খুঁজুন
                               
, ,
           

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব ছাড়লেন দলটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা জোনায়েদ সাকি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী হয়েছেন দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু। মূলত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজেই এই ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল ও সরকারকে আলাদা করার জন্য দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ছেড়েছি।’

জুলাই জাতীয় সনদ ইস্যুতে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কীভাবে হবে সেটা নিয়ে বিতর্ক চলমান। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামত প্রাধান্য পাবে।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর সাভারে অনুষ্ঠিত দলের ৫ম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘ দুই দশকের রাজনৈতিক লড়াই শেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায় গণসংহতি আন্দোলন। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জোনায়েদ সাকি।

বর্তমানে তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তাকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হলেও পরবর্তীতে পুনর্গঠনের মাধ্যমে শুধু পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করা সাংঘর্ষিক হতে পারে বিবেচনা করেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বক্তব্য দিচ্ছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আয়োজনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। তাই ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল সব মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম। সেই চেতনা ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

মন্ত্রী বলেন, একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সব ধর্মাবলম্বীর জানমাল ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা, রথযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, যাতে কোনো দুর্বৃত্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে।

সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেদের সমস্যা ও দাবি সংগঠিতভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে। সরকার আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে যৌক্তিক দাবিগুলোর ইতিবাচক সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মত্যাগের ইতিহাসও স্মরণ রাখতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সমঅধিকারের ভিত্তিতেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কালের আলো/এসএকে

কড়া নিরাপত্তায় বঙ্গভবনের বাইরে জুমা পড়লেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
কড়া নিরাপত্তায় বঙ্গভবনের বাইরে জুমা পড়লেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু 

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছাড়ার পর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বঙ্গভবনের বাইরে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের একটি মসজিদে তিনি জুমার নামাজ আদায় করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন। নিরাপত্তার স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা নজরদারিতে রাখেন।

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের দুই দিন পর, গত ২৬ জুলাই তিনি বঙ্গভবনের সরকারি বাসভবন ত্যাগ করেন। ওই দিন বিকেলে তিনি বঙ্গভবন থেকে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত তাঁর ব্যক্তিগত বাসভবনে ওঠেন।

এর আগে, ২৪ জুলাই তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হলেও তিনি প্রায় তিন বছর তিন মাস দায়িত্ব পালন করেন। মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

তাঁর পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ত্যাগ করে গুলশানের নিজ বাসভবনে বসবাস শুরু করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পল্লবীতে নিষিদ্ধ আ. লীগ-ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
পল্লবীতে নিষিদ্ধ আ. লীগ-ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১৭

রাজধানীর পল্লবী থানার মিরপুর-১২ এলাকায় মিছিলের অভিযোগে কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ সময় একটি ব্যানার, একটি মাইক্রোবাস ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে মিরপুর-১২ মেট্রোরেলের পিলার নম্বর-১৪০ এর পূর্ব পাশে পাকা সড়ক থেকে এ গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে মিছিল করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

টহলরত পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে ১৭ জনকে আটক করা হয়। এ সময় অজ্ঞান আরও অনেকে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে একটি ব্যানার জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ভাড়া করা একটি সাদা রঙের হাই-এস মাইক্রোবাস এবং গ্রেপ্তার দুজনের ব্যবহৃত দুটি স্মার্টফোনও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি