খুঁজুন
                               
, ,
           

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

নিরাপদ সড়কে নতুন উদ্যোগ, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রাণহানি অর্ধেকের নিচে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ
নিরাপদ সড়কে নতুন উদ্যোগ, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রাণহানি অর্ধেকের নিচে

সালের মধ্যে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা অর্ধেকের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর আয়োজিত ‘বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস উদ্বোধন ও হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। ২০২০-২১ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ছিল। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৮৪ জনে। এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হাইওয়ে পুলিশ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সার্বিক ‘নিরাপদ সড়ক আইন’ বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও অপ্রশিক্ষিত চালকদের কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছে। চালকদের শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মহাসড়কের পাশে অপরিকল্পিত হাট-বাজার ও যত্রতত্র রাস্তা পারাপার বন্ধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ২০ বছর মেয়াদি বাস এবং ২৫ বছর মেয়াদি ট্রাক স্ক্র্যাপিং ও রিসাইক্লিং নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। দ্রুত ডাম্পিং স্টেশন স্থাপন করে পুরোনো ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন ধ্বংস বা পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে।

দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স ও সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কের প্রতি ১০ কিলোমিটারের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা নিশ্চিত করা এবং মহাসড়কসংলগ্ন হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা ইউনিট প্রস্তুত রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি এবং হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম সফর স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম সফর স্থগিত

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ৩০ ও ৩১ আগস্ট দুই দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাওয়ার কথা ছিল তার।

বুধবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হক।

জেলা প্রশাসক বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আগামী ৩০ ও ৩১ আগস্ট ঠাকুরগাঁও সফরের কথা ছিল। অনিবার্য কারণে সফরটি স্থগিত করা হয়েছে। তবে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে নতুন সফরসূচি নির্ধারণ করা হতে পারে।

এর আগে রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছিল জেলা প্রশাসন। প্রশাসনিক ব্যবস্থা, আবাসন, যানবাহনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

গত সোমবার (২৪ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের আপন বিভাগের প্রটোকল শাখা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৩০ ও ৩১ আগস্ট ঠাকুরগাঁও জেলা সফর করবেন। সফর শেষে ৩১ আগস্ট তার ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। একই চিঠিতে রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের গমনাগমনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা, আবাসন ও যানবাহনের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সফরের বিস্তারিত সূচি ও সফরসঙ্গীদের অনুমোদিত তালিকা পরে পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছিল।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুলের প্রথম সফর ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক আগ্রহ। তার সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দফতরেও শুরু হয়েছিল প্রস্তুতি। তবে শেষ পর্যন্ত অনিবার্য কারণে সফরটি স্থগিত করা হলো।

এর আগে গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে পরাজিত করেন।

পরদিন ২১ আগস্ট সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা রিজভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
ঈদে মিলাদুন্নবীতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা রিজভীর

মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং কল্যাণ কামনা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা ও কল্যাণ কামনা করেন।

বাণীতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ), এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে এক সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাব হয়। এই শিশুর শুভাগমনে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর অসীম শান্তি ও অফুরন্ত কল্যাণ কামনা করছি। তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিশ্বমানবের নিকট এক অসাধারণ আলোকবর্তিকা, শান্তি-সংগ্রাম-সম্প্রীতি ও মূল্যবোধের আঁধার চরম সত্যবাদী ও পরম বিশ্বস্ত হযরত মোহাম্মদ (সা.)। তার কালজয়ী মূল্যবোধ, মানবতা, সহমর্মিতা, উদারতা ও মানুষের প্রতি সহানুভূতি মানবজাতির কাছে চিরকালীন এক পরম শিক্ষা হয়ে থাকবে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, কৈশোরকাল থেকেই মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) মিথ্যার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা ছিলেন। তিনি কোনো দিন আমানতের খেয়ানত করেননি। অন্যের উপকার করাকে তিনি পরম কর্তব্য বলে মনে করতেন। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)।

তিনি বলেন, পরম সত্যের সন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুয়াত লাভ করেন। কঠোর পরিশ্রমী প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে তিনি তাওহিদের বাণী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আল্লাহ তাআলা পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ করেন। এটি মানবজাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক মুক্তির যাবতীয় নির্দেশাবলি অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষকে পরিপূর্ণ ও মর্যাদাশীল করে তোলে।

তিনি আরও বলেন, তার জীবন ও কর্ম অনুসরণের মাধ্যমে মুসলিমরা শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠাসহ নিজেদের জীবনকে সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করার অনুপ্রেরণা পায়।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমি শেষ নবী সাইয়েদুল মুরসালিন হযরত মোহাম্মদ (সঃ)-এর প্রতি সালাম জানাই।’ বাণীটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে মুক্তিযোদ্ধা দলের শ্রদ্ধা নিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে মুক্তিযোদ্ধা দলের শ্রদ্ধা নিবেদন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিএনপির সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে সংগঠনটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি এম এ শহীদ বাবলুসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ