খুঁজুন
                               
, ,
           

২০২৫ সালে ৭৫৬ নারী খুন, নিরাপদ নয় শিশু থেকে বৃদ্ধাও: মহিলা পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ
২০২৫ সালে ৭৫৬ নারী খুন, নিরাপদ নয় শিশু থেকে বৃদ্ধাও: মহিলা পরিষদ

হত্যা, ধর্ষণ, দলবদ্ধ ধর্ষণ, আত্মহত্যা, যৌন হয়রানি, যৌতুক ও বাল্যবিয়ে- নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার প্রায় সব ধরনের ঘটনাই উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে দেশে। ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি হত্যার শিকার হয়েছেন ৭৫৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী।

অন্যদিকে দলবদ্ধ ধর্ষণ (১৪২), আত্মহত্যা (২০৩) এবং ধর্ষণের চেষ্টার (১১৭) ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী কন্যাশিশুরা।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পর্যবেক্ষণ বলছে, বিচারহীনতা ও সামাজিক দায়মুক্তির কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, ছয় বছরের শিশু থেকে শুরু করে ষাটোর্ধ্ব নারী, কেউই এখন সহিংসতার ঝুঁকির বাইরে নন।

সোমবার (২৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে নারী ও কন্যা নির্যাতন চিত্র-২০২৫’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মডারেটর ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।

আরও পড়ুন

শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করতে আইন করছে ফ্রান্স

সমীক্ষার তথ্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের সিনিয়র প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কর্মকর্তা আফরুজা আরমান। তিনি জানান, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদে সংরক্ষিত ১৪টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনার ভিত্তিতে এ সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে।

সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের মধ্যে হত্যার শিকার হয়েছেন ৭৫৬ জন, যা অন্যান্য সহিংসতার তুলনায় সর্বোচ্চ। এছাড়া ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৩৭৬ জন এবং যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ১২৫ জন।

অন্যদিকে কন্যাশিশুদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে দলবদ্ধ ধর্ষণ, আত্মহত্যা ও ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায়। সমীক্ষায় দেখা যায়, দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৪২ জন, আত্মহত্যা করেছেন ২০৩ জন এবং ধর্ষণের চেষ্টার শিকার হয়েছে ১১৭ জন কন্যাশিশু।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শৈশবে যৌন সহিংসতার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ও আত্মহত্যার ঝুঁকিও বাড়ছে।

পেশাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গৃহিণীরা হত্যার ৫৮ শতাংশ, আত্মহত্যার ৬৩ শতাংশ এবং যৌতুক-সংক্রান্ত সহিংসতার ৯৪ শতাংশ ঘটনার শিকার। অন্যদিকে শিক্ষার্থী কন্যাশিশুরা ধর্ষণের চেষ্টার ৮০ শতাংশ, আত্মহত্যার ৬৭ শতাংশ, দলবদ্ধ ধর্ষণের ৩৯ শতাংশ এবং বাল্যবিবাহের শতভাগ ঘটনার ভুক্তভোগী।

সমীক্ষায় আরও বলা হয়, শুধু জনসমাগমস্থল নয়, বাড়ি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও নারী ও কন্যাশিশুর জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি, প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ, তদন্তে বিলম্ব, সাক্ষ্য-প্রমাণের দুর্বলতা এবং ভুক্তভোগীকেই দায়ী করার সামাজিক প্রবণতা অপরাধীদের দায়মুক্তি নিশ্চিত করছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, সমীক্ষার ফলাফল দেশের নারী নিরাপত্তার এক গভীর সংকটের চিত্র তুলে ধরেছে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সহিংসতার শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে নারীর কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। ছয় বছরের কন্যাশিশু থেকে শুরু করে ষাটোর্ধ্ব গৃহিণী পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষ করে ছয় থেকে নয় বছর বয়সী শিশুকন্যাদের ধর্ষণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি হওয়া আমাদের সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, এ তথ্যই প্রমাণ করে, ধর্ষণের জন্য কখনোই ভুক্তভোগী দায়ী নয়। দায়ী অপরাধী এবং সেই সামাজিক মানসিকতা, যা অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের পাশাপাশি হত্যার ঘটনাও বাড়ছে। ফলে নারী শুধু যৌন সহিংসতার শিকারই হচ্ছেন না, তার জীবনও ক্রমশ অনিরাপদ হয়ে উঠছে। এটি কেবল নারীর সমস্যা নয়; বরং সমাজের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্ন।

গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শুধু ঘটনা প্রকাশ নয়, সহিংসতার সামাজিক ও কাঠামোগত কারণও তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর পরিচয় প্রকাশে সংবেদনশীলতা বজায় রেখে অপরাধীদের পরিচয় ও দায় সামনে আনারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ধর্ষণ, হত্যা ও এ ধরনের সহিংসতা ফৌজদারি অপরাধ। তাই এসব ঘটনায় স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে আপসের চেষ্টা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। বিচার হতে হবে আদালতে। অন্যথায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন প্রয়োগ, দ্রুত বিচার, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেত্রীবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য, কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক রীনা আহমেদ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকারে প্রচারণা শুরু আসিফ মাহমুদের

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকারে প্রচারণা শুরু আসিফ মাহমুদের

আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচন সামনে রেখে প্রচারণা শুরু করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। প্রচারণার শুরুতেই তিনি রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক পরিচয়, ঐতিহ্য ও নগরীর স্বকীয়তা পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, অনেকেই ঢাকাকে সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক বা লন্ডনের আদলে গড়ে তোলার কথা বলেন। কিন্তু ঢাকা নিজেই বিশ্বের বহু ঐতিহাসিক নগরীর চেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের শহর।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে না পারা দেশের নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা। তাঁর ভাষ্য, একসময় ঢাকা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র এবং উর্বর বদ্বীপভূমির একটি সমৃদ্ধ নগর।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাজধানীকে আরও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার পাশাপাশি বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে ঢাকাকে পূর্ণ মর্যাদায় উপস্থাপন করতে চান তিনি।

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীর পক্ষ থেকে নগর ব্যবস্থাপনা, যানজট, জলাবদ্ধতা ও নাগরিক সেবার পাশাপাশি রাজধানীর পরিচয় ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন নতুন রাজনৈতিক বার্তা সামনে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের বিষয়টিকে প্রচারণার সূচনাতেই গুরুত্ব দিলেন আসিফ মাহমুদ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে ফের কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১২ পূর্বাহ্ণ
আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে ফের কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে শুরু হওয়া নতুন আলোচনা ব্যর্থ হলে ফের কঠোর হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২৭ জুলাই) মিশিগানে যাওয়ার পথে এই হুমকি দেন তিনি।

এদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছেন ইরানের সঙ্গে ভালো ও গভীর আলোচনা চলছে। কিন্তু ইরান পাল্টা দাবি করেছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চললেও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনা হচ্ছে না।

চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে নতুন করে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর জুনে যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হলেও, হরমুজ প্রণালিতে তেল ট্যাংকার হামলা ও সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে গত জুলাইয়ের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং ১৩ জুলাই থেকে মার্কিন বাহিনী আবারও নতুন করে বিমান হামলা ও সামরিক পদক্ষেপ শুরু করে।

টানা ১৩ রাত হামলার পর গত শুক্রবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র অভিযান স্থগিত করে। টানা চার দিনের মতো সোমবারও (২৭ জুলাই) মার্কিন হামলা স্থগিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধেই তিনি হামলা স্থগিত করেছেন।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৭ সোমবার) হোয়াইট হাউজে এক বৈঠকে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোলাবারুদের মজুত ও অন্যান্য সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিণতি নিয়ে তার উদ্বেগ তুলে ধরেন। এ বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও উপস্থিতি ছিলেন। তারা দুজনই নতুন হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর ইরানে হামলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ হওয়ায় ইরানও পাল্টা হামলা স্থগিত রেখেছে। তেহরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতে রয়েছে। ওমানের সঙ্গে মিলে নৌযান চলাচলের নতুন ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে, যার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দেশের ৯ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ
দেশের ৯ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় দেশের ৯টি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (পুনঃ) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে গতকাল রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসেও আজ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকার কথা বলা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি