খুঁজুন
                               
, ,
           

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃষ্টিতে ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল পণ্ড হলে চ্যাম্পিয়ন যে দল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
বৃষ্টিতে ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল পণ্ড হলে চ্যাম্পিয়ন যে দল

৮ মার্চ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছে ভারত এবং এবার তারা শিরোপা ধরে রেখে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার পর ভারতই তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে। তবে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের তিনটি ম্যাচে এখনো ভারতের বিপক্ষে হারেনি নিউজিল্যান্ড।

ফাইনাল ম্যাচের জন্য একটি রিজার্ভ ডেও রাখা হয়েছে। ম্যাচের নির্ধারিত দিনে ফল না হলে পরের দিন সেই জায়গা থেকেই খেলা আবার শুরু করা হবে। তবে স্বস্তির খবর হলো, আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী ফাইনালের দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাই পুরো ম্যাচ নির্বিঘ্নে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তবে আবহাওয়া নিয়ে যখন একেবারের শতভাগ নিশ্চিত হয়ে কিছুই বলা যায় না, তাই বৃষতির বাগড়া দেওয়ার হিসাব-নিকাশটাও আগে থেকেই করে নিতে হচ্ছে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, যদি বৃষ্টির কারণে ফাইনাল ম্যাচ সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে যায় এবং কোনো ফল বের করা সম্ভব না হয়, তাহলে দুই দলকেই যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে। এটি সেমিফাইনাল বা গ্রুপ পর্বের নিয়মের থেকে আলাদা। ওই পর্যায়ে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে টেবিলে এগিয়ে থাকা দল বা গ্রুপ ম্যাচে জয়ী দল পরের রাউন্ডে ওঠে। কিন্তু ফাইনালে সেই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।চ

যদি নির্ধারিত ওভারের শেষে ম্যাচ টাই হয়, তাহলে সুপার ওভার খেলা হবে। আগে নিয়ম ছিল, একটি সুপার ওভার হওয়ার পরও যদি টাই থাকে, তাহলে যে দল বেশি বাউন্ডারি মেরেছে তাদের জয়ী ঘোষণা করা হতো। কিন্তু ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের বিতর্কের পর সেই নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন সুপার ওভার টাই হলে আবার সুপার ওভার হবে। এভাবে চলতে থাকবে যতক্ষণ না একটি দল স্পষ্টভাবে জয় পায়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে, বর্তমান সরকার সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অর্থনীতিকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাস করেন এবং এই প্রকল্পের উদ্বোধন তারই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের চেষ্টা চললেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

এমনকি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতও উল্লেখ করেছেন, প্রায় দুই বছর আগে থেকেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও সেই সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও কার্যকর ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম, এমএম. ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানি প্রমুখ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

পৃথিবী জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে: তথ্যমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
পৃথিবী জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে: তথ্যমন্ত্রী 

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সারা পৃথিবী এখন এক গভীর জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এই সংকট ভবিষ্যতে মানবজাতিকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে উপকূলীয় অঞ্চলগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাবে। বাংলাদেশও সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশ হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

তাই জলবায়ু পরিবর্তনের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি দেশব্যাপী সবুজায়ন ও বৃক্ষায়ণকে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে বরিশাল সদর উপজেলার স্বনির্ভর খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণ যেমন একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো লাগানো গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করা। এ কারণে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে গাছের পরিচর্যার একটি কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে জাতি এর সুফল ভোগ করবে।

তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, লাগানো গাছগুলোকে শিশুর মতো লালন-পালন করতে হবে। প্রশাসন একা সবসময় এটি করতে পারবে না। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে। কেবল যান্ত্রিকভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করলে এ কাজ সফল হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং বিআইডিসির কর্মকর্তারা গাছগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বৃক্ষায়ণ এখন আমাদের জীবনযাপনের এক অনিবার্য অংশ হয়ে উঠেছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষক এবং স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না করলে কোনোভাবেই নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের প্রধান শর্তই হলো স্থিতিশীল পরিবেশ ও নিরাপত্তা। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি খাটাতে চান নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে। যদি জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্যতম শঙ্কাও থাকে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ তো দূরের কথা, দেশীয় উদ্যোক্তারাও বিনিয়োগে এগোবেন না।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, সিইআইজেডসহ দেশের সবকটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। কোনো ধরনের অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না।

উন্নয়নকাজের এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান ওয়াং বেংকিয়ান, চীনা সড়ক এবং সেতু কর্পোরেশনের (সিআরবিসি) ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চাংগুই, চীনা রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইয়াও ইয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামসহ চট্টগ্রামের স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আনোয়ারার এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি পুরোপুরি চালু হলে দেশে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে। সেই সঙ্গে স্থানীয় স্তরে লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তবে এই বিপুল সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ