খুঁজুন
                               
, ,
           

ভোলাকে সড়কপথে যুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
ভোলাকে সড়কপথে যুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের প্রশাসনিক অঞ্চল ভোলাকে সড়কপথে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২২ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এই রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার এই উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দেন তিনি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ- দুটিই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

নদীবেষ্টিত হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে সেই নির্ভরতা কমবে।

সভায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের বড় সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়। বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এটি একটি কার্যকর বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিবেচনা করে নৌ এবং বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

এই পর্ষদের মাধ্যমে নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিবেচনা করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নৌ ও বিমান বাহিনী সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

তিনি ঢাকা সেনানিবাসের আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনের ফলক উন্মোচন এবং এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টারে ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে যুদ্ধবিমান দিয়ে শত্রুবিমান ইন্টারসেপশন এবং লাইভ ফিডের মাধ্যমে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন ড্রোন (কামিকাজে ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন, ভিটিওএল) ও অন্যান্য গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। নিজস্ব সক্ষমতায় এমন আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনকে তিনি প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা অর্জনের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

নির্বাচনী পর্ষদের অনুষ্ঠান শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ‘অ্যাডমিরাল’ র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং তাকে অভিনন্দন জানান। এসময় নৌবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে দিকনির্দেশনা চান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

দেশে চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২২ দিনে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে স্থানীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা।

রোববার (২৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি আগস্টে রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

২০২৫ সালের ১ থেকে ২২ আগস্ট দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭১ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর চলতি বছরের একই সময়ে এসেছে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

সে হিসাবে, এক বছরের ব্যবধানে ২২ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৪৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

এদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ৫০০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।

গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৪১৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, অর্থবছরের প্রথম প্রায় দুই মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৮১ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

ব্যাংকারদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় দেশে প্রবাসী আয় বাড়ছে।

এ ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের দিনগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরকারি চাকুরেদের ফের ৪ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকুরেদের ফের ৪ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ

দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদ ও দুর্গা পূজার উৎসব ছাড়াও প্রায়ই টানা তিন-চার দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পান। সামনে আরও একবার আসছে চার দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ।

গত ১৩ আগস্ট ইসলামিক ফাউন্ডশেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) দেশজুড়ে পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। এদিন সরকারি ছুটি থাকবে।

ফলে সরকারি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) অফিস থেকে একদিন নৈমিত্তিক ছুটি নেন, তাহলে পরের দুই দিন শুক্রবার ও শনিবার (২৮ ও ২৯ আগস্ট) সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিন ছুটি কাটাতে পারবেন তিনি।

একই সুযোগ রয়েছে ব্যাংক-বিমাসহ বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও, যারা দুই দিন (শুক্র-শনি) করে সাপ্তাহিক ছুটি ভোগ করেন। একদিন নৈমিত্তিক ছুটি নিয়ে টানা চার দিন ছুটি কাটাতে পারবেন তারাও। তবে অনেকে আবার ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবীর একদিনের ছুটিও ভোগ করতে পারবেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডশেনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী- স্বাস্থ্যসেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অগ্নিনির্বাপণ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, বন্দর, বিমানবন্দর, রেলওয়ে, গণপরিবহন, কারাগার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন জরুরি সেবায় নিয়োজিতরা ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি পাবেন না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ডিউটি রোস্টার অনুযায়ী তাদের কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

জরুরি পরিসেবার আওতায় থাকা বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাকসেবা, হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং কর্মীদের জন্যও এই ছুটি প্রযোজ্য হয় না।

এছাড়া ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন, জরুরি যানবাহন ও দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীরাও ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরে ব্যাংক খোলা থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। আদালত খোলা বা বন্ধ থাকবে কি না, তা নির্ধারণ করবেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

এর আগে চলতি মাসের প্রথম দিকেও সরকারি চাকুরেদের সামনে টানা চার দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ ছিল। গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে সরকারি ছুটি ছিল।

সেদিন ছিল বুধবার। ফলে পরের দিন (বৃহস্পতিবার) যারা একদিন নৈমিত্তিক ছুটি নিয়েছিলেন, তার সঙ্গে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে তারা টানা চার দিন ছুটি ভোগ করেছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ