খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

‘ফ্যামিলি কার্ড’ এ বছরের নারী দিবসের চেতনার যথার্থ প্রতিফলন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
‘ফ্যামিলি কার্ড’ এ বছরের নারী দিবসের চেতনার যথার্থ প্রতিফলন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নারীরা কেবল আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেকই নন; তারা আমাদের পরিবারের শক্তি, আমাদের সম্প্রদায়ের ভিত্তি এবং আমাদের জাতীয় অগ্রগতির একটি অপরিহার্য শক্তি। বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে।

রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ফেসবুক পোস্টে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।

দিবসটি উপলক্ষে তিনি বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, নারীরা কেবল আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেকই নন; তারা আমাদের পরিবারের শক্তি, আমাদের সম্প্রদায়ের ভিত্তি এবং আমাদের জাতীয় অগ্রগতির একটি অপরিহার্য শক্তি। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে – গৃহে, শিক্ষায়, কৃষিতে, শিল্পে, জনসেবাতে এবং নেতৃত্বে – তাদের অবদান দৃশ্যমান। কোনও জাতি সুষম এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না যদি না নারীরা পূর্ণ অংশগ্রহণ, মর্যাদার সাথে বসবাস এবং আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তার সাথে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতায়ন পায়।

এই বৃহত্তর জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ডের এত তাৎপর্য রয়েছে। পরিবারের মা বা মহিলা প্রধানের নামে কার্ড জারি করার মাধ্যমে, এটি একটি সহজ কিন্তু গভীর সত্যকে স্বীকৃতি দেয়: আমাদের দেশের অসংখ্য পরিবারে, মহিলারা হলেন স্থিতিস্থাপকতা, ত্যাগ এবং যত্নের প্রধান স্তম্ভ। তারা কষ্টের মধ্য দিয়ে পরিবারকে একত্রিত রাখার, সীমিত সম্পদ পরিচালনা করার এবং শিশু এবং বয়স্কদের সুস্থতা রক্ষা করার দায়িত্ব বহন করে।

এই উদ্যোগের প্রকৃত মূল্য নিহিত আছে সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে তার উপর। অর্থনৈতিক দুর্দশার মুখোমুখি একজন মহিলার জন্য, সরাসরি সহায়তা আর্থিক নিরাপত্তা এবং মর্যাদার একটি পরিমাপ প্রদান করতে পারে। দারিদ্র্যের কাছাকাছি বসবাসকারী একটি পরিবারের জন্য, এটি অনিশ্চিত সময়ে স্থিতিশীলতা প্রদান করতে পারে। শিশুদের জন্য, এটি পুষ্টি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে। যখন সহায়তা সরাসরি মহিলাদের কাছে পৌঁছায়, তখন এটি কেবল একজন মহিলাকেই নয়, বরং পুরো পরিবারকে শক্তিশালী করে। এইভাবে, পারিবারিক কার্ড দুর্বলতা হ্রাস, দারিদ্র্যের বোঝা লাঘব এবং আরও নিরাপদ সামাজিক ভিত্তি তৈরির জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

এই কারণেই পারিবারিক কার্ডটি এই বছরের নারী দিবসের প্রতিপাদ্যের চেতনাকে এত স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে। এটি পরিবার এবং জাতীয় জীবনের কেন্দ্রে নারীর স্থান নিশ্চিত করে অধিকারের কথা বলে। এটি ন্যায়বিচারের কথা বলে, সেই পরিবারগুলিকে সমর্থন করার চেষ্টা করে যারা সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক বোঝা বহন করে। এবং এটি কর্মের কথা বলে, প্রতিশ্রুতিকে ব্যবহারিক সহায়তায় রূপান্তরিত করে যা দৈনন্দিন জীবনকে উন্নত করতে পারে।

নারীর ক্ষমতায়নকে সংকীর্ণ অর্থে বোঝা উচিত নয়। এটি কেবল প্রতিনিধিত্বের বিষয় নয়; এটি মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ভারসাম্য এবং জাতীয় উন্নয়নের বিষয়। একজন শক্তিশালী নারী মানে একটি শক্তিশালী পরিবার। একটি শক্তিশালী পরিবার মানে একটি শক্তিশালী সমাজ। এবং একটি শক্তিশালী সমাজ মানে একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ।

এই আন্তর্জাতিক নারী দিবসে, আসুন আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করি যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদে বসবাস করতে পারবে, মর্যাদার সাথে চলতে পারবে এবং জাতির ভবিষ্যতের জন্য পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে অবদান রাখতে পারবে।

তারেক রহমান বলেন, অধিকারগুলি অর্থবহ হোক, ন্যায়বিচার দৃশ্যমান হোক এবং কর্মকাণ্ড সকল নারী ও মেয়েদের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনুক।

কালের আলো/এসএকে

আস্থার সংকট ‘এক রাতে’ দূর হবে না : ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আস্থার সংকট ‘এক রাতে’ দূর হবে না : ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ব্যাপক মাত্রায় আস্থার সংকট রয়েছে এবং তা ‘এক রাতে’ দূর হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তবে ইরান যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আসতে চায়— এ ব্যাপারটিকে ‘খুব ইতিবাচক’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’ নামের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ভ্যান্স বলেন, “ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অবশ্যই ব্যাপক মাত্রার আস্থার সংকট রয়েছে। এক রাতে এই সংকটের সমাধান হবে না। তবে তারা যে আমাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসতে চাইছে— এটা ইতিবাচক এবং এ ইস্যুতে আমরা এখন যে অবস্থানে আছি, তাতে আমি খুবই খুশি।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

এই যুদ্ধবিরতেকে স্থায়ী যুদ্ধাবসানের দিকে নিয়ে যেতে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিরা। সেখানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২২ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো চুক্তিস্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে ইসলামাবাদ বৈঠক।

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বলেছেন, শিগগিরই ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠকে বসবেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা।

সূত্র : রয়টার্স

কালের আলো/এসএকে

১৭ বছর পর ভাত খেলেন সেই ইনু মিয়া!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ
১৭ বছর পর ভাত খেলেন সেই ইনু মিয়া!

ভোটকেন্দ্রে লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদে এবং নিজের প্রিয় দল ও নেতার বিজয়ের প্রতীক্ষায় দীর্ঘ ১৭ বছর ভাত না খাওয়ার কঠিন প্রতিজ্ঞা অবশেষে ভাঙলেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের বৃদ্ধ মো. ইনু মিয়া (৮০)।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের উপস্থিতিতে শত নেতাকর্মীর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাত খেয়ে তিনি তার দীর্ঘ শপথের অবসান ঘটান।

ইনু মিয়া কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার রামদি ইউনিয়নের পশ্চিম জগৎচর গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় দিনমজুর এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার একনিষ্ঠ ভক্ত এই বৃদ্ধ পড়ালেখা না জানলেও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচেতন।

ঘটনার সূত্রপাত ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে। স্থানীয় জগৎচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে ইনু মিয়াকে বাধা দেন স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা। ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় তাকে লাইন থেকে টেনে বের করে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে অপদস্থ করা হয়। সেই অপমান সইতে না পেরে ইনু মিয়া প্রতিজ্ঞা করেন- যতদিন না বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরবে এবং শরীফুল আলম এমপি নির্বাচিত হবেন, ততদিন তিনি আর অন্ন স্পর্শ করবেন না।

সেই থেকে টানা ১৭ বছর তিনি ভাত ছাড়াই দিনাতিপাত করেছেন। পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী এমনকি জুলাই বিপ্লবের পর শরীফুল আলম নিজে তার বাড়িতে গিয়ে অনুরোধ করলেও তিনি নিজের অবস্থানে অটল ছিলেন। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি কেবল রুটি, কলা, মুড়ি ও চিড়া খেয়ে বেঁচে ছিলেন।

ইনু মিয়ার স্ত্রী জোস্না বেগম জানান, তাকে ছাড়া ভাত খেতে পরিবারের সবার কষ্ট হলেও ইনু মিয়াকে কোনোভাবেই রাজি করানো যায়নি। অবশেষে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বিএনপি ক্ষমতায় আসায় এবং প্রিয় নেতা শরীফুল আলম এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ায় ইনু মিয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। মঙ্গলবার প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের হাতে ভাত খাওয়ার মাধ্যমে তার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে।

এ সময় আবেগাপ্লুত প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, ইনু মিয়ার মতো নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী কর্মীরাই বিএনপির আসল প্রাণশক্তি। তাদের কারণেই নানা ষড়যন্ত্র ও নির্যাতনের পরও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তিনি ইনু মিয়াকে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানেরও ঘোষণা দেন।

কালের আলো/ এসাআর/ এএএন 

ইরানের তেলে আর কোনো ছাড় হবে না: ট্রাম্প 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
ইরানের তেলে আর কোনো ছাড় হবে না: ট্রাম্প 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

সমুদ্রে আটকা পড়ে থাকা ইরানি তেল বিক্রির যে স্বল্পমেয়াদী অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের আগে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

একাধিক জাহাজে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত করে রেখেছিল ইরান। ছিল পেট্রোকেমিক্যালস পণ্যও। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ় প্রণালী কার্যত বন্ধ। তেলের বাজারে শুরু হয় হাহাকার। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে দাম। এই পরিস্থিতিতে সাপ্লাই চেন বজায় রাখতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ফলে মজুত তেলের পুরোটাই বিক্রি করতে পারে ইরান।

এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি দফতর জানায়, ‘সমুদ্রে থাকা জাহাজে মজুত তেলের উপরে যে ছাড় দেওয়া হয়েছিল, তা নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে। তার পরে আর ছাড়ের মেয়াদ বাড়ানো হবে না।’ ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইকোনমিক ফিউরি’ নামে নতুন নীতি গ্রহণ করেছে দেশটি।

এই নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ। শুধু তেল নয় ইরানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করলে সেই দেশ বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত শনিবার ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পরেই হরমুজ় প্রণালীতে অবরোধ শুরু করে মার্কিন সেনারা।  কোনো দেশের জাহাজই ঢুকতে বা বেরতে পারছে না। এই আবহেই আগামী দুদিনের মধ্যে ফের আলোচনায় বসতে চলেছে দুই দেশ। তার আগে ছাড় তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে ইরানের উপরে চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই দেখছেন অনেকে।

‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায, যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান ২০ বছরের জন্য তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ রাখুক। কিন্তু ইরান ৫ বছরের বেশি রাজি না হওয়ায় প্রথম দফার বৈঠক সফলতার মুখ দেখেনি। তবে গত কয়েক দিনের আলোচনা ও বার্তা আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় দফা শান্তি বৈঠকের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এতে করে তুলে নেওয়া হতে পারে অবরোধ। খুলে যেতে পারে হরমুজ প্রণালিও।

কালের আলো/ এসাআর/এএএন