খুঁজুন
                               
, ,
           

মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার

২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। জাতীয় সংসদে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে নবম দিন সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি মাইলফলক অর্জন করা। এ লক্ষ্যে সরকার বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, স্পোর্টস অর্থনীতি ইত্যাদিকে বিবেচনার নিয়ে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে।

অর্থমন্ত্রী সংসদে জনগণের মাথাপিছু আয় বাড়ানোর জন্য সরকার শুধু একটি খাতে নয় বরং কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, উৎপাদন, রপ্তনি, প্রবাস আয়, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সবগুলো দিক একসঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

গৃহীত প্রধান পদক্ষেপ

১. কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব কমানো
দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। উৎপাদন, নির্মাণ, সেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে কাজের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান বাড়লে পরিবারের আয় বাড়ে, ফলে মাথাপিছু আয়ও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

২. বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি
ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া সহজ করা, বিনিয়োগ-সহায়ক পরিবেশ তৈরি, শিল্প স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া এবং উৎপাদনমুখী খাতে অর্থপ্রবাহ বাড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়লে নতুন কারখানা, নতুন ব্যবসা এবং নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা সরাসরি আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৩. ক্ষুদ্র, মাঝারি ও উদ্যোক্তা খাতে সহায়তা
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ দেশের কর্মসংস্থানের বড় উৎস। এ খাতের জন্য অর্থায়ন সহজ করা, নতুন উদ্যোক্তাকে সহায়তা দেওয়া, নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ছোট ব্যবসা বড় হবে, নতুন কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়বে।

৪. রপ্তানি বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণ
রপ্তানিমুখী শিল্পকে উৎসাহ প্রদান, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং বিদ্যমান বাজার ধরে রাখার মাধ্যমে বৈদেশিক আয় বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। রপ্তানি আয় বাড়লে উৎপাদন বাড়ে, শিল্পে কর্মসংস্থান বাড়ে এবং সামগ্রিকভাবে মানুষের আয় বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়।

৫. প্রবাস আয় বৃদ্ধি
বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো, বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, প্রবাস আয় বৈধ পথে পাঠাতে উৎসাহ দেওয়া এবং এ সংক্রান্ত সেবা সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রবাস আয় বাড়লে পরিবারভিত্তিক আয় বাড়ে, গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হয় এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থাও শক্তিশালী হয়।

৬. দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ
দেশীয় ও বিদেশি শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। দক্ষ জনশক্তি বেশি আয় করতে পারে, ভালো কাজ পায় এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। এই কারণে দক্ষতা উন্নয়নকে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে ধরা হচ্ছে।

৭. কৃষি, গ্রামাঞ্চল ও উৎপাদনভিত্তি শক্তিশালী করা
কৃষি উৎপাদন, গ্রামীণ অবকাঠামো, সেচ, খাদ্য সরবরাহ এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রামে আয় বাড়লে দেশের মোট আয়ও বাড়ে, কারণ জনসংখ্যার বড় অংশ এখনো গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে।

৮. বাস্তবায়নের সময়সীমা
উল্লিখিত পদক্ষেপগুলোর একটি অংশ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই বাস্তবায়নাধীন আছে। আর বাকি পদক্ষেপগুলো স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন, রপ্তানি ও প্রবাস আয় বৃদ্ধির উদ্যোগগুলো ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মাথাপিছু আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যেগুলো মানুষের আয় বাড়াবে, বেকারত্ব কমাবে, উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াবে, প্রবাস আয় ও রপ্তানি শক্তিশালী করবে এবং একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা। সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে পল্টনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভকারীরা জানান, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের পর ব্যাংকটির সুশাসন, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও গ্রাহকদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই শেয়ার কেলেঙ্কারি, ব্যাংক দখল ও আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় দায়ীদের বিচারের আওতায় না আনলে এ খাতে আস্থা ফিরবে না।

এ সময় তারা সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান তারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ জনপরিসরে এসেছে, সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ দেখিয়ে দায়মুক্তির দাবি করলেও রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের কোনো কর্মকাণ্ড এ সুরক্ষার আওতায় পড়ে না। ফলে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব পালনের সময় শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত, মামলাসহ গ্রেপ্তারের সুযোগ রয়েছে।

অতএব রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই তিনি ফৌজদারি অপরাধ করেছেন। এজন্য তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

সিআইডির প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
সিআইডির প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ

সিআইডির নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন। এর আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবু তালেব এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোহাম্মদ মোশারফ হোছাইনকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এনএসআই-এ কর্মরত অবস্থায় তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পান।

ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস-এর মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।এছাড়া কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। সিআইডির সদর দফতর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা ইউনিটে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন। মাঠ পর্যায়ে পিরোজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তিনি তদন্ত, গোয়েন্দা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

‎শিক্ষাগত জীবনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার-অ্যাট-ল (Bar-at-Law) সম্পন্ন করেন। দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি আধুনিক পুলিশিং, তদন্ত এবং ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছেন। উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ায় ফরেনসিক ল্যাবরেটরি কোর্স, পাকিস্তানে বিশেষ আঞ্চলিক কর্মশালা এবং তুরস্কে অনুষ্ঠিত ১০ম ইন্টারপা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে সিআইডির ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত সিআইডি প্রধানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোশাররফ হোছাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোশাররফ হোছাইন

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।

বুধবার(জুলাই) ঢাকার সিআইডি সদর দপ্তরে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডি মুখপাত্র অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবু তালেব।

এ সময় সিআইডির ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত সিআইডির প্রধানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এর আগে, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এনএসআইয়ে কর্মরত অবস্থায় তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি পুলিশ একাডেমি, সিআইডি, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি), র‍্যাব, পুলিশ সদর দপ্তর এবং বিভিন্ন রেঞ্জ ও জেলা পুলিশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার অ্যাট ল সম্পন্ন করেছেন। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্কে ফরেনসিক, তদন্ত এবং আধুনিক পুলিশিং-সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ও সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতা অর্জন করেছেন।

কালের আলো/এসএকে