খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

৬ মাস পর জামিনে মুক্ত বাউল শিল্পী আবুল সরকার

গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
৬ মাস পর জামিনে মুক্ত বাউল শিল্পী আবুল সরকার

ধর্ম অবমাননা ও কটূক্তির অভিযোগের মামলায় প্রায় ছয় মাস কারাবাস শেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন মানিকগঞ্জের বাউল শিল্পী ও পালাকার আবুল সরকার।

সোমবার (১৩ এপ্রিল)  বেলা ১১টা ২০ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে তিনি মুক্তি পান।

কারাগার থেকে বের হয়ে প্রথমে তিনি রিকশায় করে ফটকে আসেন। পরে সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাস করে তিনি এলাকা ত্যাগ করেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তবে অসুস্থ থাকায় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার হালিমা খাতুন বলেন, জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে অন্য কোনো মামলা না থাকায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আবুল সরকার মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার চর তিল্লী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত আমজাদ আলীর ছেলে।

গত বছরের ২০ নভেম্বর রাতে মাদারীপুরে একটি গানের আসর থেকে আবুল সরকারকে আটক করে মানিকগঞ্জ ডিবি পুলিশের একটি দল। পরদিন ঘিওর বন্দর মসজিদের ইমাম আবদুল্লাহ বাদী হয়ে আবুল সরকারকে আসামি করে ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

৬ এপ্রিল বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের বেঞ্চ আবুল সরকারকে জামিনে মুক্তির আদেশ দেয়।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ইউনিয়নের পারতিল্লীর বাসিন্দা আবুল সরকার এলাকায় বাউলশিল্পী ‘ছোট আবুল সরকার’ নামে পরিচিত। তিনি কোক স্টুডিও বাংলার জনপ্রিয় গান ‘কথা কইয়ো না’-এর কণ্ঠশিল্পী আলেয়া বেগমের স্বামী।

বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে গ্রেপ্তার ও মানিকগঞ্জে বাউলশিল্পী ও অনুসারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শুরু থেকেই সোচ্চার ছিল বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। তার মুক্তির দাবিতে গত ২৫ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিল ‘গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য’

কালের আলো/এসআর/এএএন

৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে একনেকে ১০ প্রকল্পের অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে একনেকে ১০ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- নতুন ৫টি, সংশোধিত ৩টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধির ২টি প্রকল্প। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

জানা গেছে, অনুমোদিত ১০ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হলো চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে কক্সবাজারের ঈদমনি পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রকল্পটির মাধ্যমে আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীত করা হবে।

এছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায় নেয়া হয়েছে ‘সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় দেশের ৩৩টি জেলার সার্কিট হাউস এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজনের প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে অনুমোদন পেয়েছে ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২’।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ঢাকা সিএমএইচে ক্যানসার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো—‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন এবং দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন।

এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও দেশে নিবন্ধিত সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ : সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও দেশে নিবন্ধিত সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ : সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ডাক বিভাগের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস বা পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। ইতোমধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই তথ্য জানান।

এ সময় মন্ত্রী সংসদে আরও জানান, দেশের ই-কমার্স ও এফ-কমার্স খাতকে বড় পরিসরে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রসেসিং, বুকিং, সর্টিং, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সংসদে ডাক বিভাগের সেবার মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়ন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, জনসাধারণের সুবিধার্থে সরকারি ডাক সেবার গতি বৃদ্ধি এবং কার্যক্রম সম্প্রসারণের আওতায় বর্তমানে ভূমির ডকুমেন্টস হোম ডেলিভারি, পাসপোর্ট বাল্ক ডেলিভারি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হোম ডেলিভারি কার্যক্রম সফলভাবে চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ই-কমার্স পণ্যের ক্যাশ অন ডেলিভারি সেবা চালুর বিষয়টিও এখন প্রক্রিয়াধীন আছে।

এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক কার্যক্রমের আওতায় ভিডিও মামলা ও ট্রাফিক নোটিশ সংশ্লিষ্ট প্রাপকের ঠিকানায় ডাকযোগে সফলভাবে পাঠানো হচ্ছে।

ডিজিটাল সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ডিএমএস বা ডমিস্টিক মেইল মনিটরিং সিস্টেম সফটওয়্যারের মাধ্যমে এখন পণ্যের অনলাইন ভিত্তিক রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং ও ট্রেসিং সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সারা দেশে সবচেয়ে কম মূল্যে চিঠি ও পার্সেল বিলি এবং ইএমএস বা এক্সপ্রেস মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে বিদেশে সাশ্রয়ী মাশুলে পার্সেল প্রেরণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। এমনকি দেশের বিভিন্ন ফল উৎপাদনকারী অঞ্চল থেকে সবচেয়ে কম খরচে, নিরাপদে ও দ্রুততম সময়ে মৌসুমি ফল পরিবহনের কাজও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে করা হচ্ছে। চলমান এই পরিকল্পনাগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ডাক বিভাগের সেবা দেশের মানুষের জন্য আরো বেশি কার্যকরী ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠবে।

এদিকে একই দিনে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মহিলা আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দেশের মোবাইল গ্রাহকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে সক্রিয় ও বৈধ মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সংখ্যা ৪টি।

কোম্পানিগুলো হলো- যথাক্রমে সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বেসরকারি তিন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

মন্ত্রী সংসদে নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে এই ৪টি মোবাইল কোম্পানির অধীনে দেশজুড়ে মোট বৈধ রেজিস্ট্রার্ড সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮২ লক্ষে।

কালের আলো/এসএকে

পাবনায় কিশোরীকে ধষর্ণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, দগ্ধ হয়ে নিহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
পাবনায় কিশোরীকে ধষর্ণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, দগ্ধ হয়ে নিহত ৩

পাবনা সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পার্শ্ববর্তী নতুনপাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে সাপু।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৩ জুন) বিকেলে পাবনার ভাঁড়ারায় পদ্মা নদীতে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরের দিন ৪ জুন তার মরদেহ দাফন করা হয়। দাফন শেষে উত্তজিত জনতা আসামিদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আশপাশের বেশ কয়েকজন  দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় আসামিপক্ষের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। দগ্ধরা সবাই প্রতিবেশী ও আশপাশের মানুষ এবং উৎসুক জনতা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল একজন এবং আজকে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ, পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পিরপুরে পদ্মা নদীতে এক কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আসামিরা ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি