খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়, সরকারকে ১১ দল 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়, সরকারকে ১১ দল 

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি সরকার জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বিএনপি এখন ‘সুবিধাবাদের রাজনীতিতে’ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। সংসদে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু রাজপথে জনগণই প্রকৃত শক্তি। সেই জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা এসব বলেছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন।

গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন, বিজয়নগর ও কাকরাইল ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, আজ আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে, আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি এখন সেই জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অস্বীকার করছে।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জুলাই বিপ্লব কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য হয়নি। এটি ছিল পুরাতন ও অকার্যকর ব্যবস্থাকে ছুড়ে ফেলে একটি নতুন, জনমুখী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এই বিপ্লবের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত না হতে দেওয়া।

গণভোটের প্রসঙ্গে জামায়াত নায়েবে আমির বলেন, আজকে গণভোটকে অস্বীকার করা মানে শুধু ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা নয়; বরং আবার সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করা। দীর্ঘ ১৬ বছরে আমরা এক ব্যক্তির শাসন দেখেছি, যেখানে ভিন্নমত দমন করা হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ নিপীড়নের শিকার হয়েছে।

সরকারকে সতর্ক করে এটিএম আজহার বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না। আমাদেরকে রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না। সময় থাকতে যদি দেশের কল্যাণ চান, তাহলে গণভোটের রায় মেনে নিন। অন্যথায় এর পরিণতি ভালো হবে না।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, দলটি এখন ‘সুবিধাবাদের রাজনীতিতে’ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এমন কিছু অধ্যাদেশ আছে, যা ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করে—সেগুলো বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য; কিন্তু জনগণের কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগগুলো তারা সমর্থন করে না।

মামুনুল হক বলেন, ‘গণভোটের আগে বিএনপি সুস্পষ্টভাবে কোনো অবস্থান নেয়নি। কিন্তু ভোটের পর তারা জনগণের রায়কে অস্বীকার করছে’। তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ মুনাফিকের রাজনীতি পছন্দ করে না। যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়, তাহলে রাজপথেই তার জবাব দেওয়া হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠন বৈধ। কিন্তু জনগণের ভোটে সংস্কার হলে তা অবৈধ—এমন দ্বিচারিতা দেশের মানুষ মেনে নেবে না। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে গঠিত ঐকমত্য কমিশনে সংবিধানের টেকসই সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সেখানে একটি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল।

আখতার অভিযোগ করেন, গণভোটের আগে পর্যন্ত তারা প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেনি। কিন্তু দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এখন তারা জনগণের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সাহস করছে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন চেয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হচ্ছে।

সংবিধান প্রসঙ্গে আখতার বলেন, দেশ পরিচালনার জন্য সংবিধান প্রয়োজন, কিন্তু সেই সংবিধান কোনো দলীয় সংবিধান হতে পারে না। এটি হতে হবে জনগণের সংবিধান। গণভোট বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে এবং একক কর্তৃত্বের সুযোগ কমে যাবে—যা বর্তমান ক্ষমতাসীনদের পছন্দ নয়।

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘সংসদে আপনাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু রাজপথে জনগণই প্রকৃত শক্তি। সেই জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়।’ একইসঙ্গে তিনি রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সংঘাত চাই না, আমরা একটি সুন্দর রাজনৈতিক সমাধান চাই।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমাদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মোখলেসুর রহমান কাসেমী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. ওমর ফারুক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন না করা হলে দেশব্যাপী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে তারা সরকারকে জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনৈতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

আইএমএফের ঋণ স্থগিতের খবর নাকচ করল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আইএমএফের ঋণ স্থগিতের খবর নাকচ করল সরকার

সংস্কারে ব্যর্থতার কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিতের খবর অস্বীকার করেছে সরকার। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজার পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ধরনের খবর ‘সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে দাবি করা হয়।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছিল, সংস্কারে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের জন্য আইএমএফের ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংস্কারে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে আইএমএফ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ অসত্য। আইএমএফ এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আইএমএফের সঙ্গে দুটি বৈঠক করেছে। প্রথম বৈঠক সকালে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন ও তার দলের সঙ্গে। দ্বিতীয় বৈঠক বিকেলে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) নাইজেল ক্লার্ক ও তার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুটি বৈঠকই ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি ও বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বিষয় তুলে ধরেন। পাশাপাশি রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যাংক-আর্থিক খাতে সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। কিছু বিষয় নিয়ে আরও আলোচনা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশেষ করে সরাসরি জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী। কিছু ক্ষেত্রে দুই পক্ষের মতামত একরকম হয়নি। তবে উভয় পক্ষই আলোচনা চলমান রাখতে সম্মত হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, আলোচনার মধ্য দিয়ে সব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব হবে।

আইএমএফ পরিষ্কার করে জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীজন। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের সময়কালে উন্নয়নের অংশীজন হয়েই আইএমএফ বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়।

প্রসঙ্গত, গতকাল (শুক্রবার) কোনো বৈঠক হয়নি জানিয়ে সরকার বলেছে, ‘আজকের (শনিবার) দুটি বৈঠকে এমন কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি, যাতে ঋণ স্থগিতের বিষয়টি উঠে আসে।’

কালের আলো/এসআর/ এএএন

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলকদ মাসের তারিখ নির্ধারণে আজ সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বায়তুল মোকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা টেলিফোন নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (২য় ফেজ) রেলওয়ে পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং: ৯৯১৮২১৪৯২৯)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার বাসিন্দা শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

জানা গেছে, গত বছরের ৩ নভেম্বর তিনি খুলনা রেলওয়ে পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সম্রাট বিশ্বাসের ডিউটি নির্ধারিত ছিল। দায়িত্ব পালনকালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ডিউটিরত অবস্থায় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার মাধ্যমে সম্রাট বিশ্বাস আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন পুলিশ সদস্যের এমন মৃত্যুর ঘটনায় সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর পেছনের কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দিকে নজর রয়েছে।

কালের আলো/ইএম