খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশ স্কাউটসে নিয়োগ, ২৩ পদে আবেদন

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ স্কাউটসে নিয়োগ, ২৩ পদে আবেদন

বাংলাদেশ স্কাউটস রাজস্ব খাতে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। দুটি পদে মোট ২৩ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী বাংলাদেশি প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

কোন পদে কত নিয়োগ

সহকারী পরিচালক: ২২ জন
বেতন: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড–০৯)

এই পদে আবেদনের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা ইনস্টিটিউট থেকে যেকোনো বিষয়ে অন্তত দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় শ্রেণি, বিভাগ বা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রার্থীদের কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতা এবং স্কাউটিং সম্পর্কে মৌলিক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

সহকারী প্রোগ্রামার: ১ জন
বেতন: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড–০৯)

এই পদে কম্পিউটারবিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বা তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি)-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। প্রার্থীর স্ট্রাকচার্ড বা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা থাকতে হবে এবং স্ট্যান্ডার্ড অ্যাপটিটিউড টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে।

আইটিইই (ITEE) বা সমমানের সার্টিফিকেটধারী এবং স্কাউটিংয়ে অভিজ্ঞ প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

বয়স ও অন্যান্য শর্ত

উভয় পদেই ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে।

সরকারি, আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে। বিবাহিত নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্বামীর স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করতে হবে।

আবেদন ফি কত

আবেদন ও পরীক্ষার ফি বাবদ সার্ভিস চার্জসহ মোট ৫১৫ টাকা জমা দিতে হবে। রকেট, বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে এই ফি পরিশোধ করা যাবে।

যেভাবে আবেদন

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে প্রয়োজনীয় সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্থায়ী ঠিকানার সনদ আপলোড করতে হবে। অনলাইন ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

আবেদন শুরু: ২০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০টা
আবেদনের শেষ সময়: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫টা

অনলাইন আবেদন পোর্টাল:
অনলাইনে আবেদন করুন

কালের আলো/এসএ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে ‘ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যখাতে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের সম্ভাব্য কাঠামো, পরিচালনা পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্যসেবায় এর ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে দেশের কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা, সম্ভাব্য সমস্যা, ব্যয় ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হবে।

পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও ফলাফল পর্যালোচনার পর পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সভায় স্বাস্থ্যসেবায় তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সমন্বিত এই ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ সহজে এর সুফল পান এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।

রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য তথ্যের নিরাপদ সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা সহজে পাওয়ার ব্যবস্থা রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্ল্যাটফর্ম তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এটি যেন সহজে ব্যবহারযোগ্য, ব্যয়সাশ্রয়ী ও দীর্ঘ মেয়াদে পরিচালনাযোগ্য হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। পাইলট প্রকল্পের ফলাফল যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগে, সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে একটি তথ্যবহুল উপস্থাপনা দেন প্রকৌশলী জাকারিয়া স্বপন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ও ড. শাকিরুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব মো. মামুনুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সন্ত্রাসী-মাদক কারবারিদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
সন্ত্রাসী-মাদক কারবারিদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি শান্তিনগরে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র বড় বড় হাসপাতাল, চিকিৎসক ও অন্যান্য পেশাজীবীকে টার্গেট করে ভয়ভীতি, হুমকি এবং সর্বশেষ হামলার মাধ্যমে চাঁদাবাজির চেষ্টা করছিল। চক্রটির সাত সদস্যের মধ্যে পুলিশডিবি চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, লক্ষ্মীপুর, যাত্রাবাড়ী ও সাতারকুল থেকে তিনজনকে এবং হামলার দিন ঘটনাস্থল থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের আরও কাজ করা বাকি আছে। এসব সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রকে নির্মূল করতে চাই।

আজকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকায় যারা চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি, তাদের অতিশীঘ্র হেফাজতে নিতে হবে। যারা এতে ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাঁদাবাজরা রাতারাতি কোটিপতি হতে চায়। এগুলোই হয়তো তাদের উদ্দেশ্য। তারা গডফাদারদের নামও ব্যবহার করে। পুলিশ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে। সে বিদেশে ছিল। হুন্ডি ব্যবসায় লোকসান খেয়ে দেশে এসে কিছু সন্ত্রাসীকে একত্রিত করে চক্রটি গড়ে তুলেছে। তাদের টার্গেট ছিল ধনাঢ্য ব্যক্তিরা।

তিনি আরও বলেন, আমরা শুধু চাঁদাবাজদের তালিকা করছি না; চাঁদাবাজদের সঙ্গে যদি কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকেন, তাদের তালিকাও করছি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চলচ্চিত্রকে টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন: জহির উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
চলচ্চিত্রকে টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন: জহির উদ্দিন স্বপন

চলচ্চিত্রকে টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতানীতিগত সহায়তা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর মধুমিতা সিনেমা হলে চলচ্চিত্র উৎসব ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দেশের চলচ্চিত্রশিল্প এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একসময় দেশে প্রায় ৮৪০ থেকে ৮৫০টি সিনেমা হল ছিল।

এখন দর্শক যায় এমন সিনেমা হলের সংখ্যা কমে প্রায় ১১৪টিতে নেমে এসেছে। মধুমিতা সিনেমা হলও এখন মূলত দুই ঈদে বেশি সক্রিয় থাকে বলে অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন তিনি।

চলচ্চিত্রের এই সংকটের পেছনে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, রেডিও, ট্রানজিস্টর, ক্যামেরা, ক্যাসেট প্লেয়ার ও সিডির মতো একসময়কার জনপ্রিয় উপকরণ এখন অনেকটাই ইতিহাসের অংশ। একটি মোবাইল ফোনেই এখন সিনেমা দেখা, গান শোনা, ছবি তোলা ও ভিডিও করা যায়। এই পরিবর্তন মানুষের বিনোদনের ধরনমনোজগতেও পরিবর্তন এনেছে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দর্শকের এই পরিবর্তিত মনোজগত বুঝতে না পারলে শুধু ঈদ বা কোরবানির সময় সিনেমা হলে দর্শক আসবে। তাই নির্মাতাদের নতুন দর্শক এবং ডিজিটাল বাজারকে বুঝতে হবে।

তিনি বলেন, এখন বিনোদন কনটেন্টের বড় বাজার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। ডিজিটাল মার্কেটপ্লেসে চলচ্চিত্র ও অন্যান্য কনটেন্ট পৌঁছে দিতে পারলে দর্শক নিজের ডিজিটাল ডিভাইসে তা দেখতে পারবেন এবং ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে নির্মাতারাও অর্থ পাবেন। এতে চলচ্চিত্রের আয়ের সুযোগ প্রচলিত সিনেমা হলনির্ভর ব্যবস্থার তুলনায় অনেক বাড়তে পারে।

চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, উদ্যোক্তা, নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীদের দায়িত্ব শুধু তাঁদের নিজেদের ওপর ছেড়ে দিলে হবে না। এই খাতের জন্য রাষ্ট্রকে নীতিগত সহায়তা দিতে হবে।

তিনি বলেন, চলচ্চিত্র এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ও কল্যাণবোধ তৈরি করা সম্ভব। এ কারণে চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ধরে রাখতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে।

অনুষ্ঠানে গুণী শিল্পীদের সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগের প্রশংসা করেন জহির উদ্দিন স্বপন। নিজের কৈশোর ও তারুণ্যের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, যাঁদের সিনেমা দেখে ও গান শুনে একটি প্রজন্মের রুচি ও সংস্কৃতিবোধ তৈরি হয়েছে, তাঁদের সামনে উপস্থিত হতে পারা এবং সম্মান জানাতে পারা তাঁর জন্য বিরল সুযোগ।

তিনি বিশেষভাবে কিংবদন্তি শিল্পীদের মধ্যে সুজাতা, আজিম ও সুচন্দার নাম উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে যেসব গুণী শিল্পী এরই মধ্যে প্রয়াত হয়েছেন, তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, অভিনেতা আব্দুল আজিজ, অভিনেত্রী দিলারা জামান এবং সিনেমা হল মালিক সমিতির সভাপতি ও মধুমিতা হলের মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ