খুঁজুন
                               
, ,
           

সেনাপ্রধানের প্রস্তাবে সাড়া, বাংলাদেশ থেকে নেওয়া হচ্ছে ফোর্স কমান্ডার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৯, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের প্রস্তাবে সাড়া, বাংলাদেশ থেকে নেওয়া হচ্ছে ফোর্স কমান্ডার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিশ্বের নানা প্রান্তে গৌরবময় ইতিহাস রচনা করেছে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। শান্তিরক্ষায় বিশ্বব্যাপী ব্লু হেলমেটধারীদের কাছে বাংলাদেশ এখন অনুপ্রেরণার নাম। বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে লাল-সবুজের বাংলাদেশ জাতিসংঘের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবেও অনেক আগেই স্বীকৃতি পেয়েছে।

আরও পড়ুন: শান্তি প্রক্রিয়ায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য সেনাপ্রধানের প্রশংসা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশ্বজুড়েই কুড়িয়েছে সুনাম। ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে শান্তিরক্ষা মিশনে জাতিসংঘের আহবানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম অংশগ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সাফল্যে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন পালক।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ থেকে ফোর্স কমান্ডার নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল কার্লোস উমবার্তো লতে।

আরও পড়ুন: পাচ্ছে ২৫০ কোটি টাকা, চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ

সোমবার (০৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে সফরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাক্ষাতকালে তিনি এ আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে অচিরেই ফোর্স কমান্ডার নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সামরিক উপদেষ্টা বিশ্বশান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের স্বত:স্ফুর্ত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সাক্ষাতকালে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিকূল পরিবেশে শান্তিরক্ষায় অবদানের জন্য তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেনও তিনি।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে আরো মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশেষ ফোর্স ও র‌্যাপিডলি ডেপ্লয়েবল ব্যাটালিয়ান মোতায়েনেরও প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন। সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল কার্লোস উমবার্তো লতে হাসিমুখেই এ প্রস্তাবনা গ্রহণ করেন।

সামরিক উপদেষ্টা বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের পেশাদার ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। সেনাপ্রধান অগ্রসরমান দেশসমূহের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ সহযোগিতা দেওয়ার কথাও উপস্থাপন করেন। বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের সহায়তার জন্য জাতিসংঘ ঋণী, বলেন সামরিক উপদেষ্টা।

আরও পড়ুন: পাঁচ দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সেনাপ্রধান

নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে শান্তিরক্ষীদের দক্ষভাবে প্রশিক্ষিত করার জন্য বাংলাদেশের প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের যুক্তরাষ্ট্র সফর নানা দিক থেকেই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আগে থেকেই আশাবাদের কথা জানিয়েছিল আইএসপিআর।

সেই দিক থেকে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের এ সফর শতভাগ সফলতার মুখ দেখেছে। অনেক অর্জনের এ সফরে সামরিক উপদেষ্টা সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে একজন কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স জেনারেশন প্রধান হিসেবে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করেন।

বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ৩১ বছরের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণে প্রথম এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশকে নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি সামরিক উপদেষ্টা মিয়ানমার থেকে বের করে দেওয়া নাগরিকদের মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসায় ছিলেন উচ্চকন্ঠ।

এর আগে গত শনিবার (৬ জুলাই) ৫ দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

কালের আলো/এএ/এমএএএমকে

দাবি আদায়ে বৃষ্টি উপেক্ষায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
দাবি আদায়ে বৃষ্টি উপেক্ষায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ মিছিল

টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানীতে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা। ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠনসহ প্রকৃত মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়াসহ সাত দফা দাবি আদায়ে সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পল্টন মোড়ে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন বিক্ষোভকারীরা।

মিছিলে অংশ নেওয়া গ্রাহকদের হাতে বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবি ছিল, এস আলমসহ ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন, ফ্যাসিস্ট আমলে বন্দুকের নলের মুখে কেড়ে নেওয়া মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া, বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে ইসলামী ব্যাংকের দায় মেটানো ও ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, ব্যাংকটির স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে ব্যাংকখাতে অনিয়ম ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান তারা।

এছাড়া, পূর্বঘোষিত সাত দফা দাবি না মানলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দেশের ১৯ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
দেশের ১৯ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের ১৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার দেওয়া অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে এই বৈরী আবহাওয়া অতিক্রম করতে পারে। এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ঝোড়ো আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং নৌযান ও যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার নৌযানকে সাবধানে চলাচল করতে এবং পরবর্তী নির্দেশনা পর্যবেক্ষণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

কুয়েত, বাহরাইনে ফের হামলা চালাল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
কুয়েত, বাহরাইনে ফের হামলা চালাল ইরান

মঙ্গলবারের পর বুধবার রাতে ফের কুয়েত এবং বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটির বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা করেছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাদ্যম আইআরআইবি।

আইআরজিসি’র বিবৃতির বরাত দিয়ে আইআরআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি লঙ্ঘন করে বুধবার মধ্যরাতে দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাব দিতেই পরিচালনা করা হয়েছে এই হামলা।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মার্কিন চুক্তি ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপের প্রথম পর্যায় হিসেবে আইআরজিসির নৌ এবং অ্যারোস্পেস বাহিনীর যোদ্ধারা কুয়েতের আরিফান এবং আল আল-সালেম ঘাঁটি এবং বাহরাইনের জাফাইর এবং শেখ ইসা ঘাঁটিতে একটি যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অপারেশন পরিচালনা করেছে। ইরানজুড়ে শত্রুপক্ষের হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।”

আরও বলা হয়েছে, “যদি শত্রুপক্ষ ফের এমন আগ্রাসন চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য ঘাঁটিগুলোতেও কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

উল্লেখ্য, ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে গত ৫ জুলাই শনিবার হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা করেছিল আইএরজিসি। সেই হামলার পর মঙ্গলবার মধ্যরাতে দক্ষিণ ইরান এবং হরমুজ প্রণালি এলাকায় ইরানের ৮০টি সামরিক স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে বোমাবর্ষণ করেছিল সেন্টকোম।

মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাব দিতে অল্প সময়ের মধ্যেই কুয়েত এবং বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুগুলোতে পাল্টা হামলা করেছিল আইআরজিসি।

এই হামলা এবং পাল্টা হামলার মধ্যেই গতকাল বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ট্রাম্প ঘোষণা দেন— ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি শেষ এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই উক্তির পরেই বুধবার দ্বিতীয় দফায় ইরানে হামলা করে সেন্টকোম।

আইআরজিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার সেন্টকোমোর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে কুয়েত-বাহরাইনে দ্বিতীয় দফায় হামলা করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি