খুঁজুন
                               
, ,
           

সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

সংবিধানের বহুল আলোচিত পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তির বিধান এবং গণভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যত বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গতকাল বুধবার টানা তিন দিনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণার জন্য ৯ জুলাই দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন ড. শরীফ ভূঁইয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। এর আগে ৩ নভেম্বর রিটকারী সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া লিভ টু আপিল দায়ের করেন। ওই আবেদনে পঞ্চদশ সংশোধনী পুরোপুরি বাতিলের আবেদন জানানো হয়।

এর আগে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধান অবৈধ ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সংবিধানে গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করেন। তবে পুরো পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করা হয়নি।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, গণতন্ত্র বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমেই গণতন্ত্র বিকশিত হয়। কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেনি। ফলে নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে জনগণের আস্থা নষ্ট হয়েছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

আদালত আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছে।

রায়ে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত ২০ ও ২১ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয়। আদালতের মতে, এ দুটি বিধান সংবিধানের মৌলিক কাঠামো তথা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।

এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত সংবিধানের ৭ক, ৭খ এবং ৪৪(২) অনুচ্ছেদও বাতিল ঘোষণা করা হয়।

গণভোট বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনীর ৪৭ ধারাও সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বাতিল করা হয়। ফলে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে থাকা গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হয়।

আদালত বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর সব বিধান বাতিল করা হচ্ছে না। অবশিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় সংসদ জনগণের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিমার্জন বা পরিবর্তন আনতে পারবে। এর মধ্যে জাতির পিতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বীকৃতি, ২৬ মার্চের ভাষণসহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গত বছরের ১৯ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের বেঞ্চ সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্যদের করা রিটের শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেন।

পরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইনসানিয়াত বিপ্লব, গণফোরামসহ কয়েকটি পক্ষ মামলায় ইন্টারভেনর হিসেবে যুক্ত হয়।

২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়। পাশাপাশি সংবিধানের বিভিন্ন ধারায় মোট ৫৪টি সংযোজন, সংশোধন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়।

আপিল বিভাগের সর্বশেষ এই রায়ের মাধ্যমে পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি বিতর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এখন রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ এবং পরবর্তী সাংবিধানিক ও আইনগত পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহলের।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফজলুর রহমানের কাঁধে এবার নতুন দায়িত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
ফজলুর রহমানের কাঁধে এবার নতুন দায়িত্ব

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮–এর ১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।

নতুন কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানকে সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুককে।

এ ছাড়া অর্থ বিভাগের সচিব, শিল্প সচিব এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদাধিকারবলে কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সদস্য-সচিবের দায়িত্বে থাকবেন।

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটি ট্রাস্টের আইন, বিধিমালা ও ট্রাস্টি বোর্ডের অর্পিত দায়িত্ব বাস্তবায়নের পাশাপাশি সংস্থার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

অধীনস্থ বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন, হিসাব নিরীক্ষা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভারতের সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন

বিএনপির ক্ষমতা গ্রহণ ইতিবাচক, চীনের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
বিএনপির ক্ষমতা গ্রহণ ইতিবাচক, চীনের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

ভারতের সংসদীয় পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটি বাংলাদেশে বিএনপি সরকারের ক্ষমতা গ্রহণকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি ইতিবাচক সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত ও কৌশলগত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কমিটি।

লোকসভায় উপস্থাপিত ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নয়াদিল্লির সামনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুনভাবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে একই সময়ে ঢাকায় চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ভারতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা সমন্বয় এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

সংসদীয় কমিটির মতে, বাংলাদেশে চীনের অবকাঠামো, জ্বালানি, পরিবহন এবং অন্যান্য বড় উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর ফলে অঞ্চলটির ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে।

এ কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে ভারতকে সক্রিয় ও দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, সংযোগ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি, যাতে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সহজ হয়।

কমিটি আরও বলেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কেবল প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক নয়, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই পারস্পরিক স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

প্রতিবেদনে ভারত সরকারকে বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাস্তববাদী, ভারসাম্যপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশল অনুসরণের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সূত্র:টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৪৭ দেশও প্রত্যাখ্যান করল ফিফার প্রস্তাব

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৪৭ দেশও প্রত্যাখ্যান করল ফিফার প্রস্তাব

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বে ফিফার বেসরকারি বিনিয়োগ আনার বিতর্কিত পরিকল্পা বড় ধাক্কা খেয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আএবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের কনকাকাফের পর এবার একই অবস্থান নিয়েছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)।

এএফসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফিফার প্রস্তাবিত ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নিয়ে তাদের গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে। এই ইস্যু শুধু একটি প্রস্তাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ফিফার পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার মৌলিক দুর্বলতাও সামনে এসেছে।

এর আগে উয়েফা ঘোষণা দেয়, প্রস্তাবটি প্রত্যাহার না হলে তারা বিশ্বকাপসহ সব ফিফা প্রতিযোগিতা বর্জন করবে। কনকাকাফও পরিকল্পাটির বিরোধিতা করেছে। সর্বশেষ এএফসির অবস্থানের ফলে ফিফার ২১১ সদস্যের মধ্যে ১৪৩টি সদস্যদেশ এখন এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, যা পরিকল্পাটি অনুমোদনের পথকে অত্যন্ত কঠিন করে তুলেছে।

ফিফার পরিকল্পা অনুযায়ী, ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নামে একটি নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন করে বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক স্বত্ব পরিচালনা করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের ২০ শতাংশ শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থ্রাইভ ইটারনাল-এর নাম সামনে এসেছে।

এএফসি অভিযোগ করেছে, প্রকল্পটি প্রকাশের আগে সদস্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা হয়নি। সংস্থাটি বলেছে, বিশ্বকাপ বর্জনের মতো বিষয় জনসমক্ষে আলোচনায় চলে আসাটাই ফুটবলের জন্য উদ্বেগজনক এবং এমন পরিস্থিতি কখনোই সৃষ্টি হওয়া উচিত ছিল না।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি কার্যকর করতে সদস্যদেশগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন। তবে উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসির সম্মিলিত বিরোধিতার পর পরিকল্পাটি অনুমোদনের সম্ভাবনা এখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি