খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের বিষয়ে দল ও সরকারের অবস্থান পরিস্কার করলেন তথ্যপ্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব/ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের বিষয়ে দল ও সরকারের অবস্থান পরিস্কার করলেন তথ্যপ্রতিমন্ত্রী

এবার দুর্নীতিবাজদের বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই বিবিসির এক সময়কার তথ্য প্রযুক্তি বিজ্ঞানী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তাঁর একাধিক কর্মযজ্ঞ দেশবাসীর কাছে প্রশংসিত হয়েছে। শুরু থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি অবলম্বন করা ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসন থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য নিজ নির্বাচনী এলাকায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

তিনি সাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন-‘কোন দুর্নীতিবাজ দলে এবং সরকারে ঠাঁই পাবে না। এতে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।’ শুধু তাই নয় তাঁর নাম ভাঙিয়ে কেউ দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে তাকে সরাসরি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন এই প্রতিমন্ত্রী।

আরও উজ্জ্বল হবে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহের নান্দাইলের চন্ডিপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর এই বার্তা দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পৃক্তদের জন্য দূরবর্তী সতর্ক সংকেত। তাঁর এই পরিস্কার অবস্থান দল ও সরকারের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শহীদ জিয়া স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, গণতন্ত্র ফিরিয়েছেন বেগম জিয়া
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বলেন, ‘দেশ আজ যে অবস্থানে অবস্থান করছেন, তা সম্ভব হয়েছে রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতা এনে দেওয়ার জন্য। এ কারণে আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশে অবস্থান করছি।’ প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া বারবার বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন। এ কারণে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকার কারণে একটি সুষ্ঠ ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে এই সরকার গঠিত হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের পরে নির্বাচনের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা একের পর এক বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন। এর মধ্যে আছে- ফ্যামেলি কার্ড প্রদান, যা ইতোমধ্যে সারা বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। শুরু হয়েছে খাল খনন কর্মসূচি, এটি শহীদ জিয়াউর রহমানের একটি জনপ্রিয় কর্মসূচি ছিল। নির্বাচনের আগে দেওয়া আমাদের খাল খনন কর্মসূচিও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।’

নান্দাইলে নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা
নিজ নির্বাচনী এলাকা নান্দাইলে নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘নান্দাইলে বিভিন্ন খাল খননের প্রয়োজন আছে। ইতোমধ্যে আমরা তালিকা তৈরি করেছি। যাছাই-বাছাই করে তা বাস্তবায়ন শুরু হবে। এছাড়াও সড়কের কাজ যেখান থেকে যেভাবে আনা যায়, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এতে সকল পর্যায় থেকে সকলের সহযোগিতা একান্ত প্রযোজন।’

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান লিটন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. এনামুল কাদির, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুজ্জামান ভূইয়া মনিরসহ বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা। এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপজেলার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউটদলের কুচকাওয়াজ এবং মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে প্রদর্শিত হয়। পরে বিজয়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

কালের আলো/এমএসআইপি/এমকে

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি