খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সেনাপ্রধানের প্রস্তাবে সাড়া, বাংলাদেশ থেকে নেওয়া হচ্ছে ফোর্স কমান্ডার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৯, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের প্রস্তাবে সাড়া, বাংলাদেশ থেকে নেওয়া হচ্ছে ফোর্স কমান্ডার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিশ্বের নানা প্রান্তে গৌরবময় ইতিহাস রচনা করেছে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। শান্তিরক্ষায় বিশ্বব্যাপী ব্লু হেলমেটধারীদের কাছে বাংলাদেশ এখন অনুপ্রেরণার নাম। বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে লাল-সবুজের বাংলাদেশ জাতিসংঘের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবেও অনেক আগেই স্বীকৃতি পেয়েছে।

আরও পড়ুন: শান্তি প্রক্রিয়ায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য সেনাপ্রধানের প্রশংসা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশ্বজুড়েই কুড়িয়েছে সুনাম। ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে শান্তিরক্ষা মিশনে জাতিসংঘের আহবানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম অংশগ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সাফল্যে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন পালক।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ থেকে ফোর্স কমান্ডার নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল কার্লোস উমবার্তো লতে।

আরও পড়ুন: পাচ্ছে ২৫০ কোটি টাকা, চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ

সোমবার (০৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে সফরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাক্ষাতকালে তিনি এ আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে অচিরেই ফোর্স কমান্ডার নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সামরিক উপদেষ্টা বিশ্বশান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের স্বত:স্ফুর্ত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সাক্ষাতকালে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিকূল পরিবেশে শান্তিরক্ষায় অবদানের জন্য তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেনও তিনি।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে আরো মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশেষ ফোর্স ও র‌্যাপিডলি ডেপ্লয়েবল ব্যাটালিয়ান মোতায়েনেরও প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন। সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল কার্লোস উমবার্তো লতে হাসিমুখেই এ প্রস্তাবনা গ্রহণ করেন।

সামরিক উপদেষ্টা বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের পেশাদার ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। সেনাপ্রধান অগ্রসরমান দেশসমূহের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ সহযোগিতা দেওয়ার কথাও উপস্থাপন করেন। বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের সহায়তার জন্য জাতিসংঘ ঋণী, বলেন সামরিক উপদেষ্টা।

আরও পড়ুন: পাঁচ দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সেনাপ্রধান

নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে শান্তিরক্ষীদের দক্ষভাবে প্রশিক্ষিত করার জন্য বাংলাদেশের প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের যুক্তরাষ্ট্র সফর নানা দিক থেকেই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আগে থেকেই আশাবাদের কথা জানিয়েছিল আইএসপিআর।

সেই দিক থেকে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের এ সফর শতভাগ সফলতার মুখ দেখেছে। অনেক অর্জনের এ সফরে সামরিক উপদেষ্টা সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে একজন কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স জেনারেশন প্রধান হিসেবে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করেন।

বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ৩১ বছরের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণে প্রথম এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশকে নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি সামরিক উপদেষ্টা মিয়ানমার থেকে বের করে দেওয়া নাগরিকদের মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসায় ছিলেন উচ্চকন্ঠ।

এর আগে গত শনিবার (৬ জুলাই) ৫ দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

কালের আলো/এএ/এমএএএমকে

কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

ভাগ্য কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তা যেন আরও একবার মানব জাতিকে ভাবতে বসালো নারায়ণগঞ্জের খামারের আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পে’র ঘটনা। কোরবানির দুয়ার থেকে পশুটির ঠিকানা এখন মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা।

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নাম রাখায় রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিল অ্যালবিনো জাতের এই মহিষটি। চেহারা এবং চুলের ঢং অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় সেটির নামই রেখে দেওয়া হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্যাপক আলোচনায় আসার ফলে দ্রুতই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মহিষটি। কিনেছিলেন কেরাণীগঞ্জের এক ক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিনে কোরবানি দেওয়ার জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চড়া দামে কিনেছিলেন ওই ক্রেতা।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে মহিষটি ফিরিয়ে নিয়ে বুধবার (২৭ মে) কেরানীগঞ্জের জিনজিরার ইসলামপুর থেকে মহিষটি বিকেল সাড়ে ৫টার সময় কেরানীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে থেকে নেওয়া হয়েছে চিড়িয়াখানায়।

বুধবার (২৭ মে) রাতে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ট্রাম্প নামের মহিষটাকে রাতেই চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে। আমরা একটা শেডে ওটাকে রাখার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তার খাওয়ার সব ব্যবস্থা করেছে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।’

সূত্রে জানা যায়, মহিষটিকে ঘিরে অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় কেরানীগঞ্জের ক্রেতাকে টাকা ফেরত দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে আগের মতোই লালন-পালন করা হবে।

মূলত সম্ভাব্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে ক্রেতার কাছ থেকে সেটি ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত মহিষটিকে আগের মতোই নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন-পালন করা হবে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, মহিষটিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও নাকি সেটিকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। কিন্তু পরে জানা যায়, পোস্ট দেওয়ার খবর ভুয়া।

তবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়, এবারের কোরবানির হাটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামেও একটি মহিষ আছে। এছাড়া বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের নামে রয়েছে একটি গরুও।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের একটি প্রাথমিক খসড়া নথি পেয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার। এর বিনিময়ে ইরান ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অনুমতি দেবে।

তবে খসড়ায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না। ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ইরান ও ওমানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কাঠামো এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বাস্তব যাচাই ছাড়া ইরান কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে না।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এম/এএইচ