুলুমের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা হয়েছিল এই ইসলামিক শক্তিকে। কিন্তু অভ্যুত্থানের পর বাধাহীনভাবে দলীয় রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক শক্তিমত্তার কথা বারবার জানান দিচ্ছে দলটি।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জোরেশোরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তাঁরা। প্রকাশ্যে ও মুক্ত পরিবেশে রাজনীতি করার সুযোগে সভা-সমাবেশসহ দেশের জনগণের কাছে দলটির আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের ইতিবাচক বার্তাও পৌঁছে দিচ্ছেন তাঁরা। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় আড়ালে থাকা এই বৃহৎ রাজনৈতিক দলটি ভোটের মাঠে নিজেদের ক্রমশ ফ্যাক্টর করে তুলেছে। দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যেও তাদের নিয়ে কৌতূহল ও ইতিবাচক ভাবনা-চিন্তা তৈরি হচ্ছে। সম্পূর্ণ নতুন এই পরিস্থিতে দীর্ঘ সময় অত্যাচার-নিপীড়নের মুখে থাকা এই দলকে ঘিরে আগ্রহ বেড়েছে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের। গত দু’মাসে এমন বৈঠক হয়েছে ৩০টিরও বেশি।

এসব বৈঠকের মাধ্যমে জামায়াত সম্পর্কে দীর্ঘদিনের অপপ্রচার ও প্রচলিত নেতিবাচক ধারনা ভেঙে যাচ্ছে। গড়ে উঠছে উজ্জ্বল ভাবমূর্তি। ভোটের আগে এসব বিষয়াদি ও নানামুখী সমীকরণ দলটিকে রেখেছে চালকের আসনে। জনগণের কাক্সিক্ষত ভোটে ক্ষমতার দুয়ারে কড়া নাড়া এই দলটি রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্বে এলে তাঁরা কী করতে চায়, কীভাবে করতে চায় এসব বিষয় সম্পর্কেও সুস্পষ্ট ধারণা পাচ্ছেন বিদেশিরা।

অন্যান্য বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এমন বৈঠক হলেও রাজনীতির মাঠে আধিপত্য বজায় রাখা জামায়াতের সঙ্গে কূটনীতিকদের এই বৈঠকগুলো আলোড়ন তুলেছে। এসব ঘটনা প্রবাহে উজ্জীবিত-উদ্দীপ্ত হয়ে ফুরফুরে মেজাজে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী ও নেতা-কর্মীরা।

  • এই দলকে ঘিরে আগ্রহ বেড়েছে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের
  • গত দু’মাসে এমন বৈঠক হয়েছে ৩০টিরও বেশি
  • এসব বৈঠকের মাধ্যমে জামায়াত সম্পর্কে দীর্ঘদিনের অপপ্রচার ও প্রচলিত নেতিবাচক ধারনা ভেঙে যাচ্ছে
  • ভোটের আগে এসব বিষয়াদি ও নানামুখী সমীকরণ দলটিকে রেখেছে চালকের আসনে

জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, গত দুই মাসে ৩০টিরও বেশি বিদেশি মিশন-সংস্থার কূটনীতিক ও কর্মকর্তারা জামায়াতের আমির ডা.শফিকুর রহমানসহ শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এসব বৈঠকের ছবি ও আলোচনার বিষয়বস্তু সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াও দলটির ফেসবুক পেজে নিয়মিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আগামী সংসদ নির্বাচন, গণতন্ত্রের বিকাশ ও টেকসইকরণ, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক বিষয় আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় রাজধানীর বসুন্ধরার জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল। জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা ইয়াসিন আরাফাত।

নাম প্রকাশে আপত্তি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের এক সদস্য কালের আলোকে বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ১৫ বছর জামায়াতে ইসলামীকে বিভিন্ন দেশের হাইকমিশন থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। কিন্তু আমরা থেমে থাকিনি। জামায়াতের ওপর হওয়া অত্যাচার ও নিপীড়ন নিয়ে কূটনীতিকরা অবগত ছিলেন। জামায়াত ভবিষ্যতে কী করবে- এই সম্পর্কেও কূটনীতিকরা দলের কাছে জানতে চাইছেন। আমাদের সঙ্গে সুসম্পর্কের বিষয়ে তাদের আগ্রহ বেড়েছে। আমরা আশাবাদী আমাদের সম্পর্কে তাঁরা ইতিবাচক ধারনা পেয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রচার বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কূটনৈতিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বৈঠক ও সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সুইডেন, স্পেন, আর্জেন্টিনা, কানাডা, জার্মানি, জাপান, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, ইরান, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, ভুটানসহ প্রভাবশালী অনেক দেশের প্রতিনিধিরা। এরমধ্যে চীন ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ হয়েছে। একই সময়ে প্রভাবশালী কয়েকটি দেশ সফর করেছেন জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারি জেনারেল। এছাড়া চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস, ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্দো দিয়াস ফেরেস, সুইস রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি, তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস একিঞ্চি, কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেল ওহাব সাইদানি, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জামায়াতের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতের সিরিজ বৈঠক দেশের রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ামী লীগের ক্ষমতার সময়ে শুধুমাত্র প্রোপাগাণ্ডার কারণে পশ্চিমা বিশ্ব বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা জামায়াতকে কিছুটা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতো। তবে তারা ক্রমশ উপলব্ধি করছে যে এই দলের সাংগঠনিক ভিত্তি ও শক্তি অত্যন্ত মজবুত। একই সঙ্গে তাদের ক্ষমতার রাজনীতির সম্ভাবনাও বেশ উজ্জ্বল। ডাকসু ও জাকসু নির্বাচন এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে এসব স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। ফলে পশ্চিমা কূটনীতিকরা জামায়াতকে নতুন চোখে দেখছে এবং মূল্যায়ন করতে শুরু করেছেন। এসবের ধারাবাহিকতায় তাঁরা দলটির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি হৃদ্যতাও স্থাপন করছেন।

কালের আলো/জেএন/এমএএইচ

ভারতে ভারী বৃষ্টি, সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ভারতে ভারী বৃষ্টি, সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে সিলেটে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। একই সময়ে ভারতের উজানের মেঘালয় রাজ্যেও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে পাহাড়ি ঢলে সিলেটের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।

এ অবস্থায় সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, বন্যা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

মেঘালয়ের দৈনিক আবহাওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটির বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সোহরা (চেরাপুঞ্জি) এলাকায়—৭২ দশমিক ২ মিলিমিটার।

এছাড়া শিলংয়ে ২১ দশমিক ৬ মিলিমিটার এবং বারাপানিতে ১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে মেঘালয়ের সোহরা ও খাসি পাহাড়ি অঞ্চলের টানা বৃষ্টি সিলেটের নদ-নদী ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, উজান থেকে নেমে আসা পানি সুরমা, কুশিয়ারা ও অন্যান্য পাহাড়ি নদীর প্রবাহ দ্রুত বাড়িয়ে দেয়,

যা স্বল্প সময়ে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

সেখানকার আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে মেঘালয়ের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রপাত এবং ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ ও ২৯ মে পর্যন্তও বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট জেলায় সর্বোচ্চ ১১১ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এছাড়া জেলা ভিত্তিক পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, হবিগঞ্জে ৮২ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জে ৬৫ মিলিমিটার এবং মৌলভীবাজারে ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।এদিকে, মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ৩টার সর্বশেষ তথ্যে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে।

সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক শূন্য মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। একই নদীর সিলেট পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৮ দশমিক ৪৭ মিটার, বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার।

কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১২ দশমিক ৬৪ মিটার, বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৮০ মিটার। শেওলা পয়েন্টে ১০ দশমিক ৪৩ মিটার, বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৮ দশমিক ৬১ মিটার, বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮৫ মিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে ৭ দশমিক ৪৮ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ মিটার।

সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৮ দশমিক ৯০ মিটার, বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৩৫ মিটার। পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে পানি ৮ দশমিক ১০ মিটার, বিপৎসীমা ১৩ দশমিক শূন্য মিটার এবং গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ৭ দশমিক ৮৬ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮২ মিটার।

এছাড়া লোভাছড়া নদীর লোভাছড়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১১ দশমিক ৪২ মিটার এবং ধলা নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে ৭ দশমিক ২৯ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, উজানের মেঘালয় থেকে নেমে আসা ঢল এবং সিলেটের অভ্যন্তরীণ ভারী বৃষ্টি একসঙ্গে অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।

এতে সিলেটের সীমান্তবর্তী নিচু এলাকা, হাওরাঞ্চল এবং নদীতীরবর্তী গ্রামগুলোতে জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল মুঈদ বলেন, সিলেটে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং উজানের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পানির কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২৬ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়াও হতে পারে।

এছাড়া সিলেট পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ দাস বলেন, ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢল সিলেট অঞ্চলের নদীগুলোতে এসে পড়ছে। একই সঙ্গে সিলেটেও টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। উজানে বৃষ্টি ও ঢল চলমান থাকলে সিলেটে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আকস্মিক বন্যা হলেও তা স্বল্পমেয়াদি হবে এবং পানি দ্রুত নেমে যাবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

সন্ধ্যার মধ্যে ভয়াবহ ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরগুলোকে সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
সন্ধ্যার মধ্যে ভয়াবহ ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরগুলোকে সতর্কতা

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের সাত জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের অনত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে কী কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। 

বুধবার (২৭ মে) সকালে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে শিশুদের মৃত্যু আসলে কী কারণ, তা আমরা এখনো জানি না। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে, আমি নিজেও ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি