খুঁজুন
                               
, ,
           

দেশে গ্যাসের সংকট আর কতদিন থাকবে, জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
দেশে গ্যাসের সংকট আর কতদিন থাকবে, জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী

Oplus_131072

দেশজুড়ে চলমান গ্যাসের সংকট স্বাভাবিক হতে আরও ১০-১৫ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘নেভিগেটিং গ্লোবাল শিফটস: ফস্টারিং এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এফএসআরইউ মেরামতের কাজ চলছে। এই বিভ্রাটের কারণে দুটি এলএনজি কার্গো খালাস করা যাচ্ছে না। ফলে, দেশজুড়ে রান্নাঘরে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়াসহ বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায়ও সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় এখন এলএনজি, এলপিজিসহ বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আমদানি করা জ্বালানির দামও অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। গত ছয় মাসে প্রায় ৩ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানি করতে হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বিল পরিশোধও বাকি রয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের প্রধান সংকট এখন আর্থিক সমস্যা। সেগুলোর নিয়মিত বিল পরিশোধ করতে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার সম্প্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন। আগস্ট মাসের মধ্যেই এই কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে দর–কষাকষি ও জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান জ্বালানিমন্ত্রী।

সোমবারের এ বৈঠকের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস)। এতে সরকারি–বেসরকারি নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন। বৈঠকের মডারেটর ছিলেন বিআইপিএসএসের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান।

উল্লেখ্য, দেশে আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি টার্মিনাল পরিচালনা করে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি ও আরেকটি বেসরকারি কোম্পানি সামিট। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার আগুন লেগে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

কালের আলো/এসএকে

বলিউড পরিচালক কুকু কোহলি আর নেই

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
বলিউড পরিচালক কুকু কোহলি আর নেই

বলিউডে ফুল অউর কাঁটে সিনেমার মাধ্যমে অজয় দেবগণ ও মাধুর অভিষেক ঘটানো পরিচালক কুকু কোহলি মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, কুকু কোহলির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। প্রিয় বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত তিনি।

কুকু কোহলির মৃত্যুর বিষয়ে অশোক পণ্ডিত বলেন, কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। কারণ কুকু কোহলি ছিলেন তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি জানান, কুকু কোহলি হৃদ্‌রোগে মারা যাবেন—এমনটা কখনো ভাবেননি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কুকু কোহলি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন এবং খাবারের ব্যাপারেও সচেতন ছিলেন।

অশোক পণ্ডিত আরও বলেন, কুকু কোহলি সব সময় হাসিখুশি ও ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ ছিলেন। তাঁকে কখনো বিষণ্ন অবস্থায় দেখেননি। কুকু কোহলির ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক দিকটিই তাঁর সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে।

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পাশাপাশি কুকু কোহলির সঙ্গে তাঁর পেশাগত সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন অশোক পণ্ডিত। তিনি বলেন, ‘ফুল অউর কাঁটে’ সিনেমার মাধ্যমে অজয় দেবগণকে বলিউডে নিয়ে আসেন কুকু কোহলি। এর আগে দীর্ঘ সময় তিনি কিংবদন্তি নির্মাতা রাজ কাপুরের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

বন্ধুর মৃত্যুতে নিজের মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কথাও জানান অশোক পণ্ডিত। তিনি বলেন, কুকু কোহলির মৃত্যুতে তিনি একজন খুব কাছের বন্ধুকে হারিয়েছেন।

১৯৯১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফুল অউর কাঁটে’ কুকু কোহলির ক্যারিয়ারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সিনেমা। এই সিনেমার মাধ্যমেই বলিউডে অভিষেক হয় অজয় দেবগণ ও অভিনেত্রী মাধুর। সিনেমাটি মুক্তির পর অজয় দেবগণ দ্রুত দর্শকদের নজর কাড়েন।

পরিচালক হিসেবে কুকু কোহলির উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সুহাগ’ (১৯৯৪), ‘হকীকত’ (১৯৯৫), ‘আনাড়ি নং ১’ (১৯৯৯), ‘জুলমি’ (১৯৯৯) ও ‘ইয়ে দিল আশিকানা’ (২০০২)। তাঁর পরিচালিত সর্বশেষ সিনেমা ‘ওহ তেরা নাম থা’ মুক্তি পায় ২০২৪ সালে।

কুকু কোহলির মৃত্যুতে বলিউডে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাঁর দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবন এবং অজয় দেবগণের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে তাঁকে স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসএ

‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য শেষের পথে, বড় ইঙ্গিত দিলেন আশফাক নিপুণ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য শেষের পথে, বড় ইঙ্গিত দিলেন আশফাক নিপুণ

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মহানগর’-এর তৃতীয় সিজন নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতা আশফাক নিপুণ। নিজের জন্মদিনে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে নতুন সিজনের চিত্রনাট্য শেষ করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এতে ‘মহানগর ৩’ নিয়ে দর্শকদের অপেক্ষা আরও বাড়ল।

বাংলাদেশে ওয়েব সিরিজের জনপ্রিয়তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ‘মহানগর’ প্রথম মুক্তি পায় ২০২১ সালে। দুই বছর পর ২০২৩ সালে দর্শকদের সামনে আসে দ্বিতীয় সিজন। গল্প, চিত্রনাট্য ও অভিনয়ের কারণে সিরিজটি বাংলাদেশ ছাড়িয়ে ভারতেও ব্যাপক সাড়া ফেলে।

দ্বিতীয় সিজনের শেষেই তৃতীয় কিস্তি আসার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও ‘মহানগর ৩’ নিয়ে নির্মাতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশফাক নিপুণের যেকোনো পোস্টে দর্শকদের একটি বড় অংশ তৃতীয় সিজন নিয়ে জানতে চাইতেন।

এর মধ্যে একবার সিরিজটির কাজ শুরুর খবরও সামনে এসেছিল। পরে জানা যায়, বাজেট সংকটের কারণে হইচই বাংলাদেশ তখন ‘মহানগর ৩’ নির্মাণ করতে পারছে না।

তবে এবার খোদ নির্মাতার ইঙ্গিতে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন দর্শকেরা। বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের জন্মদিন উপলক্ষে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন আশফাক নিপুণ। ভিডিওর একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘যাই হোক, এখন স্ক্রিপ্টটা শেষ করে আসি। সময় হাতে বেশি নেই।’

কোন চিত্রনাট্যের কথা বলছেন, সেটিও খুব বেশি গোপন রাখেননি নির্মাতা। ভিডিওতে তিনি নিজের কণ্ঠে ‘মহানগর’-এর পরিচিত ইন্ট্রো মিউজিক গেয়ে শোনান। এতেই দর্শকদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, বহুল প্রতীক্ষিত ‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য নিয়েই কাজ করছেন তিনি।

পরে তাঁর পোস্টের মন্তব্যে এক ভক্ত সরাসরি জানতে চান, ‘তাহলে কি মহানগর ৩ ভায়া?’ জবাবে আশফাক নিপুণ লেখেন, ‘ইয়েস’। নির্মাতার এই সংক্ষিপ্ত উত্তরেই সিরিজটির তৃতীয় সিজন নিয়ে নতুন করে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে।

তবে ‘মহানগর ৩’-এর শুটিং কবে শুরু হবে কিংবা সিরিজটি কবে মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানানো হয়নি।

সিরিজটির প্রথম দুই সিজনে পুলিশ কর্মকর্তা ওসি হারুন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মোশাররফ করিম। তৃতীয় সিজনেও তাঁকে একই চরিত্রে দেখা যাবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি নতুন সিজনে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে বিশেষ চমক হিসেবে দেখা যেতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

২৮ আগস্ট মঞ্চে আসছে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
২৮ আগস্ট মঞ্চে আসছে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’

প্রচলিত নাট্যরীতির বাইরে গিয়ে লিভিং থিয়েটারের নান্দনিকতা ও পরীক্ষামূলক ভাষায় নতুন প্রযোজনা নিয়ে আসছে নাট্যদল নাট্যধারা। ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শিরোনামের নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হবে আগামী ২৮ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে।

লিভিং থিয়েটারের বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করে নির্মিত এ প্রযোজনায় দর্শক ও মঞ্চের প্রচলিত দূরত্ব কমিয়ে নাট্যঘটনাকে আরও প্রত্যক্ষ ও অনুভবনির্ভর করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। শরীরী ভাষা, প্রতীকী অভিনয়, আলো-আঁধারি, শব্দ ও আবহ নির্মাণকে নাটকের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র নাদিয়া মুরাদ। ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের এই তরুণী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের হাতে বন্দিত্ব ও নির্যাতনের শিকার হন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নিয়ে মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হন তিনি। তাঁর সংগ্রাম ও সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন নাদিয়া মুরাদ।

তবে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শুধু নাদিয়া মুরাদের ব্যক্তিজীবনের গল্প নয়। যুদ্ধ, রাষ্ট্র, মৌলবাদ, বিশ্বরাজনীতি, অর্থনৈতিক স্বার্থ, জাতিসত্তার ওপর আঘাত এবং মানবিক বিপর্যয়ের মতো সমকালীন নানা সংকটকে নাটকটির বিষয়বস্তু করা হয়েছে।

নাট্যদলের ভাষ্য অনুযায়ী, নাদিয়ার জীবনকাহিনিকে ব্যক্তিগত আত্মজীবনী হিসেবে নয়, বরং সময় ও ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। দর্শককে কেবল গল্পের দর্শক না রেখে নাট্যঘটনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি করাও এ প্রযোজনার অন্যতম লক্ষ্য।

নাটকের শেষাংশে উঠে আসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—নাদিয়াই কি পৃথিবীর দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দোজখের শেষ মেয়ে? চলমান যুদ্ধই কি পৃথিবীর শেষ যুদ্ধ? মৌলবাদের তৈরি দোজখই কি পৃথিবীর শেষ দোজখ? নাদিয়াই কি পৃথিবীর শেষ দোজখের শেষ মেয়ে? আর যুদ্ধশিশু কি পরিকল্পিত?

নাটকটি রচনা করেছেন আনিসুর রহমান এবং নাট্যনির্মাণ করেছেন আশীষ খন্দকার। অভিনয়ে রয়েছেন মো. কামাল হোসেন, ফাহমিদা রহমান তৃষা, রিয়াদ মাহমুদ, হাফসা আক্তার, মো. আব্দুল আজিজ, মো. রফিকুল ইসলাম, রহিম পারভেজ, আল হাছিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর সিকদার, ইমতিয়াজ আহমেদ দুলু ও হাফসা মাহমুদ ঋদ্ধি।

নাট্যকার হিসেবে রয়েছেন আনিসুর রহমান। নাট্যনির্মাণের পাশাপাশি সঙ্গীত ও পোশাক পরিকল্পনায় আছেন আশীষ খন্দকার। সহযোগী নির্দেশক রিয়াদ মাহমুদ। মঞ্চ ও আলো পরিকল্পনা করেছেন পলাশ সেন হেনরী।

নাটকটির নির্মাণে সহযোগিতা করেছে বিডিজবস ডট কম ও সাইমন কালিনারী ইনস্টিটিউট।

লিভিং থিয়েটারের পরীক্ষামূলক ভাষায় নির্মিত ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ সমকালীন বাংলা মঞ্চনাটকে নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২৮ আগস্টের উদ্বোধনী মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হবে প্রযোজনাটির যাত্রা।

কালের আলো/এসএ