খুঁজুন
                               
, ,
           

ফরাসি ডিজে কাভিনস্কি আর নেই, মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
ফরাসি ডিজে কাভিনস্কি আর নেই, মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত

ফ্রান্সের জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক সংগীতশিল্পী ও ডিজে ভিনসেন্ট বেলোরজে, যিনি ‘ডিজে কাভিনস্কি’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্যারিসে নিজ বাসভবনে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছেন। বুধবার দেশটির প্রসিকিউটররা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রসিকিউটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে প্রাথমিকভাবে কোনো সন্দেহজনক আলামত পাওয়া যায়নি। এর আগে প্যারিসভিত্তিক দৈনিক Le Parisien প্রথম তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে।

আগামী ৩১ জুলাই তার ৫১তম জন্মদিন ছিল। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের সংস্কৃতিমন্ত্রী ক্যাথরিন পেগার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, “কাভিনস্কির মৃত্যুতে ফ্রান্স একজন ব্যতিক্রমী শিল্পীকে হারাল। তার সংগীত নাচের উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি স্মৃতি ও আবেগকে জীবন্ত করে তুলত। তাই তার সৃষ্টি প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।”

প্যারিসের উপকণ্ঠ সাঁ-দেনিতে বেড়ে ওঠা ভিনসেন্ট বেলোরজে ছোটবেলায় নিজ উদ্যোগে পিয়ানো শেখেন। ২০০০-এর দশকের শুরুতে সংগীতজগতে তার যাত্রা শুরু হয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি ফরাসি ইলেকট্রনিক সংগীত জুটি ডাফট পাঙ্কসহ বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে মঞ্চে পারফর্ম করেন এবং পরবর্তীতে সেবাস্তিয়াঁসহ আরও অনেক সংগীতশিল্পীর সঙ্গে কাজ করেন।

২০১০ সালে প্রকাশিত তার জনপ্রিয় গান ‘Nightcall’ তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। ২০১১ সালে হলিউডের আলোচিত চলচ্চিত্র Drive-এ গানটি ব্যবহারের পর বিশ্বজুড়ে নতুন শ্রোতাদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের সমাপনী অনুষ্ঠানেও তিনি এই বিখ্যাত গান পরিবেশন করেন।

কাভিনস্কির সংগীতে ১৯৮০-এর দশকের সিনেমা, ভিডিও গেম এবং সিন্থ-ওয়েভ ঘরানার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। ‘কাভিনস্কি’ ছিল তারই সৃষ্ট একটি কাল্পনিক চরিত্র, যার মাধ্যমে তিনি নিজের শিল্পীসত্তাকে উপস্থাপন করতেন। ২০০৭ সালের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নিজের বাস্তব পরিচয়ের পরিবর্তে এই রহস্যময় চরিত্রের মাধ্যমে সংগীত ও গল্প তুলে ধরতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।

স্বতন্ত্র সংগীতধারা, সৃজনশীল চরিত্র নির্মাণ এবং অনন্য শিল্পীসত্তার জন্য কাভিনস্কি বিশ্ব ইলেকট্রনিক সংগীত অঙ্গনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

কালের আলো/এসএ

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কটাক্ষ, জবাব দিলেন কিয়ারা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কটাক্ষ, জবাব দিলেন কিয়ারা

ভারতের দক্ষিণী সুপারস্টার যশের সঙ্গে ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ চলচ্চিত্রে জুটি বেঁধে নতুন করে চর্চায় এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আডভানি। সিনেমাটিতে বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ ও সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করে একশ্রেণীর নেটনাগরিকের কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি। নিন্দকদের বড় একটি অংশের অভিযোগ মা হওয়ার পর পর্দায় এমন চরিত্রে অভিনয় করা মোটেও সমীচীন হয়নি।

তবে এসব সমালোচনা ও ট্রলের মাঝে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী নিজেই; স্পষ্ট করেছেন কেন তিনি ‘টক্সিক’-এর মতো চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, ‘টক্সিক’ ছবিটি হতে যাচ্ছে কিয়ারার অভিনয়জীবনের অন্যতম সাহসী ও বৈচিত্র্যময় কাজ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের যুক্ত হওয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে কিয়ারা বলেন, ‘গল্পটা প্রথম যখন শুনি, তখনই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চরিত্রটি সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে এমন চরিত্রই তো সব সময় খুঁজি। আমার মনে হয়েছিল, ক্যারিয়ারের এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে এমন কঠিন একটি চরিত্র করার আত্মবিশ্বাস এসেছে।’

যদিও চলচ্চিত্রে কিয়ারার মূল চরিত্রটি ঠিক কেমন, তা নিয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে পর্দায় যশের বিপরীতে ‘নাদিয়া’ চরিত্রে তার উপস্থিতিও সাহসী দৃশ্যগুলো এরই মধ্যে দর্শক ও অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। নারী চরিত্রের প্রচলিত রূপরেখা প্রসঙ্গে নিজের শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরে কিয়ারা জানান, তিনি কখনোই চান না কোনো নারী চরিত্রকে একটি নির্দিষ্ট ছকে বেঁধে রাখা হোক।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমি চাই না, নারীদের এক ধরনের চরিত্রে আটকে রাখা হোক। আমরা তার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তাহলে পর্দার চরিত্রও কেন তেমন হবে না?’ তিনি মনে করেন, পর্দায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপন হওয়া উচিত বেশ শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র, আর ‘টক্সিক’-এর চরিত্রটি ঠিক তেমনই এক নির্মাণ।

প্রসঙ্গত, ‘টক্সিক’ সিনেমাটির যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নায়ক যশ ও গীতু মোহনদাস। এটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন গীতু মোহনদাস নিজেই। প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, ছবিটি মূল দ্বভাষিক হিসেবে ইংরেজি ও কন্নড় ভাষায় একসঙ্গে শুট করা হয়েছে। পরবর্তীতে এটি হিন্দি, তেলুগু, তামিল ও মলয়ালমসহ একাধিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভাষায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের নতুন সামরিক জোট সৌদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ
নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের নতুন সামরিক জোট সৌদির

গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক রুট সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশকে নিয়ে একটি নতুন বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।

বুহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সামরিক বৈঠকের পর এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। জোটটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ ।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জোটের স্বাক্ষরকারী ১৪টি দেশ—বাহরাইন, বাংলাদেশ, জিবুতি, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সোমালিয়া, সুদান, তুরস্ক এবং ইয়েমেন। সৌদি আরব এই জোটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতৃত্বদানকারী দেশ হিসেবে এর স্থায়ী সদর দফতর বা প্রধান কার্যালয় হিসেবে কাজ করবে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, এই জোটের লক্ষ্য হলো বাব আল-মান্দাব প্রণালি, লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে সামুদ্রিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা, নৌচলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ ও জ্বালানি সরবরাহ লাইন সুরক্ষিত করা এবং অভিন্ন সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষা করা।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, জোটটি নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার রিয়াদে ৫১টি দেশ ও সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩টি দেশের প্রতিনিধি এবং একটি ইইউ প্রতিনিধিদল এতে অংশ নিয়েছিল, যাদের মধ্যে ১৪টি দেশ তাদের সমর্থন নিশ্চিত করেছে এবং বাকিরা এ বিষয়ে এখনো বিবেচনা করছে।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, এটি সম্পূর্ণ একটি আত্মরক্ষামূলক নিরাপত্তা জোট এবং কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে এটি গঠন করা হয়নি। ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের জন্যও এই জোটে যোগ দেওয়ার পথ খোলা রাখা হয়েছে।

এই পদক্ষেপটি এমন এক সময়ে নেওয়া হলো, যখন গত সপ্তাহে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী বিশ্বের শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরবের ওপর সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেয় এবং লোহিত সাগরে সৌদি তেল ট্যাঙ্কার ও দেশটির তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার দায় স্বীকার করে। এর ফলে এই রুটে তীব্র নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন-ইরান অচলাবস্থার কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি রপ্তানি মূলত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর, এই সংকীর্ণ সামুদ্রিক পথটি আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল পরিমাণ সৌদি অপরিশোধিত তেল সরবরাহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাব এল-মান্দেব প্রণালি মাত্র ২৯ কিলোমিটার প্রশস্ত, যেখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় ১০-১২ শতাংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল পরিবাহিত হয়। এখানে যেকোনো বিশৃঙ্খলা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম এক লাফে বাড়িয়ে দিতে পারে।

সূত্র: আলজাজিরা, গালফ নিউজ

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অস্থিরতা সবজির বাজার,  কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
অস্থিরতা সবজির বাজার,  কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা

সপ্তাহ ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের সবজি।

তবে সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখা দিয়েছে কাঁচামরিচের বাজারে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, যা কেজি হিসাবে দাঁড়ায় ৪০০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও এই কাঁচামরিচ মরিচ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল।

শুধু কাঁচামরিচই নয়, অন্যান্য সবজির দামও কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এসব বাজারে বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৮০ টাকায়, টমেটো কেজিপ্রতি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১৪০ টাকা।

পটল, ঢ্যাঁড়শ, কাকরোল ও ঝিঙা মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। পেঁপে ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ২২০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০/৫০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস এবং কেপসিকাম ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

লাল শাক আঁটিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ৩২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায়, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়,

পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২০০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৪০০ টাকায় এবং পাঁচমিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টি ও কিছু নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার কারণে মরিচ ও সবজির ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে মাঠপর্যায়ে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মিরপুরের সবজি বিক্রেতা দেলোয়ার জানান, আড়তগুলোতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে, এ কারণে সবকিছুর দাম বেড়েছে।

বেসরকারি চাকরিজীবী আতিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে এসে হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। ১০০ টাকার নিচে মানসম্মত কোনো সবজি নেই। আর কাঁচামরিচ তো এখন বিলাসিতার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৫০ টাকার নিচে মরিচ কেনাই যাচ্ছে না।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্ষা মৌসুমে সবজির দাম কিছুটা বাড়া স্বাভাবিক হলেও কাঁচামরিচ ৪০০ টাকায় ওঠা স্বাভাবিক নয়। অসাধু সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট রোধে এখনই জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বাজার তদারকি টিমগুলোর মাঠে নামা জরুরি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি