খুঁজুন
                               
, ,
           

পায়ে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন এমবাপে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
পায়ে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন এমবাপে

রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে তার চোট এবং চিকিৎসা নিয়ে ওঠা বিতর্ককে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। স্প্যানিশ ক্লাবটির মেডিক্যাল টিম তার বাঁ হাঁটুর বদলে ডান হাঁটু স্ক্যান করেছে ফরাসি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন অভিযোগের জবাবে তিনি বলেছেন, বিষয়টি বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

চোটের কারণে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিলেন এমবাপে। সম্প্রতি তিনি দুই ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে আবার দলে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত ২টায় ব্রাজিলের বিপক্ষে ফ্রান্সের প্রীতি ম্যাচ সামনে রেখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ নিয়ে মুখ খোলেন।

এমবাপে বলেন, যে বলা হচ্ছে ভুল হাঁটু পরীক্ষা করা হয়েছে এটি পুরোপুরি মিথ্যা। এই পরিস্থিতির জন্য হয়তো পরোক্ষভাবে আমিও কিছুটা দায়ী। কারণ, কী ঘটেছে তা পরিষ্কারভাবে না জানালে মানুষ নিজেদের মতো ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর সুযোগ পায়।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে রিয়াল মাদ্রিদ জানায়, এমবাপের বাঁ হাঁটুতে মচকানো ধরনের চোট লেগেছে। এরপর জানুয়ারি জুড়ে তিনি খেললেও পরে আবার কিছু সময়ের জন্য মাঠের বাইরে চলে যান। সেই সময় নিজের দেশে সফরেও দেখা যায় ফরাসি অধিনায়ককে। তবে এমবাপের দাবি, পুরো সময়জুড়েই রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল স্বচ্ছ ও নিয়মিত।

তিনি বলেন, রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে আমার খুব পরিষ্কার যোগাযোগ রয়েছে।

ফরাসি গণমাধ্যমে সম্প্রতি দাবি করা হয়, রিয়ালের মেডিক্যাল টিম এমবাপের চোট নির্ণয়ে ভুল করেছে। আরএমসি স্পোর্টের জনপ্রিয় ফুটবল অনুষ্ঠান ‘আফটার ফুট’-এ বলা হয়, ক্লাবটি নাকি এমবাপের বাঁ হাঁটুর বদলে ডান হাঁটু স্ক্যান করেছিল। পরবর্তীতে স্পেনের আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও একই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এই প্রতিবেদন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রীড়াঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম হয়। বিশেষ করে, এমন ভুল যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে তা ক্লাবের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলতে পারে এমন মন্তব্যও উঠে আসে বিভিন্ন মহলে।

বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয় যখন অভিযোগ ওঠে, রিয়াল মাদ্রিদের চিকিৎসাকর্মীরা নাকি খেলোয়াড়দের সাপ্লিমেন্ট তালিকা তৈরিতে চ্যাটজিপিটির মতো এআই টুল ব্যবহার করেছেন। সাধারণত বিশ্বমানের ফুটবলারদের জন্য পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকরা শরীরের গঠন, রক্ত পরীক্ষা, পুনরুদ্ধার চাহিদা এবং ম্যাচ ফিটনেস বিবেচনায় খাদ্য ও সাপ্লিমেন্ট পরিকল্পনা তৈরি করে থাকেন।

রিয়ালের সাবেক পুষ্টিবিদ ইতিয়ার গঞ্জালেস দাবি করেন, ক্লাবের স্টাফরা খেলোয়াড়দের জন্য পুষ্টি-সম্পর্কিত নির্দেশনা তৈরিতে এআইয়ের সহায়তা নিয়েছেন। গত ডিসেম্বরে বরখাস্ত হওয়া গঞ্জালেস এক সাক্ষাৎকারে চিকিৎসা বিভাগের পেশাদারিত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

তার ভাষায়, তারা অজ্ঞ ও অদক্ষ, যারা খেলোয়াড়দের শুধু ক্ষতিই করে।

তিনি আরও বলেন, ক্লাবের উচিত হবে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চিকিৎসা ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া। সময়টা ভালো কাটেনি যদিও এমবাপে এখন পরিস্থিতিকে অতীত বলে মনে করছেন, তবে ওই সময়টা যে তার জন্য সহজ ছিল না, সেটিও স্বীকার করেছেন তিনি।

ফরাসি তারকা বলেন, ওই সময়টায় অনেক হতাশা, রাগ এবং একসময় কিছুটা উদ্বেগও ছিল। এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলাম, যখন বুঝতেই পারছিলাম না আসলে আমার কী সমস্যা। সময়টা আমি খুব ভালোভাবে কাটাতে পারিনি। আমি তখন খুব সুখী খেলোয়াড় ছিলাম না। তবে এখন আমি খুশি, কারণ সবকিছু এখন অতীত সব ঠিক হয়ে গেছে।

চোট কাটিয়ে ফের মাঠে নামার অপেক্ষায় থাকা এমবাপে এখন ফ্রান্স দলের সঙ্গে নতুন করে ছন্দে ফিরতে চান। ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটি তাই তার জন্য হতে পারে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।

কালের আলো/এসএকে

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকার ও আইডিএর মধ্যে এ সংক্রান্ত ২১ কোটি ৯২ লাখ স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের (এসডিআর) অর্থায়ন চুক্তি সই হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেম নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’ নামের প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের ওপর বছরে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি নির্ধারিত থাকলেও চলতি অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশকে এ ফি মওকুফ করেছে বিশ্বব্যাংক।

ইআরডি জানিয়েছে, এই অর্থায়নের ফলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ ব্যবস্থায় সহায়তা জোরদার হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাও আরও শক্তিশালী হবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ সাত দফা দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর তৃতীয় দফার লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি জানান, ৩১ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া অভিমুখে এ লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে চট্টগ্রাম ও রংপুর অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি সফল হয়েছে দাবি করে এবারও সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

লংমার্চের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ করা।

গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার সংবিধান সংশোধনের নামে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবিও জানান তিনি।

লংমার্চের কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশ হবে। সকাল ৮টায় মাওয়া সড়ক হয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, ফকিরহাট ও রূপসা ব্রিজ হয়ে খুলনায় যাবে লংমার্চের বহর।

এরপর খুলনা থেকে যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার জিলা স্কুল মাঠে পৌঁছাবে লংমার্চের বহর। রাত সাড়ে ৮টায় সেখানে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর, ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের চাচড়ার মোড় এবং ঝিনাইদহের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, লংমার্চ চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা, পথচারী, ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছেন গোলাম পরওয়ার। কোনো পক্ষ উসকানি বা অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে কর্মীদের ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে কুষ্টিয়ায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনাতেও নিন্দা জানানো হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের দাবি

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের দাবি

বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি ও লুটপাট বন্ধে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের পুরো কার্যক্রম সিসিটিভি মনিটরের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন এ নোটিশ পাঠান।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক ও ব্যবস্থাপকদের কাছে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে দেশে আসা ও বিদেশগামী যাত্রী, পর্যটক, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী এবং বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের লাগেজ থেকে মূল্যবান সামগ্রী চুরির অভিযোগ রয়েছে। একটি অসাধু চক্র তালাবদ্ধ লাগেজ কেটে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করছে। এতে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

চুরি বন্ধে লাগেজ পরিবহন প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নোটিশে। এ জন্য উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে লাগেজ খালাস, ট্রলিতে তোলা, র‍্যাম্প এলাকা দিয়ে পরিবহন এবং ব্যাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম উচ্চমানের সিসিটিভির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই সঙ্গে অ্যারাইভাল লাউঞ্জে বড় পর্দার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া যাত্রীদের সামনে সরাসরি সম্প্রচারের দাবি জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা বা তল্লাশির প্রয়োজনে কাস্টমস কিংবা কোনো নিরাপত্তা সংস্থা যাত্রীর লাগেজ খুললে বা পরীক্ষা করলে সেই কার্যক্রমও ক্যামেরায় ধারণ করে যাত্রীর সামনে সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি