খুঁজুন
                               
, ,
           

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

Oplus_131072

জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা নিয়ে ব্র্যাক ও ব্লাস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

শেখ হাসিনা আবারও আগামী ডিসেম্বরে আসার কথা জানিয়েছেন একটি ইন্টারভিউতে, এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার প্রত্যর্পণের চেষ্টা করছে কি করছে না, সেটা আপনি কীভাবে জানেন? অবশ্যই চেষ্টা করছে, আমি বলছি। দ্বিতীয়ত হলো- একজন ফাঁসির আসামি হলেও সে যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়, বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশে এসে সারেন্ডার করতে চায়, সেখানে হয়তো তার সারেন্ডারের আগেই অ্যারেস্ট হবে। কিন্তু, তার সেই তো অধিকার তো আছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এলে আসবেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সেখানে আইনের ব্যত্যয় করে আমরা কিছু করবো না। আইন যেভাবে আমাদের অথরিটি দিয়েছে, আমরা সে অথরিটি এক্সারসাইজ করব।

শেখ হাসিনার কাছে পাসপোর্ট নেই, এ অবস্থায় তিনি এলে কীভাবে আসবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, এটা তার সমস্যা। এটা আমার সমস্যা না। আমার চৌহদ্দির মধ্যে যখন ঢুকবেন, আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, আমি তার প্রয়োগটা করবো। দ্যাটস সিম্পল এজ ইট ইজ।

এরপর মো. আসাদুজ্জামানকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি বলেছিলেন যে, সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের আইডিয়া পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তো এখন কি সে পর্যায়ে আছে? নাকি স্পেশাল অধিবেশন ডাকতে হবে?

এ বিষয়ে তিনি বলেন, এটা এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো আলোচনায় আসেনি। আমি বলেছি সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। আমার সংবিধানে আছে, ১২৩-এর ২ অনুচ্ছেদে, রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রশ্ন এসেছিল যে, আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। তো ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে, আর আমার নেক্সট অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে ডাকতে হবে, গত অধিবেশন শেষ হওয়া থেকে আগামী অধিবেশন পর্যন্ত ৬০ দিনের মধ্যে আমার ডাকতে হবে। সুতরাং এই দুইটা টাইম যেহেতু ম্যাচ করছে, আমি সে কারণে বলছি বিশেষ অধিবেশনের আপাতত প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। যদি সরকার মনে করে, নিশ্চয়ই ডাকতে পারেন।

কালের আলো/এসএকে

বিআরটিসিতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ, মাসে ১০ হাজার টাকা ভাতা

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
বিআরটিসিতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ, মাসে ১০ হাজার টাকা ভাতা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনে (বিআরটিসি) ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ছয় মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ কর্মসূচিতে দুজন ইন্টার্ন নেওয়া হবে। নির্বাচিতরা প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

ইন্টার্নশিপে পরিবহন ব্যবস্থাপনা, যানবাহন মেরামত প্রযুক্তি, সড়ক নিরাপত্তা এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন পরিচালনা বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ থাকবে।

যোগ্যতা: সিভিল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন। পরীক্ষায় অবতীর্ণ (অ্যাপিয়ার্ড) প্রার্থীরাও নির্দিষ্ট প্রত্যয়নপত্র দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

আগ্রহীদের বিআরটিসির ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করে হাতে পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র বিআরটিসি ভবন, ২১ রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ ঠিকানায় জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

অফিশিয়াল আবেদন ফরম:
বিআরটিসি ইন্টার্নশিপ আবেদন ফরম (BRTA)

বিআরটিসির অফিসিয়াল ফরম পেজ:
বিআরটিসি অফিসিয়াল ফরমসমূহ

বিআরটিসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট:
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (BRTC)

কালের আলো/এসএ

জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা বেশি: সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা বেশি: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধরন কিছুটা ভিন্ন এবং অতীতে এসব নির্বাচনে সহিংসতা বেশি দেখা গেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের মাথায় রয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ বিষয়ে এক্সেল এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এসময় অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে নির্বাচন কমিশন অনেক শিক্ষা পেয়েছে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগের নির্বাচনের তুলনায় আরও ভালো করার চেষ্টা থাকবে। নির্বাচন কমিশন যে মানদণ্ড তৈরি করেছে, তার নিচে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই; বরং সম্ভব হলে সেই মান আরও উন্নত করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি অনেকটাই সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে দুর্গাপূজা, বর্ষাকাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা এবং স্কুলশিক্ষকদের প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে।

সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ সরকার নির্ধারণ করবে না। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করা হবে, তবে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, বিষয়টি অযথা বিলম্বিত করার মতো নয় এবং সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা নিয়ে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধরন কিছুটা ভিন্ন এবং অতীতে এসব নির্বাচনে সহিংসতা বেশি দেখা গেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের মাথায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীকে যথাযথভাবে মোতায়েন ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একা প্রস্তুতি নিলেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। পুলিশসহ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সব বাহিনী ও সংস্থার প্রস্তুতিও প্রয়োজন। নতুন সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রস্তুতি সম্পর্কে সিইসি জানান, পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনের সময় মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য পুলিশের বিদ্যমান মনিটরিং ব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে এবং সে অনুযায়ী কমিশন কাজ করছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

নিরাপদ সড়কে নতুন উদ্যোগ, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রাণহানি অর্ধেকের নিচে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ
নিরাপদ সড়কে নতুন উদ্যোগ, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রাণহানি অর্ধেকের নিচে

সালের মধ্যে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা অর্ধেকের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর আয়োজিত ‘বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস উদ্বোধন ও হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। ২০২০-২১ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ছিল। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৮৪ জনে। এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হাইওয়ে পুলিশ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সার্বিক ‘নিরাপদ সড়ক আইন’ বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও অপ্রশিক্ষিত চালকদের কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছে। চালকদের শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মহাসড়কের পাশে অপরিকল্পিত হাট-বাজার ও যত্রতত্র রাস্তা পারাপার বন্ধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ২০ বছর মেয়াদি বাস এবং ২৫ বছর মেয়াদি ট্রাক স্ক্র্যাপিং ও রিসাইক্লিং নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। দ্রুত ডাম্পিং স্টেশন স্থাপন করে পুরোনো ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন ধ্বংস বা পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে।

দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স ও সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কের প্রতি ১০ কিলোমিটারের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা নিশ্চিত করা এবং মহাসড়কসংলগ্ন হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা ইউনিট প্রস্তুত রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি এবং হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি