খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৪ মে’র মধ্যে দাখিলের নির্দেশ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৪ মে’র মধ্যে দাখিলের নির্দেশ

বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী ১৪ মের মধ্যে। অভিনেতাকে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলা নিয়ে এ রায় দেওয়া হয় আদালত থেকে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ছিল সালমান হত্যা মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের দিন। কিন্তু আদালতে কোনো প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার। এতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ দিন ধার্য করেন।

গেল বছরের ২১ অক্টোবর মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা করেন তার মামা আলমগীর কুমকুম। এর আগের দিন ২০ অক্টোবর দুপুরে প্রয়াত এই নায়ককে কি আত্মহত্যা করেছিলেন নাকিতাঁকে হত্যা করা হয়েছিল তা জানতে সালমান হত্যা মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

আলমগীর কুমকুম তার মামলায় প্রথম আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করেন সালমানের প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা হককে। অন্যান্য আসামিরা হলেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন। সালমান শাহকে হত্যা মামলায় তার প্রাক্তন স্ত্রীসহ মোট ১১ জনের নাম রয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজনের নামে হত্যা মামলা করা হয়।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তদন্তযাত্রা, যা প্রায় তিন দশক ধরে অপমৃত্যু মামলা হিসেবেই চলতে থাকে। পরবর্তীতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন বলে মত দেয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

ডিজিটাল বেটিং ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক অপরাধ দমনে সরকার ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬’-এর মাধ্যমে অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় এনেছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) সংসদে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১০ এপ্রিল জারি করা ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬’-এর ২০ ধারায় অনলাইন জুয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনের আওতায় সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল, অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি বা পরিচালনা করা, অনলাইন জুয়ায় অংশগ্রহণ করা, এ ধরনের কার্যক্রমে সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান, জুয়ার প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়া এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়া-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের প্রচার বা বিপণন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে বলে তিনি জানান।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের লেনদেন স্থগিত বা জব্দ করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

তিনি জানান, সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর বিএফআইইউ অনলাইন জুয়া বিষয়ে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ২০২৬ সালের মে মাসে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে জমা দেয়।

এরই মধ্যে সিআইডি এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের ওপর বিএফআইইউ নজরদারি অব্যাহত রেখেছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আরও গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে।

তিনি আরও জানান, অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের ২৮ মে দেশের সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছিল।

সেই নির্দেশনায় এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কোনো মার্চেন্ট বা গ্রাহক এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার কথাও বলা হয়।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষ অনলাইন জুয়া ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক অপরাধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করতে নিয়মিত প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও সংসদকে জানান অর্থমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার বাদী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদারের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম।

তিনি জানান, শনিবার জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার বাদী হয়ে থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় মুফতি ফয়জুল করীম ছাড়াও সদর দক্ষিণ এলাকার কাদের মিয়াজীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯ জুন বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও ইউটিউব চ্যানেলে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে কটূক্তি, বিদ্রুপ এবং মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়। একটি ইউটিউব ভিডিওতে তার দাড়ি, টুপি ও পোশাক নিয়ে বিদ্রুপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া একটি ফেসবুক আইডি থেকে সংসদ সদস্যের ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট করা হয়।

এজাহারে বলা হয়েছে, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ কারণেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

তবে মামলার বাদী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদারের পরিচয় নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক। তিনি নিজেকে কুমিল্লা মহানগর যুবদলের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বলে দাবি করলেও মহানগর যুবদল বলছে, তিনি সংগঠনের কোনো পর্যায়ের সদস্য নন।

কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার যুবদলের কেউ নন। তিনি অতীতে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

অন্যদিকে মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান মামলাটিকে ‘ফ্যাসিবাদের অপতৎপরতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একইসঙ্গে মামলার বাদী অতীতে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলেও দাবি করা হয়।

এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি এম এম বিলাল হোসাইন বলেন, মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমরা মনে করি। বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে।

অন্যদিকে বাদী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তিনি যুবদলের কর্মী ও যুগ্ম আহ্বায়ক। বিএনপির সংসদ সদস্য এবং দলের নেতার মানহানি হওয়ায় তিনি মামলাটি করেছেন।

মামলা গ্রহণের বিষয়ে ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালের আলো/এসএকে

মাদকমুক্ত প্রজন্ম গঠনে শিক্ষার ওপর জোর ডেপুটি স্পিকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
মাদকমুক্ত প্রজন্ম গঠনে শিক্ষার ওপর জোর ডেপুটি স্পিকারের

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আগামী দিনের নেতৃত্ব গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হতে হবে।

আজ বুধবার (২৪ জুন) ডেপুটি স্পিকার রাজধানীর ডন বস্কো স্কুল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের মনোযোগসহকারে পড়াশোনা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডন বস্কো স্কুলে বিভিন্ন ধর্মের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে পড়াশোনা করছে, যা সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের বৈষম্যের সুযোগ থাকা উচিত নয়। পাশাপাশি শিশুদের বাংলাদেশি কৃষ্টি-সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ডেপুটি স্পিকার শিশু-কিশোরদের মাদকের কবল থেকে রক্ষায় পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার আশ্বাসও দেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং শিক্ষার্থীদের অটোগ্রাফ দেন। এ সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক প্রতিনিধি, সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যম প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে