খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ইরানের ৫ হাজারেরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ হাজারেরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

গত ১০ দিনে ইরানের ৫ হাজারের বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম) থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই দাবি করা হয়েছে।

সেন্টকোম থেকে দেওয়া বিবৃতির তথ্য অনুসারে, ধ্বংস হওয়া এসব সামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ৫০টিরও বেশি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান রয়েছে। এছাড়াও আছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম), ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন তৈরির কারখানা, সামরিক যোগাযোগ কেন্দ্র এবং সামরিক কমান্ডকেন্দ্র।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা। রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিমান অভিযান চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। ইরানের জ্বালানি কাঠামো এবং কয়েকটি জ্বালানি তেলের ডিপো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।

সূত্র : এএফপি
কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তেজগাঁওয়ে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
তেজগাঁওয়ে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩২

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগে অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানান।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. শরীফুল ইসলাম ওরফে রনি (৩৮), উম্মে খুলসুম রানী, মো. রাব্বি (২৫), মো. জনি গাজী (২৪), মো. শাকিল (২৩), মো. সাগর, মো. বাদশা মিয়া, মো. জুয়েল, কৃষ্ণচন্দ্র, মো. শাকিল (১০), মো. সজল ভূঞা (২২), মো. এরশাদ হোসেন (২৬), মো. বাপ্পী (২০), মো. আব্দুর রহিম রাজীব (২১), মো. সোহেল মিয়া (১৯), মো. আফছার মোল্লা (২৪), মো. মহসিন (২৫), মনজুর এলাহি সজীব (৪২), মিরাজ হোসেন (২০), মো. রাকিবুল ইসলাম (২৮), মো. রবিন ইসলাম আলিফ (২০), মো. ফাহাদ হোসেন (৩২), মো. জাহাঙ্গীর (২০), মো. মাসুদ খান রনি (৩০), মো. সোহেল (২৬), মো. মিলন (২২), মো. সুমন মিয়া (৪৫), মো. জয়নাল আবেদিন (৪৪), মো. ফজলে রাব্বী (৩৬), আ. মজিদ (২৩), মো. সুমন (৪২) ও মো. টোকেন মিয়া ওরফে মো. রোকেন মোল্যা (২৮)।

ডিএমপি তেজগাঁও বিভাগের বরাত দিয়ে এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, সোমবার (২৫ মে) বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এ ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ২ জন, শেরেবাংলানগর থানায় ২ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ১৪ জন, আদাবর থানায় ৮ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৪ জন ও হাতিরঝিল থানায় ২ জন।

গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট

ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার অংশ জুড়ে দেখা দিয়েছে যানজট। সন্ধ্যার পর থেকেই এ পথে বাড়তে থাকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। এতে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় পেরিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর বাইপাস পর্যন্ত যানজটে নাকাল হচ্ছে ঘরমুখী হাজার হাজার মানুষ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর থেকে এ যানজটের চিত্র দেখা গেছে। গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে চন্দ্রা বাস স্টেশন এলাকা পর্যন্ত তীব্র যানজট দেখা গেছে। ধীরে ধীরে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত যানজট ছাড়িয়ে গেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত।

জানা গেছে, সন্ধ্যার পর উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাকসহ ছোট বড় যানবাহন রাজধানী ঢাকা, সাভার ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছেড়ে যাচ্ছে। এতে উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় তীব্র জটলা সৃষ্টি হয়।

যার ফলে সেখানকার যানজট ছাড়িয়ে গেছে জেলার ভোগড়া বাইপাস পর্যন্ত। এছাড়াও চন্দ্রার পর থেকে উত্তরের পথে বাড়ছে যানজট। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও শেষ হচ্ছে না সড়ক।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানান, দিনভর এ জেলার মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ এলাকা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত কোথাও কোনো যানজটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যাত্রীবাহী বাসসহ সব ধরনের যানবাহন অবাধে ও নির্বিঘ্নে এ সড়ক পাড় হয়ে গেছে।

তবে, রাত ৯টার পর থেকে কালিয়াকৈর থেকে মির্জাপুর অংশে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা পর্যন্ত যানজট রয়েছে।

এর আগে, শিল্প নগরী গাজীপুরে মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে সব শিল্প কারখানা ছুটির পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। এরমধ্যে দুই ঘণ্টার মুষলধারের বৃষ্টিতে জবুথবু হয়ে যায় হাজার হাজার যাত্রীরা।বৃষ্টির পর একযোগে সড়কে অবস্থান করে লাখের অধিক যাত্রী। এতে সড়কে দেখা দেয় যানবাহনের সংকট। এতে ঘরমুখী এসব মানুষ দিশেহারা হয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে পড়েন যানবাহনের জন্য।

চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ইতিহাস পরিবহন বাসের চালক সুমন ঢাকা পোস্টকে বলেন, এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার জায়গা এসেছি। চন্দ্রা এলাকা পার হতে পারলে রক্ষা পাই। যাত্রীরা অনেকেই যানজটে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

বগুড়াগামী একতা পরিবহনের যাত্রী সামির হোসেন বলেন, যানজটের কথা আর বলতে চাই না। সন্ধ্যা ৬টায় গাজীপুর থেকে ছেড়ে রাত সাড়ে ৯টায় চন্দ্রা পৌঁছলাম। বাকি পথ আরও কয় ঘণ্টা লাগে বলা মুশকিল।

সোহান ট্রাভেলস বাসের চালক মুজাহিদ মিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, উত্তরা থেকে বিকেলে ছেড়ে এসে এই মাত্র চন্দ্রা পৌঁছলাম। যানজটের কারণে বিভিন্ন স্থানে গাড়ি বন্ধ করেও বসে থেকেছি। যানজট না থাকলে আমাদের খরচ ও কমে যাত্রীদের ভোগান্তিও কম হয়।

এ ব্যাপারে গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, শেষ মুহূর্তে মানুষ ও যানবাহনের চাপে পরিস্থিতি একটি বেসামাল হয়ে গেছে। তবে, সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত আমাদের পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা রয়েছে। অন্তত ২০ লাখ মানুষ গাজীপুর ছাড়ছেন। এছাড়াও কয়েকশত দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি অন্যান্য পরিবহন তো আছেই। যার ফলে এই সড়কের চন্দ্রা এলাকায় চাপ রয়েছে। তবে, আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

আর মাত্র একদিন পরই মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে। এ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

তারেক রহমান লিখেন, ত্যাগের পরাকাষ্ঠা, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আবারও বিশ্ব মুসলিমের দুয়ারে হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। এ শুভক্ষণে তিনি দেশ ও বিশ্বের সব মুসলমানকে ঈদ মোবারক জানান।

তিনি আরও লিখেন, ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলমানরা ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইসলামের এই উৎসব কেবল আনন্দের নয়, বরং স্রষ্টার প্রতি গভীর বিশ্বাস, আত্মনিবেদন ও ত্যাগের চিরন্তন বার্তা বহন করে। হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অটল ঈমান, নিঃশর্ত আনুগত্য ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত এই দিবসকে মুসলিম উম্মাহর কাছে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

তিনি ঈদুল আজহায় আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন, সবার ত্যাগ কবুল হওয়ার পাশাপাশি দেশ ও বিশ্বে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হোক।

তারেক রহমান বলেন, এই পবিত্র ঈদুল আজহা ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক। আল্লাহ আমাদের কোরবানি ও ইবাদত কবুল করে নিন। তাঁর রহমত ও বরকতে জীবন ভরে উঠুক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে।

কালের আলো/এসআর/এএএন