খুঁজুন
                               
, ,
           

আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ফিফার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ফিফার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে পরাজয়ের পর খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষ ও টুর্নামেন্টজুড়ে বিভিন্ন শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল এবং ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ খেলোয়াড় ও আর্জেন্টিনা দলের ফুটবলার-কোচিং স্টাফদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনা খতিয়ে দেখতে একজন বিশেষ প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছিল ফিফা। সপ্তাহব্যাপী তদন্ত শেষে তার সুপারিশের ভিত্তিতে ফিফা শৃঙ্খলা কমিটির কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী অভিযুক্তদের নিজস্ব বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রক্রিয়া শেষে যথাসময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

তদন্ত ও অভিযোগের মুখে যাঁরা:

প্রসিকিউটরের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ফিফার শৃঙ্খলাবিধির ১৪ নম্বর ধারার আওতায় তদন্ত চলছে:

লিওনার্দো পারেদেস: তাঁর বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ফাইনাল শেষে স্পেনের বদলি খেলোয়াড়েরা মাঠে নামলে গাভিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে মুখে আঘাত করার পাশাপাশি স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়াকেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

নাহুয়েল মলিনা: তাঁর বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে, যার একটি খেলোয়াড়সুলভ আচরণবিরোধী অপরাধ।

রবার্তো আয়ালা (সহকারী কোচ): দানি ওলমোকে আঘাত করার দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

এছাড়া আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা এবং স্পেনের মিডফিল্ডার গাভির বিরুদ্ধেও খেলোয়াড়সুলভ আচরণবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্তাধীন।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সংঘর্ষের অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের অন্তত ১ থেকে ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হতে হতে পারে।

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (AFA) ওপর অভিযোগ:

শুধু ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের ওপরই নয়, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধেও বেশ কয়েকটি ধারায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: খেলাধুলার চেতনাবিরোধী কার্যক্রম (ধারা ১৩),দলের অসদাচরণ (ধারা ১৪),বৈষম্য ও বর্ণবাদী আচরণ (ধারা ১৫),ম্যাচে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার নিয়ম ভঙ্গ (ধারা ১৭)

এ ছাড়া নির্ধারিত সময়ের পরে ম্যাচ শুরু করা, সমর্থকদের অনুপযুক্ত বার্তার ব্যানার প্রদর্শন এবং দর্শকদের মাঠে বস্তু নিক্ষেপের মতো অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ের পর স্প্যানিশ ভাষায় “ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার” লেখা ব্যানার প্রদর্শনের বিষয়টিকে খেলাধুলার রাজনৈতিক ব্যবহারের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে ফিফা। এর আগে ২০১৪ সালেও একই ধরনের ব্যানার প্রদর্শনের কারণে আর্জেন্টিনাকে ২০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছিল।

কালের আলো/এসএ 

বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন পূজা চেরী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন পূজা চেরী

চিত্রনায়িকা পূজা চেরীর বিয়ে নিয়ে কয়েক দিন ধরে ঢালিউডে নানা গুঞ্জন ছড়াচ্ছিল। দেশের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হতে যাচ্ছে—এমন খবরের পাশাপাশি কোথাও কোথাও দাবি করা হয়, এরই মধ্যে বিয়েও সেরে ফেলেছেন তিনি। এত দিন এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন পূজা।

সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পূজা জানান, তাঁর এখনো বিয়ে হয়নি। একই সঙ্গে যাচাই না করে তাঁকে নিয়ে ‘ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পূজা লিখেছেন, কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাঁর বিয়ে ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একের পর এক বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত হচ্ছে। কখনো কোনো পেশার মানুষের সঙ্গে, আবার কখনো অন্য কারও সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদ তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনায় বিব্রত ও দুঃখিত বলেও জানান এই অভিনেত্রী।

বিয়ের গুঞ্জনের জবাবে পূজা স্পষ্ট করে বলেন, ‘বারবার বলতে চাই—আমার এখনো বিয়ে হয়নি। যখন হবে, আপনারাই প্রথম জানতে পারবেন।’

এর আগে পূজা চেরীর বিয়ে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের আলোচনা এবং ঘনিষ্ঠদের বরাতে বিয়ে হয়ে যাওয়ার দাবির কথাও উঠে আসে। তবে তখন পূজার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে ওই খবরের সত্যতাও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এবার নিজের ফেসবুক পোস্টে আগের একটি সাক্ষাৎকারের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন পূজা। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি ‘এনগেজড’ এবং পারিবারিকভাবে তাঁর বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে নিজেই সবাইকে জানাবেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

বর্তমানে ক্যামেরার সামনে তাঁর অনুপস্থিতির কারণও ব্যাখ্যা করেছেন অভিনেত্রী। পূজার ভাষ্য, তিনি নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছেন এবং নতুন কাজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ কারণেই আপাতত তাঁকে নিয়মিত শুটিং বা ক্যামেরার সামনে দেখা যাচ্ছে না।

তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যাচাইহীন সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি অবশ্য ভালোভাবে নেননি পূজা। নিজের পোস্টে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও আইনি অধিকারের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, কারও সম্পর্কে ভিত্তিহীন বা মিথ্যা তথ্য প্রচার ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের শামিল হতে পারে।

পূজা সতর্ক করে বলেন, তাঁর নীরবতাকে যদি কেউ ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেন, তাহলে নিজের আইনি অধিকার রক্ষায় তাঁকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

সবশেষে গণমাধ্যমকর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ ও যাচাই করা তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানান এই অভিনেত্রী। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের সহযোগিতা এবং দর্শক-ভক্তদের ভালোবাসার প্রতি নিজের সম্মানের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করা পূজা চেরী নায়িকা হিসেবে পরিচিতি পান ‘পোড়ামন ২’ সিনেমার মাধ্যমে। এরপর ‘দহন’, ‘নূর জাহান’, ‘শান’, ‘গলুই’, ‘হৃদিতা’, ‘জ্বীন’, ‘লিপস্টিক’, ‘আগন্তুক’, ‘টগর’, ‘মাসুদ রানা’ ও ‘দম’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

কালের আলো/এসএ

শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নতুন চার স্থায়ী কমিটি সদস্যের শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নতুন চার স্থায়ী কমিটি সদস্যের শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদ ভবনসংলগ্ন সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এ সময় জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমান উল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

উদ্বোধনেই শেষ নয়, বাড়বে পিংক বাসের রুট ও সংখ্যা: সড়কমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
উদ্বোধনেই শেষ নয়, বাড়বে পিংক বাসের রুট ও সংখ্যা: সড়কমন্ত্রী

নারীদের জন্য চালু হওয়া বিআরটিসির ‘পিংক বাস’ সেবা শুধু উদ্বোধনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। পর্যায়ক্রমে এ সেবার রুট ও বাসের সংখ্যা বাড়িয়ে দেশের আরও বিভাগে সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে ‘মহিলা বাস সার্ভিস পরিচালনা’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, নারীদের জন্য নারী পরিচালিত ও নারীবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ঢাকাসহ তিন শহরে ১৩টি রুটে ১৪টি বিশেষ বাস চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি রুটে ১০টি, চট্টগ্রামে দুটি রুটে দুটি এবং বগুড়ায় দুটি রুটে দুটি বাস চলাচল করবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, নারী যাত্রীর নিরাপত্তা শুধু বাসের ভেতরেই নয়; বাসে ওঠার আগে অপেক্ষার সময় এবং গন্তব্যে নামার পরও নিশ্চিত করতে হবে। নতুন এই সেবায় নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াতের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। পরিবার, অর্থনীতি ও রাষ্ট্র গঠনে তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাই কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা ও দৈনন্দিন যাতায়াতে নারীদের জন্য নিরাপদ গণপরিবহন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বিআরটিসির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে লোকসানে নেই, বরং ব্রেক-ইভেন অবস্থায় রয়েছে। তবে মানসম্মত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে আরও উন্নতির প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে রুট পুনর্বিন্যাস ও রুট পারমিট যৌক্তিকীকরণের কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, সরকার সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় ২০০টি বৈদ্যুতিক বাস সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি বাস নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। দ্রুত এসব বাস সড়কে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

নারী চালকদের প্রশংসা করে শেখ রবিউল আলম বলেন, নারীরা কোনো ক্ষেত্রেই পুরুষের চেয়ে পিছিয়ে নেই। যুদ্ধবিমান থেকে গণপরিবহন—সব ক্ষেত্রেই তারা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। নারী চালকদের মাধ্যমে পরিচালিত পিংক বাস সেবা নারীর ক্ষমতায়নেরও একটি প্রতীক।

মন্ত্রী বলেন, আজ যে মানের সেবা চালু হলো, দুই মাস পর সেটির মান আরও উন্নত করতে হবে। যাত্রীবান্ধব, নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে এ উদ্যোগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। সভাপতিত্ব করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ