খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়, সরকারকে ১১ দল 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়, সরকারকে ১১ দল 

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি সরকার জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বিএনপি এখন ‘সুবিধাবাদের রাজনীতিতে’ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। সংসদে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু রাজপথে জনগণই প্রকৃত শক্তি। সেই জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা এসব বলেছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন।

গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন, বিজয়নগর ও কাকরাইল ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, আজ আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে, আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি এখন সেই জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অস্বীকার করছে।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জুলাই বিপ্লব কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য হয়নি। এটি ছিল পুরাতন ও অকার্যকর ব্যবস্থাকে ছুড়ে ফেলে একটি নতুন, জনমুখী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এই বিপ্লবের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত না হতে দেওয়া।

গণভোটের প্রসঙ্গে জামায়াত নায়েবে আমির বলেন, আজকে গণভোটকে অস্বীকার করা মানে শুধু ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা নয়; বরং আবার সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করা। দীর্ঘ ১৬ বছরে আমরা এক ব্যক্তির শাসন দেখেছি, যেখানে ভিন্নমত দমন করা হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ নিপীড়নের শিকার হয়েছে।

সরকারকে সতর্ক করে এটিএম আজহার বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না। আমাদেরকে রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না। সময় থাকতে যদি দেশের কল্যাণ চান, তাহলে গণভোটের রায় মেনে নিন। অন্যথায় এর পরিণতি ভালো হবে না।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, দলটি এখন ‘সুবিধাবাদের রাজনীতিতে’ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এমন কিছু অধ্যাদেশ আছে, যা ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করে—সেগুলো বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য; কিন্তু জনগণের কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগগুলো তারা সমর্থন করে না।

মামুনুল হক বলেন, ‘গণভোটের আগে বিএনপি সুস্পষ্টভাবে কোনো অবস্থান নেয়নি। কিন্তু ভোটের পর তারা জনগণের রায়কে অস্বীকার করছে’। তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ মুনাফিকের রাজনীতি পছন্দ করে না। যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়, তাহলে রাজপথেই তার জবাব দেওয়া হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠন বৈধ। কিন্তু জনগণের ভোটে সংস্কার হলে তা অবৈধ—এমন দ্বিচারিতা দেশের মানুষ মেনে নেবে না। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে গঠিত ঐকমত্য কমিশনে সংবিধানের টেকসই সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সেখানে একটি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল।

আখতার অভিযোগ করেন, গণভোটের আগে পর্যন্ত তারা প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেনি। কিন্তু দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এখন তারা জনগণের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সাহস করছে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন চেয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হচ্ছে।

সংবিধান প্রসঙ্গে আখতার বলেন, দেশ পরিচালনার জন্য সংবিধান প্রয়োজন, কিন্তু সেই সংবিধান কোনো দলীয় সংবিধান হতে পারে না। এটি হতে হবে জনগণের সংবিধান। গণভোট বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে এবং একক কর্তৃত্বের সুযোগ কমে যাবে—যা বর্তমান ক্ষমতাসীনদের পছন্দ নয়।

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘সংসদে আপনাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু রাজপথে জনগণই প্রকৃত শক্তি। সেই জনগণকে উপেক্ষা করে টিকে থাকা সম্ভব নয়।’ একইসঙ্গে তিনি রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সংঘাত চাই না, আমরা একটি সুন্দর রাজনৈতিক সমাধান চাই।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমাদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মোখলেসুর রহমান কাসেমী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. ওমর ফারুক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন না করা হলে দেশব্যাপী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে তারা সরকারকে জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনৈতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

বেগম রোকেয়া পদক দিতে শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের খুঁজছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
বেগম রোকেয়া পদক দিতে শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের খুঁজছে সরকার

‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৬’-এর জন্য শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের সন্ধান করছে সরকার। এই লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশি নারীদের মধ্য থেকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে মনোনয়ন আহ্বান করা হয়েছে

বুধবার (১৭ জুন) প্রকাশিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর দেশব্যাপী ‘বেগম রোকেয়া দিবস’ উদযাপন এবং এ পদক প্রদান করা হয়ে থাকে।

এবারও নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ, পল্লী উন্নয়ন এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন বাংলাদেশি নারীকে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক প্রদান করবেন।

বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী, ‘বেগম রোকেয়া পদক (সংশোধিত) নীতিমালা-২০২৫’ মোতাবেক পদক প্রাপ্তির ক্ষেত্র উল্লেখ করে সফট কপিসহ হার্ড কপি (ই-মেইল: sas_s4@moedu.gov.bd) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সমন্বয় শাখায় পাঠাতে হবে।

আগ্রহীরা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mowca.gov.bd) অথবা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dwa.gov.bd) থেকে আবেদনপত্র ও নির্দিষ্ট ছক ডাউনলোড করে পূরণ করতে পারবেন। নির্ধারিত ছক ব্যতিত অন্য কোনো ফরমে আবেদন বা মনোনয়ন গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নারী শিক্ষা, নারী অধিকার রক্ষা ও সমাজসেবাসহ নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর পাঁচজন নারীকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই মর্যাদাপূর্ণ পদক প্রদান করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পুশ-ইনের মতো অমানবিক আচরণের নজির পৃথিবীতে বিরল : মজিবুর রহমান মঞ্জু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
পুশ-ইনের মতো অমানবিক আচরণের নজির পৃথিবীতে বিরল : মজিবুর রহমান মঞ্জু

পুশ-ইনের মাধ্যমে ভারত সরকার কূটনৈতিক সৌজন্য, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার চরম লঙ্ঘন করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

তিনি বলেন, পুশ-ইনের মতো অমানবিক আচরণের নজির পৃথিবীতে বিরল। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা উদ্যোগ না নেয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন ও কাঁটাতারের রাজনীতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এবি পার্টির পক্ষ থেকে ‍’সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন ও কাঁটাতারের রাজনীতি’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, কোন রাষ্ট্রীয় বাহিনী তার অভিবাসী নাগরিককে অন‍্যদেশের মানুষ বলে জোরপূর্বক সীমান্তের শূন‍্য রেখায় দিনের পর দিন খোলা আকাশের নীচে বসিয়ে রেখে, নির্যাতন করে ঠেলে পার্শ্ববর্তী দেশে ঢুকানোর মতো অমানবিক নিষ্ঠুর আচরণ পৃথিবীর কোথাও আছে বলে আমাদের জানা নাই।

এর আগে মিয়ানমারের জান্তা সরকার তাদের নাগরিকদের উপর নৃশংস গণহত্যা চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিয়েছে। কয়েকযুগ হতে যাচ্ছে বিশ লক্ষাধিক শরণার্থীর হৃদয় বিদারক জীবন চেয়ে চেয়ে দেখছে বিশ্ববাসী। তাদের পুনর্বাসনের কোনো উদ্যোগ নেই।

মঞ্জু বলেন, ভারত সরকার বলেছিল নির্বাচিত সরকার আসলে তারা আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করবে, কিন্তু তাদের সহযোগিতার এই নৃশংস নমুনা অতীতের মতই আমাদের দেখতে হচ্ছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ভারতের কাঁটাতারের রাজনীতি, সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের মতো শত্রুসূলভ কার্যক্রম তুলে ধরার জন‍্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সুস্থ ও টেকসই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হলে ভারতকে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইনের নীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চায়, তবে তা হতে হবে সম্মান, মর্যাদা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে।

ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশ বদলে গেছে। আওয়ামী আমলের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আর চলতে পারে না। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নতুন বাস্তবতায় স্বাধীন ও কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করতে হবে।

তিনি গত পাঁচ দশকে সীমান্তে নিহত হাজার হাজার বাংলাদেশি নাগরিকের হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। একই সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আধুনিকায়ন, সীমান্তবর্তী জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক ও নাগরিক প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে সর্বদলীয় জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান।

ফুয়াদ আরও বলেন, গত ৫৬ বছরে সীমান্তে নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করতে হবে। জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং বিদেশি কূটনীতিকদের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করে বিএসএফের অবৈধ ও অমানবিক কর্মকাণ্ড বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরারও দাবি জানান তিনি।

সংসদে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে ১৪৭ বিধির আওতায় আলোচনা স্থগিত করাকে তিনি দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ

সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মশিউর রহমান মিলু, প্রবাসী নেতা নুরুন্নবী নয়ন, যাত্রাবাড়ী থানার আহ্বায়ক মিয়া সুলতান আরিফ, বরিশালের নেতা জাকির হোসেন ও ইমরান সরদার উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

বুধবার (১৭ জুন) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন‌।

ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এ বিষয়ে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর তবে একই সাথে সরকার জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকেও সুরক্ষা দিতে চায়। এজন্য একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি ড্রাফট কমিটি গঠন করা হবে যারা একটি ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান এর উপর ভিত্তি করেই গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ