খুঁজুন
                               
, ,
           

চীনের টেক্সটাইল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত অন্তত আটজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ
চীনের টেক্সটাইল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়  নিহত অন্তত আটজন

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের গুয়াংডং প্রদেশের একটি টেক্সটাইল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

রোববার স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে গুয়াংডং প্রদেশের ফোশান শহরে অবস্থিত ওই কারখানায় আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে যান দমকলকর্মী ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। শুরু হয় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও আটকে পড়াদের উদ্ধারের কাজ।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাতে জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। দুর্ঘটনার পরও ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছিল বলে জানানো হয়েছে।

তবে ঠিক কী কারণে কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আগুন কীভাবে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।

অগ্নিকাণ্ডে আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনার পর কারখানাটির নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

চীনে শিল্পকারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে কারখানার অগ্নিনিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং জরুরি নির্গমন ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। ফোশানের এই দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের কারণ বা দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি ও সিনহুয়া

কালের আলো/এসএ

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৩, মামলা ৪৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৩, মামলা ৪৭

রাজধানী ঢাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী।

ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি ও অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ১৮ জন, লালবাগ বিভাগে ২৮ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৩ জন, মতিঝিল বিভাগে ৩৬ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৮৬ জন, মিরপুর বিভাগে ৯৭ জন, গুলশান বিভাগে ৪২ জন, উত্তরা বিভাগে ৪১ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে দুজন রয়েছেন।

ককটেল ও মাদক উদ্ধার

ডিএমপির অভিযানে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৩৭৬ পিস ইয়াবা ও ৩৪০ গ্রাম গাঁজা। এ ছাড়া দুটি মোবাইল ফোন, দুটি মোটরসাইকেল এবং মাদক বিক্রির ৩ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি উদ্ধার করা আলামত ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উদ্ধার করা আলামতও পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: ডিএমপি

কালের আলো/এসএ

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে কমিটি, হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে কমিটি, হাইকোর্টের রুল

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপন তৎপরতা চালানোর অভিযোগে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত তথ্য-অনুসন্ধান, ইনকোয়েরি ও তদন্ত কমিটি বিলুপ্ত এবং প্রত্যাহারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চার আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসীন আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিট আবেদনকারীরা হলেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, এম লিটন আহমেদ, রাশেদুল হক খোকন ও বিপ্লব কুমার দাস।

রিটকারীদের দাবি, একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০-এর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য-অনুসন্ধান, ইনকোয়েরি ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনগত এখতিয়ার ছিল না বলেও তারা দাবি করেন।

রিটে ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গঠিত সব কমিটি বিলুপ্ত ও প্রত্যাহার এবং এর ভিত্তিতে নেওয়া পরবর্তী পদক্ষেপ প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়।

গত ৪ আগস্ট একটি অনলাইন পোর্টালে ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে গোপন কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলে দাবি করা হয়।

রিটকারীদের বক্তব্য, যাচাইহীন ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কমিটি ও পরবর্তী পদক্ষেপের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তারা হাইকোর্টে রিট করেন।

রুলে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০-এর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত তথ্য-অনুসন্ধান, ইনকোয়েরি ও তদন্ত কমিটি এবং এসব কমিটির ভিত্তিতে নেওয়া পদক্ষেপ কেন বেআইনি ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ভারতে ২০২৭ সালে বাজারে আসতে পারে প্রথম ডেঙ্গু টিকা কিউডেঙ্গা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
ভারতে ২০২৭ সালে বাজারে আসতে পারে প্রথম ডেঙ্গু টিকা কিউডেঙ্গা

ডেঙ্গু মোকাবিলায় নতুন একটি প্রতিরোধের সুযোগ তৈরি হতে যাচ্ছে ভারতে। দেশটিতে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গুর টিকা কিউডেঙ্গা (Qdenga) বাজারে আসতে পারে ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে।

জাপানের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তাকেদা ফার্মাসিউটিক্যাল-এর তৈরি এই টিকা ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সী শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। ভারতে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর টিকাটি বেসরকারি বাজারে পাওয়া যেতে পারে। তাকেদার সঙ্গে এ জন্য চুক্তি করেছে ড. রেড্ডিজ ল্যাবরেটরিজ, যারা ভারতে কিউডেঙ্গার প্রচার ও বিতরণের দায়িত্ব পালন করবে।

কিউডেঙ্গা কী?

কিউডেঙ্গা হলো চার ধরনের ডেঙ্গু ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি একটি লাইভ অ্যাটেনুয়েটেড বা জীবিত কিন্তু দুর্বল করা ভাইরাসভিত্তিক টিকা। টিকাটি দুই ডোজে দিতে হয়—প্রথম ডোজের তিন মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।

এর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, টিকা নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ পূর্বে ডেঙ্গু সংক্রমণের ইতিহাস না থাকলেও টিকাটি দেওয়া যেতে পারে।

কার্যকারিতা কতটা?

কিউডেঙ্গার কার্যকারিতা নিয়ে বড় পরিসরের ক্লিনিক্যাল গবেষণা হয়েছে। তাকেদার প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি তথ্য অনুযায়ী, দুই ডোজ নেওয়ার পর ৪.৫ বছর পর্যন্ত ভাইরাস-নিশ্চিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে টিকার কার্যকারিতা ছিল ৬১.২ শতাংশ এবং ডেঙ্গুর কারণে হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে কার্যকারিতা ছিল ৮৪.১ শতাংশ। গবেষণায় চার ধরনের ডেঙ্গু ভাইরাসের বিরুদ্ধেই সুরক্ষা দেখা গেছে।

তবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পাওয়া কার্যকারিতা বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিতে একই থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। টিকার প্রভাব বয়স, সংক্রমণের ধরন, ভাইরাসের সেরোটাইপ এবং স্থানীয় মহামারির পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে।

ভারতে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতে ডেঙ্গু একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে এডিস মশার বিস্তারের সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হওয়ায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এখনো ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের অন্যতম প্রধান উপায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতে ২ লাখ ৩২ হাজার ৪২৫টি ডেঙ্গু আক্রান্তের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। একই বছর বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৪৪ লাখের বেশি এবং মৃত্যু হয় ১১ হাজারের বেশি মানুষের।

২০২৫ সালের ভারতের ক্ষেত্রে WHO-এর পরবর্তী নজরদারি প্রতিবেদনে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৭২৯টি ডেঙ্গু আক্রান্তের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।

ফলে টিকা চালু হলে মশা নিয়ন্ত্রণ, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষার মতো প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবিলায় এটি একটি অতিরিক্ত হাতিয়ার হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে কিউডেঙ্গা

কিউডেঙ্গা ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে অনুমোদন পেয়েছে। তাকেদার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টিকাটির ১ কোটি ৮৬ লাখ ডোজ ১১টি ডেঙ্গু-প্রবণ দেশে বিতরণ করা হয়েছিল এবং ৪১টি দেশে এটি অনুমোদিত ছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও কিউডেঙ্গাকে প্রিকোয়ালিফাই করেছে।

ভারতে শুরুতে টিকাটি বেসরকারি বাজারের মাধ্যমে পাওয়া যাওয়ার কথা। দেশটির সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে এটি অন্তর্ভুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে।

টিকার উৎপাদন বাড়াতেও তাকেদা কাজ করছে। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি ভারতের বায়োলজিক্যাল ই. লিমিটেড-এর সঙ্গে কিউডেঙ্গার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য একটি অংশীদারত্বের ঘোষণা দেয়। লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতে বছরে ১০ কোটি ডোজ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি করা।

টিকা এলেও মশা নিয়ন্ত্রণ জরুরি

কিউডেঙ্গা বাজারে এলেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রচলিত ব্যবস্থাগুলোর গুরুত্ব কমবে না। জমে থাকা পানি অপসারণ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, মশারি বা রিপেলেন্ট ব্যবহার এবং মশার কামড় এড়িয়ে চলা—এসব পদক্ষেপ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ডেঙ্গু মূলত Aedes aegyptiAedes albopictus মশার মাধ্যমে ছড়ায়। নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন, বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতার পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে ডেঙ্গুর বিস্তারের ঝুঁকি বাড়ছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

কালের আলো/এসএ