খুঁজুন
                               
, ,
           

১৭ মাস পর জাতীয় হকি দলে ফিরছেন জিমি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
১৭ মাস পর জাতীয় হকি দলে ফিরছেন জিমি

দীর্ঘ ১৭ মাস পর আবারও জাতীয় হকি দলের ক্যাম্পে ডাক পাচ্ছেন অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড রাসেল মাহমুদ জিমি। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকাকে আজ কিংবা আগামীকালের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাম্পে ফেরানোর ঘোষণা দেবে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন।

২০২৪ সালে বয়সের অজুহাতে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল জিমিকে। তবে মাঠের পারফরম্যান্স বা ফিটনেস নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না তার। ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলা ঢাকা প্রিমিয়ার হকি লিগে মোহামেডানের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।

এরপর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান হকি ফেডারেশন (এএইচএফ) কাপের দল গঠনের লক্ষ্যে খেলোয়াড়দের কুপার টেস্টে ডাকা হলেও সেই তালিকায় রাখা হয়নি জিমিকে। বিষয়টি নিয়ে তখন ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

জিমি বলেছিলেন, “আমি দলে খেলার যোগ্য কি না, সেটা যাচাই করার জন্য অন্তত ফিটনেস টেস্টের সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। তা-ও দেওয়া হয়নি। এর চেয়ে বড় অন্যায় আর হতে পারে না।”

এরপর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও হাল ছাড়েননি জিমি। নৌবাহিনীর অধীনে নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গেছেন তিনি। বয়সকে বাধা না মেনে জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন দেখেছেন এই ফরোয়ার্ড।

অবশেষে নতুন অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই সুযোগ এসেছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে জাপানে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান গেমস সামনে রেখে চলমান জাতীয় দলের ক্যাম্পে জিমিকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেডারেশন।

হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স বলেন, “বয়সের কারণে কাউকে বাদ দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়, এটা অবিচারও। তাই আমরা জিমিকে ক্যাম্পে ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরপর কোচ যদি মনে করেন তিনি চূড়ান্ত দলে থাকবেন, তাহলেই থাকবেন।”

জিমিও জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, “আগের কমিটি আমাকে অন্যায়ভাবে বাদ দিয়েছিল। নতুন কমিটি আমাকে ন্যায়বিচারের সুযোগ দিচ্ছে। আমি ক্যাম্পে যাব। এরপর কোচ যদি যোগ্য মনে করেন, চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাখবেন। অন্তত নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছি, এটাই বড় খবর।”

২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করা জিমির বর্তমান আন্তর্জাতিক ম্যাচ সংখ্যা ১৯৪টি। তার লক্ষ্য অন্তত ২০০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা। সর্বশেষ ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছিলেন তিনি।

জিমি বলেন, “এবারও যদি এশিয়ান গেমসের চূড়ান্ত দলে সুযোগ পাই, তাহলে এটাই হবে আমার ক্যারিয়ারের শেষ এশিয়ান গেমস।”

এদিকে জাতীয় দলের ক্যাম্পে আরও ফিরছেন পুষ্কর খিসা মিমো, নাঈম উদ্দিন, শিশির ও সৈকত। পাশাপাশি জাতীয় দলের দায়িত্বে আবারও ফিরছেন কোচ পিটার গেরহার্ড। তার অধীনে নতুন করে প্রস্তুতি শুরু করবে বাংলাদেশ দল।

কালের আলো/এসএ

মানব পাচারকারীদের প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
মানব পাচারকারীদের প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

অবৈধভাবে প্রতারণার চক্র হিসেবে যারা মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত তাদের উদ্দেশ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, প্রত্যেককে ডিবি পুলিশ বিভিন্ন এজেন্সি নজরদারি করছে। রেহাই পাওয়ার সুযোগ নাই। সুতরাং আপনারা যদি এখনও এগুলো বন্ধ না করেন তাহলে আপনাদের কপালে শনির দশা আছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনলাইন কমপ্লেইন্ট ম্যানেজমেন্ট মডিউলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার প্রসেস নিয়ে আমাদের ডিসকাশন চলছে যে, কী প্রক্রিয়ায় এখানে লোক পাঠানো হবে। বিগত দিনের বিতর্কিত প্রক্রিয়া এড়িয়ে আমরা একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কম খরচে আমাদের বাংলাদেশিদের যাতায়াতের একটি পথ তৈরি করতে চাই। তার আগে দেখছি যে, টাকা নেওয়ার জন্য লাইন দেওয়া, সিরিয়াল করা, এগুলোর বিজ্ঞাপন চলছে। এটা তো স্পষ্টত অভিবাসী আইনের বিরুদ্ধে। কারণ মন্ত্রণালয়ের অথরাইজেশন ছাড়া বিজ্ঞাপন দিচ্ছে।

তিনি বলেন, এটাকে সিম্পলভাবে নেওয়ার সুযোগ নাই। কারণ আজকের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একটা কয়েক সেকেন্ডের কন্টেন্ট মিলিয়ন মানুষের কাছে কিন্তু পৌঁছে যাচ্ছে।

নুরুল হক বলেন, শুধু এটা না, তারা তো ইউরোপের রুটে পৌঁছে দেওয়ার চটকদার বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। এখানে আমাদের বড় নজরদারি করতে হবে এবং যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি আমাদের মন্ত্রণালয়ের বিশেষ করে অন্যান্য দফতরেও যারা কাজ করছেন তাদেরও দায়িত্ব আছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ঋণের জন্য ঘুষ দেওয়া লাগে। এমন অনেক অভিযোগ আমরা পাই। এখানে তো গরিব মানুষ লোন নেয়, এখানে কেন ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা চাওয়া হবে? ঢাকা ও ঢাকার বাইরে এটা হচ্ছে। সুতরাং এটাও স্পষ্ট বন্ধ করতে হবে। মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটের কিংবা শ্রমবাজারে মানুষকে শোষণ করার বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় ৪৯টা এবং রাশিয়ার একটি কেসে আরও কয়েকটা রিক্রুটিং এজেন্সিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি খুব কনফিডেন্টলি বলছি, ৩ হাজারের মতো যে রিক্রুটিং লাইসেন্স আছে, এগুলোকে শৃঙ্খলায় নিয়ে আসতে হবে। ৪০০-৫০০’র বেশি লাইসেন্স কি ঠিক? তাহলে এতগুলো কেন দেওয়া হচ্ছে? এসব নামে-বেনামে লাইসেন্স প্রতারণা করে। এমনকি তাদের কন্ডিশন থাকে যে, তিন বছরে ১০০ লোক পাঠানো, অনেক লাইসেন্স পারে না। এই অজুহাত দিয়ে আবার এটাকে নবায়ন করে নেয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিঙ্গাপুরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কীভাবে ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা লাগে, আই ডোন্ট নো। এই অতিরিক্ত টাকা তো সিঙ্গাপুর নেয় না। ছয়টা ট্রেনিং ইনস্টিটিউটকে অথরাইজেশন করেছে, তারা চার্জ নিচ্ছে, সিন্ডিকেট করে ব্যবসা করছে। তারা শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে আর গরিবের রক্ত চুষে নিচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বোঝা সবচেয়ে বেশি গরিবের কাঁধে: সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বোঝা সবচেয়ে বেশি গরিবের কাঁধে: সিপিডি

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, দেশে টানা চার বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সবচেয়ে বেশি বহন করতে হচ্ছে নিম্নআয়ের মানুষকে। কারণ, তাদের আয়ের বড় অংশই খাদ্য কেনায় ব্যয় হয়। ফলে খাদ্যের দাম বাড়লে শুধু খাবার কেনাই কঠিন হয়ে পড়ে না; শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সঞ্চয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতেও ব্যয় কমাতে বাধ্য হয় পরিবারগুলো।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি আয়োজিত ‘দ্য ফুড প্রাইস চেইন: মার্কেটস, মার্জিনস অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, কৃষি অর্থনীতিবিদ এম এ সাত্তার মণ্ডলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, গত কয়েক বছর ধরে মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং চার বছর ধরে এটি দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি মানুষের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করছে। তবে খাদ্যের দাম বৃদ্ধির জন্য একক কোনো কারণকে দায়ী করা যায় না।

তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের গবেষণায় দেখা গেছে, উৎপাদন, বিপণন, বাজারজাতকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাজারের অদক্ষতা, মজুতদারি, সরবরাহ ঘাটতি এবং প্রতিযোগিতার অভাবসহ বিভিন্ন কারণ একযোগে খাদ্যের দাম বাড়াতে ভূমিকা রাখে। তাই এই সমস্যার সমাধানেও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে দামের বড় ব্যবধানের প্রসঙ্গে ফাহমিদা খাতুন বলেন, সরবরাহ শৃঙ্খলে ফড়িয়া, বেপারি, আড়তদারসহ একাধিক অংশীজন থাকায় প্রতিটি ধাপে পণ্যের মূল্য পরিবর্তিত হয়। ফলে কৃষক যে দামে পণ্য বিক্রি করেন, ভোক্তাকে তার তুলনায় অনেক বেশি দামে তা কিনতে হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ডিএমপির তিন থানায় নতুন ওসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
ডিএমপির তিন থানায় নতুন ওসি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তিন থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জসহ (ওসি) ৬ পরিদর্শককে বদলি করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মো. শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) (তদন্ত) ইয়াসিন মিয়াকে রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ, ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. আজহারুল ইসলামকে কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ, ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলামকে শ্যামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ, রমনা থানার অফিসার

ইনচার্জ মো. রাহাত খানকে ডিএমপির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালিসিস বিভাগে, কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম ফারুককে ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগে এবং শ্যামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহমুদুর রহমানকে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি