খুঁজুন
                               
, ,
           

জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়, সরকারকে ১১ দল 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়, সরকারকে ১১ দল 

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি সরকার জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বিএনপি এখন ‘সুবিধাবাদের রাজনীতিতে’ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। সংসদে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু রাজপথে জনগণই প্রকৃত শক্তি। সেই জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা এসব বলেছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন।

গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন, বিজয়নগর ও কাকরাইল ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, আজ আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে, আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি এখন সেই জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অস্বীকার করছে।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জুলাই বিপ্লব কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য হয়নি। এটি ছিল পুরাতন ও অকার্যকর ব্যবস্থাকে ছুড়ে ফেলে একটি নতুন, জনমুখী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এই বিপ্লবের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত না হতে দেওয়া।

গণভোটের প্রসঙ্গে জামায়াত নায়েবে আমির বলেন, আজকে গণভোটকে অস্বীকার করা মানে শুধু ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা নয়; বরং আবার সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করা। দীর্ঘ ১৬ বছরে আমরা এক ব্যক্তির শাসন দেখেছি, যেখানে ভিন্নমত দমন করা হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ নিপীড়নের শিকার হয়েছে।

সরকারকে সতর্ক করে এটিএম আজহার বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না। আমাদেরকে রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না। সময় থাকতে যদি দেশের কল্যাণ চান, তাহলে গণভোটের রায় মেনে নিন। অন্যথায় এর পরিণতি ভালো হবে না।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, দলটি এখন ‘সুবিধাবাদের রাজনীতিতে’ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এমন কিছু অধ্যাদেশ আছে, যা ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করে—সেগুলো বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য; কিন্তু জনগণের কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগগুলো তারা সমর্থন করে না।

মামুনুল হক বলেন, ‘গণভোটের আগে বিএনপি সুস্পষ্টভাবে কোনো অবস্থান নেয়নি। কিন্তু ভোটের পর তারা জনগণের রায়কে অস্বীকার করছে’। তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ মুনাফিকের রাজনীতি পছন্দ করে না। যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়, তাহলে রাজপথেই তার জবাব দেওয়া হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠন বৈধ। কিন্তু জনগণের ভোটে সংস্কার হলে তা অবৈধ—এমন দ্বিচারিতা দেশের মানুষ মেনে নেবে না। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে গঠিত ঐকমত্য কমিশনে সংবিধানের টেকসই সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সেখানে একটি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল।

আখতার অভিযোগ করেন, গণভোটের আগে পর্যন্ত তারা প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেনি। কিন্তু দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এখন তারা জনগণের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সাহস করছে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন চেয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হচ্ছে।

সংবিধান প্রসঙ্গে আখতার বলেন, দেশ পরিচালনার জন্য সংবিধান প্রয়োজন, কিন্তু সেই সংবিধান কোনো দলীয় সংবিধান হতে পারে না। এটি হতে হবে জনগণের সংবিধান। গণভোট বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে এবং একক কর্তৃত্বের সুযোগ কমে যাবে—যা বর্তমান ক্ষমতাসীনদের পছন্দ নয়।

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘সংসদে আপনাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু রাজপথে জনগণই প্রকৃত শক্তি। সেই জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়।’ একইসঙ্গে তিনি রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সংঘাত চাই না, আমরা একটি সুন্দর রাজনৈতিক সমাধান চাই।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমাদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মোখলেসুর রহমান কাসেমী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. ওমর ফারুক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন না করা হলে দেশব্যাপী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে তারা সরকারকে জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনৈতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কারখানার সকল শ্রমিকের জন্য ১ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড’ কারখানায় এ ঘটনাটি ঘটে। অসুস্থ শ্রমিকদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের ধারণা শ্রমিকরা ‘প্যানিক অ্যাটাক’-এ আক্রান্ত হয়েছেন।

শ্রমিকদের দাবি, একটি ফ্লোরে হঠাৎই একে একে শ্রমিকরা বমি, মাথা ঘোরা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করেন। অনেকেই মেঝেতে পড়ে যান। ঘটনার পর কারখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শাহানাজ বেগম  নামে এক শ্রমিক জানান, কিছুদিন আগে একই ফ্লোরে লিজা বেগম নামে এক শ্রমিক মারা যান। এবারও ওই ফ্লোরে অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ শ্রমিক সুমি আক্তার বলেন, কাজ করার সময় হঠাৎ মাথা ঘুরতে শুরু করে।

এরপর পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব দেখা দেয়। পরে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অসুস্থ শ্রমিকদের মাওনা চৌরাস্তার বিভিন্ন প্রাইভেট  হাসপাতাল গুলোতে  চিকিৎসা  দেওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়  ৮০ থেকে ৯০ জন শ্রমিককে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অনেকেই বাসায় চলে গেছেন।

তবে আরও অসুস্থ শ্রমিক আসছেন। গুরুতর অসুস্থ শ্রমিকরা হলেন- মোমেনা (২৮), মিনু (২৬), সনিয়া (২১), কাকলি (৩০), মারুফা (৩০), রায়তুন নাহার (২৭) ও মামুন (৩২)।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম  বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রথমে কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর আরও অনেকে অসুস্থ হন। এ ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষ আজ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভূঁইঞা বলেন, ঘটনার পরপরই অসুস্থ শ্রমিকদের দেখতে হাসপাতালে যাই। অসুস্থ শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরে এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো বক্তব্য দেয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

১৩ জুলাই বরিশাল যাবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
১৩ জুলাই বরিশাল যাবেন প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

জাতীয় নির্বাচনের পর এই প্রথম আগামী ১৩ জুলাই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে তিনি গৌরনদীর কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি বিভাগীয় শহর বরিশালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান।

তিনি বলেন, ১৩ জুলাই সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে রওনা দেবেন তারেক রহমান। গৌরনদীর কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি বরিশাল নগরে আসবেন। বরিশালে এসে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বেলসপার্ক, লেক কিংবা গ্র্যান্ড পার্কের আশপাশে এ কর্মসূচি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি জানান, দুপুরের পর বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে বরিশাল নগর, জেলা দক্ষিণ ও উত্তর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন গণমাধ্যমকে বলেন, গৌরনদীতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের পর বিকেলে কর্মিসভায় জেলা ও মহানগর কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন তারেক রহমান। বৃষ্টির জন্য ইনডোরে শিল্পকলায় সভাটি করা হচ্ছে। এ ছাড়া তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ এবং আলেম-ওলামাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কথাও রয়েছে।

বরিশালবাসীর প্রত্যাশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বরিশালে ৬ লেন সড়ক, রেল লাইন, বরিশাল ভোলা সেতু, গ্যাস সরবরাহ, ইপিজেড— এসব দাবির কথা প্রধানমন্ত্রী জানেন। এরপরও বরিশালের জনগণের এসব প্রত্যাশার কথা সুযোগ অনুযায়ী তুলে ধরা হবে।

কালের আলো/এসএকে

ভারী বৃষ্টিতে রেললাইন তলিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ভারী বৃষ্টিতে রেললাইন তলিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের ষোলশহর সুন্নিয়া মাদরাসা এলাকায় রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় ৮১৬ নম্বর পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামিয়ে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে প্রবল বৃষ্টির পর রেললাইনের ওপর পানি উঠে গেলে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে দেয়।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, পানি নেমে যাওয়ার পর প্রকৌশল বিভাগ রেললাইন পরিদর্শন করবে। ট্র্যাক নিরাপদ ঘোষণা করা হলে ট্রেন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত ঢাকা ও কক্সবাজারগামী ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এদিকে ট্রেনটি দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকেই ট্রেনের ভেতরে অপেক্ষা করছেন বলে জানান যাত্রীরা।

পাহাড়তলী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁঞা বলেন, রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে অবস্থান করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। ট্র্যাক নিরাপদ ঘোষণা করা হলে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি